খুঁজুন
, ,

জীবননগরে অদ্ভুত আকৃতির কণ্যা শিশুর জন্ম/ সিংগাইরে এক নারী প্রসব করল ৪ সন্তান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 15 June, 2020, 8:28 am
জীবননগরে অদ্ভুত আকৃতির কণ্যা শিশুর জন্ম/ সিংগাইরে এক নারী প্রসব করল ৪ সন্তান

২৪ ঘণ্টা ডট নিউজ। জেলা সংবাদ : অদ্ভুত আকৃতির মৃত এক কন্যা শিশুর জন্ম দিয়েছেন ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার গোকুলনগর গ্রামের মামুন হোসেনের স্ত্রী লাফিদা খাতুন (২০)।

শনিবার রাতে চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলা শহরের মনোয়ারা সনো সেন্টার এ্যান্ড নার্সিং হোমে এ অদ্ভুত শিশুর জন্ম দেন এ প্রসূতি মা। জন্মের সময় মৃত শিশুটির লিভার, হার্ট, কিডনি ও নাড়িভুঁড়ি সব কিছুই পেটের বাইরে বের হয়ে যায়।

প্রসূতির পারিবারিক সূত্র জানায়, ঘটনার দু’দিন আগে থেকেই পেটের যন্ত্রণায় বিভিন্ন ডাক্তারের নিকট চিকিৎসা গ্রহণ করেন লাফিদা খাতুন (২০)। কিন্তু কোনো কিছুতেই তিনি প্রশান্তি না পাওয়ায় পরিবারের লোকজন তাকে শনিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে জীবননগর শহরের মনোয়ারা সনো সেন্টার এন্ড নার্সিং হোমে ভর্তি করেন।

সে সময়ও প্রসুতি লাফিদা খাতুন পেটের ব্যথায় ছটফট করছিলে এবং রক্তক্ষরণ হতে থাকে। পেটের বাচ্চাও নড়াচড়া করছিলো না। এ অবস্থায় ক্লিনিকে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে আল্ট্রাসনোগ্রাম করার পর পেটের বাচ্চা মারা গেছে বলে সন্দেহ করেন।

এমন পরিস্থিতিতে প্রসূতির পরিবারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ক্লিনিকের চিকিৎসক দম্পতি ডা. রফিকুল ইসলাম ও ডা. জুলিয়েট পারউইন রাত সাড়ে ১০টার দিকে ওই প্রসূতি মাকে অস্ত্রোপচার করলে অদ্ভুত কন্যা শিশুটির জন্ম হয়।

জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার-পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. জুলিয়েট পারউইন বলেন, অন্তঃসত্বা লাফিদা খাতুনকে অপারেশনের পর একটি মৃত কন্যা শিশু বাচ্চার জন্ম হয় এবং সদ্যজাত শিশুটির হার্ট, কিডনি, লিভারসহ পেটের ভিতরের সব কিছুই ছিলো পেটের বাইরে।

এমন শিশুর জন্ম হওয়ায় পরিবারের সদস্যরা হতাশ হয়ে পড়েন। অন্যদিকে অদ্ভুত শিশুর জন্মের কথা এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে ক্লিনিকে ভিড় করতে থাকে উৎসুক মানুষ।

মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার জামির্ত্তা মাঝিপাড়া গ্রামের শ্রীদাম হালদারের মেয়ে অঞ্জনা রানী (২২) একইসঙ্গেঁ ৪টি সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। নবজাতকদের দু’জন পুত্র ও দু’জন কন্যা। একটি সন্তান প্রসবের সময় মারা যান। বর্তমানে মাসহ তিনটি সন্তান সুস্থ আছেন বলে ওই নারীর পরিবার জানায়।

জানা গেছে, তিন বছর আগে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার আঁটিগ্রাম ইউনিয়নের রাজনগর গ্রামের সুনিরাম হালদারের ছেলে সঞ্জয় হালদারের সঙ্গে বিয়ে হয় অঞ্জনার। সম্প্রতি অঞ্জনা সন্তান সম্ভবা হলে গত ৫ মাস আগে পিতার বাড়িতে আনা হয়। এ সময় অঞ্জনার স্বামী চাকরি নিয়ে কাতার চলে যান।

গত ৬ জুন প্রসব বেদনা শুরু হলে তাকে সাভারস্থ প্রাইম হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভর্তি করা হয়। সেখানেই ৪টি সন্তান প্রসব করেন তিনি।

