খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

করোনার সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ কর্মসূচিতে বাধা দিয়ে বিএনপিকে দমিয়ে রাখা যাবে না: ডা.শাহাদাত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২০, ৪:২৯ অপরাহ্ণ
করোনার সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ কর্মসূচিতে বাধা দিয়ে বিএনপিকে দমিয়ে রাখা যাবে না: ডা.শাহাদাত

চট্টগ্রাম মাহানগর বিএনপির সভাপতি ও বিএনপির মেয়র প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, এই সরকার একটি ফ্যাসিবাদী সরকার। সারাদেশে এখনো করোনাকাল চলছে। সেই প্রেক্ষিতে আমরা মহানগর বিএনপির ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে মাস্ক ও ঔষুধসহ করোনা সামগ্রী বিতরণের জন্য প্রশাসনের কে চিঠি দিয়েছিলাম। সেই প্রেক্ষিতে আজ আনিকা কমিউনিটি সেন্টারে চকবাজার ওয়ার্ড এর উদ্যোগে মাস্ক ও ঔষধ বিতরণের অনুষ্ঠান সকাল দশটায় শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু অনুষ্ঠানের এক ঘণ্টা আগে প্রশাসনের পক্ষ থেকে অনুষ্ঠান না করার জন্য বারণ করে এবং পুলিশ ফোর্স পাঠিয়ে মাস্ক ও ওষুধ বিতরণ কর্মসূচি বন্ধ করে দেয়। এইভাবে একটি দেশ স্বৈরাচারী কায়দায় চলতে পারে না। দেশের প্রতিটি মানুষ এই সরকারের হাতে জিম্মি। এই সরকার জনকল্যাণমূলক কোন কাজে ধারে কাছেও নেই। উন্নয়নের নামে দুর্নীতি ও লুটপাট নিয়ে ব্যস্ত। বিএনপি জনকল্যাণমূলক কর্মসূচী নিলেই তাদের চুলকানি শুরু হয়।

তিনি আজ শনিবার (৩ অক্টোবর) দুপুরে চকবাজার ওয়ার্ড এর উদ্যোগে মাস্ক ও ঔষধসহ করোনা সামগ্রী বিতরণে বাধার প্রতিবাদে দলীয় কার্যালয় নাসিমন ভবনে তৎক্ষণাৎ এক প্রতিবাদ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।

প্রতিবাদ সমাবেশে ডা. শাহাদাত হোসেন আরো বলেন, এই সরকারের পায়ের তলায় মাটি নেই, প্রশাসনের উপর ভর করেই দেশ চালাচ্ছে। প্রশাসন নির্ভর এই ফ্যাসিস্ট সরকার দীর্ঘ এক যুগ এর অধিক দেশের জনগণের বাকস্বাধীনতা কেড়ে নিয়েছে। দুর্নীতি-দুঃশাসন চালিয়ে যাচ্ছে।তার জবাব আপনাদেরকে একদিন দিতে হবে। জনগণের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে। বিএনপি জনগণের দল। জনগণকে নিয়েই বিএনপির রাজনীতি করে। বিএনপি বিরুদ্ধে যতই ষড়যন্ত্র করা হোক না কেন জনগণের কল্যাণে দেশের মানুষের ভোটাধিকার ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় রাজপথেই থাকবে।

প্রধান বক্তার বক্ত‌ব্যে চট্টগ্রাম মহানগর বিএন‌পির সাধারণ সম্পাদক আবুল হা‌শেম বক্কর ব‌লে‌ছেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত নয়, বিধায় জনগণের প্রতি সরকারের কোন দায়বদ্ধতা নেই। করোনা মোকাবেলায় সরকারের অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতি বিশ্বের বুকে দেশের মান চরমভাবে ক্ষুণ্ণ করেছে। করোনা মোকাবেলায় সরকার চরমভাবে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। তাই সরকারের হাতের দিকে চেয়ে লাভ নেই, স্ব স্ব অবস্থান থেকে মানুষের পাশে দাড়াতে হবে।

