খুঁজুন
, ,

বেসরকারি হাসপাতালের অযৌক্তিক বিল ও অনিয়ম নাগরিক উদ্যোগকে জানানোর অনুরোধ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 22 July, 2020, 9:07 pm
বেসরকারি হাসপাতালের অযৌক্তিক বিল ও অনিয়ম নাগরিক উদ্যোগকে জানানোর অনুরোধ

বেসরকারি হাসপাতালের অযৌক্তিক বিল এবং অনিয়ম নাগরিক উদ্যোগকে জানাতে ভুক্তভোগীদের নিকট অনুরোধ জানিয়েছেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম সুজন।

তিনি আজ বুধবার (২২ জুলাই) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ অনুরোধ জানান।

এ সময় জনদুর্ভোগ লাঘবে জনতার ঐক্য চাই শীর্ষক নাগরিক উদ্যোগের প্রধান উপদেষ্টা সুজন বলেন, করোনা মহামারি সারা বিশ্বকে মানবিক হওয়ার আহবান জানালেও দেশের বেসরকারি হাসপাতালগুলো দিন দিন আরো অমানবিক হয়ে উঠছে। রোগী ভর্তি না করা, অযৌক্তিক বিল, গভীর রাতে রোগীদের বের করে দেয়া, বিলের জন্য লাশ আটকে রাখাসহ নানা রকম ন্যাক্কারজনক উদাহরণ সৃষ্টি করছে বেসরকারি হাসপাতালগুলো।

তিনি বলেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হুঁশিয়ারিসহ বিভিন্ন সংস্থার অভিযানের পরও দমানো যাচ্ছে না তাদের। দেখা যাচ্ছে যে শুধুমাত্র স্যালাইন কিংবা অক্সিজেন লাগিয়ে দিয়েই লাখ লাখ টাকা বিল আদায় করছে এসব হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। অহেতুক ওষুধ প্রয়োগ, সার্ভিস চার্জসহ বিভিন্ন চার্জের নামেও রোগীদের কাছ থেকে টাকা আদায় করা তাদের নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাড়িয়েছে।

সুজন বলেন, এক সময় তারা হাসপাতালে রোগী ভর্তি না করিয়ে সারা চট্টগ্রামে অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছিল। পরবর্তীতে বিভিন্ন চাপে পড়ে তারা রোগী ভর্তি করলেও তাদের ভুতুড়ে বিলের বোঝা থেকে কোনভাবেই রক্ষা পাচ্ছে না রোগীর স্বজনরা।

এমতাবস্থায় মহামান্য হাইকোর্ট বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার ক্ষেত্রে মাত্রাতিরিক্ত ফি আদায়ের বিষয়ে ভুক্তভোগী ব্যক্তিকে দুদক এ অভিযোগ দায়ের করার নির্দেশনা প্রদান করেছেন। তারপরও বেসরকারি হাসপাতালগুলোর লাগাম টেনে ধরা যাচ্ছে না।

এছাড়া ইতিপূর্বে বেসরকারি হাসপাতালে করোনা নমুনা পরীক্ষার ফি নির্ধারণ করে দিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। অত্যন্ত দুঃখজনক এবং উদ্বেগের বিষয় হচ্ছে চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতাল করোনা নমুনা পরীক্ষায় রোগীদের কাছ থেকে তিন থেকে চার হাজার টাকা আদায় করলেও অব্যাহতভাবে ভুল রিপোর্ট দিচ্ছে। তাদের ভুল রিপোর্টের ফলে ভোগান্তিতে পড়ছে নমুনা পরীক্ষা করতে আসা রোগীরা। ভুল ফলাফলের একটা বিরূপ প্রভাব পড়ছে সর্বত্র। একেকবার একেক রকম রিপোর্টের কারণে সংশ্লিষ্ট রোগী সঠিক চিকিৎসাসেবা থেকেও বঞ্চিত হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে রোগীর মৃত্যুর মতো অমানবিক ঘটনাও ঘটছে। বিশেষ করে বেশী ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন বিদেশ যাত্রীরা। ভুল রিপোর্টের কারণে বিদেশ যাত্রাও বিলম্বিত হচ্ছে। আর নির্দিষ্ট তারিখে ফ্লাইটের আসন ধরতে না পারায় আর্থিকভাবেও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন বিদেশ যাত্রীরা।

এমতাবস্থায় বেসরকারি হাসপাতালের দৌরাত্ন্য রুখে দিয়ে অযৌক্তিক বিল এবং ভুল রিপোর্ট এর দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক সাজা প্রদানের জন্য দুদক চট্টগ্রাম এর পরিচালক মোঃ মাহমুদ হাসান এবং র‌্যাব-৭ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল মশিউর রহমান জুয়েল কে টেলিফোনে অনুরোধ জানান সুজন।

দুদক চট্টগ্রাম এর পরিচালক মোঃ মাহমুদ হাসান এবং র‌্যাব-৭ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল মশিউর রহমান জুয়েল সংশ্লিষ্ট বিষয়ে নাগরিক উদ্যোগকে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।

তাঁরা বলেন, বেসরকারি হাসপাতালের অনিয়ম বিষয়ে সারাদেশে আমাদের অভিযান চলছে এবং চলবে। আমরা নগরবাসীকে আশ্বস্ত করতে চাই চট্টগ্রাম এ অভিযানের বাহিরে থাকবে না। কর্মকর্তাবৃন্দ নাগরিক উদ্যোগের নেতৃবৃন্দ এবং নগরবাসীকে উপরোক্ত বিষয়সহ যে কোন দুর্নীতির বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য সংগ্রহ করার আহবান জানান এবং ভুক্তভোগীদের স্ব-স্ব দপ্তরে অভিযোগ দায়ের করারও পরামর্শ প্রদান করেন।

নাগরিক উদ্যোগের প্রধান উপদেষ্টা খোরশেদ আলম সুজন ভুক্তভোগীদের অযৌক্তিক বিল এবং ভুল রিপোর্টের তথ্য জানাতে নাগরিক উদ্যোগের ফেসবুক পেইজ: Nagorik Uddog Chottagram, ই মেইল: nagorikuddog@gmail.com, ফোন: ০১৮৭৩-১১০৮৪৬ ও ০১৭৭২-৫০০৭০০ এই নাম্বারে ওয়াটস অ্যাপ এবং ইমু অ্যাপে জানানোর জন্য বিনীত অনুরোধ জানান।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।