খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সরকারের ব্যর্থতা ঢাকতে বিএনপির নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করা হচ্ছে : ডা.শাহাদাত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ৭:৫১ অপরাহ্ণ
সরকারের ব্যর্থতা ঢাকতে বিএনপির নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করা হচ্ছে : ডা.শাহাদাত

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ও চসিক মেয়র প্রার্থী ডাঃ শাহাদাত হোসেন বলেছেন,মহামারী করোনা মোকাবেলায় সরকারের ব্যর্থতা ঢাকতেই বিএনপি নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করা হচ্ছে। এই করোনাকালে বিএনপি নেতারা সাধ্যমত অসহায় কর্মহীন মানুষের পাশে দাড়িয়েছে। অথচ যারা গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করছে তাদের জীবনযাপন এখন নিরাপদ নয়।

সরকারের সর্বশেষ নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির নেতাকর্মীরা। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে দায়ের হওয়া গায়েবী মামলায় নেতাকর্মীরা হাইকোর্টে জামিন নিতে আদালতে হাজির হলে তাদেরকে জামিন না দিয়ে কারাগারে পাঠিয়ে দিচ্ছে। সরকার তাদের ব্যর্থতা ঢাকতেই নেতাকর্মীদের গ্রেফতার আবারো চালু করেছে। সরকার কোনও দিক সামাল দিতে পারছে না শুধু বিরোধীমতের নেতাদের দমনে উঠে পড়ে লেগেছে।

তিনি অবিলম্বে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব আসলাম চৌধুরীসহ গায়েবী মামলায় গ্রেফতারকৃত নেতাকর্মীদের নিংশর্ত মুক্তির দাবি জানান।

আজ মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে নগরীর কাজীর দেউড়িস্থ নাসিমন ভবন দলীয় কার্যালয়ে থানা, ওয়ার্ড বিএনপির নেতৃবৃন্দ ও দলীয় কাউন্সিলর প্রার্থীদের সাথে মতবিনিময়কালে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার জনগণের চিকিৎসা সেবা দিতে ব্যর্থ হয়েছে। করোনা সংক্রমণ দিন দিন বেড়ে মানুষ মৃত্যুর মুখে পড়লেও সরকার তা নিয়ে কোন প্রকার চিন্তিত না। আওয়ামী লীগ সরকারের ভুল সিদ্ধান্তের কারণে জনগণকে আজ তার মাশুল দিতে হচ্ছে। করোনা আক্রান্ত হয়ে চট্টগ্রামের যে সমস্ত বিএনপি নেতাকর্মী মৃত্যুবরণ করেছেন তাদের জন্য শোক প্রকাশ করছি। বিএনপির ৪২ তম প্রতিষ্টাবার্ষিকী উপলক্ষে মহানগররীর আওতাধীন সাংগঠনিক ওয়ার্ড সমূহে কর্মসূচি পালন করা হবে। চসিক নির্বাচনে ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী, ওয়ার্ড ও থানা কমিটি এবং মহানগর নেতৃবৃন্দের সাথে সমন্নয় করে এসব কর্মসূচী পালন করার আহবান জানান তিনি।

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি আবু সুফিয়ান বলেন, জোর করে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় টিকে থাকতে অবৈধ সরকারের জুলুম নির্যাতনের মাত্রা এখন ভয়াবহ আকার ধারন করেছে। স্বাস্থ্য খাতে ব্যর্থ হলেও ভোট চুরির মতো জনগণের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ ও ত্রাণ চুরিতে আওয়ামী লীগ পুরোপুরি সফল হয়েছে।

