খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

করোনা/ হবু স্বামীর টানে ৮০ কিলোমিটার পায়ে হেটে কনে গেলেন বরের বাড়ি, মাস্ক পরেই বিয়ে!

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ২৪ মে, ২০২০, ১২:২৪ অপরাহ্ণ
করোনা/ হবু স্বামীর টানে ৮০ কিলোমিটার পায়ে হেটে কনে গেলেন বরের বাড়ি, মাস্ক পরেই বিয়ে!

২৪ ঘণ্টা ডট নিউজ। ডেস্ক নিউজ : করোনা ভাইরাসের কারণে ভারতে প্রায় ২ মাস ধরে চলা লকডাউনের জেরে অসংখ্য বিয়ে পিছিয়ে গেছ। তবে নিজরবিহীন ভাবে বিয়ে সেরেছেন অনেকেই। কেউ ভিডিও কলে বিয়ে করেছেন। কোনও ক্ষেত্রে আবার পাত্র বা পাত্রী কিলোমিটারের পর কিলোমিটার হেঁটে পৌঁছেছেন গন্তব্যে।

এমনই একটা চমকপ্রদ বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে ভারতের উত্তর প্রদেশে। করোনাভাইরাসে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ভারতে লকডাউনের মধ্যে ৮০ কিলোমিটার পায়ে হেঁটে হবু স্বামীর বাড়িতে গেছেন এক তরুণী।

শুধুমাত্র বিয়ে করবে বলে উত্তরপ্রদেশের কানপুর থেকে ৮০ কিলোমিটার দূর পথ পায়ে হেঁটে বছর ২০-র ওই তরুণী একাই এতটা পথ সফর করেছেন।

জানা গিয়েছে, গত ৪ মে বিয়ের দিন ঠিক হয়েছিল এই তরুণীর। তবে বাধ সেধেছিল লকডাউন। গত মার্চ থেকেই ভারতে যান চলাচল বন্ধ। তবে থেমে ছিল না যোগাযোগ। ফোনেই একে অন্যের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে গেছেন গোল্ডি এবং তার হবু বর বীরেন্দ্র কুমার (২৩)।

বিয়ে পিছিয়ে যাওয়ায় মুষড়ে পড়েছিলেন দুজনেই। লকডাউন ঘোষণার পর তাদের বিয়ে দুবার ভেস্তে যাওয়ায় দুজনেই বেশ বিষন্ন হয়ে পড়েন। অবশেষে গত বুধবার সাহসী পদক্ষেপ নিলেন কনে গোল্ডি।

ওই দিন বিকালে কানপুরের লক্ষণপুর তিলক গ্রামের গোল্ডি সিদ্ধান্ত নেন তিনি কনৌজের বৈশ্যপুরে বীরেন্দ্রদের বাড়ি হেঁটেই যাবেন। তবে গোল্ডি যে তাঁদের বাড়িতে আসছেন একথা কাউকেই জানাননি বীরেন্দ্র। হবু বউমার আচমকা আগমনে খানিক হতবাক হয়ে যায় পাত্রের পরিবার।

মুহুর্তেই বীরেন্দ্রর বাড়িতে সাজো সাজো রব পড়ে যায়। তবে সামাজিক দূরত্বের নিয়ম মেনে স্থানীয় এক মন্দিরেই সম্পন্ন হয় বিয়ে তাদের। পাত্র-পাত্রী মাস্ক পরেই বসেছিলেন বিয়ে পিঁড়িতে। সোশ্যাল ডিসট্যান্স বজায় রাখার জন্য হাতেগোনা ঘনিষ্ঠ কয়েকজন ছাড়া বিয়ে হাজির ছিলেন না কেউই।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, কনের গায়ে ছিল লাল শাড়ি, ওড়না এবং বর পরেছিলেন সাদা শার্ট আর জিন্সের প্যান্ট। তবে তারা দু’জনেই মাস্ক পরে ছিলেন। ওই বিয়েতে এক সমাজকর্মীও উপস্থিত ছিলেন।

২৪ ঘণ্টা/ রাজীব প্রিন্স

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…