খুঁজুন
রবিবার, ২৪শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১০ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দলের দুর্দিনে কান্ডারীর ভূমিকা ছিলেন বদরুল : ডা. শাহাদাত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ৯:৫১ অপরাহ্ণ
দলের দুর্দিনে কান্ডারীর ভূমিকা ছিলেন বদরুল : ডা. শাহাদাত

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ও চসিক মেয়র প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, বদরুল আলম দলের দূর্দিনে পতেঙ্গা বিএনপির হাল ধরেছেন। কাজ করেছেন দল ও দেশের উন্নয়নে। তার মতো একজন নেতার প্রস্থান যেমন দলের জন্য ক্ষতিকর, তেমনি তার মতো একজন সমাজ সেবকের এই সময়ে থুজে পাওয়াও দুষ্কর। তার যে রাজনৈতিক মেধা, প্রজ্ঞা ও দলের জন্য অবদান তা বিএনপি সারাজীবন স্বরণ রাখবে।

তিনি রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকালে পতেঙ্গা থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক বদরুল আলমের ৮ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ৪১নং দক্ষিণ পতেঙ্গা ওয়ার্ড বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত স্বরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, সরকার বর্তমানে বিএনপিকে নিশ্চিহ্ন করার যে অপচেষ্ঠায় মেতে উঠেছে বদরুল আলমের মতো নেতারা সেটা ঠেকিয়ে দিয়েছে। সরকার প্রশাসনযন্ত্র ব্যবহার করে বিএনপির ওয়ার্ড থেকে কেন্দ্রীয় নেতা পর্যন্ত এমনকি বিএনপির সমর্থকদেরও মামলা হামলা নির্যাতনের স্টিমরোলার চালিয়ে আসছে। কিন্তু বিএনপি এখনো হিমালয়ের মতো পর্বতসম জনপ্রিয়তা নিয়ে বাংলাদেশের মানুষের ভোট ও গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য কাজ করে যাচ্ছে।

প্রধান বক্তার বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসেম বক্কর বলেন, দল ও দলের প্রতি বদরুল আলমের যে আস্থা ও অকুণ্ঠ সমর্থন ছিল তা আজকের দিনেও আমাদের ভাবিয়ে তুলছে। বদরুল আলম আমাদের মাঝে না থাকলেও তার রেখে যাওয়া রাজনৈতিক দল বিএনপি আজ শুধুৃ পতেঙ্গা থানা এলাকায় নয় সারাদেশে একটি শক্তিশালী সংগঠনে পরিণত হয়েছে। তাদের মতো নেতাদের হাত ধরে বিএনপি রাজনৈতিক দল হিসাবে জনপ্রিয়তার শীর্ষে আছেন। সরকার হাজারো ষড়যন্ত্র করেও বিএনপিকে ভাঙতে পারেনি। বরং অওয়ামীলীগের ভিতরে গ্রুপ উপগ্রুপ সৃষ্টি হচ্ছে।

৪১নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ও নগর বিএনপির সদস্য মো. ইলিয়াসের সভাপতিত্বে সভাপতিত্বে স্মরণ সভায় বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সহসভাপতি আলহাজ্ব এম এ আজিজ, মোহাম্মদ মিয়া ভোলা, সি. যুগ্ম সম্পাদক এস এম সাইফুল আলম, যুগ্ম সম্পাদক ইয়ছিন চৌধুরী লিটন, সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল ইসলাম, পতেঙ্গা থানা বিএনপির সভাপতি নুরুল আবছার, সাঃ সম্পাদক শাহাবুদ্দিন, সহ সভাপতি আবু জাফর, আবু ছিদ্দিক, সোলায়মান, যুগ্ম সম্পাদক মুনির, জসিম, হান্নান, আলমগীর, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সেলিম, প্রচার সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন, মহানগর যুবদলের সিঃ সহ সভাপতি ইকবাল হোসেন, ৪০ নং ওয়ার্ড সভাপতি হাজী মো হারুন, সাঃ সম্পাদক মন্জুর কাদের, ৪১ নম্বর ওয়ার্ড সাঃসম্পাদক সফি, সহ সভাপতি নুরুল হুদা, আতিকুর রহমান, ইকবাল, যুগ্ম সম্পাদক জিয়া, আলী ওসমান মিন্টু, আলী আজগর মিন্টু, যুবদল নেতা, খোরশেদ আলম, মোজাহেরুল কাদের, মুসফিকুর রহমান নয়ন, জাহাঙ্গীর, জাহেদ, আমিনুর রহমান সামিল, মন্জুরুল আলম মন্জু, পাভেজ, মাসুদ রানা, সালাউদ্দিন, ইকবাল, তারেক, আলমগীর বাদশা, জুয়েল, ইকবাল, লিটন, হোসেন, ওসমান, নয়ন, হামিদ, ইসহাক বাপ্পী, আক্কাসুর রহমান, সাদেক ইসমাইল, আলম, রনি, সেচ্চাসেবক দল নেতা সুমন, কাইছার, মানিক, ইলিয়াছ, জসিম, আজিজ সাইফুল, কালাম, জুয়েল, ইকরাম, ছাত্রদল নেতা মোক্তার, রিপন, মাসুদ, শান্ত, মাহিন প্রমুখ।