ডাক্তারী রিপোর্টে তিনটি সন্তানের কথা উল্লেখ করা হলেও প্রসবের সময় একটি মৃতসহ ৪ সন্তান প্রসব করে বলে ওই পরিবার থেকে জানানো হয়। অঞ্জনার মা তার মেয়ের কোলজুড়ে ৩টি সন্তান আসায় সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে সকলের আশীর্বাদ কামনা করেন।

এ ব্যাপারে অঞ্জনা রানী বলেন, বাড়িতে আসার পর সন্তানদের খাবার যোগাতে পারছি না। মহামারী করোনার সময় সরকারের কাছে সাহায্যের আবেদন জানান, যেন আমার তিনটি সন্তানের চিকিৎসাসহ দু-মুঠো ভাত খেয়ে বেঁচে থাকতে পারি।

২৪ ঘণ্টা/আর এস পি

Feb2
Feb2

চবির ভর্তি পরীক্ষার আবেদন শুরু ১৫ নভেম্বর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 23 August, 2026, 5:02 pm
চবির ভর্তি পরীক্ষার আবেদন শুরু ১৫ নভেম্বর

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষার অনলাইন আবেদন আগামী ১৫ নভেম্বর থেকে শুরু হবে। আবেদন করা যাবে ১০ ডিসেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত। তবে ২০২৭ সালের জানুয়ারির শেষ সপ্তাহ থেকে শুরু হবে এবারের ভর্তি পরীক্ষা।

রোববার (২৩ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক শাখার ডেপুটি রেজিস্ট্রার এস. এম. আকবর হোছাইন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে ‘সি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ২৯ জানুয়ারি ২০২৭ (শুক্রবার)। ‘এ’ ইউনিটের পরীক্ষা হবে ৩০ জানুয়ারি (শনিবার)। ‘বি’ ইউনিটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ৫ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার) এবং ‘ডি’ ইউনিটের পরীক্ষা হবে ৬ ফেব্রুয়ারি (শনিবার)।

এ ছাড়া ‘বি১’ উপ-ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ৩ ফেব্রুয়ারি (বুধবার), ‘বি২’ উপ-ইউনিটের ৪ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) এবং ‘ডি১’ উপ-ইউনিটের পরীক্ষা ৮ ফেব্রুয়ারি (সোমবার) অনুষ্ঠিত হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, ‘এ’, ‘বি’, ‘সি’ ও ‘ডি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের পাশাপাশি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বিভাগীয় শহরের একই তারিখ ও সময়ে অনুষ্ঠিত হবে। তবে ‘বি১’, ‘বি২’ ও ‘ডি১’ উপ-ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা শুধু চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হবে।

স্লিপার বাস বন্ধ হলে ২ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ ঝুঁকিতে পড়বে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 23 August, 2026, 4:57 pm
স্লিপার বাস বন্ধ হলে ২ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ ঝুঁকিতে পড়বে

স্লিপার বাসের বিরুদ্ধে চলমান অভিযানে পরিবহন খাতের প্রায় ২ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ এবং আড়াই লাখ মানুষের কর্মসংস্থান ঝুঁকির মুখে পড়বে বলে দাবি করেছে বাংলাদেশ স্লিপার এসি বাস মালিক সমিতি। একইসঙ্গে তারা অভিযোগ করেছে, একটি স্বার্থান্বেষী মহলের প্রভাবে স্লিপার বাসের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হচ্ছে।

রোববার (২৩ আগস্ট) রাজধানীর বনানীতে বিআরটিএ সদর দপ্তরে চেয়ারম্যান কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন বাংলাদেশ স্লিপার এসি বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম বাবু।

তিনি বলেন, ২০১০ সাল থেকে দেশের মহাসড়কে স্লিপার বাস চলাচল করছে। বর্তমানে সারা দেশে প্রায় এক হাজার স্লিপার বাস চলাচল করছে এবং এ খাতে প্রায় ২ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ রয়েছে। চালক, হেলপার, সুপারভাইজারসহ প্রায় দুই থেকে আড়াই লাখ মানুষের কর্মসংস্থান এ খাতের সঙ্গে জড়িত।

তৌহিদুল ইসলাম বাবু বলেন, দেশের পর্যটনকেন্দ্র ও দূরপাল্লার বিভিন্ন রুটে যাত্রীরা আরামদায়ক ও নিরাপদ ভ্রমণের জন্য স্লিপার বাস ব্যবহার করছেন। মহাসড়কে স্লিপার বাসের দুর্ঘটনার হারও তুলনামূলক কম।

