খুঁজুন
শনিবার, ১১ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৮শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ম্যাজিস্ট্রেট আফরিন’র সহযোগিতায় বাঁচল পথচারীর প্রাণ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২০, ৭:৩৯ অপরাহ্ণ
ম্যাজিস্ট্রেট আফরিন’র সহযোগিতায় বাঁচল পথচারীর প্রাণ

করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ও দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রনের লক্ষ্যে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করছিলেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রেজওয়ানা আফরিন। সোমবার (২৭ এপ্রিল) সকালে হঠাৎ বিকট শব্দ, নগরীর বাকলিয়া এলাকায় বালুর ট্রাকের ধাক্কায় একজন পথচারী রাস্তা পারাপারের সময় বালুবাহী ট্রাকের চাকার নিচে পড়ে গুরুত্ব আহত হয়।

ম্যাজিস্ট্রেট রেজওয়ানা আফরিন নিজেই চাকার নিচে আটকা পড়া আহত ব্যক্তিকে উদ্ধার করে ম্যাজিস্ট্রেটের গাড়িতেই চমেক হাসপাতালে নিয়ে যান।

আজ সকালে চট্টগ্রাম কক্সবাজার মহাসড়কে নগরীর বাকলিয়ার লিজা গার্ডেন এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। এ সময় জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রেজওয়ানা আফরিনের ভাম্যমান আদালত ঐ এলাকাতেই আদালত পরিচালনা করছিলেন। হঠাৎ বেপরোয়া গতিতে ছুটে আসা একটি বালুর ট্রাক এক পথচারীকে চাপা দিলে, ম্যাজিস্ট্রেট রেজওয়ানা আফরিন দ্রুত এগিয়ে এসে আহত ব্যক্তিকে উদ্ধার করে নিজের গাড়িতে করে হাসপাতালে নিয়ে যান।

ঘটনাস্থল থেকে ঘাতক ট্রাকের ড্রাইভারকে আটক করে ম্যাজিস্ট্রেটের গাড়িতে তোলেন।

আটক ট্রাক ড্রাইভার

এসময় বিটিভির সাংবাদিক শারমিন সুমি ও নিউজটিম পাশেই ছিলেন, তারাও এগিয়ে এসে সর্বাত্মক সহযোগিতা করেন।

ম্যাজিস্ট্রেট আহত ব্যাক্তিকে চমেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ভর্তি করেন ।

পরে , বাকলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করে,চমেক হাসপাতালের সামনে থেকে ট্রাক ড্রাইভার ও গাড়ির চাবি বাকলিয়া থানাকে হস্তান্তর করেন।

চমেক হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মোঃ জহিরুল হক ভুঁইয়া জানান, আহত ব্যক্তির শারীরিক অবস্থা খুবই আশঙ্কাজনক তাঁর নাম মোহাম্মদ আজম (৫৫)। তিনি বর্তমানে চমেক হাসপাতালের ২৮ নং ওয়ার্ডের ২০ নং বেডে চিকিৎসাধীন রয়েছে বলে জানান ।

তিনি বাকলিয়া এলাকার কালা মিয়া বাজারের বাদশাহ মিয়া বাড়ীর বাসিন্দা এবং লিজা গার্ডেন ক্লাবের দারোয়ান বলে জানা গেছে ।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…