খুঁজুন
, ,

রিজভী-টুকু-নয়নের সুস্থতা কামনায় যুবদলের দোয়া ও মিলাদ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 15 October, 2020, 7:13 pm
রিজভী-টুকু-নয়নের সুস্থতা কামনায় যুবদলের দোয়া ও মিলাদ

বিএনপির সিঃ যুগ্ম মহাসচিব এডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ, জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু ও সিঃ‌ সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন এর সুস্থতা কামনায় জাতীয়তাবাদী যুবদল পাহাড়তলী ও আকবর শাহ থানা শাখার যৌথ উদ্যোগে আজ বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বাদ জোহর এ.কে. খাঁন মাহমুদ খাঁ জামে মসজিদে এক দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উক্ত দোয়া মাহফিলে জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সম্মানিত সহ সভাপতি ও চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সভাপতি জনাব মোশাররফ হোসেন দিপ্তী, আকবর শাহ থানা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব আবদুস সাত্তার সেলিম, চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সহ সভাপতি আজমুল হুদা, নুর আহমেদ গুড্ডু, ফজলুল হক সুমন, ৯ নং উত্তর পাহাড়তলী ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান চৌধুরী, নগর সেচ্চাসেবক দলের সহ সভাপতি শহিদ উল্লাহ বাহার, নগর যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান মাসুম, আবদুল হামিদ পিন্টু, জিয়াউল হুদা শাহরিয়ার (জিয়া), খুলশী থানা যুবদলের আহবায়ক হেলাল হোসেন হেলাল, নগর যুবদলের দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মদ সাগির, সহ দপ্তর সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন টুনু, হোসেনউজ্জামান হোসেন, মিজানুর রহমান বাবুল, মিজানুর রহমান দুলাল, মনজুর আলম, পাহাড়তলী থানা যুবদলের আহবায়ক কুতুবউদ্দিন, সদস্য সচিব শওকত খান রাজু, ১০ নং উত্তর কাট্টলী ওয়ার্ড যুবদলের আহবায়ক মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী, আজিজ চৌধুরী, মোহাম্মদ অপু, থানা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক মোহাম্মদ আনোয়ার, ১১ নং দক্ষিণ কাট্টলী যুবদলের আহবায়ক মোহাম্মদ মুজাহিদ, ওয়ার্ড যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক রাসেল খান, মোহাম্মদ আজিম, এস এম অভি, মোহাম্মদ শামিম প্রমুখ নেতৃবৃন্দ অংশ নেন।

উক্ত দোয়া মাহফিলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ যুবদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন সহ দলের সকল নেতাকর্মীদের রোগমুক্তি কামনা, করোনা মহামারী ও অন্যান্য রোগে মৃত্যবরণকারীদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া ও বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।

২৪ ঘণ্টা/রিহাম

 

Feb2
Feb2

বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন শুল্কারোপ যুক্তরাষ্ট্রের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 24 July, 2026, 8:53 am
বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন শুল্কারোপ যুক্তরাষ্ট্রের

বাংলাদেশসহ প্রায় ৬০টি বাণিজ্য অংশীদার দেশের পণ্যের ওপর নতুন করে ১০ শতাংশ ও ১২ দশমিক ৫ শতাংশ হারে শুল্ক আরোপ করতে যাচ্ছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। জোরপূর্বক শ্রম নিষেধাজ্ঞা শিথিলভাবে প্রয়োগের অভিযোগে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সাময়িক ১০ শতাংশ বৈশ্বিক শুল্কের মেয়াদ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শুক্রবার (২৪ জুলাই) থেকে নতুন এই শুল্ক ব্যবস্থা কার্যকর হবে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) মার্কিন ফেডারেল রেজিস্টার থেকে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন করে আরোপ করতে যাওয়া এই শুল্ক মার্কিন আমদানির ৯৯ দশমিক ৪ শতাংশ পণ্যের ওপর প্রযোজ্য হবে। তবে এতে তেল ও গ্যাস, সার এবং নির্দিষ্ট কিছু খাদ্য সামগ্রীর মতো অসংখ্য পণ্যে ছাড় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। গত বছর যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে জাতীয় জরুরি অবস্থা আইনের অধীনে ট্রাম্পের আরোপিত ১০ শতাংশ থেকে ৫০ শতাংশ ‘পারস্পরিক’ শুল্ক চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট বাতিল করে দেয়। ট্রাম্পের প্রায়-বৈশ্বিক শুল্কের নির্বাচনি রূপরেখা ফিরিয়ে আনার জন্য এটি হোয়াইট হাউসের সর্বশেষ প্রচেষ্টা।

১৯৭৪ সালের বাণিজ্য আইনের সেকশন ৩০১-এর অধীনে এই নতুন শুল্ক আরোপ করা হচ্ছে। এটি সুপ্রিম কোর্টের ধাক্কা সত্ত্বেও প্রশাসনকে প্রায় সব ধরনের মার্কিন আমদানির ওপর ন্যূনতম শুল্ক স্তর বজায় রাখার সুযোগ দেবে। এই শুল্কগুলো ফেব্রুয়ারিতে বাতিল হওয়া শুল্কের চেয়ে আইনি ঝুঁকির মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা কম। কারণ সেকশন ৩০১ অতীতে আদালতের আইনি চ্যালেঞ্জগুলোতে টিকে থেকেছে।

