খুঁজুন
, ,

ফেসবুক লাইভে জনদুর্ভোগের কথা শুনলেন খোরশেদ আলম সুজন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 29 March, 2020, 4:16 pm
ফেসবুক লাইভে জনদুর্ভোগের কথা শুনলেন খোরশেদ আলম সুজন

ফেসবুক লাইভে এসে নাগরিকদের দুর্ভোগের কথা শুনলেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম সুজন।

তিনি গতকাল শনিবার (২৮ মার্চ) রাত সোয়া ৮টায় উত্তর কাট্টলীস্থ নিজ বাসভবনে তার ফেসবুক পেইজে লাইভে এসে নগরবাসীর দুর্ভোগের কথা শুনেন।

এ সময় জনদুর্ভোগ লাঘবে জনতার ঐক্য চাই শীর্ষক নাগরিক উদ্যোগের প্রধান উপদেষ্টা সুজন বলেন, সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশও একটি কঠিন পরিস্থিতি অতিক্রম করছে বর্তমান সময়ে। করোনাভাইরাস নামক একটি অশরীরী বস্তুর সাথে যুদ্ধ করছে সারা বিশ্ব। পৃথিবীর সব প্রাণচাঞ্চল্য ভরা জনবহুল দেশগুলো আজ থমকে দাঁড়িয়েছে।

এ ভাইরাস প্রতিরোধে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশিত বাড়িতে থাকার প্রয়োজনীয়তার উপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন করোনাভাইরাসটি এমন একটি ভাইরাস যা মানুষের সংস্পর্শে ছড়ায়। আমরা যদি সবাই নিজ নিজ দায়িত্বে বাড়িতে থাকি, সচেতন থাকি, পরিস্কার পরিচ্ছন্ন থাকি, নিয়মিত সাবান দিয়ে হাত পরিস্কার করি, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখি তবেই এ ভাইরাস থেকে নিজেকে রক্ষা করতে পারবো।

ফেসবুক লাইভে নাগরিকগণ জনদুর্ভোগ লাঘবে নাগরিক উদ্যোগের ধারাবাহিক সচেতনতার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বর্তমান পরিস্থিতিতে জনদুর্ভোগের কথা শুনতে ফেসবুক লাইভে আসায় জনাব সুজনকে অভিনন্দন জানান।

নাগরিকগণ পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে বিভিন্ন সেবা সংস্থা কর্তৃক বিভিন্ন দুর্ভোগের কথা সুজনকে জানান। বিশেষ করে নগরজুড়ে মশার উৎপাত, বিদ্যুতের লোড শেডিং, ওয়াসার অনিয়মিত পানি সরবরাহ, গ্যাসের দুস্প্রাপ্যতা এবং পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার ভোগান্তি বিষয়ে সুজনকে অবহিত করেন নাগরিকগণ। দীর্ঘ প্রায় সাড়ে ৪৩ মিনিটের লাইভে তিনি বিভিন্ন বিষয়ে খোলামেলা বক্তব্য উপস্থাপন করেন।

তিনি বলেন বর্তমান সময়ে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশিত বাড়িতে থাকার পথে প্রধান অন্তরায় হচ্ছে মশার কামড়। সন্ধ্যা হতে না হতেই মশার কামড়ে জনজীবন অস্থির হয়ে পড়েছে। মসজিদ, মন্দির, প্যাগোডা কিংবা গির্জা কোথায় নেই মশা? বিশেষ করে নগরীর নিম্ন আয়ের মানুষজনের আবাসস্থলে মশার উৎপাত লক্ষ্য করার মতো। বিভিন্ন নালা, নর্দমা, খালগুলো ভরাটের ফলে পানির স্বাভাবিক গতি প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়ে মশার প্রজনন কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। এ থেকে নগরবাসী মুক্তি চায়। তিনি নগরবাসীকে মশার উৎপাত থেকে রক্ষা করার জন্য চসিক মেয়রের প্রতি বিনীত অনুরোধ জানান। এছাড়া নগরীর ময়লা আবর্জনাসমূহ দ্রুততার সাথে অপসারণ করারও আহবান জানান তিনি।

