খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রামগড়ের পৌর মেয়র রিপনের বিরুদ্ধে মসজিদের কোটি টাকা কুক্ষিগত করার অভিযোগ দুই সহোদরের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২০, ১১:৫৮ অপরাহ্ণ
রামগড়ের পৌর মেয়র রিপনের বিরুদ্ধে মসজিদের কোটি টাকা কুক্ষিগত করার অভিযোগ দুই সহোদরের

নিজস্ব প্রতিবেদক,খাগড়াছড়ি : রামগড় পৌরসভার মেয়র কাজী মোহাম্মদ শাহজাহান রিপনের বিরুদ্ধে সোনাইপুল মসজিদের কমিটি ও আর্থিক ব্যবস্থাপনা কুক্ষিগত করার অভিযোগ তুলেছেন তাঁরই আপন দুই সহোদর।

গত মঙ্গলবার মসজিদের সাধারণ সভায় এসব অভিযোগ করেন মসজিদের ভূমিদাতা (মেয়র ও অভিযোগকারীদের পিতা) সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান কাজী রুহুল আমিনের ছেলে কাজী মোহাম্মদ শাহরিয়ার ইসলাম শাহেদ এবং কাজী সাইফুল ইসলাম শিমুল।

আছরের নামাজের পর এলাকার সকল মুসল্লী,গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন রামগড় উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আনোয়ার ফারুক, মসজিদ কমিটির সভাপতি ও পৌর মেয়র কাজী শাহাজান রিপন, সাধারণ সম্পাদক রবি মজুমদার, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বাহার উল্লাহ মজুমদার, উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি এরশাদ উল্লাহ, জসীম চৌধুরী এবং সোনাইপুল বাজার কমিটির সভাপতি শাহরিয়ার ইসলাম সাহেদ।

সাধারণ সভায় দীর্ঘদিন ধরে কমিটি আটকিয়ে রেখে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ অস্বীকার করেন কমিটির সভাপতি পৌর মেয়র ও মসজিদ কমিটির সভাপতি শাহাজাহান রিপন বলেন, তাঁর সময়েই মসজিদের জায়গা বৃদ্ধির জন্য দশ শতক জায়গা কেনা হয়েছে এবং মসজিদে আধুনিক শীততাপ যন্ত্র স্থাপন করা হয়েছে। রামগড় স্থল বন্দরের ক্ষতিপূরণ বাবদ টাকা মসজিদের উন্নয়নে ব্যয় হবে বলে জানান তিনি।

মসজিদ কমিটির সভাপতির বক্তব্যের বিরোধীতা করে তাঁর ভাই কাজী শাহরিয়ার ইসলাম শাহেদ বলেন, দীর্ঘ ১৪ বছর ধরে কমিটি আটকিয়ে রেখে উন্নয়ন মূলক কাজের নামে নানা রকম দুর্নীতির আশ্রয় নিয়েছে কমিটির সভাপতি। এই ১৪ বছরে একবারের জন্যও মসজিদের আয়-ব্যয়ের কোন হিসাব দেননি। স্বেচ্ছাচারিতা এবং ক্ষমতার অপব্যবহার করে মসজিদের জায়গা ক্রয় এবং শীততাপ যন্ত্র লাগানোর নাম করে মোটা অংকের অর্থ আত্মসাৎ করেছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি। দীর্ঘদিন কমিটির নির্বাচন না হওয়ায় মসজিদের উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড স্থবির হয়ে গেছে বলে জানান।

তিনি আশংকা প্রকাশ করে বলেন, স্থল বন্দরের জন্য মসজিদের জায়গার ক্ষতিপূরণ বাবদ দুই কোটি বাষট্টি লক্ষ টাকা বর্তমান সভাপতির অধীনে নিয়ে আসলে সেটি তিনি ব্যক্তিগতভাবে তাঁর (মেয়র) পৌর নির্বাচনের খরচের জন্য ব্যবহার করবেন বলে অভিযোগ করেন কাজী শাহরিয়ার।

খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক বরাবর এক লিখিত অভিযোগে কাজী শাহরিয়ার ইসলাম শাহেদ ও কাজী সাইফুল ইসলাম শিমুল উল্লেখ করেন, মসজিদের জন্য তাঁদের পিতার দানকৃত জায়গার পঁয়ত্রিশ শতক ভূমি রামগড় উপজেলা এক্সেস লোড স্টেশন কন্ট্রোলার নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় পড়েছে। জায়গা বাবদ তাঁদের পরিবারের সদস্যরা যে ক্ষতিপূরণ পাবেন তা বর্তমান সভাপতির হাতে তুলে না দিয়ে সমাজের গণ্যমান্যদের উপস্থিতিতে মসজিদ ফান্ডে দান করবেন।

লিখিত অভিযোগে শাহেদ তাঁর বড় ভাই পৌর মেয়র ও মসজিদ কমিটির সভাপতি কাজী মোহাম্মদ শাহাজাহান রিপন ও তাঁর অপর ভাই জিয়াউল হক শিপনের বিরুদ্ধে তাঁর পিতার জায়গা বাবদ ক্ষতিপূরণের ০.০৬ ন(ছয় শতক) ভূমির ৪২৬৭০০০(বেয়াল্লিশ লক্ষ সাতষট্টি হাজার) টাকা আত্মসাত করেছেন বলে অভিযোগ করেন।

সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বাহার উল্লাহ মজুমদার মসজিদ কমিটি নিয়ে অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘদন ধরে এই কমিটির কোন মিটিং হয়না। মসজিদ কমিটির বিভিন্ন অনিয়ম নিয়ে অভিযোগ করায় তাঁর উপর শারীরিক এবং মানসিক নির্যাতন করা হয়েছে। প্রাণের ভয়ে তিনি রামগড় থানায় সাধারন ডায়েরী করেছেন।

রামগড় উপজেলা পরিষদের ভাইস- চেয়ারম্যান আনোয়ার ফারুক তার বক্তব্যে বলেন, মসজিদ আল্লাহর ঘর। কোন বিশৃঙ্খলা না করে সকলকে ধৈর্য্য ধরে সুন্দর সমাধানের আহবান জানান।
দীর্ঘদিন কমিটি না হওয়ায় এমন অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে বলে অভিমত প্রকাশ করেন।

তিনি উপস্থিত সমাজের সকলকে অনুরোধ করে বলেন, সবার মতামতের ভিত্তিতে গ্রহণযোগ্য মসজিদ পরিচালনা কমিটি গঠন করতে। মসজিদ কমিটির অনেকেই বেঁচে নেয়। এই অবস্থায় নতুন করে মসজিদ কমিটি গঠন ছাড়া কোন বিকল্প নেই বলেও জানান তিনি।

এদিকে মসজিদ কমিটির সাধারণ সভাকে কেন্দ্র করে মসজিদ সংলগ্ন এলাকা গুলোতে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। নিরাপত্তা জোরদারে মসজিদের বাইরে পুলিশ এবং বিজিবির সমন্বয়ে যৌথবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। কঠোর নজরদারির মধ্য দিয়ে মুসল্লীদের মসজিদে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে।

রামগড় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ শামসুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, মসজিদ কমিটির বিরোধকে কেন্দ্র করে যেন কোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা সৃষ্টি না হয় এজন্য বাড়তি নিরপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

২৪ ঘণ্টা/রিহাম/প্রদীপ

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…