তিনি অভিযোগ করেন, একটি সংঘবদ্ধ মহল ব্যবসায়িক স্বার্থে স্লিপার বাসের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে এবং প্রশাসনের ওপর প্রভাব বিস্তার করে অভিযান পরিচালনা করাচ্ছে। অথচ এসব বাসের টিকিট বিক্রি, ভ্যাট-ট্যাক্স ও অন্যান্য খাত থেকে সরকার নিয়মিত রাজস্ব পাচ্ছে।

সমিতির সাধারণ সম্পাদক বলেন, স্লিপার বাসের বৈধতা নিয়ে হাইকোর্টে একটি রিট বিচারাধীন রয়েছে। একইসঙ্গে বিষয়টি নিয়ে সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়, বিআরটিএসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকেও স্লিপার বাসের নকশা ও নিরাপত্তা বিষয়ক মূল্যায়ন প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, আদালতের রায় এবং সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্তের আগে হঠাৎ করে অভিযান চালিয়ে লাখ লাখ টাকা জরিমানা করা হচ্ছে, যা মালিকদের হয়রানির শামিল।

স্লিপার বাস বন্ধের পরিবর্তে একটি সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়নের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, কোথাও কোনো ঘাটতি থাকলে সরকার গাইডলাইন দিক, আমরা তা মেনে চলব। কিন্তু হঠাৎ করে এই পরিবহনসেবা বন্ধ করে দিলে যাত্রীরা বিকল্প সেবা থেকে বঞ্চিত হবেন, সরকার রাজস্ব হারাবে এবং হাজার হাজার মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়বেন।

তিনি আরও দাবি করেন, স্লিপার বাসকে ‘ডাবল ডেকার’ হিসেবে আখ্যায়িত করা সঠিক নয়। এসব বাস একতলা কাঠামোর মধ্যেই বিশেষ নকশায় তৈরি করা হয়েছে এবং আকার-আকৃতিতেও অন্যান্য দূরপাল্লার বাসের সমতুল্য।

এ সময় মালিক সমিতির নেতারা সাংবাদিকদের স্লিপার বাসে ভ্রমণ করে এর নিরাপত্তা ও আরামদায়ক পরিবেশ সরেজমিনে দেখার আহ্বান জানান।

রাজনৈতিক মতাদর্শ নয়, পেশাগত যোগ্যতা হবে পদোন্নতির মানদণ্ড: প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 23 August, 2026, 3:04 pm
রাজনৈতিক মতাদর্শ নয়, পেশাগত যোগ্যতা হবে পদোন্নতির মানদণ্ড: প্রধানমন্ত্রী

নৌ ও বিমানবাহিনীর কর্মকর্তাদের পদোন্নতির ক্ষেত্রে রাজনৈতিক মতাদর্শ কিংবা ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দ নয়, পেশাগত দক্ষতা ও যোগ্যতাই মূল বিবেচ্য বিষয় হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

তিনি বলেন, পদোন্নতির ক্ষেত্রে রাজনৈতিক মতাদর্শ ও ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের ঊর্ধ্বে থাকতে হবে।

এ ক্ষেত্রে কর্মকর্তাদের পেশাগত দক্ষতা, নেতৃত্বের গুণাবলি, শৃঙ্খলা, সততা, বিশ্বস্ততা, আনুগত্য ও নিযুক্তিগত উপযুক্ততার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।

রোববার (২৩ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ‘নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনী নির্বাচনী পর্ষদ ২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন।

দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা, স্থিতিশীলতা ও দুর্যোগ মোকাবেলায় নৌ ও বিমানবাহিনীর অবদানের জন্য বাহিনীর সব সদস্যকে ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী।

নির্বাচনী পর্ষদের বক্তব্যের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে স্মরণ করেন।

একই সঙ্গে মহান মুক্তিযুদ্ধের সকল শহীদ, ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের সব শহীদ এবং ১৯৭১ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার বিভিন্ন আন্দোলনে নিহত ও আহত সবার অবদান কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করেন তিনি।

পরে বিমানবাহিনীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অপারেশনাল স্থাপনা পরিদর্শন করেন তিনি।

এ সময় আকাশ প্রতিরক্ষা পরিচালন কেন্দ্র, এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম ইন্টিগ্রেশন, এয়ার কমান্ড অপারেশন সেন্টার এবং অ্যারোস্পেস রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট কমপ্লেক্সের বিভিন্ন কার্যক্রম সরেজমিনে ঘুরে দেখেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

গবেষণা, উদ্ভাবন ও প্রযুক্তিগত আত্মনির্ভরতার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর সক্ষমতা আরো শক্তিশালী হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।