তাছাড়া বর্তমান সরকার নির্ধারিত সাধারণ ছুটিতে নগরবাসীর পানি সরবরাহ হঠাৎ করে বিঘ্নিত হচ্ছে। বিভিন্ন এলাকায় নগরবাসী দিনের পর দিন পানি পাচ্ছেন না যা কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। পানির সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার ফলে নগরবাসীর দৈনন্দিন কার্যক্রমে মারাত্নক সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। পানির সরবরাহ ব্যতিরেকে হাত ধোয়া থেকে শুরু করে, গোসলসহ পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম একবারেই অসম্ভব। তিনি নগরবাসীর পানির সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ওয়াসার এমডি’র নিকট করজোড়ে অনুরোধ জানান। এছাড়া উন্নয়ন কর্মকান্ডের কারণে যেসব এলাকায় পানি সরবরাহ বিঘ্নিত হচ্ছে সেসব এলাকায় ওয়াসার গাড়ির মাধ্যমে পানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার আহবান জানান। এর মধ্যে যদি ওয়াসার পানি সরবরাহ স্বাভাবিক না হয় সেক্ষেত্রে ওয়াসার কার্যালয়ের সামনে একক অনশন কর্মসূচী পালন করবেন বলেও জানান সুজন।

তিনি আরো বলেন, বর্তমানে দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনের কোন ঘাটতি নেই। এছাড়া বেশীর ভাগ মিল, কারখানা, অফিস আদালত বন্ধ থাকার ফলে বিদ্যুতের চাহিদাও নেই বললেই চলে। তারপরও লোডশেডিং এবং ট্রিপ ডাউনের নামে নগরবাসী বিদ্যুতের ভেলকিবাজিতে অতিষ্ঠ। ঘনঘন লোডশেডিং এবং ট্রিপ ডাউনের ফলে নগরবাসীর অমূল্য বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম প্রতিনিয়তই নষ্ট হচ্ছে। তিনি বিদ্যুৎ বিভাগের অভ্যন্তরে লুকিয়ে থাকা সরকার বিরোধী চক্র অসন্তোষ সৃষ্টির পাঁয়তারা চালাচ্ছে কিনা তা খতিয়ে দেখার জন্যও অনুরোধ জানান। এছাড়া বর্তমান ছুটিকালীন সময়ে বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারে গ্যাসের প্রিপেইড মিটারের মতো পর্যাপ্ত ইমারজেন্সি ব্যালেন্স রাখার জন্যও কর্তৃপক্ষের নিকট আহবান জানান।

সুজন নগরীর বিভিন্ন এলাকায় গ্যাসের পর্যাপ্ত সরবরাহ না থাকার কারণে গৃহস্থালী কাজে ভোগান্তি হচ্ছে বলে মত প্রকাশ করেন। নগরীর যে সব এলাকায় গ্যাসের চাপ অপর্যাপ্ত সেসব এলাকায় গ্যাসের চাপ বৃদ্ধি করে সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেডের এমডি’র হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

তিনি ইলেকট্রনিক মিডিয়াকে বর্তমান পরিস্থিতিতে সংসদ বাংলাদেশ টেলিভিশনের অনুরূপ একাডেমিক কার্যক্রম কর্মসূচী রাখার জন্য সবিনয় অনুরোধ জানান। এছাড়া সুস্থ বিনোদনমূলক অনুষ্টানের মাধ্যমে স্বপরিবারে অনুষ্টানমালা উপভোগ করা যায় সেরকম অনুষ্টানমালা পরিবেশন করার আহবান জানান। তিনি অহেতুক সন্দেহের উদ্রেক সৃষ্টি হয় এসব খবর পরিবেশন থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানিয়ে বলেন গণমাধ্যম একটি রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ। গণমাধ্যম সরকার ও জনগণের মধ্যে সেতুবন্ধনের কাজ করে থাকে। আজ মিডিয়া কিংবা গণমাধ্যমের কল্যাণে পুরো পৃথিবী একটি গ্লোবাল ভিলেজে পরিণত হয়েছে। তাই দেশের গণমাধ্যম গুলোকে বর্তমান পরিস্থিতিতে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপসমূহ নিয়মিত জনগনের কাছে উপস্থাপনের মাধ্যমে এ দুর্যোগ নিরসনে কাধে কাধ মিলিয়ে কাজ করার আহবান জানান তিনি।

সুজন আগামী ৩১শে মার্চ মঙ্গলবার রাত ৮টায় পূণরায় ফেসবুক লাইভে এসে নাগরিকদের দুর্ভোগের কথা শুনবেন এবং নগরবাসীকে যে কোন ধরণের দূর্যোগ কিংবা ভোগান্তিতে নাগরিক উদ্যোগের ফেইসবুক পেইজ Nagorik Uddog Chattogram অথবা ০১৭৭২-৫০০৭০০ এই নাম্বারে জানানোর জন্য সবিনয় অনুরোধ জানান।

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।