খুঁজুন
, ,

করোনা ও মশার হাত থেকে চট্টগ্রামবাসীকে রক্ষা করার নির্দেশনা প্রদান করায় প্রধানমন্ত্রীকে সুজনের কৃতজ্ঞতা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 7 April, 2020, 5:32 pm
করোনা ও মশার হাত থেকে চট্টগ্রামবাসীকে রক্ষা করার নির্দেশনা প্রদান করায় প্রধানমন্ত্রীকে সুজনের কৃতজ্ঞতা

.jpg

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে করণীয় বিষয়ে চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের ১৫টি জেলার প্রশাসনিক কর্মকর্তা এবং জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা করোনা, মশা এবং ডেঙ্গুর হাত থেকে চট্টগ্রামবাসীকে রক্ষা করার জন্য বিভিন্ন সেবা সংস্থা এবং প্রশাসনকে দিকনির্দেশনা প্রদান করায় চট্টগ্রামবাসীর পক্ষ থেকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেছেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম সুজন।

তিনি আজ মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।

এ সময় জনদুর্ভোগ লাঘবে জনতার ঐক্য চাই শীর্ষক নাগরিক উদ্যোগের প্রধান উপদেষ্টা সুজন বলেন দেশব্যাপী করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রতিনিয়তই দিকনির্দেশনা প্রদান করছেন। কখনো ভিডিও কনফারেন্স, কখনো প্রেস কনফারেন্স, কখনো সংবাদ সম্মেলন করে এ থেকে উত্তরণের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করছেন। এছাড়া করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধের লড়াইয়ে দেশবাসীকে সাহস ধরে রাখার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ লড়াইয়ে বিজয়ের আশাবাদও ব্যক্ত করেছেন তিনি।

তিনি করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে ৩১ দফা নির্দেশনা দিয়েছেন। এই ভাইরাস থেকে মুক্ত থাকতে সচেতনতা ও স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণের পরামর্শের পাশাপাশি চলমান পরিস্থিতিতে সবাইকে ধৈর্য ধারণ করার আহ্বানও জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ইতিমধ্যে করোনাভাইরাসের কারণে আর্থিক ক্ষতি মোকাবিলায় মোট ৭২ হাজার ৭৫০ কোটি টাকার আর্থিক প্রণোদনা ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সমাজের সব স্তরের পেশাজীবী মানুষ এই প্রণোদনা প্যাকেজের সুফল পাবেন বলে উল্লেখ করেন তিনি। এছাড়া করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শুরু হওয়ার পর থেকে এই রোগে আক্রান্তদের চিকিৎসা দিতে যেসব সরকারি চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মী সেবা দিয়ে যাচ্ছেন তাদের কাজের স্বীকৃতি হিসেবে পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এভাবেই প্রতিদিন করোনাভাইরাস প্রতিরোধে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নানা নির্দেশনা, উৎসাহ এবং কর্মপরিকল্পনা ঘোষণার ফলে জনগন এ ভাইরাস রোধে অনেকখানি সচেতন হয়েছে এবং প্রয়োজন ব্যতীত ঘর থেকে বের হচ্ছেন না বলে মত প্রকাশ করেন সুজন।

তবে বর্তমান সময়ে ঘরে থাকার পথে প্রধানতম অন্তরায় হচ্ছে মশা, বিদ্যুতের ভেল্কিবাজি এবং নগরীর কিছু কিছু জায়গায় অনিয়মিত পানি সরবরাহ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের এ দুর্যোগময় পরিস্থিতিতে চট্টগ্রামের জনগনের হৃদয়ের কথা উপলব্দি করতে পেরে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করার ফলে নগরবাসী করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে দ্রুতই মুক্তি পাবে বলে আশাবাদও ব্যক্ত করেন সুজন।

