খুঁজুন
, ,

প্রত্যেক ধর্মের মর্মবাণী হচ্ছে মানবকল্যাণ করা: চসিক প্রশাসক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 12 October, 2020, 5:56 pm
প্রত্যেক ধর্মের মর্মবাণী হচ্ছে মানবকল্যাণ করা: চসিক প্রশাসক

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনে প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন বলেছেন, প্রত্যেক ধর্মের মর্মবাণী হচ্ছে মানবকল্যাণ করা। পৃথিবীতে যত ধরণের ভাল কাজ আছে তার মধ্যে সর্বোত্তম হল অনাহারীকে অন্ন দেওয়া ও রোগীর সেবা করা।

আজ সকালে টায়গারপাসস্থ চসিক সম্মেলন কক্ষে গোলপাহাড় মহাশশ্মান নবনির্বাচিত পরিচালনা পরিষদের নেতৃবৃন্দের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে প্রশাসক এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, প্রত্যেক ধর্মের অনুসারীরা যদি তাদের স্ব-স্ব ধর্ম ভাবগাম্ভীর্যের সাথে পালন করে তাহলে দেশের মধ্যে কোন সাম্প্রদায়িকতা, অরাজকতা ও হানাহানি থাকবে না। সবধর্মের মানুষের মৃত্যু অবধারিত। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শেষ যাত্রা স্থল হল শশ্মান। মন্দির এবং শশ্মান একটি পবিত্র স্থান। তাই এ শশ্মান ও মন্দির সবসময় পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখা এবং তা পরিচর্যা করার জন্য পরিষদের নেতৃবৃন্দকে পরামর্শ দেন প্রশাসক।

তিনি নব নির্বাচিত পরিষদের উদ্দেশ্যে বলেন, এই মন্দিরে অতীতে যে সুনামের সাথে বিভিন্ন সামাজিক ও সেবামূলক কর্মকান্ড পরিচালনা করে আসছে তার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হবে।

তিনি বলেন, এটি একটি ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন মন্দির। এর রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব আপনাদের। মহাশশ্মান উন্নয়নে সিটি কর্পোরেশন কিছু প্রণোদনা দিচ্ছে তবে এটা যথেষ্ট নয়- তারপরও এগিয়ে এসেছেন সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কিছু সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠান। তাদের সহযোগে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শেষ যাত্রার স্থানটিকে সিটি কর্পোরেশনের সামর্থ অনুযায়ী সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে।

এ সময় প্রশাসকের একান্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল হাশেম, গোলপাহাড় মহশশ্মান নবনির্বাচিত পরিচালনা পরিষদে সভাপতি মাইকেল দে, সাধারণ সম্পাদক কাজল কান্তি দেব, যুগ্ম সম্পাদক সঞ্জয় ভৌমিক কাঞ্চন, মুনমুন দত্ত মুন্না, মহিলা সম্পাদক সুচিত্রা গুহ টুম্পা, রাজিন চৌধুরী রাজু, নারায়ন দাশ, প্রদীপ দাশ, অমিত চৌধুরী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

প্রশাসকের সাথে চিটাগাং শপিং মলের নেতৃবৃন্দের মতবিনিময়

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আলহাজ্ব মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজনের সাথে চিটাগাং শপিং কমপ্লেক্স আধুনিকায়ন ও সৌন্দর্যবর্ধনের প্রকল্প যোজন/বিয়োজন/সমন্বয় সংশোধন বিষয়ে আজ বিকেলে টাইগাপাসস্থ চসিক সম্মেলন কক্ষে শপিং কমপ্লেক্সের মালিক সমিতি ও ব্যবসায়ীদের মতবিনিম সভা অনুষ্ঠিত হয়।

মতবিনিময় সভায় প্রশাসক বলেন, সৌন্দর্যবর্ধন বা আধুনিকায়নের নামে আমি কোন জঞ্জাল দেখতে বা রাখতে চাই না। শপিং মলের তৃতীয় তলা ঝুঁকিমুক্ত রাখা এবং মলের পাকিং এর জায়গা উন্মুক্ত রাখার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন প্রশাসক।

তিনি শপিং মলে আলো বাতাস চলাচলে যাতে বিঘ্ন না ঘটে সে ব্যাপারে সজাগ থাকার জন্য ব্যবসায়ীদের পরামর্শ দেন। সিটি কর্পোরেশনের আইন বহির্ভূত কোন কিছু যাতে না হয় সে ব্যাপারে নজরদারী করার জন্য প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন। প্রশাসক জন চলাচলের রাস্তায় কোন পণ্যসামগ্রী না রাখার জন্য ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা কামনা করেন।

তিনি ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্যে বলেন, ইতোমধ্যে তাদের আপত্তির পরিপ্রেক্ষিতে ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ব্যবস্থা নেবেন বলে জানান প্রশাসক।

এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মুফিদুল আলম, প্রশাসকের একান্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল হাশেম, এস্টেট অফিসার মো কামরুল ইসলাম, ডেভলাপার মো ইসমাইল , চিটাগাং সপিং কমপ্লেক্সের সহ সভাপতি আজম খান, সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা, যুগ্ম সম্পাদক এস এম আবু নাছের চৌধুরী,আ ন ম সাইফুর রহমান সিদ্দিকী, আলহাজ্ব মোস্তফা কামাল, মোমিনুল হক মো নজরুল আনসারী, মঈনুল ইসলাম, মোরশেদ উদ্দিন আহমদ, জি এম আজমল খান প্রমূখ।

তিন সংসদ সদস্যে’র সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এমপি, সাবেক মন্ত্রী ডা. মোহাম্মদ আফসারুল আমিন চৌধুরী এমপি ও এম.এ লতিফ এমপি’র সুস্থতা কামনায় আজ বিকেলে টাইগারপাসস্থ চসিক সম্মেলন কক্ষে দোয়া মাহফিল ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

এতে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আলহাজ্ব মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

দোয়া মাহফিলে তাদের সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু এবং দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনা করা হয়।

এ সময় চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক, সচিব আবু সাহেদ চৌধুরী, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মুফিদুল আলম, প্রধান প্রকৌশলী লে. কর্ণেল সোহেল আহমদ, স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট (যুগ্ম জেলা জজ) জাহানারা ফেরদৌস, রাজস্ব কর্মকর্তা শাহিদা ফাতিমা, প্রশাসকের একান্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল হাশেম, উপ প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা মোরশেদুল আলম, এস্টেট অফিসার মো. কামরুল ইসলাম চৌধুরী, মাওলানা হারুন উর রশিদ চৌধুরী, মাওলানা কারী ইউনুচ কাদেরী, আবদুর রহমান, মাহবুবুর রহমান, আবদুল গাফ্ফার, ওয়াহিদুল আলম, আব্দুল্লাহ আল ছালেহ, জামাল উদ্দিন, শফিকুল ইসলাম, শহিদুল ইসলাম, মো. সোহেল আরমান, মাওলানা করিম উদ্দিন নূরী, মাওলানা সেলিম কাদেরী উপস্থিত ছিলেন।

দোয়া মাহফিল শেষে মুনাজাত পরিচালনা করেন জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ।

২৪ ঘণ্টা/রিহাম

 

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।