খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

লক্ষ্মীপুরে মেছো বাঘের ৪ বাচ্চা উদ্ধার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২০, ১০:০৩ অপরাহ্ণ
লক্ষ্মীপুরে মেছো বাঘের ৪ বাচ্চা উদ্ধার

অ আ আবীর আকাশ,লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি : লক্ষ্মীপুর জেলার চন্দ্রগঞ্জ থানাধীন কামারহাটের দক্ষিণে ধন্যপুর টাওয়ারের গোড়া নামকস্থান থেকে ৪টি মেছো বাঘের বাচ্চা উদ্ধার করা হয়।

আজ শুক্রবার লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার ভারপ্রাপ্ত বন কর্মকর্তা চন্দন ভৌমিক বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগে গত (২৫ জুলাই) শনিবার স্থানীয় ধন্যপুর গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা আতিকুর রহমানের ছেলে মটর ম্যাকানিক মোঃ আনোয়ার হোসেন একদম ছোট ছোট ৪টি মেছো বাঘের বাচ্চা উদ্ধার করে লালন পালন আরম্ভ করে।

জানা যায়, স্থানীয় জনগণ ধন্যপুর টাওয়ারের নিচে মেছো বাঘ এবং বাচ্চা দেখতে পায়। পরে তারা মা মেছো বাঘটিকে পিটিয়ে মেরে ফেলে এবং ছানা ৪টিকে ফেলে চলে যায়। পরবর্তীতে স্থানীয় চন্দ্রগঞ্জ বাজারের আফজাল রোড সংলগ্ন বিসমিল্লাহ ইলেকট্রিক ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কসপ এর স্বত্তাধিকারী মোঃ আনোয়ার হোসেন বাচ্চা গুলো দেখতে পেয়ে নিজের দায়িত্বে নিয়ে যায়।

এবিষয়ে জানাতে চাইলে মোঃ আনোয়ার হোসেন জানান, আমি মেছো বাঘের বাচ্চা গুলো পাওয়ার পর ইউটিউবে টিউটোরিয়াল দেখি, কিভাবে বাঘের বাচ্চা লালন পালন করতে হয়। তারপর আমি বাচ্চা গুলোর জন্য আলোর ব্যবস্থা করি যাতে তারা উত্তাপ পায় এবং তাদেরকে নিয়মিত তরল দুধ খাওয়ানোর চেষ্টা করি। এখন তারা তরল দুধ একটু একটু করে খাচ্ছে।

খবর পেয়ে (৩০ জুলাই) বৃহস্প্রতিবার মেছো বাঘের বাচ্চা গুলোকে দেখতে আসেন, লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার ভারপ্রাপ্ত বন কর্মকর্তা চন্দন ভৌমিক। তিনি খবর পেয়ে আনোয়ারের ওয়ার্কসপে আসেন এবং মেছো বাঘের বাচ্চা গুলোকে দেখেন। বাচ্চা গুলো অনেক ছোট বিধায় পশু প্রেমিক মোঃ আনোয়ার হোসেন এর কাছে আপাতত মেছো বাঘের বাচ্চা গুলোকে রেখে যান। পরবর্তীতে যখন বাচ্চা গুলো বড় হবে তখন বন বিভাগ বাচ্চা গুলো নিয়ে যাবে।

তিনি আরো বলেন বিলুপ্ত প্রায় এই মেছো বাঘের বাচ্চা গুলোকে আশ্রয় দিয়ে লালন পালন করে মোঃ আনোয়ার হোসেন মানবতার উজ্জল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। আশা করছি তিনি এর যোগ্য পুরস্কার পাবেন।

এদিকে বাঘের বাচ্চা পাওয়ার খবরে এলাকায় চাঞ্ছল্যকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। সাধারন মানুষ প্রতিনিয়ত বাঘের বাচ্চা গুলোকে দেখতে আনোয়ারের ওয়ার্কসপে ভিড় জমাচ্ছে।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…