তিনি আরো বলেন প্রবাসীরা আমাদের দেশের অন্যতম অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি। দেশের অর্থনীতির উল্লেখযোগ্য একটা অংশ আসে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্স থেকে। প্রতি মাসেই রেমিটেন্স বাড়ছে যা দেশের অর্থনীতির জন্য একটি সুসংবাদও বটে। তবে বর্তমানে করোনাভাইরাসের কারণে বিশ্বের অধিকাংশ দেশে লকডাউনের ফলে আমাদের প্রবাসীরা বিভিন্ন দেশে মানবেতর জীবন যাপন করছে। এতে করে খাদ্য চিকিৎসাসহ নানামূখী অসুবিধার সম্মূখীন হচ্ছেন প্রবাসীরা। এ অবস্থায় কারো কাছ থেকে আর্থিক সাহায্য চাওয়ার মতো অবস্থাও তাদের নেই। তিনি বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত প্রবাসীদের আর্থিক এবং খাদ্য সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে দূতাবাসগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদানের জন্য পররাষ্ট্রমন্ত্রীর নিকট বিনীত অনুরোধ জানান তিনি।

তিনি বর্তমান করোনাভাইরাস কেন্দ্রিক পরিস্থিতিতে নগরবাসীকে ঘরে রাখা, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা এবং ব্যবসায়ীদেরকে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের অতিরিক্ত মূল্য রাখা থেকে বিরত রাখতে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করার লক্ষে নিরলসভাবে কাজ করার জন্য জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট এবং সেনাবাহিনীর নিকট আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

সুজন এ পরিস্থিতিতে বিদ্যুতের ভেল্কিবাজি এবং ওয়াসার অনিয়মিত পানি সরবরাহ বন্ধ করার বিনীত আবেদন জানিয়ে বলেন সরকার করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে সবাইকে ঘরে থাকার নির্দেশনা প্রদান করেছে। তবে এ ক্ষেত্রে বড় বাঁধা হচ্ছে বিদ্যুৎ এবং পানির পর্যাপ্ত সরবরাহ না থাকা। তিনি দ্রুততার সাথে বিদ্যুতের পরিস্থিতির উন্নতি এবং নগরবাসীর নিকট নিয়মিত সুপেয় পানি সরবরাহ করার জন্য কর্তৃপক্ষের নিকট বিনীত আবেদন জানান। এছাড়া নাগরিক উদ্যোগের অনুরোধের প্রেক্ষিতে নগরীর যে সকল এলাকায় ওয়াসার পানির স্বাভাবিক সরবরাহ বিঘ্নিত হচ্ছিল সে সকল এলাকায় ভাউচারের মাধ্যমে পানি সরবরাহ প্রদান করায় ওয়াসার এমডি’র নিকট কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন এবং এ ধারা অব্যাহত রাখার অনুরোধ জানান।

তাছাড়া নগরীর উত্তর কাট্টলী এলাকায় প্রায় অনেকদিন ধরে পানি না থাকায় উদ্বেগ প্রকাশ করে সুজন বলেন এর ফলে ঐ এলাকায় বসবাসরত হাজার হাজার মানুষ নিদারুন কষ্ট ভোগ করছে। ফলত বাধ্য হয়েই বিভিন্ন উৎস থেকে সংগ্রহ করা অনিরাপদ পানি পান করে অসুস্থ হয়ে পড়ছে এলাকাবাসী। তিনি এ অবস্থা থেকেও এলাকাবাসীকে সহসা মুক্তি দানের জন্য কর্তৃপক্ষের নিকট উদাত্ত আহবান জানান।

এছাড়া নগরীর বিভিন্ন পাড়া মহল্লায় যারা স্ব-উদ্যোগে লকডাউন করেছে তাদেরকে নাগরিক উদ্যোগের পক্ষ থেকে আন্তরিক অভিবাদন জানান তিনি। নগরীর অবশিষ্ট বাকি এলাকায়ও জনগনকে ঘরে থাকা নিশ্চিত করা, আড্ডা মারা বন্ধ করা এবং সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করার উদ্যোগ গ্রহণ করার জন্য স্ব-স্ব এলাকার জনপ্রতিনিধিগণ, বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠন, মহল্লার সর্দার এবং যুব সমাজের প্রতিও উদাত্ত আহবান জানান সুজন।

 

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।