খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ১৪ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হামলায় বিএনপি জড়িত না থাকলে আলামত কেন নষ্ট করলো: প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২০, ৮:০১ অপরাহ্ণ
হামলায় বিএনপি জড়িত না থাকলে আলামত কেন নষ্ট করলো: প্রধানমন্ত্রী

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় বিএনপি যদি জড়িত না থাকে তবে আলামত কেন তারা নষ্ট করলো?

গ্রেনেড হামলার ঘটনার ১৬তম বার্ষিকী উপলক্ষে শুক্রবার (২১ আগস্ট) সকালে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি অংশ নিয়ে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, বিএনপি সরকারের প্রত্যক্ষ মদদ না থাকলে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার ঘটনা ঘটতো না। আর তারা যদি এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত না থাকে তবে হামলার আলামতগুলো কেন নষ্ট করলো?

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২১ আগস্ট যে ঘটনা ঘটেছে তাতে আমার বাঁচার কথা নয়। বাংলাদেশের মানুষের জন‌্য কিছু করতেই আল্লাহ আমাকে বাঁচিয়ে রেখেছেন।

তিনি বলেন, ২০০১ সালে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে বিএনপি ক্ষমতায় আসে। তারা (বিএনপি) সারা দেশে সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিলো। ক্ষমতায় বসে বিএনপি দুর্নীতির যে বিষবৃক্ষ রোপণ করেছে আওয়ামী লীগ সরকার তার মূল উৎপাটন করছে।
শেখ হাসিনা বলেন, ২০০১ সালে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে বিএনপি ক্ষমতায় আসে। ক্ষমতায় আসার পর আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীর ওপর নানা অত্যাচার নির্যাতন শুরু হয়। সিলেটে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের ওপর বোমা হামলাসহ দেশের ৫ শতাধিক স্থানে বোমা হামলা, সন্ত্রাস ও দুর্নীতির প্রতিবাদে আমরা যখন বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে সমাবেশ ও র‌্যালি করতে যাই, সেই সমাবেশে গ্রেনেড হামলা চালিয়ে আমাকে হত্যা করতে চেয়েছিলেন খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান। এই হামলা চালিয়ে আমাকে হত্যা করাই ছিল তাদের প্রধান টার্গেট।

তিনি বলেন, প্রত্যেকটা ঘটনা ঘটার আগে খালেদা জিয়া যে ভবিষ্যদ্বাণী ও বক্তব্য রেখেছিলেন, সেগুলোই তার প্রমাণ। কোটালীপাড়ায় বোমা হামলার আগে তিনি বলেছিলেন, ১০০ বছর ক্ষমতায় আসতে পারবে না আওয়ামী লীগ। আবার ২১ আগস্ট বোমা হামলার আগে খালেদা জিয়া বলেছিলেন, শেখ হাসিনা কোনো দিন বিরোধী দলের নেতা হতে পারবেন না। এ বক্তব্যগুলো প্রমাণ করে যে এই গ্রেনেড হামলার সঙ্গে তারা জড়িত। তাছাড়া আলামত নষ্ট করা একটি প্রধান প্রমাণ।

শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় সেদিন বন্ধ ছিল। আহত লোকজন প্রবেশ ও চিকিৎসা নিতে পারেনি। ঢাকা মেডিকেল কলেজে বিএনপির চিকিৎসকরা একজনও ছিল না। যাদের ডিউটি ছিল তারাও সেখানে উপস্থিত ছিল না। আমাদের যারা ডাক্তার ছিলেন তারা সেখানে ছুটে গিয়েছিলেন চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে।

তিনি বলেন, জাতি জানতে চায় গ্রেনেড হামলায় আহতদের উদ্ধার না করে উল্টো পুলিশ কেন লাঠিচার্জ এবং টিয়ার শেল মারল সে প্রশ্নের জবাব। হামলায় আহত আপন লোককে যখন তুলতে গেছে পুলিশ তখন তাকে লাথি মেরে ফেলে দিয়েছে। কেন তারা সাহায্য করল না।

হামলাকারীরা যাতে নির্বিঘ্নে ওই জায়গা ত্যাগ করতে পারে সেই সুযোগটা সৃষ্টি করবার জন্যই তারা এটা করেছিল। সরকারের মদদ না থাকলে ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলার মতো ঘটনা হতে পারে না। এই সন্ত্রাসীদের একত্রিত করা, তাদের আনা এবং পরবর্তীতে তাদের বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ দেয়া হয়েছে। তারা ভেবেছিল যে আমি মারা গেছি। কিন্তু যখন শুনলো যে না মারা যাইনি তখন ওই রাতেই চারজনকে বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে।

