খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রামের করোনা চিকিৎসা ও ঔষধ-অক্সিজেনের দাম বৃদ্ধিতে বিএনপির উদ্বেগ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২০, ৮:৫৮ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামের করোনা চিকিৎসা ও ঔষধ-অক্সিজেনের দাম বৃদ্ধিতে বিএনপির উদ্বেগ

চট্টগ্রামে করোনা হাসপাতালের পাশাপাশি করোনা উপসর্গযুক্ত হাসপাতাল খুবই জরুরী

চট্টগ্রামে করোনা আক্রান্ত মানুষের জীবন রক্ষাকারী ঔষধ ও অক্সিজেনের কৃত্রিম সংকট ও বহুগুণ দাম বাড়িয়ে দেওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির নেতৃবৃন্দ।

আজ ১২ জুন শুক্রবার এক বিবৃতিতে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ডাঃ শাহাদাত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর ও সিঃ সহ সভাপতি আবু সুফিয়ান এই ঔষধ ও অক্সিজেন সংকটের জন্য সরকারের ব্যর্থতা ও সমন্বয়হীনতাকে দায়ী করেছেন।

নেতৃবৃন্দ বলেন, চট্টগ্রামে দিন দিন করোনা সংক্রমিত রোগী ও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে।

করোনা ভাইরাসে নতুন আক্রান্তের দিক দিয়ে বিশ্বের চতুর্থ স্থানে উঠে এসেছে বাংলাদেশ। বন্দরনগরী চট্টগ্রাম এখন করোনার হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত। দেশের অর্থনীতির প্রাণকেন্দ্র চট্টগ্রামে করোনা রোগীর সংখ্যা চার হাজার ছাড়িয়ে গেছে। করোনা শনাক্তের চেয়ে উপসর্গ নিয়ে মারা যাচ্ছে বেশী মানুষ। করোনা পরীক্ষার সার্টিফিকেট না থাকার কারনে করোনা হাসপাতালে তাদের ভর্তি নিচ্ছে না। আবার করোনা উপসর্গ থাকার কারনে অন্য হাসপাতালগুলোতেও তারা ভর্তি হতে পারছেন না। এতে বেশীরভাগ মানুষ বিনাচিকিৎসায় মারা যাচ্ছে।

নেতৃবৃন্দ বলেন, বর্তমানে চট্টগ্রামের সরকারী বেসরকারী হাসপাতালগুলোতে ঠাঁই নেই। অলিগলিতে করোনা রোগী। ঔষধ ও অক্সিজেনের জন্য সর্বত্র আর্তনাদ চলছে। আর মানুষের আর্তনাদকে পুজি করে অসাধু সিন্ডিকেট গুলো আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়ে যাওয়ার প্রতিযোগিতায় নেমে পড়েছে। তারা ঔষধ ও অক্সিজেনের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে ১০ গুন পর্যন্ত। তারপরও সাধারণ মানুষ ঔষধ ও অক্সিজেন পাচ্ছে না। এতে করোনা আক্রান্ত মানুষের জীবন বিপন্ন হয়ে পড়েছে। কিন্তু সরকার এই বিষয়ে কার্যকর কোন প্রদক্ষেপ নিচ্ছে না।

নেতৃবৃন্দ বলেন, চট্টগ্রামে প্রতিদিন করোনায় মৃত্যুর চেয়ে উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা চার গুনের বেশী। নমুনা পরীক্ষা সহজ না হওয়ায় মৃতের এবং আক্রান্তের প্রকৃত সংখ্যা পাওয়া যাচ্ছে না। নমুনা পরীক্ষার ধীরগতির কারনে রিপোর্ট পেতে ৮/১০ দিন অপেক্ষা করতে হয়। এতে নমুনা নষ্ট হয়ে যাওয়ায় অনেক সময় সঠিক ফলাফল পাওয়া যায় না।

নেতৃবৃন্দ বলেন, সরকারের ব্যর্থতার কারনে দিন দিন মৃত্যুর মিছিল দীর্ঘ হচ্ছে। চট্টগ্রামে ডাক্তার, পুলিশ ও অন্তসর্তা নারী সহ বেশীরভাগ মানুষই করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে। সেজন্য চট্টগ্রামে করোনা হাসপাতালের পাশাপাশি করোনা উপসর্গযুক্ত হাসপাতাল খুবই জরুরী হয়ে পড়েছে। তাই অন্তত ২ টি বেসরকারী হাসপাতালকে করোনা উপসর্গযুক্ত হাসপাতাল ঘোষণা দিলে চট্টগ্রামের মানুষ সময়মতো চিকিৎসা সেবা পাবেন।

নেতৃবৃন্দ চট্টগ্রামে করোনা চিকিৎসার পরিসর আরো বৃদ্ধি করতে অবিলম্বে ২টি বেসরকারী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে করোনা উপসর্গযুক্ত হাসপাতাল হিসেবে ঘোষনা করে অসাধু ঔষধ ও অক্সিজেন সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য বন্ধে কার্যকর প্রদক্ষেপ গ্রহন করার দাবী জনান। পাশাপাশি করোনার নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট ২৪ ঘন্টার মধ্যে দেওয়ার ব্যবস্থা নিয়ে করোনা সংক্রমন রোধে চট্টগ্রামকে রেড জোনের আওতায় এনে লকডাউন ঘোষনা করার আহবান জানান।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…