খুঁজুন
শনিবার, ১১ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৮শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে রাতে ‘রড ছোড়া চক্র’

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২০, ১১:৪৫ অপরাহ্ণ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে রাতে ‘রড ছোড়া চক্র’

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার চান্দিনা অংশে রাতে একটি চক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে, যাদের কাজ হলো ডাকাতি। যাত্রীদের মারধর করে সড়কের পাশে ফেলে দেওয়া, লুটসহ বিভিন্ন কাণ্ডে জড়িত এ সংঘবদ্ধ দলটি ‘রড ছোড়া চক্র’ নামে পরিচিত।

এ তথ্য সামনে এসেছে গতকাল বুধবার রাতে চান্দিনা থানায় একটি মামলা দায়েরের পর। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চান্দিনার খাদঘর এলাকায় ছিনতাইয়ের ঘটনাটি ঘটেছিল।

ছিনতাইয়ের শিকার হন এরফানুর রহমান লিটন, তার বন্ধু মনির, হিমেল, আশিক ও তার মামাতো ভাই মজিদ। তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গতকাল রাতে ছিনতাইয়ের এ ঘটনায় তাদের গাড়িচালকসহ সকলেই প্রায় আহত হয়েছেন। ঘটনার পরপরই তারা গৌরিপুরের একটি হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। তাদের প্রচণ্ড মারধর করা হয়।

এরফানুর রহমান লিটন জানান, তাদের সবার বাড়ি কুমিল্লার হোমনা উপজেলার শ্রীমদ্ধি ও দারিগাঁ গ্রামে। রাতের খাবার খেতে নিজস্ব গাড়ি নিয়ে তারা হোমনা থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে বুড়িচং উপজেলার মিয়ামী হোটেলে গিয়েছিলেন।

ঘটনার সারসংক্ষেপ

লিটনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ওই রাতে খাওয়া শেষে মনির, হিমেল, আশিক ও মামাতো ভাই মজিদসহ হোমনার উদ্দেশে রওনা হন। তখন রাত ১টা, গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছিল। চান্দিনার খাদঘর এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ গাড়িতে বিকট শব্দ হয়। তার মনে হয়েছিল গাড়ির রিং ভেঙে গেছে।

লিটন বলেন, ‘২০০ গজ সামনে গিয়ে ড্রাইভার গাড়ি থামালে সমস্যা চিহ্নিত করতে সবাই নেমে পড়ি। গাড়িতে লোহার রডের আঘাত পাই। ঠিক তখন রাস্তার বাম পাশ হতে ছিনতাইকারীরা এসে আমাকে এবং বন্ধু হিমেল, আশিক ও মামাতো ভাই মাজেদকে লোহার রড দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করতে থাকে। গাড়ি চালক কালুর মাথায় পেছন থেকে দা দিয়ে কোপ দেয়। ছিনতাইকারীরা আমার এবং আমার বন্ধুদের কাছে থাকা নগদ প্রায় ৬৫ হাজার টাকা, আইফোনসহ বিভিন্ন ব্রান্ডের পাঁচটি মোবাইল ফোন সেট, এক ভরি ওজনের স্বর্ণের চেন ও অন্যান্য সবকিছু নিয়ে যায়।’

চান্দিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুল ফয়সল জানান, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ছিনতাইয়ের ঘটনায় থানায় অজ্ঞাতনামা দুষ্কৃতিকারীদের বিরুদ্ধে একটি মামলা হয়েছে। এরা ‘রড ছোড়া চক্র’ নামে পরিচিত। জড়িত ছিনতাইকারীদের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…