খুঁজুন
, ,

সরকারের ব্যর্থতা ঢাকতে বিএনপির নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করা হচ্ছে : ডা.শাহাদাত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 8 September, 2020, 7:51 pm
সরকারের ব্যর্থতা ঢাকতে বিএনপির নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করা হচ্ছে : ডা.শাহাদাত

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ও চসিক মেয়র প্রার্থী ডাঃ শাহাদাত হোসেন বলেছেন,মহামারী করোনা মোকাবেলায় সরকারের ব্যর্থতা ঢাকতেই বিএনপি নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করা হচ্ছে। এই করোনাকালে বিএনপি নেতারা সাধ্যমত অসহায় কর্মহীন মানুষের পাশে দাড়িয়েছে। অথচ যারা গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করছে তাদের জীবনযাপন এখন নিরাপদ নয়।

সরকারের সর্বশেষ নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির নেতাকর্মীরা। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে দায়ের হওয়া গায়েবী মামলায় নেতাকর্মীরা হাইকোর্টে জামিন নিতে আদালতে হাজির হলে তাদেরকে জামিন না দিয়ে কারাগারে পাঠিয়ে দিচ্ছে। সরকার তাদের ব্যর্থতা ঢাকতেই নেতাকর্মীদের গ্রেফতার আবারো চালু করেছে। সরকার কোনও দিক সামাল দিতে পারছে না শুধু বিরোধীমতের নেতাদের দমনে উঠে পড়ে লেগেছে।

তিনি অবিলম্বে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব আসলাম চৌধুরীসহ গায়েবী মামলায় গ্রেফতারকৃত নেতাকর্মীদের নিংশর্ত মুক্তির দাবি জানান।

আজ মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে নগরীর কাজীর দেউড়িস্থ নাসিমন ভবন দলীয় কার্যালয়ে থানা, ওয়ার্ড বিএনপির নেতৃবৃন্দ ও দলীয় কাউন্সিলর প্রার্থীদের সাথে মতবিনিময়কালে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার জনগণের চিকিৎসা সেবা দিতে ব্যর্থ হয়েছে। করোনা সংক্রমণ দিন দিন বেড়ে মানুষ মৃত্যুর মুখে পড়লেও সরকার তা নিয়ে কোন প্রকার চিন্তিত না। আওয়ামী লীগ সরকারের ভুল সিদ্ধান্তের কারণে জনগণকে আজ তার মাশুল দিতে হচ্ছে। করোনা আক্রান্ত হয়ে চট্টগ্রামের যে সমস্ত বিএনপি নেতাকর্মী মৃত্যুবরণ করেছেন তাদের জন্য শোক প্রকাশ করছি। বিএনপির ৪২ তম প্রতিষ্টাবার্ষিকী উপলক্ষে মহানগররীর আওতাধীন সাংগঠনিক ওয়ার্ড সমূহে কর্মসূচি পালন করা হবে। চসিক নির্বাচনে ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী, ওয়ার্ড ও থানা কমিটি এবং মহানগর নেতৃবৃন্দের সাথে সমন্নয় করে এসব কর্মসূচী পালন করার আহবান জানান তিনি।

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি আবু সুফিয়ান বলেন, জোর করে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় টিকে থাকতে অবৈধ সরকারের জুলুম নির্যাতনের মাত্রা এখন ভয়াবহ আকার ধারন করেছে। স্বাস্থ্য খাতে ব্যর্থ হলেও ভোট চুরির মতো জনগণের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ ও ত্রাণ চুরিতে আওয়ামী লীগ পুরোপুরি সফল হয়েছে।