আজ বাদে আসর দক্ষিণ পতেঙ্গা নাজের পাড়া দায়ের নাজির জামে মসজিদে মরহুম বিএনপি নেতা বদরুল আলমের রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও বিশেষ পরিচালনা করেন ইমাম হাফেজ মাওলানা মুফতি হোসেন আহমদ। দোয়া ও মোনাজাত শেষে মরহুমের কবরে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি, পতেঙ্গা থানা বিএনপি, ৪০ ও ৪১ নং ওয়ার্ড বিএনপি, পতেঙ্গা থানা যুবদল, ওয়ার্ড যুবদলের নেতৃবৃন্দ পুষ্ট অপর্ণ করেন।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2

ঝিনাইদহে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর উপর ডিম নিক্ষেপ ও হামলা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ৩:৪৯ অপরাহ্ণ
ঝিনাইদহে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর উপর ডিম নিক্ষেপ ও হামলা

ঝিনাইদহে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর ডিম নিক্ষেপ ও অতর্কিত হামলার ঘটনা ঘটেছে। ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ উঠেছে। এসময় ছাত্রদলের হামলায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর সঙ্গে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের তিন নেতা-কর্মী আহত হন।

আজ শুক্রবার (২২ মে) দুপুর ২টার দিকে শহরের পুরাতন কালেক্টরেট মসজিদের সামনে এই ঘটনাটি ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার জুমার নামাজ আদায় শেষে মসজিদ থেকে বের হচ্ছিলেন নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী। এ সময় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদ তাঁর সঙ্গে কথা বলতে এগিয়ে যান।

তাদের মধ্যে কথা বলার এক পর্যায়ে হঠাৎ পেছন থেকে কয়েকজন যুবক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর ডিম নিক্ষেপ করে এবং অতর্কিত হামলা চালায়। এই হামলায় এনসিপির স্থানীয় কয়েকজন যুবক আহত হয়েছেন।

ভুক্তভোগী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডি থেকে এক পোস্টে হামলার বিস্তারিত জানান। তিনি অভিযোগ করেন, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী জুমার নামাজ আদায় করে মসজিদ থেকে বের হওয়ার পরপরই পুলিশের উপস্থিতিতেই ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীরা এই হামলা চালায়।

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী পোস্টে লেখেন, “প্রথমে ডিম, ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করা হয়, এরপর হকিস্টিক দিয়ে অতর্কিতভাবে আঘাত করা হয়। তিনজনের মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয় এবং বেশ কয়েকজন আহত হন। আমাকে লক্ষ্য করেও কিল-ঘুষি মারা হয়।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, হামলাকারীরা এ সময় তাদের মোবাইল ফোন, ক্যামেরা এবং মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেয়। ঘটনার পর তারা থানায় অবস্থান নিয়ে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেও জানান। একই সাথে ছাত্রদল, যুবদল ও বিএনপি থানার সামনে আবারও হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে তিনি ফেসবুক পোস্টে দাবি করেন।

এই ঘটনার পর এনসিপির নেতাকর্মীরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল করেছেন। বিক্ষোভ থেকে তারা স্বরাষ্ট্র ও আইনমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেন এবং হামলায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানান।

 

চট্টগ্রামে তিন বছরের শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ২:৪৮ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামে তিন বছরের শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা

চট্টগ্রামের বাকলিয়ায় তিন বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আজ (শুক্রবার) দুপুরে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন বাকলিয়া থানার এক কর্মকর্তা।

তিনি বলেন, ভুক্তভোগী শিশুর পিতা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় গ্রেপ্তার মনিরকে আসামি করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, বাকলিয়ার চেয়ারম্যানঘাটা এলাকায় তিন বছর বয়সী এক শিশু নিখোঁজ হওয়ার পর বৃহস্পতিবার বিকেলে তাকে উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারের পর শিশুটির শারীরিক অবস্থা দেখে স্বজন ও স্থানীয়দের সন্দেহ হয়, সে যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছে। খবরটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে বিকেলের দিকে রাস্তায় নেমে আসেন স্থানীয়রা।

স্থানীয়দের দাবি, অভিযুক্ত যুবকের নাম মনির। তিনি স্থানীয় একটি ডেকোরেশন দোকানে কাজ করেন। তাদের অভিযোগ, মনির তাদের কাছে নিজের অপরাধ স্বীকারও করেছেন।

