খুঁজুন
, ,

প্রতিবেদন দিতে আরো সময় চাইলো স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 20 August, 2020, 7:18 pm
প্রতিবেদন দিতে আরো সময় চাইলো স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটি

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গঠিত তদন্ত কমিটি অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহার তদন্ত রিপোর্ট ২৩ তারিখে দিতে পারবে না। কারণ এখনও ওসি প্রদীপকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারেননি তারা। তাই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ে আরো সাত দিন সময় চাওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গঠিত তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক চট্টগ্রামের বিভাগীয় অতিরিক্ত কমিশনার মো. মিজানুর রহমান এ তথ্য জানিয়েছেন।

প্রসঙ্গত, ১৬ আগস্ট বলা হয় আগামী সাতদিনের মধ্যে অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহার পুলিশের গুলিতে নিহত হওয়ার ঘটনার তদন্ত রিপোর্ট জমা দেবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গঠিত তদন্ত কমিটি।

শামলাপুরে গণ শুনানি শেষে এ কথা জানান কমিটির আহ্বায়ক চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান। আগামীতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে সুপারিশ দেবে বলেও জানান তিনি।

এদিকে, টেকনাফে অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান নিহত হওয়ার ঘটনায় বোনের দায়ের মামলায় চার পুলিশ সদস্যসহ সাতজনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। সাত দিনের রিমান্ড শেষে বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) এই সাত আসামিকে আদালতে সোপর্দ করা হলে কক্সবাজারের জ্যেষ্ঠ বিচারক হাকিম আদালত-৪ এর বিচারক তামান্না ফারাহ তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

গত ১২ আগস্ট আদালত ৪ পুলিশ সদস্যসহ এ সাতজন আসামির প্রত্যেকের সাতদিন করে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদের আদেশ দেন।
এদিকে অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা, তার সহকর্মী শিপ্রা দেবনাথ ও সিফাতের ব্যবহৃত ল্যাপটপ, হার্ডডিস্ক, পেনড্রাইভসহ ২৯ টি উপকরণ বৃহস্পতিবার র‌্যাবের তদন্তকারী কর্মকর্তার হেফাজতে নেয়ার কথা রয়েছে। বুধবার রাতে কক্সবাজারে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার মুখপাত্র লে. কর্নেল আশিক বিল্লাহ।

গত ৩১ জুলাই রাতে টেকনাফের শামলাপুরের তল্লাশি চৌকিতে গুলিতে নিহত হন মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2
Feb2

‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে প্রস্তুুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 26 July, 2026, 5:50 pm
‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে প্রস্তুুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

রনজিত কুমার শীল: আগামী ৫ আগস্ট ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন উপলক্ষে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আজ ২৬ জুলাই রোববার সার্কিট হাউসের সম্মেলন কক্ষে এক প্রস্তুুতিমূলক সভা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অংশীজনেরা দিবসটি যথাযোগ্য ভাবগাম্ভীর্য ও মর্যাদার সাথে পালনের জোরালো দাবি জানান।

সভায় সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপনের বিষয়ে সবাইকে আশ্বস্ত করেন।

প্রস্তুুতিমূলক এ সভায় অনুষ্ঠানের ভেন্যুনির্বাচন, বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ, রূপরেখা তৈরি ও বাস্তবায়নে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ শরীফ উদ্দিন।

সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মোঃ মাসুদ আলম, পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ের প্রতিনিধি অতিরিক্ত পুলিশ সুপার চাইলাউ মারমা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এলএ) মোঃ কামরুজ্জামান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) সৈয়দ মাহবুবুল হক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সাখাওয়াত জামিল সৈকত জেলা প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ। এছাড়াও জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তর ও সংস্থার প্রতিনিধিগণ।

শিশুদের ৬ ধরনের টুথপেস্টের ৪টিতেই মিলেছে বিষাক্ত মাইক্রোপ্লাস্টিক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 26 July, 2026, 4:00 pm
শিশুদের ৬ ধরনের টুথপেস্টের ৪টিতেই মিলেছে বিষাক্ত মাইক্রোপ্লাস্টিক

বাংলাদেশের বাজারে ছোটদের ব্যবহারের জন্য বিক্রি হওয়া ৬টি জনপ্রিয় টুথপেস্ট ব্র্যান্ডের ৪টিতেই মিলল মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি। প্রতি ১০০ গ্রাম টুথপেস্টে ২০টি থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ১৪০টি পর্যন্ত প্লাস্টিকের কণা পাওয়া গেছে।

রোববার (২৬ জুলাই) পরিবেশ বিষয়ক গবেষণা সংস্থা ‘এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন’ (এসডো) এক সংবাদ সম্মেলনে দীর্ঘ এক বছরের গবেষণা ও সমীক্ষার ফলাফল তুলে ধরে এই তথ্য জানায়।

