খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পরিবারের সাথে গ্রামে ঈদ উদযাপন করা হলোনা রাউজানের স্কুলছাত্র আমরিনের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২০, ১২:৪১ পূর্বাহ্ণ
পরিবারের সাথে গ্রামে ঈদ উদযাপন করা হলোনা রাউজানের স্কুলছাত্র আমরিনের

নেজাম উদ্দিন রানা, রাউজান (চট্টগ্রাম) : পরিবারের সাথে গ্রামের বাড়ীতে ঈদ উদযাপন করতে চট্টগ্রাম নগরীর বাসা থেকে রাউজানের বাগোয়ান ইউনিয়নের পাঁচখাইন গ্রামে ছুটে যান এলাকার সোবহান মাতব্বরের বাড়ির মোহাম্মদ মুরাদের পরিবার। নগরের ইট-পাথরের শিকলবন্দী জীবন থেকে গ্রামের কোলাহলমুখর পরিবেশ পেয়েই খুশীতে আটখানা মুরাদের ছেলে আলী হাসান আমরিন (১২) ও এক কন্যা সন্তান। দীর্ঘ সময় পর গ্রামে ফিরে এসে তাই বাড়ির সম বয়সী ছেলেদের সাথে আনন্দ-আহ্লাদে মেতে উঠে আলী হাসান আমরিন। কে জানত! হাসতে হাসতে ছেলেটি ঈদের একদিন পূর্বে সবার অলক্ষ্যে চিরতরে ঘুম পাড়বেন।

স্থানীয় লোকজন ও ছাত্রলীগ নেতা জসিম উদ্দিন অভি জানান, ৩১ জুলাই (শুক্রবার) বিকেলে বাড়ির সামনে সবার সাথে খেলায় মেতে উঠেছিল আমরিন। খেলার এক পর্যায়ে সবার অলক্ষ্যে সে পুকুরের পানিতে পড়ে যায়। পরে তাকে দীর্ঘক্ষণ খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে মাগরিবের পর পুকুরে ভাসমান অবস্থায় প্রতিবেশী লোকজন অচেতন অবস্থায় উদ্ধার স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

এ সময় তার স্বজনদের বিলাপে এলাকায় হৃদয় বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। ঈদ উদযাপনের প্রস্তুতি ছাপিয়ে আলী হাসান আমরিনের মৃত্যু সংবাদে পুরো এলাকাজুড়ে শোকাবহ পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাউজানের পাঁচখাইন গ্রামের মোহাম্মদ মুরাদের দুই সন্তানের মধ্যে একমাত্র ছেলে সন্তান আলী হাসান আমরিন নগরীর একটি বিদ্যালয়ে দ্বিতীয় শ্রেণিতে অধ্যায়নরত ছিল। নগরীতে বাসায় থাকতেন মুরাদের পরিবার। পারিবারিক অনুষ্ঠান ও ঈদের সময় গ্রামের বাড়িতে আসতো তার পরিবার।

প্রতিবারের মতো এবারো আদরের দুই সন্তানকে নিয়ে গ্রামে ঈদ উদযাপন করতে এসেছিল মুরাদের পরিবার। ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে ঈদের একদিন পূর্বেই সবাইকে শোকাচ্ছন্ন করে তাদের আদরের মানিকধনটি পাড়ি জমালো না ফেরার দেশে।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…