খুঁজুন
, ,

এক মিনিটে সিনহা হত্যা, ঘটনাস্থলে বিবরণ আসামিদের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 21 August, 2020, 9:47 pm
এক মিনিটে সিনহা হত্যা, ঘটনাস্থলে বিবরণ আসামিদের

কক্সবাজারের টেকনাফে পুলিশের গুলিতে মেজর (অব.) সিনহা রাশেদ খানের মৃত্যুর ঘটনাটি এক থেকে দেড় মিনিটের মধ্যে সংঘটিত হয়েছে বলে জানিয়েছে র‌্যাব। ওই দেড় মিনিট সময়ের ঘটনার রেকি করে পুঙ্খানুপুঙ্খ বিশ্লেষণ করছে তদন্তের দায়িত্বে থাকা বাহিনীটি।

শুক্রবার দুপুরে সিনহা নিহতের ঘটনাস্থলে টেকনাফ থানার বরখাস্তকৃত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশসহ প্রধান তিন আসামিকে নিয়ে ঘটনার রেকির সময় এসব কথা বলেন র‌্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক কর্নেল তোফায়েল মোস্তাফা সরওয়ার।

কর্নেল তোফায়েল মোস্তাফা সরওয়ারের নেতৃতে র‌্যাবের একটি দল দুপুর দেড়টার দিকে টেকনাফ থানার বরখাস্তকৃত ওসি প্রদীপ, এসআই লিয়াকত আলী ও এএসআই নন্দদুল্লা রক্ষিতকে নিয়ে খুনের ঘটনাস্থল বাহারছড়া শাপলাপুরে পৌঁছায়। পরে ঘটনাস্থলেই হত্যার ঘটনাটি হুবহু উপস্থাপন করে দেখানোর মাধ্যমে প্রকৃত চিত্র দেখেন র‌্যাব কর্মকর্তারা।

ঘটনার দিন বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ঘটনাস্থলটি যেরকম ছিল, সেভাবেই সাজানো হয়েছিল। ঘটনার সময় মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদের ব্যবহৃত গাড়িটির মতো একটি প্রাইভেটকার রাখা হয়েছিল ঘটনাস্থলে। মাত্র দেড় মিনিটের মধ্যে সেদিন ঘটনাটি কীভাবে সংঘটিত হয়েছিল- তা হুবহু দেখান আসামিরা। তাদের ঘটনার বিবরণ খুব সূক্ষ্মভাবে প্রত্যক্ষ করেন র‌্যাব কর্মকর্তারা। দুপুর ৩টার দিকে রেকি সম্পন্ন হয়।

দুপুর ২টা পর্যন্ত র‌্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক কর্নেল তোফায়েল মোস্তাফা সরওয়ার, র‌্যাবের আইন ও মিডিয়া উইং প্রধান লে. কর্নেল আশিক বিল্লাহ এবং সিনহা হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা র‌্যাব-১৫ এর সহকারী পরিচালক সিনিয়র পুলিশ সুপার মোহাম্মদ খায়রুল ইসলাম ঘটনাস্থল ও আশপাশ গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করেন। এসময় স্থানীয় লোকজনের সাথেও কথা বলেন র‌্যাবের কর্মকর্তারা।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা (আইও) র‌্যাব-১৫ এর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ খায়রুল ইসলাম আসামিদের তাদের কাছ থেকে ঘটনার প্রকৃত চিত্র সম্পর্কে তথ্য নেন।

দুপুরে কয়েক ঘণ্টা ধরে চলে ঘটনার সাক্ষ্য গ্রহণ। হত্যা মামলার প্রধান তিন আসামি পৃথক পৃথকভাবে র‌্যাবকে ঘটনা বর্ণনা করেন।

চেকপোস্ট পরিদর্শন শেষে কর্নেল তোফায়েল মোস্তাফা সরওয়ার সাংবাদিকদের বলেন, ‘সিনহা নিহত হওয়ার ঘটনাটি গভীরভাবে অ্যানালাইসিস করা হচ্ছে। এই এক-দেড় মিনিটের ঘটনাপ্রবাহ বিচার-বিশ্লেষণ চলছে। এতে প্রতিটি সেকেন্ডই গুরুত্বপূর্ণ। এ ব্যাপারে তথ্য-উপাত্ত ইতিমধ্যে সংগৃহীত হয়েছে।’

আসামিদের নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে কী তথ্য খুঁজতে আসা হয়েছে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে কর্নেল তোফায়েল বলেন, ‘কেন এই ফায়ারিংটা সংঘটিত হয়েছিল? সংক্ষিপ্ততম সময়ের মধ্যে কী এমন ঘটেছিল যে সিনহা গুলিবিদ্ধ হয়েছিল? কিংবা লিয়াকত যেটা বলছে, সিনহা পিস্তল তাক করে ফেলেছিল। এই এক মিনিট ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে কী এমন হয়েছিল যে পিস্তল তাক করার মতো পরিস্থিতি কি আসলে হয়েছিল কি না? আর সে-ইবা কেন ফায়ার করল?’