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সহসভাপতি আলহাজ্ব এম এ আজিজ, মো. মিয়া ভোলা, শামসুল আলম, হাজী মো. আলী, শফিকুর রহমান স্বপন, মাহবুবুল আল, যুগ্ম সম্পাদক শাহ আলমম, এসকান্দর মির্জা, ইয়াছিন চৌধরী লিটন,জাহাঙ্গীর আলম দুলাল, আবুল হাশেম, আনোয়ার হোসেন লিপু, সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল ইসলাম, মশিউল আলম স্বপন, মহিলা দলের সভাপতি মনোয়য়ারা বেগম মনি, সহ সম্পাদক সালাউদ্দীন কায়সার লাভু, ইদ্রিস আলী, আবু মুছা, হাসান লিটন, মহিলাদলের সাধারণ সম্পাদক জেলি চৌধুরী,থানা বিএনপির সভাপতিবৃন্দ মনজুর রহমান চৌধুরী, হাজ¦ী বাবুল হক, মোশাররফ হোসেন ডেপ্টি, মামনুর রশিদ হুমায়ুন, হানিফ সওদাগর, সরফরাজ কাদের চৌধুরী রাসেল,ডা. নুরুল আফসার, মো. সেকান্দর, আলহাজ্ব সালাউদ্দীন, আবদুল্লাহ আল হারুন, থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদকবৃন্দ আলহাজ্ব জাকির হোসেন, জাহিদ হাসান, রোকন উদ্দীন মাহমুদ, জসিম উদ্দীন জিয়া, জাহাঙ্গীর আলম, হাবিবুর রহমান, শাহাব উদ্দীন, মাঈনুদ্দীন চৌধুরী মাঈনু, আবদুল কাদের জসিম, শরিফ উদ্দীন খান, নুর হোসেন, ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতিবৃন্দ মশিউল আলম স্বপন, মো. ইলিয়াস, আকতার খান, আবদুল্লাহ আল ছগির, এস এম মফিজ উল্লাহ, মনজুর আলম মঞ্জু, মো. বেলাল, হাজ¦ী মো. ইলিয়াস, ইলিয়াস চৌধুরী, জানে আলম জিকু, মো. আসলাম, কাজী শামসুল আলম, রফিক চৌধুরী, মো. সাইফুল, খাজা আলাউদ্দীন, জাহিদ মাস্টার, রাসেল পারভেজ সুজন, মো. সেকান্দর, খন্দকার নুরুল ইসলাম, আলী আব্বাস খান, এস এম ফরিদুল আলম, মো. শরীফ, মোশাররফ জামান, আবু মুছা বাবলু, ফয়েজ আহমদ, ইসমাইল বালী, ফারুক আহমদ, আজম উদ্দীন, মো. আশরাফ, মো. হারুন, শায়েস্তা উল্লাহ, এফএ সেলিম, সাধারণ সম্পাদকবৃন্দ হাসান লিটন, মামুন আলম, আবুল কালাম আবু, মাহবুব রানা, মো. ফিরোজ, সিরাজুল ইসলাম মুন্সী,হাসান ওসমান, হাবিবুর রহমান চৌধুরী, ফরিদুল আলম, শফি উল্লাহ, একে আজাদ, নাসিম চৌধুরী, হাজ¦ী আবু ফয়েজ, এম এ হালিম বাবলু, হাজ¦ী এমরান, ইয়াকুব চৌধুরী নাজিম, সাব্বির আহমদ, জাহিদ উল্লাহ রাশেদ, আলী হায়দার, আনোয়ার হোসেন আরজু, জিয়াউর রহমান জিয়া, মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক, সৈয়দ আবুল বশর, জসিম মিয়া, আবু সাঈদ হারুন, সাদেকুর রহমান রিপন, মো. হাসান, হাজ¦ী জাহেদ, মুজিবুর রহমান, মঞ্জুরুল কাদের, শফি মেম্বার, মো. হাসান, কামরুল ইসলাম, আবু মহসীন চৌধুরী, মো. হারুন, লিয়াকত আলী, জেসমিনা খানম, ছকিনা খাতুন, কামরুন নাহার লিজা, খালেদা বোরহান, মনোয়ারা বেগম, রুখসানা বেগম মাধু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2

মানবিক ডিসি জাহিদের কাছে সাহায্যপ্রার্থীদের ঢল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০০ অপরাহ্ণ
মানবিক ডিসি জাহিদের কাছে সাহায্যপ্রার্থীদের ঢল

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের গণশুনানিতে ভিড় বাড়ছেই মানবিক সহায়তা প্রত্যাশী মানুষের। অসুস্থতা, দারিদ্র্য, কর্মহীনতা ও চরম আর্থিক সংকটে পড়ে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ ছুটে আসছেন শেষ আশ্রয়ের খোঁজে। এসব আবেদন ঘেঁটে দেখা গেছে—প্রতিটি কাগজের আড়ালে লুকিয়ে আছে বেঁচে থাকার তীব্র আর্তি।

