খুঁজুন
, ,

চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেরা একাদশে নেই মেসি-রোনালদো

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 25 August, 2020, 10:36 am
চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেরা একাদশে নেই মেসি-রোনালদো

বিগত ১৫ বছরে এই প্রথম চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিফাইনাল হয়েছে সময়ের দুই সেরা ফুটবলার লিওনেল মেসি এবং ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে ছাড়া। এবার প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেরা একাদশেও নেই দুই মহাতারকার একজনও।

দুই তারকার ক্লাবই আগেভাগে বিদায় নিয়েছে টুর্নামেন্ট থেকে। স্বাভাবিকভাবেই দুই তারকাও তাই চলে গেছেন সেরা একাদশের বাইরে।

নিজেদের ইতিহাসের ৬ষ্ঠ চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ের পথে একক আধিপত্য দেখিয়েছে বায়ার্ন মিউনিখ। ফুটবল ইতিহাসের প্রথম ক্লাব হিসেবে জিতে নিয়েছে এক আসরের সবগুলো ম্যাচই। সেরা একাদশেও দাপট হ্যান্সি ফ্লিক বাহিনীর।

ফুটবল ভিত্তিক জনপ্রিয় গণমাধ্যম গোলডটকমের বিচারে সেরা একাদশে জায়গা পেয়েছেন ক্লাবটির ৮ জন ফুটবলার। টুর্নামেন্টে রানার আপ হলেও পিএসজি থেকে সেরা একাদশে জায়গা পেয়েছেন কেবল নেইমার। এছাড়া বরুশিয়া ডর্টমুন্ড ও লিপজিগের ১ জন করে জায়গা পেয়েছেন সেরা একাদশে।

দেখে আসা যাক গোল ডটকমের সেরা একাদশে জায়গা পাওয়া ফুটবলারদের আসরের পারফরম্যান্স।

গোলডটকমের সেরা গোলকিপার বায়ার্ন মিউনিখ অধিনায়ক ম্যানুয়েল নয়্যার।

২০১৮ বিশ্বকাপে বাজে পারফর‌ম্যান্সের পর অনেকেই বলেছিলেন, ফুরিয়ে গেছেন ম্যানুয়েল নয়্যার। তবে সমালোচকদেরকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে পুরো আসরজুড়ে দুর্দান্ত এই গোলকিপার।

ফাইনালে দুর্দান্ত নৈপুন্য দেখিয়েছেন নয়্যার। অনেকেই বলছেন, একা হাতেই তিনি হারিয়ে দিয়েছেন পিএসজিকে। কেবল ফাইনালেই নয়, পুরো আসরজুড়ে দুর্দান্ত পারফর্ম করেছেন নয়্যার। আসরে ৬বার ক্লিনশিট পাইয়ে দিয়েছেন জার্মান ক্লাবটিকে। স্বাভাবিকভাবেই সেরা একাদশে গোলকিপার হিসেবে সেরা পছন্দও এই জার্মান গোলকিপার।

রাইটব্যাকে গোলডটকমের পছন্দ বায়ার্ন ডিফেন্ডার জসুয়া কিমিচ। কেবল ডিফেন্সেই নয়, মিডফিল্ডেও দুর্দান্ত ছিলেন ২৫ বছর বয়সী তারকা। আসরে সবচেয়ে বেশি ২৮টি গোলের সুযোগ তৈরি করেছেন কিমিচ। শিরোপানির্ধারণী ফাইনালে কিংসলে কোম্যানের একমাত্র গোলটিরও যোগানদাতা কিমিচ। বলা হচ্ছে, বায়ার্নের আগামীর অধিনায়কও তিনি।

গোলডটকম সেন্ট্রাল ব্যাকে রেখেছে আরেক জার্মান ক্লাব লিপজিগের ডিফেন্ডার ডায়ট উপামেকানোকে। মাত্র ২১ বছর বয়সী এই তরুণ দেখিয়েছেন নিজের সামর্থ্য। দলকে সেমিফাইনালে টেনে তোলার ক্ষেত্রে তার অবদান ব্যাপক। বিশেষ করে অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে ম্যাচজয়ী পারফরম্যান্স তাকে ফুটবল বিশ্বে আলাদা পরিচিতি পাইয়ে দিয়েছে। অনেকেই বলছেন, আগামী মৌসুমেই ইউরোপের শীর্ষ কোন ক্লাবে দেখা যাবে এই ডিফেন্ডারকে।