তিনি বলেন, আসলে খুন করা যাদের অভ্যাস তারা স্বাধীনতা বিশ্বাস করে না, গণতন্ত্র বিশ্বাস করে না। তারা বিশ্বাস করে ক্ষমতা। ক্ষমতা হচ্ছে তাদের কাছে দুর্নীতি করে টাকা বানানো। বিএনপি বিভিন্ন সময় ক্ষমতায় থাকতে সারাদেশে দুর্নীতির যে বিষবৃক্ষ রোপণ করে গেছে তার কুফল আজ সারাদেশের মানুষ ভোগ করছে। আমরা সরকারে আসার পর একটা একটা করে সেগুলো উদ্ঘাটন করছি। এখন অনেকেই বড় বড় কথা বলে কিন্তু তারা ভুলে গেছে ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত তারা কী করেছে। এ সময় বাংলাদেশ পরপর পাঁচবার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে এ কথা তারা ভুলে গেছে। তাদের এত টাকা যে বিদেশে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি তারেক রহমান যেভাবে বিলাসবহুল জীবনযাপন করছে কই আমরা তো তাও পারি না? কিন্তু তারা কী করছে, কোথায় পাচ্ছে তারা এত টাকা সেটাই প্রশ্ন। তারা বলে যে জুয়ার আড্ডা থেকে নাকি তারেক টাকা সংগ্রহ করে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, করোনা সঙ্কটকালে আমাদের দলের নেতাকর্মীরা মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। ছাত্রলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, কৃষক লীগসহ প্রতিটি সহযোগী সংগঠন মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। এমনকি ধান কাটার সময় তারা ধান কেটে কৃষকের ঘরে তুলে দিয়ে সহযোগিতা করেছে। এখনো ত্রাণ দিয়ে যাচ্ছে। মানুষকে এই ত্রাণ দিতে গিয়ে দলের অনেক নেতাকর্মী করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে। করোনার সময় পুলিশ, বিজিবি ও প্রশাসনের সবাই মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে, আর দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। আর কোনো রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা এভাবে মানুষের পাশে দাঁড়ায়নি? করোনার কারণে আজ আপনাদের সঙ্গে একসঙ্গে থাকতে পারলাম না এজন্য বড় দুঃখ।

আলোচনা সভা পরিচালনা করেন প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ ও সহ-প্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে ১৯৭১, ১৯৭৫ ও ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট শহীদদের স্মরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। সভায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের স্বাগত বক্তব‌্য রাখেন।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2

২০২৭ সালের এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬, ৬:২৭ অপরাহ্ণ
২০২৭ সালের এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা

২০২৭ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হবে ওই বছরের ৭ জানুয়ারি। আর পরীক্ষা শেষ হবে ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৭। এ ছাড়া আগামী বছরের (২০২৭) এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হবে ওই বছরের ৬ জুন, চলবে ১৩ জুলাই পর্যন্ত।

আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন আগামী বছরের গুরুত্বপূর্ণ এই দুই পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করেন। সম্মেলনের পর পরীক্ষার সম্ভাব্য সময়সূচিও সাংবাদিকদের দেওয়া হয়।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনের সময় বাঁচাতে তাঁদের চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো, পর্যায়ক্রমে এসএসসি ও এইচএসসি বছরের ডিসেম্বর মাসে নেওয়া।

এর আগে গতকাল বুধবার সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় শিক্ষার্থীসহ অংশীজনেরা বলেন ‘হুট করে’ ২০২৭ সালের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরে নেওয়া ঠিক হবে না। এ ক্ষেত্রে তাঁদের পরামর্শ, এসএসসি পরীক্ষা আগামী বছরের জানুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা জুনে নেওয়া যেতে পারে। অংশীজনদের এই মতামতের পর এখন পরীক্ষার সুনির্দিষ্ট সময় জানালেন শিক্ষামন্ত্রী।

সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বর্তমানে এসএসসি এবং এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় প্রায় ৪০ লাখ পরীক্ষার্থীর লেখাপড়া ও ভবিষ্যৎ গুরুত্বপূর্ণ। স্বাভাবিক সময়ে এসএসসি পাস করতে একজন শিক্ষার্থীর ১৬ বছর এবং এইচএসসির জন্য ১৮ বছর লাগতে পারে। কিন্তু দেখা গেছে এইচএসসি পাস করতেই ২০ বছর লেগে যায়। অর্থাৎ জনমিতির হিসাবে জাতি ৪০ লাখ বছর পিছিয়ে যায়। সে ক্ষেত্রে চেষ্টা হচ্ছে পাঠ্যসূচি শেষ করা ও সেশন জট কমিয়ে আনা। গ্যাপ ক্রমান্বয়ে কমিয়ে আনা তাঁদের লক্ষ্য।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, তাঁরা লক্ষ্য নির্ধারণ করেছেন যে ডিসেম্বর হলো পরীক্ষার জন্য আদর্শ মাস। এটা এসএসসি ও এইচএসসির। সেটাকে সামনে রেখে তাঁরা কাজ শুরু করেছেন। তবে অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করে আগামী বছরের এসএসসি পরীক্ষা ৭ জানুয়ারি শুরু হয়ে শেষ হবে ৬ ফেব্রুয়ারি। পবিত্র রমজানের কারণে আগে আগে শেষ করা হচ্ছে পরীক্ষা। আর এইচএসসি শুরু করা হবে ৬ জুন এবং শেষ করা হবে ১৩ জুলাই।

উত্তরপত্র মূল্যায়নের সুযোগ আসছে
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, তাঁরা আইন পরিবর্তন করে পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নের ব্যবস্থা করছেন। আগামী সংসদ অধিবেশনে আইনের সংশোধনী পাস হতে পারে বলে জানান তিনি।

প্রসঙ্গত বর্তমানে উত্তরপত্র মূল্যায়নের সুযোগ নেই। কেবল পুনর্নিরীক্ষণের সুযোগ আছে। মানে খাতায় নম্বর দেওয়ার ক্ষেত্রে যোগ-বিয়োগে ভুল আছে কি না বা গুরুতর কোনো ভুল আছে কি না, সেটা দেখা হয়।

এসএসসি, এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পাবলিক পরীক্ষা। প্রতিবছর এ দুই পরীক্ষায় সারা দেশে লাখ লাখ শিক্ষার্থী অংশ নেন। বর্তমানে একজন শিক্ষার্থী মাধ্যমিক পর্যায়ে যে বছর দশম শ্রেণির ক্লাস শেষ করে, তার পরের বছর এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পায়। এইচএসসির ক্ষেত্রেও প্রায় একই অবস্থা। দীর্ঘদিন ধরে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারির শুরুতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলের শুরুতে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছিল। তবে করোনা পরিস্থিতির পর থেকে এ সূচি আর বজায় রাখা যাচ্ছে না; বরং আরও পিছিয়েছে। চলতি বছরের (২০২৬ সাল) এসএসসি পরীক্ষা শুরু হয় গত ২১ এপ্রিল আর এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হবে জুলাই মাসে।

এমন পরিস্থিতিতে সম্প্রতি ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় ডিসেম্বরের মধ্যে এসএসসি ও এইচএসসি নেওয়ার পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়।

তবে ২০২৭ সালের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরে নেওয়ার পরিকল্পনা প্রকাশের পর এ নিয়ে প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। গতকালের অংশীজনদের নিয়ে আয়োজিত আনুষ্ঠানিক সভায়ও ২০২৭ সালের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরে না নেওয়ার পক্ষে মত এসেছে। তবে পর্যায়ক্রমে তা ডিসেম্বরে আনা যেতে পারে বলেও মত উঠে আসে।

বর্তমানে দেশে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে শিক্ষাবর্ষ জানুয়ারিতে শুরু হয়ে ডিসেম্বরে শেষ হয়। তবে উচ্চমাধ্যমিকের শিক্ষাবর্ষ শুরু হয় জুলাই মাসে। আবার দেশে উচ্চশিক্ষার সেশনও শুরু হয় জুলাই থেকে। তাই শিক্ষাবিদেরা বলে আসছেন, বছরের একটি নির্দিষ্ট সময়ে পরীক্ষা নেওয়া গেলে তা ইতিবাচক হবে। কিন্তু সেটি করতে হবে সমন্বিত ও পরিকল্পিতভাবে।

আসলাম ও সরোয়ারের প্রার্থিতার বিরুদ্ধে আপিল শুনানি ৯ জুন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬, ৩:৪৪ অপরাহ্ণ
আসলাম ও সরোয়ারের প্রার্থিতার বিরুদ্ধে আপিল শুনানি ৯ জুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী আসলাম চৌধুরী ও চট্টগ্রাম-২ আসনের প্রার্থী সারোয়ার আলমগীরের প্রার্থিতার বিরুদ্ধে করা পৃথক আপিল শুনানির জন্য আগামী ৯ জুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।