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সহসভাপতি আলহাজ্ব এম এ আজিজ, মো. মিয়া ভোলা, শামসুল আলম, হাজী মো. আলী, শফিকুর রহমান স্বপন, মাহবুবুল আল, যুগ্ম সম্পাদক শাহ আলমম, এসকান্দর মির্জা, ইয়াছিন চৌধরী লিটন,জাহাঙ্গীর আলম দুলাল, আবুল হাশেম, আনোয়ার হোসেন লিপু, সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল ইসলাম, মশিউল আলম স্বপন, মহিলা দলের সভাপতি মনোয়য়ারা বেগম মনি, সহ সম্পাদক সালাউদ্দীন কায়সার লাভু, ইদ্রিস আলী, আবু মুছা, হাসান লিটন, মহিলাদলের সাধারণ সম্পাদক জেলি চৌধুরী,থানা বিএনপির সভাপতিবৃন্দ মনজুর রহমান চৌধুরী, হাজ¦ী বাবুল হক, মোশাররফ হোসেন ডেপ্টি, মামনুর রশিদ হুমায়ুন, হানিফ সওদাগর, সরফরাজ কাদের চৌধুরী রাসেল,ডা. নুরুল আফসার, মো. সেকান্দর, আলহাজ্ব সালাউদ্দীন, আবদুল্লাহ আল হারুন, থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদকবৃন্দ আলহাজ্ব জাকির হোসেন, জাহিদ হাসান, রোকন উদ্দীন মাহমুদ, জসিম উদ্দীন জিয়া, জাহাঙ্গীর আলম, হাবিবুর রহমান, শাহাব উদ্দীন, মাঈনুদ্দীন চৌধুরী মাঈনু, আবদুল কাদের জসিম, শরিফ উদ্দীন খান, নুর হোসেন, ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতিবৃন্দ মশিউল আলম স্বপন, মো. ইলিয়াস, আকতার খান, আবদুল্লাহ আল ছগির, এস এম মফিজ উল্লাহ, মনজুর আলম মঞ্জু, মো. বেলাল, হাজ¦ী মো. ইলিয়াস, ইলিয়াস চৌধুরী, জানে আলম জিকু, মো. আসলাম, কাজী শামসুল আলম, রফিক চৌধুরী, মো. সাইফুল, খাজা আলাউদ্দীন, জাহিদ মাস্টার, রাসেল পারভেজ সুজন, মো. সেকান্দর, খন্দকার নুরুল ইসলাম, আলী আব্বাস খান, এস এম ফরিদুল আলম, মো. শরীফ, মোশাররফ জামান, আবু মুছা বাবলু, ফয়েজ আহমদ, ইসমাইল বালী, ফারুক আহমদ, আজম উদ্দীন, মো. আশরাফ, মো. হারুন, শায়েস্তা উল্লাহ, এফএ সেলিম, সাধারণ সম্পাদকবৃন্দ হাসান লিটন, মামুন আলম, আবুল কালাম আবু, মাহবুব রানা, মো. ফিরোজ, সিরাজুল ইসলাম মুন্সী,হাসান ওসমান, হাবিবুর রহমান চৌধুরী, ফরিদুল আলম, শফি উল্লাহ, একে আজাদ, নাসিম চৌধুরী, হাজ¦ী আবু ফয়েজ, এম এ হালিম বাবলু, হাজ¦ী এমরান, ইয়াকুব চৌধুরী নাজিম, সাব্বির আহমদ, জাহিদ উল্লাহ রাশেদ, আলী হায়দার, আনোয়ার হোসেন আরজু, জিয়াউর রহমান জিয়া, মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক, সৈয়দ আবুল বশর, জসিম মিয়া, আবু সাঈদ হারুন, সাদেকুর রহমান রিপন, মো. হাসান, হাজ¦ী জাহেদ, মুজিবুর রহমান, মঞ্জুরুল কাদের, শফি মেম্বার, মো. হাসান, কামরুল ইসলাম, আবু মহসীন চৌধুরী, মো. হারুন, লিয়াকত আলী, জেসমিনা খানম, ছকিনা খাতুন, কামরুন নাহার লিজা, খালেদা বোরহান, মনোয়ারা বেগম, রুখসানা বেগম মাধু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2
Feb2

চট্টগ্রামে ডিবি অফিসের সামনেই ইয়াবার হাট, হাটের রাজা ইয়াবা সম্রাট জয়, জড়িত গোয়েন্দা পুলিশের কিছু অসাধু সদস্য

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 23 August, 2026, 9:56 pm
চট্টগ্রামে ডিবি অফিসের সামনেই ইয়াবার হাট, হাটের রাজা ইয়াবা সম্রাট জয়, জড়িত গোয়েন্দা পুলিশের কিছু অসাধু সদস্য

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি::চট্টগ্রামের মুনছুরাবাদে ডিবি (গোয়েন্দা) পুলিশের কার্যালয়ের সামনে কর্ণফুলী ক্লাবের মাঠে প্রকাশ্যে মাদক বেচাকেনার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

জানাগেছে, চট্টগ্রামের ইয়াবা সম্রাট নামে খ্যাত জয় প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬ টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত কর্ণফুলী ক্লাবের মাঠে প্রকাশ্যে ইয়াবাসহ নানা নেশাজাত দ্রব্য বিক্রি করে । প্রতিদিন কোটি কোটি টাকার মাদক জাত দ্রব্য বিক্রি হয় কর্ণফুলী ক্লাবের মাঠে। এ ছাড়া পার্শ্ববর্তী রেশন স্টোর ও পুলিশের ব্র্যাক থেকেও ইয়াবা সাপ্লাই করে জয়।

অনুসন্ধানে জানা যায়, জয় এর এই অবৈধ মাদক ব্যবসার সাথে কিছু অসাধু গোয়েন্দা পুলিশের সদস্য জড়িত । ফলে নির্বিঘ্নে ও নিরাপদে মাদকের ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে জয়।