এ ব্যাপারে অনেক তথ্য-উপাত্ত সংগৃহীত হয়েছে, বলেন র‌্যাবের এ অতিরিক্ত মহাপরিচালক।

সবকিছু অ্যানালাইসিস করে র‌্যাব একটা সন্তোষজনক তদন্ত সম্পন্ন করবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘একটা কথা আছে জাস্টিস হারিড, জাস্টিড বারিড; জাস্টিস ডিলেইড, জাস্টিস ডিনাইড। তো হারিড যেন না হয় এবং ডিলেইড যেন না হয়। কোনোটাই যেন হয় সেই দুই দিক বিবেচনায় রেখে আমরা কাজ করছি।’

গত ৩১ জুলাই মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খান টেকনাফের বাহারছড়ায় পুলিশের গুলিতে নিহত হন। এরপর ৫ আগস্ট তার বড়বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস বাদী হয়ে টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, লিয়াকত আলী, নন্দলাল রক্ষিত, সাফানুর করিম, কনস্টেবল কামাল হোসেন, কনস্টেবল আবদুল্লাহ আল মামুন ও এএসআই লিটন মিয়াসহ নয়জনকে আসামি করে টেকনাফ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করেন। পরে মামলা টেকনাফ থানায় নিয়মিত মামলা হিসেবে রুজু হয়। এই মামলায় এজাহারভুক্ত নয় আসামির মধ্যে সাতজন গ্রেপ্তার হয়েছেন। এছাড়াও পরে আসামিভুক্ত বাহারছড়ার স্থানীয় তিনজন ও এপিবিএন এর তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2
Feb2

‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে প্রস্তুুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 26 July, 2026, 5:50 pm
‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে প্রস্তুুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

রনজিত কুমার শীল: আগামী ৫ আগস্ট ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন উপলক্ষে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আজ ২৬ জুলাই রোববার সার্কিট হাউসের সম্মেলন কক্ষে এক প্রস্তুুতিমূলক সভা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অংশীজনেরা দিবসটি যথাযোগ্য ভাবগাম্ভীর্য ও মর্যাদার সাথে পালনের জোরালো দাবি জানান।

সভায় সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপনের বিষয়ে সবাইকে আশ্বস্ত করেন।

প্রস্তুুতিমূলক এ সভায় অনুষ্ঠানের ভেন্যুনির্বাচন, বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ, রূপরেখা তৈরি ও বাস্তবায়নে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ শরীফ উদ্দিন।

সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মোঃ মাসুদ আলম, পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ের প্রতিনিধি অতিরিক্ত পুলিশ সুপার চাইলাউ মারমা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এলএ) মোঃ কামরুজ্জামান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) সৈয়দ মাহবুবুল হক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সাখাওয়াত জামিল সৈকত জেলা প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ। এছাড়াও জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তর ও সংস্থার প্রতিনিধিগণ।

শিশুদের ৬ ধরনের টুথপেস্টের ৪টিতেই মিলেছে বিষাক্ত মাইক্রোপ্লাস্টিক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 26 July, 2026, 4:00 pm
শিশুদের ৬ ধরনের টুথপেস্টের ৪টিতেই মিলেছে বিষাক্ত মাইক্রোপ্লাস্টিক

বাংলাদেশের বাজারে ছোটদের ব্যবহারের জন্য বিক্রি হওয়া ৬টি জনপ্রিয় টুথপেস্ট ব্র্যান্ডের ৪টিতেই মিলল মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি। প্রতি ১০০ গ্রাম টুথপেস্টে ২০টি থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ১৪০টি পর্যন্ত প্লাস্টিকের কণা পাওয়া গেছে।

রোববার (২৬ জুলাই) পরিবেশ বিষয়ক গবেষণা সংস্থা ‘এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন’ (এসডো) এক সংবাদ সম্মেলনে দীর্ঘ এক বছরের গবেষণা ও সমীক্ষার ফলাফল তুলে ধরে এই তথ্য জানায়।

এসডোর তথ্য মতে, শিশুদের ব্যবহারের জন্য পরীক্ষিত টুথপেস্টগুলোর মধ্যে কুডুমু আল্ট্রা শিল্ড ফর্মুলা ব্র্যান্ডে সবচেয়ে বেশি ১৪০টি মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে। এ ছাড়া মেরিল বেবি স্ট্রবেরিতে ৬০টি, মেরিল বেবি অরেঞ্জে ৪০টি এবং পেপসোডেন্ট কিড অরেঞ্জে ২০টি প্লাস্টিক কণা শনাক্ত করেছেন গবেষকেরা। তবে শিশুদের জন্য আমদানিকৃত কুডুমু অরেঞ্জ ও স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত প্যারাসুট জাস্ট ফর বেবি (ম্যাঙ্গো) টুথপেস্টে কোনো মাইক্রোপ্লাস্টিক মেলেনি।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, কেবল শিশুদের টুথপেস্টই নয়; বাজারে থাকা দেশি-বিদেশি মোট ৩৪টি টুথপেস্ট পরীক্ষা করে ২৬টিতেই বিষাক্ত প্লাস্টিক কণা পাওয়া গেছে। প্রতি ১০০ গ্রাম টুথপেস্টে গড়ে ২০ থেকে ৩২০টি পর্যন্ত কণা মিলেছে। সবচেয়ে বেশি ৩২০টি কণা পাওয়া গেছে ‘মেডিপ্লাস ফ্লুরিড জেল’-এ।

