খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মনিরামপুরে মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষনের অভিযোগ : ধর্ষক আটক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ২৪ মে, ২০২০, ১০:৪৩ পূর্বাহ্ণ
মনিরামপুরে মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষনের অভিযোগ : ধর্ষক আটক

মনিরামপুর (যশোর):বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে মণিরামপুরে এক মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষন করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই ঘটনায় হারুন অর রশিদ নামে এক পল্লী চিকিৎসকে আটক করা হয়েছে। শনিবার ওই মাদ্রাসা ছাত্রী বাদি হয়ে মনিরামপুর থানায় মামলা করে। পরে পুলিশ হারুনকে আটক করে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরন করে।

মামলার তদন্তকারী অফিসার (এসআই) সৈয়দ আজাদ জানিয়েছেন, কেশবপুর উপজেলার খতিয়াখালী গ্রামের মহির উদ্দিনের ছেলে পল্লী চিকিৎসক হারুন অর রশিদ কয়েক মাস আগে বিয়ে করার জন্য ঘটকের সাথে পাত্রী দেখতে আসেন মনিরামপুরের শ্যামকুড় ইউনিয়নের বাঙ্গালীপুর গ্রামে নবম শ্রেণীতে পড়ুয়া এক মাদ্রাসা ছাত্রীকে। পাত্রী দেখে হারুনের পছন্দ হয়। কিন্তু বিয়ের দিন নির্ধারন না করে ওই পাত্রীর সাথে হারুন মোবাইল ফোনে প্রায়ই কথাবার্তা বলেন।

এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক তৈরী হয়। সেই সূত্র ধরে হারুন ওই মাদ্রাসা ছাত্রীকে বেড়ানোর কথা বলে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শারিরীক সম্পর্ক স্থাপন করে। ওই ছাত্রী জানিয়েছেন, বিয়ের কথা বললে হারুন আজ না কাল বলে সময় ক্ষেপন করে । এক পর্যায়ে তাকে ব্লাকমেইল করে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে দিনের পর দিন ধর্ষণ করে আসছে। এরই মধ্যে সু-চতুর হারুন তার প্রেমিকা মাদ্রাসা ছাত্রীকে বিয়ে না করে গতমাসে অন্যত্র বিয়ে করে। আর এই খবর জানতে পেরে ওই ছাত্রী গত বৃহস্পতিবার কেশবপুরের খতিয়াখালী গ্রামে হারুনের এক আত্বিয়ের বাড়িতে আশ্রয় নেয়। পরে খবর পেয়ে হারুন সেখানে আসলে ওই ছাত্রী তাকে বিয়ের জন্য চাপ প্রয়োগ করে।

এক পর্যায়ে হারুন শুক্রবার ভোররাতে ওই ছাত্রীকে সাথে নিয়ে বাঙ্গালীপুর গ্রামে তার পিতার বাড়িতে আসে। এই সময় ওই ছাত্রী তার অভিভাবকদের জানিয়েছে, বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে হারুন তাকে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করে। ফলে অভিভাবকরা হারুনকে আটকিয়ে থানায় খবর দেয়। পরে পুলিশ শনিবার বেলা ১২ টার দিকে সেখানে থেকে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।

মণিরামপুর থানার ওসি(তদন্ত) শিকদার মতিয়ার রহমান জানিয়েছেন , ধর্ষনের ঘটনায় ওই ছাত্রী বাদি হয়ে হারুনের বিরুদ্ধে মামলা করে। পরে পুলিশ তাকে আদালতে চালান দেয়। আদালত হারুনকে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

২৪ ঘণ্টা/এম আর/নিলয়

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…