তি‌নি ব‌লেন, বর্তমা‌নে সারা‌বি‌শ্বে ক‌রোনা ভাইরা‌সের পূণরায় সংক্রাম বৃ‌দ্ধি পা‌চ্ছে। সাম‌নে শীতকালে বাংলা‌দে‌শেও ক‌রোনা ভাইরা‌সের সংক্রামন বৃ‌দ্ধির আসংঙ্কা র‌য়ে‌ছে। আমরা সাম‌জিক অবস্থান থে‌কে চকবাজার ওয়া‌র্ডে ক‌রোনা সংক্রান রো‌ধে করনীয় ও সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ করতে চেয়েছিলাম। সরকা‌রের এ‌জেন্ডা বাস্তাবয়‌নের ল‌ক্ষে প্রশাসন আমা‌দের সে কর্মসূ‌চি পালন কর‌তে দেয়‌নি। বিএন‌পির কর্মসূ‌চি‌তে বাধা দি‌য়ে সরকা‌রের দুর্নী‌তি ও লুটপাট‌কে আড়াল করা যা‌বেনা। দে‌শের মানুষ থে‌কে সরকার বি‌চ্চিন্ন ও জনধি‌ক্কিত হ‌য়ে‌ছে।

প্রতিবাদ সমাবেশ ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মনজুর আলমের সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক এম এ হালিম বাবলুর সঞ্চালনায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি মোহাম্মদ আলী, যুগ্ন সম্পাদক ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল ইসলাম, ড্যাব চট্টগ্রাম জেলার সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন ঢালী, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. সারোয়ার আলম, মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট পারভীন চৌধুরী, সহ- সাংগঠনিক সম্পাদক সালাউদ্দিন কায়সার লাবু, সহ মহিলা বিষয়ক সম্পাদক বেগম লুৎফুন্নেসা, চকবাজার থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নূর হোসেন , মোহাম্মদ মহসিন, একরামুল হক, খাইরুজ্জামান জনু।

১৬ নং চকবাজার ওয়ার্ড বিএনপি নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আলহাজ্ব আবু আহমেদ, জামাল আহমেদ, রঞ্জু মিয়া, মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন, ওসমান গনি, মোহাম্মদ জসিম বাদশা, মোঃ সেলিম উদ্দিন, মোঃ পারভেজ, হাসান ওসমান গনি লিটন, মোহাম্মদ ওসমান, মোঃ জসিম, আলমগীর, বাপ্পি, প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2

মানবিক ডিসি জাহিদের কাছে সাহায্যপ্রার্থীদের ঢল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০০ অপরাহ্ণ
মানবিক ডিসি জাহিদের কাছে সাহায্যপ্রার্থীদের ঢল

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের গণশুনানিতে ভিড় বাড়ছেই মানবিক সহায়তা প্রত্যাশী মানুষের। অসুস্থতা, দারিদ্র্য, কর্মহীনতা ও চরম আর্থিক সংকটে পড়ে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ ছুটে আসছেন শেষ আশ্রয়ের খোঁজে। এসব আবেদন ঘেঁটে দেখা গেছে—প্রতিটি কাগজের আড়ালে লুকিয়ে আছে বেঁচে থাকার তীব্র আর্তি।

ক্যানসারে আক্রান্ত লাভলী দাস গুপ্তা ভারতের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা চালাতে গিয়ে তার পরিবারের সঞ্চয় শেষ হয়ে গেছে। চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে না পেরে তিনি আজ বুধবার (৮ এপ্রিল) সারা দেশে মানবিক ডিসি হিসেবে পরিচিত চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার কাছে আর্থিক সহায়তা চেয়েছেন। চিকিৎসা বন্ধ হয়ে গেলে জীবন ঝুঁকিতে পড়বে জেনে জেলা প্রশাসক তাকে আর্থিক সহয়তা প্রদান করেন তাৎক্ষণিকভাবে।