বাজারে বিক্রি হওয়া ৩৪ টুথপেস্টের ২৬টিতেই মিলল বিষাক্ত মাইক্রোপ্লাস্টিক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 26 July, 2026, 3:32 pm
বাজারে বিক্রি হওয়া ৩৪ টুথপেস্টের ২৬টিতেই মিলল বিষাক্ত মাইক্রোপ্লাস্টিক

বাংলাদেশের বাজারে বিক্রি হওয়া ৩৪টি টুথপেস্টের ২৬টিতেই ক্ষতিকর মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। প্রতি ১০০ গ্রাম টুথপেস্টে সর্বনিম্ন ২০টি থেকে সর্বোচ্চ ৩২০টি পর্যন্ত প্লাস্টিক কণা মিলেছে, যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্লাস্টিকের কণা পাওয়া গেছে ‘মেডিপ্লাস ফ্লুরিড জেল’-এ।

পরিবেশ বিষয়ক গবেষণা সংস্থা এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (এসডো) দীর্ঘ ১ বছর ধরে গবেষণা চালিয়ে রোববার (২৬ জুলাই) নিজস্ব কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছে।

এসডো জানায়, সারাদেশের ২ হাজার ৭৬০ জন ভোক্তার ওপর জরিপ চালানোর পাশাপাশি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশবিজ্ঞান বিভাগের ‘এনভায়রনমেন্টাল হেলথ অ্যান্ড ইকোটক্সিকোলজি ল্যাবরেটরিতে’ বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা চালানো হয়। এই গবেষণায় স্টিরিওমাইক্রোস্কোপি ও ফুরিয়ার ট্রান্সফর্ম ইনফ্রারেড স্পেকট্রোস্কোপি প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে।

গবেষণা প্রতিবেদন অনুযায়ী, পরীক্ষা করা টুথপেস্টগুলোর মধ্যে বাংলাদেশে উৎপাদিত ২৫টির মধ্যে ২২টিতেই মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে। এ ছাড়া ভারতে উৎপাদিত ৫টির মধ্যে ১টি, থাইল্যান্ডের ২টির মধ্যে ১টি এবং ভিয়েতনামের ২টি টুথপেস্টের দুটিতেই এই ক্ষতিকর উপাদান মিলেছে। সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, শিশুদের জন্য বিশেষভাব তৈরি ৬টি টুথপেস্টের ৪টিতেই বিষাক্ত মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি ধরা পড়েছে।

প্লাস্টিক কণার ফলাফলে দেখা যায়, প্রতি ১০০ গ্রাম টুথপেস্ট হিসেবে সবচেয়ে বেশি ৩২০টি মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে মেডিপ্লাস ফ্লুরিড জেলে। এ ছাড়া ক্লোজ আপ রেড হট-এ ১৬০টি, ক্লোজ আপ মেন্থল ফ্রেশ-এ ১৬০টি, কুডুমু আল্ট্রা শিল্ড ফর্মুলা স্ট্রবেরিতে ১৪০টি, সিগন্যাল গ্রিন টি-তে ১২০টি, পেপসোডেন্ট অ্যাডভান্স সল্ট-এ ১০০টি, হিমালয়া কমপ্লিট কেয়ার-এ ১০০টি এবং সেনসোডাইন ফ্রেশ মিন্টে ৮০টি মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে।

অন্যদিকে শিশুদের ব্যবহৃত টুথপেস্টের মধ্যে কুডুমু আল্ট্রা শিল্ড ফর্মুলায় ১৪০টি, মেরিল বেবি স্ট্রবেরিতে ৬০টি, মেরিল বেবি অরেঞ্জে ৪০টি এবং পেপসোডেন্ট কিড অরেঞ্জে ২০টি প্লাস্টিক কণা শনাক্ত করা হয়েছে।

তবে গবেষণায় স্বস্তির খবরও উঠে এসেছে। বাংলাদেশে উৎপাদিত টুথপেস্টের মধ্যে জেনফ্রেশ, প্যারাসুট জাস্ট ফর বেবি (ম্যাঙ্গো) এবং ক্লোজ আপ রেড হট জিংক ফ্রেশ টেকনোলজিতে কোনো মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া শিশুদের জন্য আমদানিকৃত কুডুমু অরেঞ্জেও শনাক্তযোগ্য মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া যায়নি বলে নিশ্চিত করেছে এসডো।