অভিযুক্ত মনির নিজের অপরাধ স্বীকার করেছেন বলে একটি তথ্য ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লেও এর সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

গতকাল বিকেল ৪টার দিকে স্থানীয়রা অভিযুক্তের অবস্থান নিশ্চিত করে ‘বিসমিল্লাহ ম্যানশন’ নামের একটি ভবন ঘেরাও করে রাখেন। একপর্যায়ে ভবনটির কলাপসিবল গেট ভেঙে ফেলার চেষ্টাও করা হয়।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠায়। অন্যদিকে অভিযুক্তকে আটক করে নিয়ে যাওয়ার সময় বিক্ষুব্ধ জনতা পথ আটকে দেয় এবং তাকে নিজেদের হাতে তুলে দেওয়ার দাবি জানায়। বিকেল সাড়ে চারটা থেকে পুলিশকে অবরুদ্ধ করে রাখে স্থানীয়রা। এরপর রাত আটটার দিকে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে।

এসময় পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়েন স্থানীয়রা। এতে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। স্থানীয়দের বাধার মুখে তখন পুলিশ অভিযুক্ত নিয়ে যেতে পারেনি।

পরে রাত ১১টা সময় দিকে জনবল বাড়ায় পুলিশ। পরে বিদ্যুৎ বন্ধ করে অভিযুক্তকে পুলিশের পোশাক পরিয়ে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় ফাঁকা গুলি, টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে পুলিশ। এসময় স্থানীয়রা পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন দেয়। এতে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

রামিসার বাসার সামনে বিক্ষোভ, কুলখানির জন্য ঢাকা ছাড়লেন বাবা-মা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
রামিসার বাসার সামনে বিক্ষোভ, কুলখানির জন্য ঢাকা ছাড়লেন বাবা-মা

রাজধানীর পল্লবীতে ধর্ষণের পর নৃশংস হত্যার শিকার আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারের মৃত্যুর ঘটনায় এখনও থামেনি মানুষের ক্ষোভ আর কান্না।

শুক্রবার (২২ মে) সকাল থেকেই পল্লবীর সেকশন-১১ এলাকায় রামিসাদের বাসার সামনে জড়ো হতে থাকেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। ছোট-ছোট সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের ব্যানারে মানববন্ধন, বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করতে দেখা যায় স্থানীয়দের।

সেখানে গিয়ে দেখা যায়, বেলা ১১টার পর থেকে রামিসাদের বাসার সামনের গলিতে একে একে জড়ো হন নারী-পুরুষসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষ। অনেকের হাতে ছিল ‘রামিসার হত্যাকারীর ফাঁসি চাই’, ‘শিশু ধর্ষণ ও হত্যার বিচার চাই’ লেখা প্ল্যাকার্ড।

এসময় এলাকাজুড়ে ছিল থমথমে পরিবেশ। স্থানীয়দের অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এমন নির্মম হত্যাকাণ্ডের দৃষ্টান্তমূলক বিচার না হলে সমাজে শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে না।

একটি মানববন্ধনে অংশ নেওয়া লামিয়া খানম নামে এক নারী বলেন, আমরা নিজের সন্তানদের নিয়েই এখন আতঙ্কে আছি। একটা শিশুকে এত নির্মমভাবে হত্যা কোনো মানুষ করতে পারে না।

এদিকে সন্তান হারানোর শোকে এখনও প্রায় নির্বাক রামিসার মা-বাবা। শুক্রবার (আজ) দুপুর ১২টার দিকে মেয়ের কুলখানি ও মিলাদে অংশ নিতে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়েন তারা। যাওয়ার আগে বাসার সামনে জড়ো হওয়া মানুষদের কান্না আর সান্ত্বনার শব্দে ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ।

পরিবারের স্বজনরা জানান, বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাতে সিরাজদিখানে পারিবারিক কবরস্থানে দাফনের সময় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। রামিসার মা এখনও মেয়ের জামাকাপড় ও ব্যবহৃত জিনিসপত্র বুকে জড়িয়ে কাঁদছেন। আর বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বারবার মেয়ের শেষ আবদারের কথা মনে করে ভেঙে পড়ছেন। দুই দিন আগে মেয়ের জন্য একটি বোরকা কিনে এনেছিলেন তিনি। কিন্তু সেই বোরকা আর পরা হয়নি রামিসার।

গত মঙ্গলবার সকালে পল্লবীর সেকশন-১১ এলাকায় নিজ বাসার পাশ থেকে নিখোঁজ হয় দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা। পরে প্রতিবেশী সোহেল রানার ফ্ল্যাট থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা পল্লবী থানায় মামলা করেন।

পুলিশ জানায়, প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করে মরদেহ গোপনের চেষ্টা করেন। ঘটনার পর নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আদালতে তিনি হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দিও দিয়েছেন। এ ঘটনায় সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকেও গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।