৫৫ বছর বয়সী মোহাম্মদ সুমন গুরুতর অসুস্থতায় ভুগছেন। রোগ নির্ণয়ের জন্য তাকে একাধিক পরীক্ষা করাতে হয়েছে একটি বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে। এসব পরীক্ষার খরচ বহন করতে গিয়ে তিনি এখন আর্থিকভাবে বিপর্যস্ত। জেলার অভিভাবককে তিনি জানান, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার মতো সামর্থ্য তার আর নেই। তাকেও নিরাশ করলেন না মানবিক ডিসি।

একইভাবে ৬৫ বছর বয়সী হাছিনা বেগমও চিকিৎসা ব্যয়ের ভারে ন্যুব্জ। বয়সজনিত অসুস্থতায় ভুগলেও অর্থাভাবে নিয়মিত চিকিৎসা নিতে পারছেন না। জীবনের এই শেষ সময়ে চিকিৎসা সহায়তা না পেলে পরিস্থিতি আরও অবনতি হওয়ার আশঙ্কার কথা জানান জেলার শীর্ষ কর্মকর্তাকে।

জামিলা বেগম নামের এক নারী জেলা প্রশাসকের সাপ্তাহিক গণশুনানিতে হাজির হয়ে ডিসি জাহিদুল ইসলামকে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ থাকায় চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া তার পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়েছে। পরিবারের আয়ের কোনো নির্ভরযোগ্য উৎস না থাকায় তিনি এখন সম্পূর্ণ অসহায় অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন। জেলা প্রশাসকের আর্থিক সহয়তা পেয়ে উচ্ছ্বসিত জামিলা।

অসুস্থতার কারণে কর্মক্ষমতা হারানোর কথা জানিয়েছেন মো. মনজুর আলম আরেক নাগরিক। আগে উপার্জন করে পরিবার চালালেও বর্তমানে কাজ করতে না পারায় সংসার চালানোই কঠিন হয়ে পড়েছে। চিকিৎসা ব্যয় বহনের পাশাপাশি পরিবারের নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচ জোগানোও এখন অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে জানানো হয় জেলা প্রশাসককে। তার পাশেও দাড়ালেন মানবিক ডিসি।

মো. নুরুল ইসলাম আরেক অসহায় নাগরিক দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা নিতে গিয়ে তিনি নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। ধার-দেনা করে চিকিৎসা চালালেও এখন আর কোনো উপায় নেই। চিকিৎসা বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকির কথা উল্লেখ করে তিনি জেলা প্রশাসকের জরুরি সহায়তা কামনা করেছিলেন। তাকেও ফিরিয়ে দেননি ডিসি জাহিদুল ইসলাম।

একই নামে আরেক প্রবীণ নাগরিক নিজেকে বয়সের ভারে ন্যুব্জ ও অসহায় উল্লেখ করে চিকিৎসা সহায়তা চেয়েছেন। তিনি জানান, শারীরিক দুর্বলতা ও অসুস্থতার কারণে তিনি সম্পূর্ণ অন্যের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছেন। তাকেও নিরাশ করেন নাই ডিসি।

রাঙামাটি জেলার লংগদু উপজেলার বাসিন্দা, বর্তমানে চট্টগ্রামে বসবাসরত মো. সামাদ আলী জেলা প্রশাসককে বলেন, দারিদ্র্য ও অসুস্থতার কারণে চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া তার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। তিনি নিজেকে সম্পূর্ণ অসহায় উল্লেখ করে ডিসির সহযোগিতা কামনা করেছিলেন। তাকেও নগদ অর্থ সাহায্য করলেন জেলা প্রশাসক।

গণশুনানিতে জমা পড়া আবেদনগুলোর সার্বিক চিত্রে দেখা যায়, অধিকাংশ আবেদনকারী দীর্ঘমেয়াদি বা জটিল রোগে আক্রান্ত। চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে গিয়ে অনেকে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। আবার অনেকে অসুস্থতার কারণে কর্মক্ষমতা হারিয়ে পরিবার নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

জেলা প্রশাসকের সাপ্তাহিক গণশুনানিতে এ ধরনের আবেদন সরাসরি শোনা হচ্ছে এবং তাৎক্ষণিক সহায়তা ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই প্রক্রিয়া প্রশাসনকে মানুষের আরও কাছাকাছি নিয়ে এসেছে এবং জরুরি সহায়তা প্রদানে কার্যকর ভূমিকা রাখছে।