একই সঙ্গে স্থগিত থাকা ভোটের ফলাফলের গেজেট প্রকাশ ও শপথের জন্য বিএনপির এই দুই প্রার্থীর করা পৃথক আবেদন নথিতে রাখা হয়েছে। প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ আজ বৃহস্পতিবার এ আদেশ দেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় গত ১২ ফেব্রুয়ারি। চট্টগ্রাম-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে আসলাম চৌধুরী ও চট্টগ্রাম-২ আসনে সারোয়ার আলমগীর অংশ নেন। তবে নির্বাচনে তাঁদের ফলাফল প্রকাশ আদালতের সিদ্ধান্তে স্থগিত রয়েছে।

নির্বাচনের আগে হাইকোর্টের আদেশে চট্টগ্রাম-৪ আসনে আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বহাল থাকে। অন্যদিকে হাইকোর্টে রিট করে প্রার্থিতা ফিরে পান চট্টগ্রাম-২ আসনের প্রার্থী সারোয়ার আলমগীর।

আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বহাল থাকার হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল (আপিল করার অনুমতি চেয়ে আবেদন) করেন একই আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আনোয়ার সিদ্দিকী। অন্যদিকে সারোয়ার আলমগীরের প্রার্থিতা ফিরিয়ে দেওয়া হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করেন একই আসনে জামায়াতের প্রার্থী মুহাম্মদ নুরুল আমিন। ঋণখেলাপির অভিযোগ এনে তাঁরা এ আবেদন করেন।

জামায়াতের এই দুই প্রার্থীর করা পৃথক লিভ টু আপিল মঞ্জুর করে গত ৩ ফেব্রুয়ারি আদেশ দেন আপিল বিভাগ। পৃথক আদেশে বলা হয়, যদি তাঁরা (আসলাম চৌধুরী ও সারোয়ার আলমগীর) নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে সফল হন, তবে সংশ্লিষ্ট আসনের নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ (যতটুকু প্রার্থী হিসেবে তাঁদের জন্য প্রযোজ্য) এ–সংক্রান্ত আপিলের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত স্থগিত থাকবে।

লিভ টু আপিল মঞ্জুর হওয়ার পর জামায়াতের এই দুই প্রার্থী গত ৩১ মার্চ পৃথক আপিল করেন। গত ২৮ এপ্রিল আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত আপিল শুনানির জন্য আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে নির্ধারণ করেন।

আগের ধারাবাহিকতায় আপিল দুটি গতকাল বুধবার কার্যতালিকায় ওঠে। আপিলের সঙ্গে ফলাফলের গেজেট প্রকাশ ও শপথের জন্য বিএনপির দুই প্রার্থীর করা পৃথক আবেদনও কার্যতালিকায় ওঠে। আপিল বিভাগের ৩ ফেব্রুয়ারির আদেশ সংশোধন চেয়ে পৃথক দুটি আবেদন করেন বিএনপির দুই প্রার্থী। শুনানি নিয়ে আদেশের জন্য আজ দিন রাখেন আপিল বিভাগ।

আদালতে আপিলকারীদের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। আসলাম চৌধুরীর পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী নিহাদ কবির ও মোস্তাফিজুর রহমান খান, সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী রোকন উদ্দিন মো. ফারুক। সারোয়ার আলমগীরের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম।

পরে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম বলেন, ফলাফলের গেজেট প্রকাশ ও শপথের জন্য বিএনপির দুই প্রার্থীর করা আবেদন নথিভুক্ত করে আপিল শুনানির জন্য আগামী ৯ জুন তারিখ ধার্য করেছেন আপিল বিভাগ।

কড়াইল বস্তিতে ‘ফ্রি হার্ট ক্যাম্প’ উদ্বোধন করলেন জুবাইদা রহমান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬, ২:৪৭ অপরাহ্ণ
কড়াইল বস্তিতে ‘ফ্রি হার্ট ক্যাম্প’ উদ্বোধন করলেন জুবাইদা রহমান

মহাখালীর কড়াইল বস্তি এলাকায় ‘ফ্রি হার্ট ক্যাম্প’ উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্ত্রী ও হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. জুবাইদা রহমান।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দুপুরে কড়াইল বস্তির আনসার ক্যাম্প মাঠে এ কর্মসূচি আয়োজন করা হয়।

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বিএনপিপন্থি চিকিৎসকদের সংগঠন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) এ কর্মসূচি আয়োজন করে। এ ক্যাম্প থেকে স্থানীয়দের বিনামূল্যে ওষুধ ও শারীরিক নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। জুবাইদা রহমান কয়েকজন রোগীর সঙ্গে কথা বলেন। এসময় অন্যদের মধ্যে বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আবদুস সালাম উপস্থিত ছিলেন।

পরে জুবাইদা রহমান ‘জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন’ (জেডআরএফ) কার্যালয়ে যান। সেখানে তিনি নারীদের বিভিন্ন চিকিৎসা সমস্যা শোনেন এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেন।