খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সীতাকুণ্ডে চাদাঁ না দেওয়ায় সন্ত্রাসী হামলা, মামলা নেয়নি পুলিশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২০, ৭:৩৪ অপরাহ্ণ
সীতাকুণ্ডে চাদাঁ না দেওয়ায় সন্ত্রাসী হামলা, মামলা নেয়নি পুলিশ

সীতাকুণ্ড প্রতিনিধি:সীতাকুণ্ডের বাড়বকুণ্ড ইউনিয়ের মুসা কলোনী সংলগ্ন আমতল এলাকায় এক খামারী থেকে চাঁদা দাবী করে না পেয়ে খামার ভাঙ্গচুর করে ছাগল চুরি করে নিয়ে গিয়ে খামারীকে হত্যা চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে।

ঈদের আগে থেকে স্থানীয় মহিলা মেম্বারের ছেলেসহ একদল সন্ত্রাসী বাড়কুণ্ডের চৌধুরী পাড়ার জালাল আহম্মদের ছেলে খামারি সাদ্দাম এর কাছে ১লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিলো। চাঁদা দিতে অপারগতা প্রকাশ করায় খামারির ছাগল পালনের ঘরটি ঈদের দিন দুপুরে ভাংচুর করে।

এতে খামারের কেয়ারটেকার চাঁন মিয়ার ছেলে কায়ছার (২৫) বাধা প্রদান করলে তার উপর হামলা করে গুরুতর অবস্থায় রেখে খামার থেকে ৬টি ছাগল নিয়ে চলে যায়।

এবিষয়ে সাদ্দাম জানান, অনেক কষ্টের বিনিময়ে কিস্তির টাকা দিয়ে ঘর তৈরি করে খামারে ৩০টি ছাগল ও একটি ঘোড়া নিয়ে খামার চালু করি। খামারটি চালু করার পর থেকে বাড়বকুণ্ড ইউনিয়নের ৪,৫ ও ৬নং মহিলা সদস্য পারুল আক্তারের ছেলেসহ একদল সন্ত্রাসী দীর্ঘদিন যাবৎ চাঁদা দাবি ও না দিলে খামার ছেড়ে চলে যেতে বলে আসছিল। চাঁদা না দেওয়াতে আমি ও আমার কর্মচারী উপর হত্যার উদ্দেশ্যে অস্ত্রসস্ত্রসহ কর্মচারীর ছেলেকে হামলা চালিয়ে রক্তাক্ত করে। আমার খামার ঘরটি চাইনিজ কুড়াল দিয়ে কেটে তছনছ করে খামার থেকে ৬টি বড় ছাগল নিয়ে যায় সন্ত্রসীরা। প্রাণে রক্ষা পেয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা শেষে এবিষয়ে থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ মামলা নেয়নি। ঈদের দিন আমি দীর্ঘক্ষণ থানায় অবস্থান করার পর ডিউটি অফিসার বলেছেন, আজ ঈদ কোন মামলা নেওয়া হবে না।

বৃহস্প্রতিবার (৪ জুন) আবারো চাঁদা দাবি করে চাঁদা না দিলে প্রকাশ্যে হত্যার করার হুমকি দিয়ে যায় সন্ত্রাসী বাহিনী।

এবিষয়ে জানতে মহিলা সদস্য পারুলকে মুঠোফোনে কল দিলে তিনি জানান, চাঁদা দাবি ও ছাগল চুরির বিষয়টি সঠিক না, তবে আমার ছেলেসহ এলাকার লোকজন তার যে ঘর ভেঙ্গেছে সেটি মদ তৈরি করার ঘর। তবে ঘর ভাঙ্গার বিষয়টি বিচার করে স্থানীয়ভাবে মিমাংসা করা হবে।

২৪ ঘণ্টা/এম আর/দুলু

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…