এসডোর তথ্য মতে, শিশুদের ব্যবহারের জন্য পরীক্ষিত টুথপেস্টগুলোর মধ্যে কুডুমু আল্ট্রা শিল্ড ফর্মুলা ব্র্যান্ডে সবচেয়ে বেশি ১৪০টি মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে। এ ছাড়া মেরিল বেবি স্ট্রবেরিতে ৬০টি, মেরিল বেবি অরেঞ্জে ৪০টি এবং পেপসোডেন্ট কিড অরেঞ্জে ২০টি প্লাস্টিক কণা শনাক্ত করেছেন গবেষকেরা। তবে শিশুদের জন্য আমদানিকৃত কুডুমু অরেঞ্জ ও স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত প্যারাসুট জাস্ট ফর বেবি (ম্যাঙ্গো) টুথপেস্টে কোনো মাইক্রোপ্লাস্টিক মেলেনি।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, কেবল শিশুদের টুথপেস্টই নয়; বাজারে থাকা দেশি-বিদেশি মোট ৩৪টি টুথপেস্ট পরীক্ষা করে ২৬টিতেই বিষাক্ত প্লাস্টিক কণা পাওয়া গেছে। প্রতি ১০০ গ্রাম টুথপেস্টে গড়ে ২০ থেকে ৩২০টি পর্যন্ত কণা মিলেছে। সবচেয়ে বেশি ৩২০টি কণা পাওয়া গেছে ‘মেডিপ্লাস ফ্লুরিড জেল’-এ।

বাজারে বিক্রি হওয়া ৩৪ টুথপেস্টের ২৬টিতেই মিলল বিষাক্ত মাইক্রোপ্লাস্টিক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 26 July, 2026, 3:32 pm
বাজারে বিক্রি হওয়া ৩৪ টুথপেস্টের ২৬টিতেই মিলল বিষাক্ত মাইক্রোপ্লাস্টিক

বাংলাদেশের বাজারে বিক্রি হওয়া ৩৪টি টুথপেস্টের ২৬টিতেই ক্ষতিকর মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। প্রতি ১০০ গ্রাম টুথপেস্টে সর্বনিম্ন ২০টি থেকে সর্বোচ্চ ৩২০টি পর্যন্ত প্লাস্টিক কণা মিলেছে, যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্লাস্টিকের কণা পাওয়া গেছে ‘মেডিপ্লাস ফ্লুরিড জেল’-এ।

পরিবেশ বিষয়ক গবেষণা সংস্থা এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (এসডো) দীর্ঘ ১ বছর ধরে গবেষণা চালিয়ে রোববার (২৬ জুলাই) নিজস্ব কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছে।

এসডো জানায়, সারাদেশের ২ হাজার ৭৬০ জন ভোক্তার ওপর জরিপ চালানোর পাশাপাশি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশবিজ্ঞান বিভাগের ‘এনভায়রনমেন্টাল হেলথ অ্যান্ড ইকোটক্সিকোলজি ল্যাবরেটরিতে’ বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা চালানো হয়। এই গবেষণায় স্টিরিওমাইক্রোস্কোপি ও ফুরিয়ার ট্রান্সফর্ম ইনফ্রারেড স্পেকট্রোস্কোপি প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে।

গবেষণা প্রতিবেদন অনুযায়ী, পরীক্ষা করা টুথপেস্টগুলোর মধ্যে বাংলাদেশে উৎপাদিত ২৫টির মধ্যে ২২টিতেই মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে। এ ছাড়া ভারতে উৎপাদিত ৫টির মধ্যে ১টি, থাইল্যান্ডের ২টির মধ্যে ১টি এবং ভিয়েতনামের ২টি টুথপেস্টের দুটিতেই এই ক্ষতিকর উপাদান মিলেছে। সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, শিশুদের জন্য বিশেষভাব তৈরি ৬টি টুথপেস্টের ৪টিতেই বিষাক্ত মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি ধরা পড়েছে।

প্লাস্টিক কণার ফলাফলে দেখা যায়, প্রতি ১০০ গ্রাম টুথপেস্ট হিসেবে সবচেয়ে বেশি ৩২০টি মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে মেডিপ্লাস ফ্লুরিড জেলে। এ ছাড়া ক্লোজ আপ রেড হট-এ ১৬০টি, ক্লোজ আপ মেন্থল ফ্রেশ-এ ১৬০টি, কুডুমু আল্ট্রা শিল্ড ফর্মুলা স্ট্রবেরিতে ১৪০টি, সিগন্যাল গ্রিন টি-তে ১২০টি, পেপসোডেন্ট অ্যাডভান্স সল্ট-এ ১০০টি, হিমালয়া কমপ্লিট কেয়ার-এ ১০০টি এবং সেনসোডাইন ফ্রেশ মিন্টে ৮০টি মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে।

অন্যদিকে শিশুদের ব্যবহৃত টুথপেস্টের মধ্যে কুডুমু আল্ট্রা শিল্ড ফর্মুলায় ১৪০টি, মেরিল বেবি স্ট্রবেরিতে ৬০টি, মেরিল বেবি অরেঞ্জে ৪০টি এবং পেপসোডেন্ট কিড অরেঞ্জে ২০টি প্লাস্টিক কণা শনাক্ত করা হয়েছে।

তবে গবেষণায় স্বস্তির খবরও উঠে এসেছে। বাংলাদেশে উৎপাদিত টুথপেস্টের মধ্যে জেনফ্রেশ, প্যারাসুট জাস্ট ফর বেবি (ম্যাঙ্গো) এবং ক্লোজ আপ রেড হট জিংক ফ্রেশ টেকনোলজিতে কোনো মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া শিশুদের জন্য আমদানিকৃত কুডুমু অরেঞ্জেও শনাক্তযোগ্য মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া যায়নি বলে নিশ্চিত করেছে এসডো।