খুঁজুন
রবিবার, ১৫ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২রা ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জনগণের সহযোগিতায় পুলিশ অত্যন্ত দক্ষতার সাথে চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করছে:স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ অক্টোবর, ২০১৯, ৩:২৬ অপরাহ্ণ
জনগণের সহযোগিতায় পুলিশ অত্যন্ত দক্ষতার সাথে চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করছে:স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেছেন, বাংলাদেশে আমরা প্রতিদিন কোন না কোন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে যাচ্ছি। আপনাদের সহযোগিতায় বাংলাদেশ পুলিশ অত্যন্ত দক্ষতার সাথে সকল চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করছে। মিথ্যা কথা, গুজব বা ভুল তথ্যে জনগণ যাতে বিভ্রান্ত না হয় সেদিকে লক্ষ্য রেখে কমিউনিটি পুলিশ এর সদস্যগণ কাজ করবেন।

আজ (২৬ অক্টোবর) সকাল ১১টায় বাংলাদেশ পুলিশ অডিটোরিয়াম রাজারবাগে কমিউনিটি পুলিশিং ডে- ২০১৯ উদযাপন উপলক্ষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

যেকোন তথ্য জানলে তা যাচাই করে দেখার আহবান জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ভালো ও খারাপ দিক রয়েছে। আমরা খারাপ দিক দেখেছি রামু, নাসিরনগরসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় এবং সাম্প্রতিক সময়ে দেখেছি ভোলায়। এসমস্ত গুজব প্রতিরোধে কমিউনিটি পুলিশকে কাজ করতে হবে। কমিউনিটি পুলিশ বিশ্বব্যাপী বিস্তিৃত। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে আমাদের কমিউনিটি পুলিশিং ব্যবস্থা আমরা সাজিয়েছি। পুলিশের সকলে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে কাজ করছে। এজন্য দেশে সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ আমরা নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছি। আমরা এখন বীরদর্পে বলতে পারি আমরা পেরেছি। এই রাজারবাগ থেকে মহান মুক্তিযুদ্ধে পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রথম প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন বাংলাদেশ পুলিশের বীর সদস্যরা। আমি সব জায়গায় এখন বলি একযুগ আগে যে পুলিশ আপনারা দেখেছেন বর্তমান পুলিশ এক নয়। দেশ প্রেমে উদ্ধুদ্ধ হয়ে বাংলাদেশ পুলিশ দেশের জনগণের জন্য কাজ করে যাচ্ছে।

পুলিশকে কমিউনিটি বা জনগণের সাথে মিশে গিয়ে কাজ করতে হবে বলে জানিয়ে আসাদুজ্জামান খান বলেন, বাংলাদেশ দুর্বার গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। একটি টেকসই উন্নয়নের জন্য দরকার টেকসই নিরাপত্তা। কমিউনিটি পুলিশিংয়ে জনসাধারণ দায়িত্ব পালন করছেন বলে শান্তির বাংলাদেশ বিনির্মাণে সহায়ক হচ্ছে। ঢাকা শহরের জনগণের তথ্য সংগ্রহ করে একত্রে রাখাটা অনেক কঠিন। এই কঠিন কাজটা অনেক দক্ষতার সাথে যে যার অবস্থান থেকে করেছেন। এজন্য তাদের মূল্যায়ন করাটা জরুরী। সন্ত্রাস জঙ্গিবাদ দমনে বিট পুলিশিং গুরুত্বপূর্ণ। বিট পুলিশিংয়ের মাধ্যমে বিট অফিসার পাড়া মহল্লায় জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে পারবে সরকার কি চায়, পুলিশ কি চায়। আমাদের দেশকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যেভাবে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন সেভাবে কাজ করা আমাদের লক্ষ্য। আমরা যাতে জোড় গলায় বলতে পারি বাংলাদেশে জঙ্গি-সন্ত্রাস মুক্ত করতে পেরেছি। আমরা মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছি। আপনাদের সহযোগিতায় মাদককে নিয়ন্ত্রণে আনবো ইনশাআল্লাহ।

পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত আইজিপি (এ এন্ড ও) ড. মোঃ মইনুর রহমান চৌধুরী বিপিএম (বার) বলেন, কমিউনিটি পুলিশিং একটি গ্লোবাল কনসেপ্ট। বিশ্বের প্রায় প্রতিটি দেশে কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রম রয়েছে। তাবে বাংলাদেশের কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রমটা একটু ভিন্ন। জনগণ ও পুলিশের একাত্মতায় সোনার বাংলাদেশ গড়তে সাহায্য করবে। বর্তমানে বাংলাদেশ পুলিশের ২ লক্ষ ১২ হাজার সদস্য কর্মরত রয়েছে। জাতিসংঘের স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী একটি দেশের ৪০০ জন জনগণের সেবাই একজন পুলিশ। সেখানে আমাদের দেশে প্রতি ৮০০ জনের সেবায় একজন পুলিশ কাজ করছে। এজন্য পুলিশি সেবায় জনগণের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

কমিউনিটি পুলিশিং ডে উদযাপন উপলক্ষে আগতদের উদ্দেশ্যে সভাপতির বক্তব্যে ডিএমপি কমিশনার শফিকুল ইসলাম বলেন, মানুষকে যদি আমরা সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে খেলাধুলায় অন্তর্ভূক্ত না করতে পারি, আমাদের সন্তানদের মাঠে নিতে না পারি, তাদের সুকুমার বৃত্তিগুলো গড়ে উঠার সুযোগ করে না দিই, তাহলে আমাদের সন্তানদের সঠিক পথে রাখতে পারবো না। আপনি যদি নিজের নিরাপত্তা ও সন্তানের নিরাপত্তা চান এবং একটি বাসযোগ্য সমাজ তৈরি করতে চান, তাহলে আপনি এককভাবে কখনও করতে পারবেন না। পুলিশও এককভাবে কখনও করতে পারবে না। নিজের সন্তানের নিরাপত্তার জন্য ও সন্তান যাতে একটি সুন্দর সমাজ ও পরিবেশে বসবাস করতে পারে সেটির জন্য পুলিশের সাথে মিলে কাজ করুন। সমাজের যে বিষয়গুলো আমরা ঘৃণা করি, সমাজের সবাই মিলে আসুন তাদের বিরুদ্ধে সচেষ্ট হয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলি। আমার সন্তান আপনার সন্তান কেউই মাদক, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদসহ সমাজের নানাবিধ অপরাধজনক কাজের প্রভাব থেকে এককভাবে মুক্ত থাকতে পারবে না। যদি না আমরা সবাই মিলে এমন একটি সমাজ তৈরি করি যেখানে তার মেধা ও যোগ্যতা অনুযায়ী কর্মক্ষেত্র তৈরি হবে। আমরা যদি মনে করি এটি শুধু মাত্র পুলিশের কাজ তাহলে এটা কখনও সম্ভব হবে না।

যাঁরা আমাদের সাথে কাজ করতে চান তারা এক পা এগিয়ে আসুন আমরা সবাই মিলে আপনার দিকে দশ কদম এগিয়ে যাবো বলে জানিয়ে কমিশনার আরো বলেন, আমি বাদশা আপনি আমার প্রজা এই মনোভাব নিয়ে ডিএমপিতে কেউ চাকরি করতে পারবে না। এই মহানগরের প্রতিটি মানুষের যে সম্মান, শ্রদ্ধা ও সুন্দর আচরণ পাওয়ার কথা সেই আচরণটি যদি কোন পর্যায় থেকে না পান তাহলে আমাদেরকে জানাবেন। আমরা অনুরোধ করবো আমাদের সমস্ত ভালো কাজের সাথে থাকেন, ভালো উদ্যোগকে সমর্থন করেন এবং পুলিশের কোন বিচ্যুতি চোখে পড়লে আমাদের জানাবেন আমরা সংশোধনের চেষ্টা করবো এবং তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিবো। এই শহর ও দেশটা আমাদের। আমরা দায়িত্ববোধ ও মানুষের সেবা করার মানসিকতা নিয়ে কাজ করতে এসেছি।