ক্যানসারে আক্রান্ত লাভলী দাস গুপ্তা ভারতের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা চালাতে গিয়ে তার পরিবারের সঞ্চয় শেষ হয়ে গেছে। চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে না পেরে তিনি আজ বুধবার (৮ এপ্রিল) সারা দেশে মানবিক ডিসি হিসেবে পরিচিত চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার কাছে আর্থিক সহায়তা চেয়েছেন। চিকিৎসা বন্ধ হয়ে গেলে জীবন ঝুঁকিতে পড়বে জেনে জেলা প্রশাসক তাকে আর্থিক সহয়তা প্রদান করেন তাৎক্ষণিকভাবে।

৫৫ বছর বয়সী মোহাম্মদ সুমন গুরুতর অসুস্থতায় ভুগছেন। রোগ নির্ণয়ের জন্য তাকে একাধিক পরীক্ষা করাতে হয়েছে একটি বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে। এসব পরীক্ষার খরচ বহন করতে গিয়ে তিনি এখন আর্থিকভাবে বিপর্যস্ত। জেলার অভিভাবককে তিনি জানান, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার মতো সামর্থ্য তার আর নেই। তাকেও নিরাশ করলেন না মানবিক ডিসি।

একইভাবে ৬৫ বছর বয়সী হাছিনা বেগমও চিকিৎসা ব্যয়ের ভারে ন্যুব্জ। বয়সজনিত অসুস্থতায় ভুগলেও অর্থাভাবে নিয়মিত চিকিৎসা নিতে পারছেন না। জীবনের এই শেষ সময়ে চিকিৎসা সহায়তা না পেলে পরিস্থিতি আরও অবনতি হওয়ার আশঙ্কার কথা জানান জেলার শীর্ষ কর্মকর্তাকে।

জামিলা বেগম নামের এক নারী জেলা প্রশাসকের সাপ্তাহিক গণশুনানিতে হাজির হয়ে ডিসি জাহিদুল ইসলামকে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ থাকায় চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া তার পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়েছে। পরিবারের আয়ের কোনো নির্ভরযোগ্য উৎস না থাকায় তিনি এখন সম্পূর্ণ অসহায় অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন। জেলা প্রশাসকের আর্থিক সহয়তা পেয়ে উচ্ছ্বসিত জামিলা।

অসুস্থতার কারণে কর্মক্ষমতা হারানোর কথা জানিয়েছেন মো. মনজুর আলম আরেক নাগরিক। আগে উপার্জন করে পরিবার চালালেও বর্তমানে কাজ করতে না পারায় সংসার চালানোই কঠিন হয়ে পড়েছে। চিকিৎসা ব্যয় বহনের পাশাপাশি পরিবারের নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচ জোগানোও এখন অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে জানানো হয় জেলা প্রশাসককে। তার পাশেও দাড়ালেন মানবিক ডিসি।

মো. নুরুল ইসলাম আরেক অসহায় নাগরিক দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা নিতে গিয়ে তিনি নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। ধার-দেনা করে চিকিৎসা চালালেও এখন আর কোনো উপায় নেই। চিকিৎসা বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকির কথা উল্লেখ করে তিনি জেলা প্রশাসকের জরুরি সহায়তা কামনা করেছিলেন। তাকেও ফিরিয়ে দেননি ডিসি জাহিদুল ইসলাম।

একই নামে আরেক প্রবীণ নাগরিক নিজেকে বয়সের ভারে ন্যুব্জ ও অসহায় উল্লেখ করে চিকিৎসা সহায়তা চেয়েছেন। তিনি জানান, শারীরিক দুর্বলতা ও অসুস্থতার কারণে তিনি সম্পূর্ণ অন্যের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছেন। তাকেও নিরাশ করেন নাই ডিসি।

রাঙামাটি জেলার লংগদু উপজেলার বাসিন্দা, বর্তমানে চট্টগ্রামে বসবাসরত মো. সামাদ আলী জেলা প্রশাসককে বলেন, দারিদ্র্য ও অসুস্থতার কারণে চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া তার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। তিনি নিজেকে সম্পূর্ণ অসহায় উল্লেখ করে ডিসির সহযোগিতা কামনা করেছিলেন। তাকেও নগদ অর্থ সাহায্য করলেন জেলা প্রশাসক।

গণশুনানিতে জমা পড়া আবেদনগুলোর সার্বিক চিত্রে দেখা যায়, অধিকাংশ আবেদনকারী দীর্ঘমেয়াদি বা জটিল রোগে আক্রান্ত। চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে গিয়ে অনেকে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। আবার অনেকে অসুস্থতার কারণে কর্মক্ষমতা হারিয়ে পরিবার নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