দিল্লিতে ভারত-বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:১২ অপরাহ্ণ
দিল্লিতে ভারত-বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক

দিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে দিল্লির হায়দ্রাবাদ হাউসে আনুষ্ঠানিক বৈঠকের পর তারা একান্তে আলোচনা করেন।

কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকে দুই দেশের আঞ্চলিক ও দ্বীপক্ষীয় সম্পর্কের বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরও উপস্থিত ছিলেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে করা এক পোস্টে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্কর বলেন, ‘বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ও তার প্রতিনিধিদলকে আজ বিকেলে আতিথেয়তা দিতে পেরে আনন্দিত।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন দিক আরও জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা করেছি। পাশাপাশি আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পরিস্থিতি নিয়েও মতবিনিময় হয়েছে। আমরা ভবিষ্যতেও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখতে সম্মত।’

গত ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সরকার গঠন করে বিএনপি। নতুন সরকারের আমলে এটিই বাংলাদেশের কোনো মন্ত্রীর প্রথম ভারত সফর।

এ শুভেচ্ছা সফরে গতকাল দিল্লিতে পৌঁছান খলিলুর রহমান। ভারতে পৌঁছানোর প্রথম দিনেই দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।

এরপর আজ সকালে ভারতের কয়েকজন সম্পাদক ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকের সঙ্গে প্রাতঃরাশ সভায় যোগদান করেন। বিকেলে ভারতের পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাসবিষয়ক মন্ত্রী হারদীপ সিং পুরির সঙ্গে তার বৈঠকের কথা রয়েছে।

২০২৪-এর জুলাই আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে ভাটা পড়ে। তবে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর সে সম্পর্ক পুনরুজ্জীবিত হচ্ছে বলে মনে করছেন অনেকে।

আগামী ১১ ও ১২ তারিখ মরিশাসের পোর্ট লুইসে অনুষ্ঠিতব্য ভারত মহাসাগরীয় সম্মেলনে যোগ দেবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। এর আগে পারস্পরিক মর্যাদা ও আস্থার ভিত্তিতে দীর্ঘ মেয়াদে সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার বার্তা নিয়ে ভারত সফরে যান তিনি।

বিসিবিতে বাপের দোয়া, মায়ের দোয়া কমিটি করিনি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:১৯ অপরাহ্ণ
বিসিবিতে বাপের দোয়া, মায়ের দোয়া কমিটি করিনি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আমিনুল ইসলাম বুলবুলের কমিটি ভেঙে মঙ্গলবার তামিম ইকবালের নেতৃত্বে গঠিত হয়েছে ১১ সদস্যের অ্যাডহক কমিটি। এই কমিটি এখন গোটা বাংলাদেশের ভক্ত-সমর্থকদের আলোচনার বিষয়। এই আলোচনা আজ জায়গা করে নিয়েছে জাতীয় সংসদের অধিবেশনেও।

সেখানেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে (বিসিবি) তামিম ইকবালের নেতৃত্বে আহ্বায়ক কমিটি করা হয়েছে। তিনি একজন খেলোয়াড়। এখানে বাপের দোয়া মায়ের দোয়া কমিটি করিনি।’

মূলত, আজ বুধবার (৮ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহর এক প্রশ্নের জবাবেই এসব কথা বলেন তিনি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, ‘ক্রিকেট বোর্ডসহ সারাদেশের ক্লাবগুলোতে প্রভাব বিস্তার করে অন্তর্বর্তী সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা। বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার ইনকোয়ারি করেছে, তদন্তের পর বোর্ড ভেঙে দেয়া হয়েছে। পরে তামিম ইকবালের নেতৃত্বে বিসিবির আহ্বায়ক কমিটি করা হয়েছে। এখানে বাপের দোয়া মায়ের দোয়া কমিটি করিনি।’

এর আগে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘বিসিবি এখন আর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড নাই, এটা এখন বাপের দোয়া ক্রিকেট বোর্ডে পরিণত হয়ে গেছে।’