এসময় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ডিএমপি’র অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম এন্ড অপস) কৃষ্ণপদ রায় ,গোলাম আশরাফ তালুকদার সভাপতি শাহজাহানপুর থানা কমিউনিটি পুলিশ ও বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশন শিল্পী গোষ্ঠির সভাপতি ড. এনামুল হক। এসময় কমিউনিটি পুলিশিংয়ে কৃতিত্বপূর্ণ অবদান রাখায় ঢাকা মহানগরীর জনগণের মধ্য থেকে শ্রেষ্ঠ কমিউনিটি পুলিশ সদস্য, পুলিশ সদস্যদের মধ্য হতে শ্রেষ্ঠ সিপিও এবং বিট পুলিশিং অফিসারদের পুরস্কৃত করেন প্রধান অতিথিসহ বিশেষ অতিথিবৃন্দ।

এর আগে সকাল সাড়ে ১০টায় ডিএমপি সদর দপ্তর থেকে পুলিশের সঙ্গে কাজ করি, মাদক-জঙ্গি-সন্ত্রাস মুক্ত দেশে গড়ি এই শ্লোগানে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়ে রাজারাবাগ এসে শেষ হয়। র‌্যালীতে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-১০ আসনের সাংসদ সাবের হোসেন চৌধুরী। এসময় র‌্যালীতে ডিএমপি কমিশনারসহ ডিএমপি’র ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, স্কুল কলেজের শিক্ষার্থী, রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রতিনিধিসহ পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, পুলিশের সঙ্গে কাজ করি, মাদক-জঙ্গি-সন্ত্রাস মুক্ত দেশে গড়ি এই মূল প্রতিপাদ্য বিষয় দিয়ে বাংলাদেশ জুড়ে উদযাপিত হচ্ছে কমিউনিটি পুলিশিং ডে-২০১৯।

Feb2

মন্ত্রিসভার শপথ সংসদের খোলা আকাশের নিচে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৮:৪৭ পূর্বাহ্ণ
মন্ত্রিসভার শপথ সংসদের খোলা আকাশের নিচে

চিরাচরিত রীতি অনুযায়ী মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয় বঙ্গভবন–এর দরবার হলে। তবে এবার সেই ধারাবাহিকতা থাকছে না। আগামী মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজা থেকে বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছে।

একই দিন সকালে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথও একই স্থানে অনুষ্ঠিত হওয়ার তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একাধিক সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে সংসদ সদস্যদের এবং বিকেল ৪টার দিকে মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠান হওয়ার সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।

রীতি অনুযায়ী, সংসদ সদস্যদের শপথ জাতীয় সংসদ ভবনে এবং মন্ত্রিসভার শপথ বঙ্গভবনের দরবার হলে অনুষ্ঠিত হতো। এবার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নিতে যাওয়া দল বিএনপির পছন্দ অনুযায়ী সংসদ ভবনে শপথ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হচ্ছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্র জানিয়েছে, স্বাধীনতার পর এ পর্যন্ত হওয়া সব সরকারের শপথ বঙ্গভবনে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শপথ অনুষ্ঠান আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠানের খুব বেশি আনুষ্ঠানিকতা নেই। এখানে আলাদাভাবে অতিথিদের আমন্ত্রণ জানানো বা আপ্যায়নের ব্যবস্থা করতে হয় না।’

তিনি আরও বলেন, ‘মন্ত্রিসভার শপথে দেশি-বিদেশি অতিথিদের আমন্ত্রণ, তাদের আপ্যায়ন, পর্যায়ক্রমে প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনাসহ নানান ধাপের কার্যক্রম পরিচালনা করতে হয়। শেষ মুহূর্তে এ ধরণের সিদ্ধান্ত হওয়ায় শপথ অনুষ্ঠান আয়োজনের বিভিন্ন পর্ব নিয়ে নতুনভাবে পরিকল্পনা সাজাতে হচ্ছে।’

তারেক রহমানকে প্রধান উপদেষ্টার অভিনন্দন বার্তা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:১৭ পূর্বাহ্ণ
তারেক রহমানকে প্রধান উপদেষ্টার অভিনন্দন বার্তা