‎অনুসন্ধানে জানাযায়, গনি আহামদের ছেলে জাবেদ ওরফে জয়, কাজীর দেউড়ি ২ নং গলির বাসিন্দা হলেও বর্তমানে বাকলিয়া থানার বলির হাট এলাকায় বসবাস করে।

সুত্র জানায়, ডিবি পুলিশের কনেস্টেবল আজাদ, রবিউল,  হানিফ, সঞ্জয়, আব্দুর রহিম, ইয়াবা সম্রাট জাবেদ ওরফে জয় এর সহযোগী বলে জানা গেছে।

‎এছাড়া কর্ণফুলী ক্লাব থেকে রূপসা বেকারী পর্যন্ত ব্যবসায়ী ও সাধারণ জনগণ জয়কে ডিবি অফিসার হিসাবে চিনে ও জানে, অনেকেই আবার জয়কে জয় স্যার বলে সম্বোধন করে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ডিবি পুলিশের কয়েকজন সদস্য বলেন, আইনের লোকেরা যখন বেআইনি কাজে জড়িয়ে পড়ে তখন কিছুই বলার থাকে না। পুলিশের ব্র্যাকে মাদক দ্রব্য রেখে গোয়েন্দা পুলিশের অফিসের সামনে কর্ণফুলী ক্লাবের মাঠে চট্টগ্রামের চিহ্নিত ইয়াবা ব্যবসায়ী মিস্ত্রী পাড়ার বিপ্লব ও বউ বাজারে ডাইল নুরুকে নিয়ে জয় যে মাদকের হাট বসায় তা মেনে নেওয়ার নয়। গোয়েন্দা পুলিশের যে সদস্যরা জয়ের সাথে জড়িত তারা সবাই কোটি কোটি টাকার মালিক তাদের টাকার দাপটে আমরা অসহায়। খোদ উর্ধ্বতনরাও টাকার কাছে জিম্মি বলে মনে হয়।

‎নেশাগ্রস্থ অবস্থায় জয় যখন পুলিশ ব্র্যাকে শুয়ে থাকে তখনও কিছুই বলার থাকেনা। সন্ধ্যা হলে নগরীর চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীরা আসে কর্ণফুলী ক্লাবের মাঠে ।

‎সিএমপিতে দীর্ঘ দিন ধরে চট্টগ্রামের বাকলিয়ার মাদক সম্ম্রাট ইছহাক, সোবহান, ও পাহারতলীর মাদক সম্ম্রাট টেক্সি জসিম আলমগীর ও কদম তলীর শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ি আলো সহ আরো অসংখ্য মাদক ব্যবসায়ীর নিকট মাদক ও ইয়াবা ট্যাবলেট বিক্রয় করে আসছে।

ক্লাবের ভিতরে মাঠে চেয়ার নিয়ে বসে থাকে, জয় , ডাইল নুরু ও ইয়াবা সম্রাট বিপ্লব। পার্টি আসলে ব্র্যাক থেকে মাদক দ্রব্য নিয়ে আসে অসাধু পুলিশ সদস্যরা।

‎এই বিষয়ে জয়ের কাছে জানতে চাইলে তিনি অসংলগ্ন কথাবার্তা বলেন। একবার বলেন আমি ফার্নিচার ব্যবসায়ী, আবার বলেন আমি এইসব ছেড়ে দিয়েছি। আবার অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে বলেন, আমি জানি কে এইসব আমার ব্যাপারে বলেছে। আপনার খবর নিয়ে দেখবো আপনি কে ?

‎মাদকের ব্যাপারে সারাদেশের প্রসাশন জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষনা করলেও সিএমপি গোয়েন্দা কার্যালয়ের সামনে এমন কান্ডকে ভাবিয়ে তোলে সচেতন মহলকে।

‎এই বিষয়ে ডিসি (ডিবি উত্তর) এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সিএমপিতে একসঙ্গে ৫ থানার ওসি রদবদল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 23 August, 2026, 9:29 pm
সিএমপিতে একসঙ্গে ৫ থানার ওসি রদবদল

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) পাঁচ থানায় অফিসার ইনচার্জ (ওসি) পদে বড় ধরনের রদবদল করা হয়েছে। একই আদেশে কয়েকজন ওসিকে বদলি এবং বিভিন্ন ইউনিট থেকে নতুন কর্মকর্তাদের থানায় পদায়ন করা হয়েছে।

শনিবার (২৩ আগস্ট) সন্ধ্যায় সিএমপি কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ রদবদলের তথ্য জানানো হয়।

আদেশ অনুযায়ী, কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের পুলিশ পরিদর্শক নুর আহমদকে কর্ণফুলী থানার ওসি, সিটিএসবির মোহাম্মদ আবদুর রহিমকে খুলশী থানার ওসি এবং কর্ণফুলী থানার বর্তমান ওসি মো. ইখতিয়ারউদ্দিনকে বায়েজিদ বোস্তামি থানার ওসি হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

