খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ম্যাজিস্ট্রেট দেখলেই দোকানে সাটানো মূল্য তালিকায় ঘষা-মাজা/ অর্থদণ্ড

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ৬:২৬ অপরাহ্ণ
ম্যাজিস্ট্রেট দেখলেই দোকানে সাটানো মূল্য তালিকায় ঘষা-মাজা/ অর্থদণ্ড

২৪ ঘণ্টা চট্টগ্রাম ডেস্ক : বাজারে ম্যাজিস্ট্রেট প্রবেশ করতেই অনেক দোকানী তাদের সামনে সাটানো মূল্য তালিকায় দাম কমিয়ে ঘষা মাঝা করছে। আবার অনেকে দোকানের সামনে মূল্য তালিকাও উধাও। কিছু কিছু ব্যবসায়িকে নিজেদের মতো করে দাম নিতে দেখা যায়।

আজ সোমবার ৭ সেপ্টেম্বর নগরীর আগ্রাবাদের চৌমুহনী বাজার ও ২ নং গেইটের কর্ণফুলী মার্কেটে পেঁয়াজের খুচরা বাজারের চিত্র এটি।

গত কয়েকদিন ধরে চট্টগ্রামে আবারো মাথা চড়া দিয়ে উঠা পেঁয়াজের ঝাঁঝ কমাতে পাইকারি বাজারের পর এবার খুচরা বাজারেও অভিযানে নেমেছে জেলা প্রশাসন।

পেঁয়াজের মূল্য তালিকায় লাগাম টানতে নগরীর দুটি বাজারে আজ অভিযান পরিচালিত হয়। সোমবার ৭ সেপ্টেম্বর বেলা ১২ টা থেকে দুপুর ৩টা পর্যন্ত চলে এ অভিযান।

জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শিরিন আক্তার ও মো. উমর ফারুকের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে ৯ ব্যবসায়ির কাছ থেকে মোট ১৪ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

অতিরিক্ত মূল্যে পেয়াজ বিক্রি ও মূল্য তালিকা না থাকায় কর্ণফুলী মার্কেটের হাজা স্টোর, নিউ বিসমিল্লাহ স্টোর, কাশেম স্টোরকে ২ হাজার টাকা করে এবং হাজী স্টোরকে ১ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

অন্যদিকে একই অপরাধে নগরীর আগ্রাবাদ চোমুহনী মার্কেটের নুরে মদীনা স্টোরকে ২ হাজার, সাগর স্টোরকে ২ হাজার, এবং মিলন স্টোর, আরিফুল স্টোর ও আলাউদ্দিন স্টোরকে ১ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়।

পেয়াজের মূল্য বৃদ্ধিতে কারা জড়িত তাদের তালিকা তৈরি করা হচ্ছে জানিয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উমর ফারুক বলেন, আজ খুচরা বাজারে অভিযান পরিচালনার সময় দেখা যায়, কম দামে পেয়াজ কেনা থাকলেও বাজারে পেঁয়াজের সংকট দেখিয়ে তারা প্রতি কেজি পেয়াজ ১০ থেকে ১৫ টাকা বৃদ্ধিতে বিক্রি করছে। যার ফলে তাদের অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

ম্যাজিস্ট্রেট বলেন, পাইকারি ও খুচরা বাজারে পেয়াজের মূল্য যাতে বৃদ্ধি না হয় সে লক্ষ্যে আমাদের বাজার মনিটরিং অব্যাহত আছে। যদি কোন অসাধু ব্যবসায়ী পেয়াজের দামে আগের মতো কারসাজি করার চেষ্টা করে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

২৪ ঘণ্টা/রাজীব

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…