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে জয়লাভ করায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে বার্তা দিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস।

অভিনন্দন বার্তায় তারেক রহমানের উদ্দেশ্যে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আপনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করায় আপনাকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। গণতান্ত্রিক উত্তরণের ঐতিহাসিক প্রক্রিয়ায় জনগণের এই সুস্পষ্ট রায় দেশের সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হয়ে থাকবে।

তিনি বলেন, আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি রাষ্ট্র পরিচালনার গুরুদায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে আপনার প্রজ্ঞা, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও জনকল্যাণমুখী চেতনার আলোকে আপনি দেশকে একটি স্থিতিশীল, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও উন্নয়নমুখী পথে এগিয়ে নিয়ে যাবেন। আমি স্মরণ করছি আপনার বাবা রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ ও রাষ্ট্রদর্শন এবং আপনার মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আপসহীন নেতৃত্ব ও গণতন্ত্রের প্রতি অঙ্গীকারের কথা। তাদের আদর্শ ও মহান কর্ম আপনার আগামী দিনের চলার পথকে আলোকিত করবে বলে আমি একান্তভাবে আশা করি।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ আজ বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে এক নতুন সম্ভাবনার দ্বারপ্রান্তে অবস্থান করছে। অর্থনৈতিক রূপান্তর, প্রযুক্তিগত অগ্রগতি, জলবায়ু সহনশীলতা, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে সক্রিয় অংশগ্রহণ—এসব ক্ষেত্রে সুসমন্বিত মেধা, মননশীলতা ও প্রজ্ঞার প্রয়োগ অপরিহার্য। আশা করি, আপনার নেতৃত্বে জাতীয় ঐক্য সুদৃঢ় হবে এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, আইনের শাসন ও জবাবদিহিমূলক শাসনব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হবে।

প্রফেসর ইউনূস বলেন, একই সঙ্গে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব পালনকালে আপনার মূল্যবান সহযোগিতা ও গঠনমূলক ভূমিকার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি। পরিবর্তনের এই সংবেদনশীল সময়ে গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় রাখা, সহনশীলতা প্রদর্শন এবং সাংবিধানিক প্রক্রিয়ার প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার ক্ষেত্রে আপনার ইতিবাচক অবস্থান জাতীয় স্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

‘পরিশেষে, দেশের মানুষের কল্যাণ, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে আপনার সব উদ্যোগ সফল হোক—এই কামনা করি। মহান আল্লাহ আপনাকে দেশ ও জাতির সেবায় প্রজ্ঞা, ধৈর্য ও দৃঢ়তা দান করুন’—বলেন প্রধান উপদেষ্টা।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ককটেল বানানোর সময় বিস্ফোরণ, নিহত ২

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৯:৫৬ পূর্বাহ্ণ
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ককটেল বানানোর সময় বিস্ফোরণ, নিহত ২

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ককটেল বিস্ফোরণে দুইজন নিহত হয়েছেন। গুরুতর আহত হয়েছেন অনন্ত তিনজন। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) ভোর পাঁচটার দিকে সদর উপজেলার চর বাগডাঙ্গা ইউপির ফাটাপাড়া গ্রামের একটি বাড়িতে ককটেল বানাতে গিয়ে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

বিস্ফোরণে বাড়ির ইটের দেওয়াল ধসে গেছে। টিনের চাল উড়ে গেছে।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূরে আলম ঘটনাস্থল থেকে বলেন, বিস্ফোরণে দুজন নিহত ও তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন। নিহতদের নাম-পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছি। আহত তিনজন হলেন সদর উপজেলার পাঠাপাড়া গ্রামের মিনহাজ (৫২) ও বজলুর রহমান (২০) এবং রানীহাটির ধুমী গ্রামের মো. শুভ (২০)।

তিনি আরও বলেন, স্থানীয়রা কেউ নিহত ও আহতদের নাম-ঠিকানা এখনো জানাতে পারেনি। ফাটাপাড়ার কালামের বাড়িতে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।