খুঁজুন
, ,

মিরসরাইয়ে গৃহবধূকে হত্যা করে ঝুলিয়ে রাখার অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 31 October, 2022, 8:47 pm
মিরসরাইয়ে গৃহবধূকে হত্যা করে ঝুলিয়ে রাখার অভিযোগ

মিরসরাই প্রতিনিধি: চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে সাদিয়া আক্তার (১৮) নামে এক গৃহবধূকে হত্যা করে সিলিং ফ্যানের সাথে ঝুলিয়ে রাখার অভিযোগ উঠেছে। ঝুলে থাকা লাশ উদ্ধার করে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।

সোমবার (৩১ অক্টোবর) দুপুরে মিরসরাই পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ডের উত্তর আমবাড়িয়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। নিহত সাদিয়া সীতাকুন্ড উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ড কাজীপাড়া এলাকার আলমগীর মেম্বার বাড়ির মো. খান সাবের মেয়ে। মৃত্যুর ঘটনায় সাদিয়ার স্বামী তাজুল ইসলাম রুবেলকে আটক করেছে পুলিশ।

সরজমিনে খোঁজ নিতে গেলে নিহত সাদিয়ার শশুর বাড়ীর প্রতিবেশীরা জানায়, ৪ বছর আগে মিরসরাই পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ডের পূর্ব গোভনিয়া আমবাড়িয়া এলাকার সিরাজুল হকের ছেলে তাজুল ইসলাম রুবেলের সাথে সীতাকুণ্ড উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের কাজীপাড়ার মো. খানসাবের মেয়ে সাদিয়া আক্তারের ষ্টাম্পে চুক্তি মোতাবেক ৭ লক্ষ টাকা দেনমোহরে বিয়ে হয়। বিয়ের ৪ মাস পর স্বামী রুবেল প্রবাসে চলে যায়। গত ১৫দিন আগে সে ছুটিতে বিদেশ থেকে বাড়িতে আসে। প্রবাস থেকে ফিরে আসার পর তাদের মধ্যে তেমন কোন ঝগড়ার আভাস পাওয়া যায় নি।

সাদিয়ার মা রীনা আক্তার আহাজারী করে জানান, সোমবার সকাল ১১টায় মেয়ের সাথে শেষ কথা হয়। তখন পাশে মেয়ে জামাই তাজুল ইসলাম বসা। তাজুল ইসলামের শেখানো মতে সাদিয়া জানায় ২শ জন বর যাত্রী খাওয়ানো বাবদ ১ লক্ষ টাকা দিতে হবে । অন্যথায় মেয়ের লাশ পাবে। তিনি মেয়েকে অভয় দিয়ে বলেন আমি ভাত রান্না করছি ভাত রান্না শেষ করে কিছু টাকার ব্যাবস্থা করে আগামী বুধবার আসবো। সেই পর্যন্ত জামাইকে ধর্য ধরতে বল। কথা শেষ করে ফোন রাখার ৩০ মিনিট পর খবর আসে মেয়ে আত্মহত্যা করে মারা গেছে।

রীনা আক্তার আরো জানান, বিয়ের সময় মেয়ের বয়স ছিল ১৪ বছর। মেয়েকে দেখে পছন্দ করে তাজুল। কোন কিছু ছাড়াই বিয়ে করতে তদবির করে। তার তদবিরে সকলের মন গলে যায়। বয়স কম হওয়ায় কাবিন ছাড়াই সাদা কাগজে লিখে বিয়ে হয়। গত চার বছরে মেয়ের জামাই যখন যা চেয়েছে তাই দিয়েছি। এখন মেয়ের বয়স ১৮ পুর্ন হয়েছে জামাইও দেশে আসছে তাই কাবিন নামা করতে বলেছি আমরা। কাবিন করতে নারাজ জামাই। সে একটি আলমিরা বাবদ ২০হাজার ও ২শ জন বরযাত্রী খাওয়ার খরচ বাবদ ৮০ হাজার টাকা সহ ১ লক্ষ টাকা দাবি করে। আমরা না করি নাই । আমরা একটু সময় চেয়েছি টাকা যোগাড় করার জন্য। কিন্তু টাকার জন্য অপেক্ষা করেনাই জামাই মেয়েটাকে মেরে ফেলেছে।

এছাড়া তিনি বলেন আমার মেয়ে আত্মহত্যা করেনাই তাকে মেরে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।

এদিকে স্থানিয়দের মাঝে রটেছে সাদিয়ার স্বামী তাজুল সিঙ্গারার সাথে বিষ মিশিয়ে তাকে হত্যা করেছে। এব্যাপারে জানতে কথা হয় তাজুলের বাড়ির পাশের ভূঞা স্টোরের মালিক আলমগীর ভূঁইয়ার সাথে।

তিনি জানান, সাদিয়ার স্বামী তাজুল ইসলাম সকাল ১১টার দিকে দোকান থেকে ১০ টাকায় ২টি সিঙ্গারা ক্রয় করেন। যদিও তাদের ঘরের সদস্য সংখ্যা ৫ জন। স্থানিয়রা বলাবলি করছেন তাজুল ওই সিঙ্গারার সাথে কিছু মিশিয়ে সাদিয়াকে খাইয়েছে। এতেই তার মৃত্যু হয়েছে।

তবে মিরসরাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কবির হোসেন বিষয়টিকে আত্মহত্যা বলেই দাবি করছেন। তিনি জানান, লাশ উদ্ধার পরবর্তী প্রাথমিক সুরতহাল অনুয়ায়ী এটি একটি আত্মহত্যা। বিষক্রিয়ার লক্ষন পাওয়া যায়নি। ধারণা করছি যৌতুক নিয়ে স্বামী শাশুড়ি ও নিজের মা বাবার যাঁতাকলে পড়ে অভিমানে মেয়েটি আত্মহত্যা করতে পারে। তবে ময়নাতদন্তের আগে নিশ্চিত কিছু বলা যাচ্ছে না। গৃহবধুর স্বামী তাজুল ইসলামকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। লাশের ময়নাতদন্তের জন্য চমেক মর্গে প্রেরণ করা হবে।

এদিকে তাজুলের বাড়ির মুল ফটকে তালা ঝুলিয়ে পালিয়েছে তার মা ও পরিবারের অন্য সদস্যরা।
২৪ঘণ্টা/এনআর

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।