খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মিরসরাইয়ের আলমগীর রোটারি ক্লাব অব চিটাগং হিলটাউনের সভাপতি নির্বাচিত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ৬ জুন, ২০২০, ২:২১ অপরাহ্ণ
মিরসরাইয়ের আলমগীর রোটারি ক্লাব অব চিটাগং হিলটাউনের সভাপতি নির্বাচিত

মিরসরাই (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:মিরসরাইয়ের কৃতি সন্তান ও ক্ষুদ্র ঋণ প্রকল্প অপকা’র ব্যাবস্থাপনা পরিচালক মো: আলমগীর আগামী এক বছরের জন্য রোটারি ক্লাব অব হিলটাউনের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত করা হয়েছে।

শুক্রবার (৫ জুন) অনুষ্ঠিত রোটারি ক্লাব অব চিটাগং হিলটাউনের বোর্ডসভায় ক্লাব ভাইস-প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ আলমগীরকে সর্বসম্মতিক্রমে আগামী রোটাবর্ষের(২০২০-২০২১)সভাপতি নির্বাচন করা হয়।

তিনি আগামী ১ জুলাই থেকে ৩০জুন পর্যন্ত (একবছর) এ ক্লাবের সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

রোটারি ইন্টারন্যাশনালের সভাপতি, জেলা গভর্নর, ক্লাব সভাপতি-সেক্রেটারিসহ সকল পদের মেয়াদ একবছর।

সমাজউন্নয়ন সংগঠন অর্গানাইজেশন ফর দ্য পুওর কমিউনিটি অ্যাডভান্সমেন্ট(অপকা)’র প্রতিষ্ঠাতা নির্বাহী পরিচালক রোটারিয়ান মোহাম্মদ আলমগীর আমজনতার আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের পাশাপাশি সমাজের সর্বস্তরের সুবিধাবঞ্চিত ও অবহেলিত মানুষের মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার প্রত্যয়ে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন।

চাকরি-বাকরি ছাড়াও জীবনে প্রতিষ্ঠালাভের নানান পথ রয়েছে। আত্মপ্রত্যয় ও ইচ্ছাশক্তি থাকলে শুধু নিজেকে প্রতিষ্ঠা নয়, সমাজউন্নয়নের পাশাপাশি জাতীয় অগ্রগতি ও উন্নয়নে যে অবদান রাখা যায় মাতৃভূমির সীমানা ডিঙ্গিয়ে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও নিজেকে তোলে ধরা যায়-তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত অপকা’র স্বপ্নদ্রষ্টা রোটারিয়ান মোহাম্মদ আলমগীর।

দীর্ঘসময় ধরে সমাজউন্নয়নে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে একজন সফল এনজিও ব্যক্তিত্ব হিসেবে তিনি নিজস্ব জায়গা করে নিয়েছেন। দারিদ্র্য বিমোচন, নিরক্ষরতা দূরিকরণ, বনায়ন, বেকারসমস্যার সমাধান,প্রতিবন্ধী ও উপজাতি লোকজনের অবস্থার উন্নয়ন, ধূমপান ও মাদকতাবিরোধী অভিযান, কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, ক্রীড়াসহ বিভিন্ন সমাজউন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে আলমগীরের হাতেগড়া সংগঠন অপকা এ দেশে বিশেষকরে মীরসরাইসহ বৃহত্তর চট্টগ্রামের আপামর জনগণের মধ্যে শক্তিশালী অবস্থান করে নিয়েছে।

বহু দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত সহায়হীন মানুষ আলমগীরের স্বপ্নের কাছে নানানভাবে ঋণী।

অপকা এখন শুধু একটি সংগঠনের নাম নয়, সামাজিক বিপ্লবের সমার্থক শব্দ হিসেবে জনমনে ঠাঁই করে নিয়েছে।

কালক্রমে অপকা আর আলমগীর এখন একাকার ; আলমগীর এখন শুধু ব্যক্তিবিশেষ নন, প্রতিষ্ঠান।

এদিকে রোটারিয়ান আলমগীর তাঁর জন্মস্থান মীরসরাই উপজেলার জোরারগঞ্জে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের গা ঘেঁষে কয়েককোটি টাকা ব্যয়ে মীরসরাই অটিজম সেন্টার প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছেন। মানবতাবাদী স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন রোটারি ইন্টারন্যাশনাল এ মহতি উদ্যোগকে সক্রিয় সমর্থন জানিয়েছে। এ বিশাল প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্যে রোটারিয়ান মোহাম্মদ আলমগীর নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন।

রোটারিয়ান আলমগীর ১৯৭১ সালের ২ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার জোরারগঞ্জ হাজ্বীস্বরাই গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।বাবা মরহুম সফিউল্যাহ মা জরিনা বেগম। ৩ ভাই ও ১বোনের মধ্যে আলমগীর দ্বিতীয়। তিনি স্থানীয় উত্তর হাজীস্বরাই নিরদাসুন্দরী প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে প্রাথমিক, জোরারগঞ্জ আদর্শ উচ্চবিদ্যালয় থেকে এসএসসি (১৯৮৬) বিজ্ঞানে প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হন।নিজামপুর কলেজ থেকে এইচএসসি (১৯৮৮) ও বিএসএস (১৯৯০) ও চট্টগ্রাম কলেজ থেকে এমএসএস (১৯৯৫) ডিগ্রি লাভ করেন।

রোটারিয়ান আলমগীর মিরসরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমিটি’র উপদেষ্টা, মিরসরাই কবিতা পরিষদের পৃষ্টপোষক, মিরসরাই উপজেলা সৌহার্দ্য সমন্বয় কমিটির সদস্য-সচিব, চট্টগ্রাম পিইইআর এর টীমলিডার, সিএএইচডি নেটওয়ার্কএর মহাসচিব, উত্তর হাজিস্বরাই জামে মসসিদ পরিচালনা কমিটির সাবেক সম্পাদক ও বর্তমান সদস্য, মিরসরাই সড়ক যোগাযোগ ও নিরাপত্তা কমিটি, উপজলা জন্মনিবন্ধন টাক্সফোর্স, মসজিদভিত্তিক গণশিক্ষা কার্যক্রম, উপজেলা প্রতিবন্ধী ও এসিডদগ্ধ কমিটি উপকূলীয় বনায়ন কমিটির সদস্য।

এছাড়া তিনি বারইয়াহাট জন্মনিবন্ধন টাক্সফোর্স, মিরসরাই উপজেলা স্যানিটেশন কমিটি, দুর্নীতি দমন কমিটি ও বারইয়াহাট ডিগ্রি কলেজ পরিচালনা পরিষদের সদস্য।অন্যদিকে তিনি আর্থ-সামাজিক উন্নয়নমূলক ম্যাগাজিন ‘উন্নয়ন’ এর সম্পাদক ও মিরসরাই বার্তা’র ম্যানেজিং পার্টনার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
ব্যক্তিগতজীবনে আলমগীর এককন্যা ও একপুত্র সন্তানের জনক। সহধর্মিনীর নাম নুরসাত জাহান কলি। তাদের মেয়ে ইসরাত জাহান আকিকা আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে বিবিএ ফার্স্ট সেমিস্টার-এ আর ছেলে মুহাম্মদ আহনাফ আবরার ইস্পাহানি স্কুল এন্ড কলেজে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়াশোনা করছে।

রোটারিয়ান আলমগীর ভারত, নেপাল, জাপান, ফ্রান্স, নেদারল্যান্ড, জার্মানী, থাইল্যান্ডসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ সফর করেন।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…