খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ফ্লাইওভারে সড়ক দুর্ঘটনা/মারা গেছে কলেজ ছাত্রী স্নেহা,মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে মোটরসাইকেল চালক বন্ধু

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২০, ৯:৫৮ পূর্বাহ্ণ
ফ্লাইওভারে সড়ক দুর্ঘটনা/মারা গেছে কলেজ ছাত্রী স্নেহা,মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে মোটরসাইকেল চালক বন্ধু

২৪ ঘণ্টা ডট নিউজ। চট্টগ্রাম ডেস্ক : চট্টগ্রামের আখতারুজ্জামান ফ্লাইওভারে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছে সামায়ারা স্নেহা সুমি নামে ১৯ বছর বয়সী এক কলেজ ছাত্রী।

একই ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জীবন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন তার মোটর সাইকেল চালক বন্ধু।

গতকাল সোমবার (১৬ জুন) রাত ১১টার দিকে মোটরসাইকেলে চড়ে আখতারুজ্জামান ফ্লাইওভারের ওঠার সময় জিইসি সানমান এলাকায় একটি ট্রাক চাপা দিলে দুর্ঘটনাটি ঘটে।

সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত সামায়ারা স্নেহা সুমি ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে পড়াশুনার পাশাপাশি জিইসি মোড় এলাকায় মোবাইল অপারেটর কোম্পানি ‘রবি’র কাস্টমার কেয়ার সার্ভিসে কর্মরত ছিলেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

প্রতক্ষ্যদশীরা জানায়, চার ভাইবোনের মধ্যে দ্বিতীয় স্নেহা আকবরশাহ এলাকার বানিয়ারটিলায় পরিবারের সঙ্গে থাকতেন। মঙ্গলবার রাতে তার মায়ের জন্য ঔষধ কিনতে মোটরসাইকেলে করে জিইসির মোড় গিয়েছিলেন।

বেপরোয়া গতির ট্রাকটি (ঢাকা মেট্রো-ট-১৪-৮২১৬) আক্তারুজ্জামান ফ্লাইওভারের উপরের দিকে উঠার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পিছনের দিকে চলতে থাকে। এসময় পেছনে চলন্ত মোটরসাইকেলকে চাপা দেয়।ফ্লাইওভারে তরুণীর মৃত্যু

এতে ট্রাকের পেছনের চাকায় পিস্ট হয় তরুণীসহ তার মোটরসাইকেল চালক বন্ধু। ঘটনাস্থলেই চাকার নিচে থেতলে প্রাণ হারান মোটর সাইকেলে থাকা কলেজ ছাত্রী স্নেহা। গুরুতর আহতাবস্থায় মোটর সাইকেল চালক বন্ধুটিকে উদ্ধার করে স্থানীয়দের সহায়তায় চমেক হাসপাতালে নেওয়া হয়।

ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে চমেক পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ জহিরুল হক জানান, রাতে ট্রাক চাপায় মোটর সাইকেলে থাকা এক মেয়ে মারা গেছে। অপর এক যুবককে গুরুতর আহত অবস্থায় রাতেই চমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার অবস্থা আশংকাজনক বলে তিনি জানান।

এদিকে ঘটনার পর পর ট্রাক চালক পালিয়ে যাওয়ায় তাকে আটক করা সম্ভব না হলেও ঘাতক ট্রাকটি জব্দ করা হয়েছে জানালেন পাঁচলাইশ থানার কনস্টেবল সালাউদ্দিন।

২৪ ঘণ্টা/রাজীব প্রিন্স

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…