খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নেইমারের পিএসজির ঘরোয়া ট্রেবল জয়

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২০, ১:১২ অপরাহ্ণ
নেইমারের পিএসজির ঘরোয়া ট্রেবল জয়

অলিম্পিক লিঁও-কে হারিয়ে রেকর্ড নবমবারের মত ফ্রেঞ্চ লিগ কাপের শিরোপা জিতলো প্যারিস সেইন্ট জার্মেই। নির্ধারিত সময়ে ম্যাচ থাকে গোলশূন্য। এরপর পেনাল্টি শ্যুটআউটে লিঁও-কে ৬-৫ ব্যবধানে হারিয়ে শেষ আসরে জিতে ইতিহাস রচনা করলো দ্য পারসিয়ান।

এক সপ্তাহ আগে এ মাঠেই ফ্রেঞ্চ কাপের শিরোপা নিজেদের করে নিয়েছিলো প্যারিস সেইন্ট জার্মেই। এক সপ্তাহ পর আবারো স্তাদে ডি ফ্রান্সে শিরোপার লড়াইয়ে নামে ফরাসি জায়ান্টরা। অলিম্পিক লিঁও-র বিপক্ষে ফ্রেঞ্চ লিগ কাপের ফাইনালে।

এবারের ফাইনাল অন্য ফাইনালের চেয়ে কিছুটা হলেও ভিন্ন। কারণ এটাই ফ্রেঞ্চ লিগ কাপের শেষ আসর। তাই যারাই জিতবে তারাই হয়ে থাকবে ইতিহাসের অংশ।

ম্যাচের শুরু থেকে প্রতিপক্ষ অলিম্পিক লিঁও-কে একরকম চাপে রাখে পিএসজি। আক্রমণ চালায় একের পর এক। নেইমার, ডি মারিয়ারা রীতিমত ব্যস্ত রাখে লিঁও-র রক্ষণদুর্গকে। বিরতিতে যাওয়ার কিছু সময় আগেও গোলের সুযোগ তৈরি করেছিলো দ্য পারসিয়ান। কিন্তু ফিনিশিং এর অভাবে তা আর গোলে রূপ নেয়নি। ফলে প্রথমার্ধ্ব থাকে গোলশূন্য।

বিরতি থেকে ফিরেও ম্যাচের চিত্র থাকে একই। দ্বিতীয়ার্ধ্বের ৮ মিনিটের মাথায় নেইমার দারুণ এক সুযোগ তৈরি করেছিলো। কিন্তু লিঁও গোলরক্ষক অঁতনি লোপেজ তা আর হতে দেননি। ফলে আক্রমণ আর রক্ষণভাগের বেড়াজালে গোলের দেখা পেতে বারবারই ব্যর্থ হয় পিএসজি। ভালো অনেক সুযোগ তৈরি করেও ফলাফল থাকে শূন্য। অন্যদিকে, অলিম্পিক লিঁও থাকে গোলবঞ্চিত। নির্ধারিত সময় গোলশূন্য থাকায় ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে।

অতিরিক্ত সময়ে গিয়ে জমজমাট ম্যাচ উপভোগ করে স্তাদে দি ফ্রান্সের দর্শক। দু’দলই একের পর এক আক্রমণ চালিয়ে যায়। কিন্তু গোলের আর দেখা পায় না। উল্টো যোগ করা সময়ের শেষদিকে ডি মারিয়াকে ফাউল করে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন লিঁও ডিফেন্ডার রাফায়েল। আর ম্যাচের ভাগ্য গড়ায় পেনাল্টি শ্যুটআউটে।

টান টান উত্তেজনা। চলছে পেনাল্টি শ্যুটআউট। পিএসজির হয়ে উৎরে গেছেন নেইমার, হেরেরা, ডি মারিয়ারা। কিন্তু অলিম্পিক লিঁওর হয়ে বারট্রেন্ড ব্যর্থ হন। মিস করেন পেনাল্টি। পরে সারাবিয়ার গোলে শিরোপা নিশ্চিত হয় পিএসজির। শেষ আসরে ফ্রেঞ্চ লিগ কাপ জিতে ইতিহাস গড়ে থমাস টাচেলের দল। এ নিয়ে নবমবারের মত এই শিরোপার স্বাদ নিলো দ্য পারসিয়ান।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…