এ ছাড়া ডিবি বন্দর জোনের পুলিশ পরিদর্শক মো. জয়নাল আবেদীন মন্ডলকে হালিশহর থানার ওসি এবং খুলশী থানার বর্তমান ওসি মোজাম্মেল হককে পাঁচলাইশ মডেল থানার ওসি করা হয়েছে।

অন্যদিকে, পাঁচলাইশ মডেল থানার বর্তমান ওসি মো. জাহেদুল ইসলামকে বদলি করে সিটিএসবিতে পদায়ন করা হয়েছে। পাশাপাশি সিটিএসবির মোহাম্মদ একরাম উল্লাহকে সদরঘাট থানার ওসি হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

সিএমপির জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।

পাহাড়ে ‘রেইনবো নেশন’ বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান ভূমি ও পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 23 August, 2026, 8:20 pm
পাহাড়ে ‘রেইনবো নেশন’ বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান ভূমি ও পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীর

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও ভূমি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি বলেছেন, পার্বত্য অঞ্চলের তিন জেলায় বসবাসরত পাহাড়ি-বাঙালি সব সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে সম্প্রীতি সুদৃঢ় করে সরকার ঘোষিত ‘রেইনবো নেশন’ বাস্তবায়নে সবাইকে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে।

তিনি উল্লেখ করেন, শুধু অবকাঠামোগত উন্নয়নই যথেষ্ট নয়; দুর্গম ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর সামাজিক ও অর্থনৈতিক পরিবর্তনের লক্ষ্যে শিক্ষা, আধুনিক প্রযুক্তি এবং দক্ষতার বিকাশ ঘটিয়ে তাদের সুনাগরিক ও মানবসম্পদে পরিণত করতে হবে।

আজ রোববার রাঙ্গামাটিতে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক আয়োজিত তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক প্রশিক্ষণ সনদ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাল্টিমিডিয়া সামগ্রী ও নারীদের আত্মকর্মসংস্থানের লক্ষ্যে সেলাই মেশিন বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে প্রতিমন্ত্রী উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা- কর্মচারীদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।

প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের জনগণের জীবনমান উন্নয়ন ও অধিকার নিশ্চিত করার বৃহৎ দর্শন নিয়ে ১৯৭৬ সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। সেই স্বপ্ন ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে ধর্ম, বর্ণ বা গোত্র নির্বিশেষে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কাছে উন্নয়নের সুফল পৌঁছে দিতে হবে।

তরুণদের উদ্দেশ্যে ব্যারিস্টার মীর হেলাল বলেন, ফ্রিল্যান্সিংসহ আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর প্রশিক্ষণের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে যেন তারা ঘরে বসেই উপার্জন করতে পারেন এবং এই আয়কে সরকার করমুক্ত ঘোষণা করেছে। একইসঙ্গে ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মের সুযোগ কাজে লাগানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি যুবকদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে উন্নয়ন বোর্ডকে নতুন নতুন স্কিম গ্রহণের নির্দেশনা দেন।

কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, সরকার জনগণের সেবক। সেবার মানসিকতা নিয়ে সর্বোচ্চ নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করতে হবে যেন জনগণকে সেবার জন্য বারবার অফিসে আসতে না হয়, বরং সেবা পৌঁছে যায় মানুষের দোরগোড়ায়। এসডিজি অর্জনে মন্ত্রণালয় ও উন্নয়ন বোর্ডকে সমন্বিত পরিবারের মতো কাজ করতে হবে। এ সময় তিনি বোর্ডের শূন্য পদগুলো দ্রুত পূরণ করা, পেনশন সুবিধার বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ এবং পাড়া কেন্দ্রের কর্মীদের বেতন ও সুযোগ-সুবিধা যৌক্তিক পর্যায়ে উন্নীত করতে ডিপিপি (DPP) সংশোধনের আশ্বাস দেন।

দিনব্যাপী সফরকালে প্রতিমন্ত্রী ৫০ জন নারীকে সেলাই মেশিন ও ২৫০টি স্কুলে মাল্টিমিডিয়া সামগ্রী বিতরণ করেন। এছাড়া তিনি রাঙ্গামাটি শিশু পার্কের ওয়াচ টাওয়ার, জেলা পরিষদের ই-লার্নিং সেন্টার এবং খাগড়াছড়ি-রাঙ্গামাটি সড়কে মহাপুরম খালের ওপর ব্রিজের উদ্বোধন করেন।

পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) অনুপ কুমার চাকমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান শেখ ছালেহ্ আহাম্মদ, জেলা পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব, সদস্য (অর্থ) সুমন বড়ুয়া, সদস্য (পরিকল্পনা) জাহিদ ইকবালসহ সামরিক-বেসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।