জেলা প্রশাসকের সাপ্তাহিক গণশুনানিতে এ ধরনের আবেদন সরাসরি শোনা হচ্ছে এবং তাৎক্ষণিক সহায়তা ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই প্রক্রিয়া প্রশাসনকে মানুষের আরও কাছাকাছি নিয়ে এসেছে এবং জরুরি সহায়তা প্রদানে কার্যকর ভূমিকা রাখছে।

দিল্লিতে ভারত-বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:১২ অপরাহ্ণ
দিল্লিতে ভারত-বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক

দিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে দিল্লির হায়দ্রাবাদ হাউসে আনুষ্ঠানিক বৈঠকের পর তারা একান্তে আলোচনা করেন।

কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকে দুই দেশের আঞ্চলিক ও দ্বীপক্ষীয় সম্পর্কের বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরও উপস্থিত ছিলেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে করা এক পোস্টে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্কর বলেন, ‘বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ও তার প্রতিনিধিদলকে আজ বিকেলে আতিথেয়তা দিতে পেরে আনন্দিত।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন দিক আরও জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা করেছি। পাশাপাশি আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পরিস্থিতি নিয়েও মতবিনিময় হয়েছে। আমরা ভবিষ্যতেও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখতে সম্মত।’

গত ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সরকার গঠন করে বিএনপি। নতুন সরকারের আমলে এটিই বাংলাদেশের কোনো মন্ত্রীর প্রথম ভারত সফর।

এ শুভেচ্ছা সফরে গতকাল দিল্লিতে পৌঁছান খলিলুর রহমান। ভারতে পৌঁছানোর প্রথম দিনেই দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।

এরপর আজ সকালে ভারতের কয়েকজন সম্পাদক ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকের সঙ্গে প্রাতঃরাশ সভায় যোগদান করেন। বিকেলে ভারতের পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাসবিষয়ক মন্ত্রী হারদীপ সিং পুরির সঙ্গে তার বৈঠকের কথা রয়েছে।

২০২৪-এর জুলাই আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে ভাটা পড়ে। তবে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর সে সম্পর্ক পুনরুজ্জীবিত হচ্ছে বলে মনে করছেন অনেকে।

আগামী ১১ ও ১২ তারিখ মরিশাসের পোর্ট লুইসে অনুষ্ঠিতব্য ভারত মহাসাগরীয় সম্মেলনে যোগ দেবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। এর আগে পারস্পরিক মর্যাদা ও আস্থার ভিত্তিতে দীর্ঘ মেয়াদে সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার বার্তা নিয়ে ভারত সফরে যান তিনি।

বিসিবিতে বাপের দোয়া, মায়ের দোয়া কমিটি করিনি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:১৯ অপরাহ্ণ
বিসিবিতে বাপের দোয়া, মায়ের দোয়া কমিটি করিনি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আমিনুল ইসলাম বুলবুলের কমিটি ভেঙে মঙ্গলবার তামিম ইকবালের নেতৃত্বে গঠিত হয়েছে ১১ সদস্যের অ্যাডহক কমিটি। এই কমিটি এখন গোটা বাংলাদেশের ভক্ত-সমর্থকদের আলোচনার বিষয়। এই আলোচনা আজ জায়গা করে নিয়েছে জাতীয় সংসদের অধিবেশনেও।

সেখানেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে (বিসিবি) তামিম ইকবালের নেতৃত্বে আহ্বায়ক কমিটি করা হয়েছে। তিনি একজন খেলোয়াড়। এখানে বাপের দোয়া মায়ের দোয়া কমিটি করিনি।’

মূলত, আজ বুধবার (৮ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহর এক প্রশ্নের জবাবেই এসব কথা বলেন তিনি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, ‘ক্রিকেট বোর্ডসহ সারাদেশের ক্লাবগুলোতে প্রভাব বিস্তার করে অন্তর্বর্তী সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা। বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার ইনকোয়ারি করেছে, তদন্তের পর বোর্ড ভেঙে দেয়া হয়েছে। পরে তামিম ইকবালের নেতৃত্বে বিসিবির আহ্বায়ক কমিটি করা হয়েছে। এখানে বাপের দোয়া মায়ের দোয়া কমিটি করিনি।’

এর আগে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘বিসিবি এখন আর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড নাই, এটা এখন বাপের দোয়া ক্রিকেট বোর্ডে পরিণত হয়ে গেছে।’