এছাড়া সেন্ট্রাল ব্যাকে আছেন বায়ার্ন মিউনিখের আরেক তারকা ডেভিড আলাবা। লেফটব্যাক হিসেবে মৌসুম শুরু করলেও, সেন্ট্রালব্যাকেও নিজের প্রতিভা দেখিয়েছেন আলাবা।

চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেরা একাদশের লেফটব্যাকে আছেন বায়ার্ন মিউনিখের সাড়া জাগানো উইঙ্গার আলফোন্সো ডেভিস। কানাডার উদ্বাস্তু শিবির থেকে উঠে আসা এই উঠতি তারকার প্রতি এরইমধ্যে নজর পড়েছে বিশ্ব ফুটবলের। মাত্র একবছরেই বায়ার্ন মিউনিখের ভরসাস্থলে পরিণত হয়েছে আলফোন্সো। এছাড়া গোলের যোগান দিতে বেশ দক্ষ তিনি। বিশেষ করে বার্সেলোনার বিপক্ষে কিমিচকে তৈরি করে দেয়া বলটি টুর্নামেন্টের অন্যতম সেরা গোল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

সেরা একাদশের রাইট উইংয়ে আছেন বায়ার্ন তারকা সার্জি গ্যানাব্রি। আর্সেনাল হয়তো আফসোসে পুড়ছে। কারণ দারুণ প্রতিভাবান এই উইঙ্গারকে ধরে রাখতে পারেনি ইংলিশ ক্লাবটি। তাদের ক্ষতিতে লাভবান বায়ার্ন। দুর্দান্ত একটা আসর কাটিয়েছেন গ্যানাব্রি। আসরে করেছেন ৯টি গোল।

সেন্ট্রাল মিডফিল্ডে আছেন বায়ার্নেরই আরেকজন। তিনি থিয়াগো আলকান্তারা। খুব বেশি গোলের যোগান দিতে পারেননি তিনি। তবে পুরো আসরে বায়ার্নের মাঝমাঠের কান্ডারি হয়ে ছিলেন। আসরে ৮৩২টি পাস দিয়েছেন এই স্প্যানিশ। তারচেয়ে বেশি নেই আর কারো।

মিডফিল্ডের অন্যজনও বায়ার্ন মিউনিখের। তিনি থমাস মুলার। সেরা একাদশে তারা থাকাটা একপ্রকার নিশ্চিতই ছিল। আসরে ৪ গোলের পাশাপাশি ২ গোলের অ্যাসিস্ট করেছেন।

গোলডটকম তাদের সেরা একাদশের লেফট উইংয়ে রেখেছে পিএসজি তারকা নেইমারকে। ফাইনালে হেরে অশ্রুসিক্ত বিদায় নিলেও, বিশ্বের সবচেয়ে দামী ফুটবলারের হাত ধরেই প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে উঠেছিল ফরাসী ক্লাবটি। আসরে খুব বেশি গোল নেই তার। করেছেন মাত্র ৩টি গোল, যোগান দিয়েছেন ৪টিতে। তবে পিএসজির আক্রমণভাগের মূল দায়িত্বটা বেশ ভালোভাবেই সামাল দিয়েছেন ব্রাজিলিয়ান তারকা।

স্ট্রাইকিং পজিশনে অবধারিতভাবেই আছেন বায়ার্ন তারকা রবার্ট লেওয়ানডস্কি। অসাধারণ একটা আসর কাটিয়েছেন পোলিশ তারকা। ১১ ম্যাচে করেছেন ১৫ গোল। অল্পের জন্য আসরের সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ডটি ভাঙতে পারেননি, তবে দলকে ট্রফিটা জিতিয়েছেন ঠিকই। গোল তো করেছেনই, ৫টি গোলের যোগানও দিয়েছেন লেওয়ানডস্কি।

সেরা একাদশের অন্য স্ট্রাইকার বরুশিয়া ডর্টমুন্ডের তারকা এর্লিং হ্যালান্ড। ক্লাব আগেভাগে বিদায় নিলেও, নিজের গোলক্ষুধার প্রমাণ দিয়েছেন এই তরুণ। মাত্র ৮ ম্যাচে ১০ গোল করে তাই আসরের সেরা একাদশে আছেন হাল্যান্ডও।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।