খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ছুটি বাতিল করার সরকারী সিদ্ধান্তে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের উদ্বেগ প্রকাশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে, ২০২০, ৮:২৩ অপরাহ্ণ
ছুটি বাতিল করার সরকারী সিদ্ধান্তে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের উদ্বেগ প্রকাশ

চট্টগ্রামসহ সারাদেশে করোনা আক্রান্ত রোগী ও মৃত্যুর সংখ্যা দিন দিন ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়ে যখন আতঙ্কজনক পর্যায়ে ঠিক তখনই ছুটি বাতিল করে যান চলাচলসহ সব প্রতিষ্ঠান চালু করার সরকারী সিদ্ধান্তে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের বিভাগীয় সহসভাপতি ও নগর যুবদলের সভাপতি মোশাররফ হোসেন দীপ্তি এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের বিভাগীয় সহ-সাধারণ সম্পাদক ও নগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ শাহেদ।

আজ শনিবার (৩০ মে) এক যৌথ বিবৃতিতে নেতৃদ্ধয় বলেন, করোনাভাইরাস সারাদেশে মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়ে দুর্যোগময় পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে। সারাদেশের তুলনায় চট্টগ্রামে গত কয়েকদিনে করোনা সংক্রমন ও মৃত্যুর সংখ্যা অনেক বেশি বলে প্রতীয়মান হয়েছে।

এর কারন হিসেবে চট্টগ্রামের দূর্বল চিকিৎসা ব্যবস্থাকে দায়ী করে তাঁরা বলেন, চট্টগ্রামের চিকিৎসা ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ভেঙ্গে পড়েছে। করোনা আক্রান্তদের জন্য হাসপাতালে পর্যাপ্ত আইসিইউ, অক্সিজেন, সিলিন্ডার ও বেডের ব্যবস্থা নেই। স্বাস্থ্যখাতে লাগামহীন সরকারী লুটপাট ও অব্যবস্থাপনার কারনে করোনা রোগীরা চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

হাসপাতালে গিয়ে করোনা রোগীরা ভর্তি হতে পারছেনা। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রোগী ও তাঁদের স্বজনেরা এ হাসপাতাল থেকে ও হাসপাতালে দৌঁড়াচ্ছেন। বিনাচিকিৎসায় রোগী মারা যাচ্ছে। চট্টগ্রামের মানুষ আজ চিকিৎসাবিহীন মরণের ভয়ে ভীত। স্বাস্থ্য খাতের দৈন্যতার কারণে শুধু করোনা আক্রান্ত নয়, সাধারণ অন্যান্য রোগে আক্রান্ত রোগীরাও চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

চট্টগ্রামে বর্তমানে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় তিন হাজার। অথচ চট্টগ্রামের করোনা হাসপাতালে বেড আছে মাত্র ৩১০ টি। এই পরিস্থিতিতে চিকিৎসা সুবিধা বাড়ানো খুবই জরুরী। এছাড়া ক্রমবর্ধমান মৃত্যুর সংখ্যা কোনভাবেই নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না।

চিকিৎসা ব্যবস্থা ঢেলে সাজানোটা যখন জরুরী তখন সরকার আগামীকাল ৩১ মে থেকে সব প্রতিষ্ঠান খুলে দিতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে, যা আত্মহত্যার নামান্তর।

করোনা সংক্রমণ এড়ানোর আগাম প্রস্তুতির অনেক সুযোগ থাকলেও সরকার চরম অবহেলা ও তাচ্ছিল্যের সাথে সব সুযোগ নষ্ট করে পুরো দেশকে আজ ঝুঁকির মুখে দাঁড় করিয়েছে। প্রাথমিক অবস্থায় করোনা রোগীদের সেবা দিতে সরকার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি বলেই চট্টগ্রামে মৃত্যু ও সংক্রমণ ব্যাপকহারে বৃদ্ধি পেয়েছে। পোশাক কারখানা ও দোকানপাট বন্ধের বিষয়ে শিথিলতার কারণে চট্টগ্রামে সামাজিক দূরত্ব ব্যবস্থাও ভেঙ্গে পড়ে। এটাও চট্টগ্রামে করোনা আক্রান্ত রোগী ও মৃত্যুর হার বৃদ্ধির অন্যতম কারণ।

চট্টগ্রামে লকডাউন দেওয়ার আহবান জানিয়ে তাঁরা বলেন, অর্থনীতির স্বর্ণদ্বার খ্যাত বন্দর নগরী চট্টগ্রামে করোনার ব্যাপক বিস্তার গোটা দেশকেই অচল করে দিতে যথেষ্ট। এই দূর্যোগপূর্ণ মুহূর্তে সরকার ছুটি বাতিল করে ব্যাপকহারে করোনাভাইরাস সংক্রমণের রাস্তা তৈরি করছে। এই আত্মঘাতী সিদ্ধান্তের ফলে সৃষ্ট পরিণতির জন্য সরকারই দায়ী থাকবে। জনগণের প্রতি বিনা ভোটে গঠিত আওয়ামী লীগ সরকারের কোনো দায়বদ্ধতা না থাকায় তারা একের পর এক আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত নিয়ে দেশকে ভয়ঙ্কর পরিণতির দিকে নিয়ে যাচ্ছে।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

 

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…