ফেব্রুয়ারির সুপ্রিম কোর্টের রায়ের জবাবে ট্রাম্প ১৫০ দিনের জন্য ১০ শতাংশ সাময়িক শুল্ক আরোপ করেন। আজ শুক্রবার রাত ১২টা ১ মিনিটে শেষ হচ্ছে। ঠিক একই মুহূর্তে নতুন এই শুল্ক কার্যকর হবে। তবে ট্রানজিটে বা পরিবহনে থাকা পণ্যগুলো ২৮ জুলাই রাত ১২টা ১ মিনিট পর্যন্ত এই শুল্কের আওতামুক্ত থাকবে।

ওষুধের ১৭ কাঁচামাল আমদানিতে থাকছে না শুল্ক
মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি জ্যামিসন গ্রিয়ার এক বিবৃতিতে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় এক শতাব্দী ধরে জোরপূর্বক শ্রম পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে এবং তা কঠোরভাবে প্রয়োগ করা হয়। আমাদের ব্যবসায়িক অংশীদারদেরও একই কাজ করার সময় অনেক আগে পার হয়ে গেছে। আজকের এই পদক্ষেপ মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং বিকৃত বাণিজ্য চর্চা—উভয়ই সংশোধন করতে শুরু করবে, যা সর্বত্র শ্রমিকদের কল্যাণ বাড়াবে।

গ্রিয়ার আগেও বলেছিলেন, ওয়াশিংটনের সঙ্গে চুক্তি করা যে দেশগুলোর মার্কিন শুল্কের হার নির্ধারণ করা রয়েছে, এই নতুন জোরপূর্বক শ্রম শুল্ক তাদের নির্ধারিত সর্বোচ্চ সীমা অতিক্রম করবে না।

চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বাংলাদেশ, আর্জেন্টিনা, ব্রিটেন, কম্বোডিয়া, কানাডা, ইকুয়েডর, এল সালভেদর, গুয়াতেমালা, হন্ডুরাস, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, জর্ডান, মালয়েশিয়া, মেক্সিকো, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা এবং ট্রিনিডাদ ও টোবাগোর পণ্যের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করবে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন, তাইওয়ান, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া এবং সুইজারল্যান্ডকে এমন একটি হার বরাদ্দ করা হয়েছে, যা আগে থেকে বিদ্যমান মোস্ট ফেভার্ড নেশন শুল্ক হারের সাথে একত্রিত হয়ে মোট ১০ শতাংশ বা ১২.৫ শতাংশ হবে।

অন্য ৩৮টি দেশকে ১২ দশমিক ৫ শতাংশ হার দেওয়া হয়েছে। এদের মধ্যে রয়েছে চীন, যাদের বিরুদ্ধে উইঘুর সংখ্যালঘুদের কাজের ক্যাম্পে বন্দি রাখার অভিযোগ তুলেছে যুক্তরাষ্ট্র; তবে বেইজিং এই অভিযোগ অস্বীকার করে।

রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে আসিয়ানের সহযোগিতা চাইলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 24 July, 2026, 8:17 am
রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে আসিয়ানের সহযোগিতা চাইলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

মিয়ানমারে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনে আসিয়ানের সহযোগিতা চেয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। গতকাল বৃহস্পতিবার আসিয়ান রিজিওনাল ফোরামে (এআরএফ) মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান। এদিকে এআরএফ বৈঠকের সাইডলাইনে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান।

এআরএফ বৈঠকে অংশ নিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান বলেন, রোহিঙ্গাসংকট সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কার্যকর ভূমিকা দরকার। বিশেষ করে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতা আরো জোরদার করা প্রয়োজন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান তার বক্তৃব্যে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলা এবং আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় বাংলাদেশের ভূমিকার কথা তুলে ধরেন। তিনি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও উদীয়মান প্রযুক্তির মানবকেন্দ্রিক এবং দায়িত্বশীল ব্যবহারের জন্য এআরএফের আওতায় একটি প্রযুক্তি শাসন কাঠামো গড়ে তোলার আহ্বান জানান। এছাড়া, তিনি আন্তর্জাতিক আইন অনুসরণ করে শান্তিপূর্ণ উপায়ে সামুদ্রিক বিরোধ নিষ্পত্তির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

৩৩তম এআরএফ সম্মেলনে আঞ্চলিক নিরাপত্তা, শান্তি, প্রযুক্তি ব্যবস্থাপনা, সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলা ও জলবায়ু পরিবর্তনসহ বিভিন্ন বৈশ্বিক ইস্যু নিয়ে সদস্য দেশগুলোর মধ্যে আলোচনা হয়।

খলিলুর-জয়শঙ্কর শুভেচ্ছা বিনিময়

ফিলিপাইনের ম্যানিলায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বার্তায় বলা হয়, গতকাল দুই মন্ত্রী একে অপরকে শুভেচ্ছা জানান।

আরসিইপিতে সম্পৃক্ত হতে সিংগাপুরের সমর্থন চেয়েছে বাংলাদেশ

ম্যানিলায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী খালিলুর রহমান এবং সিংগাপুরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভিভিয়ান বালাকৃষ্ণান দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেছেন। গতকাল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, বৈঠকে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় খালিলুর রহমানকে অভিনন্দন জানান সিংগাপুরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। খলিলুর রহমান বলেন, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় সিংগাপুরসহ ছোট রাষ্ট্রগুলোর উদ্বেগ ও স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান চমত্কার কূটনৈতিক ও মানুষে মানুষে সম্পর্ককে আরো কার্যকর ও ফলপ্রসূ উদ্যোগে রূপ দেওয়ার বিষয়ে ঐকমত্য হয়। এক্ষেত্রে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি, দক্ষ জনশক্তি অভিবাসন এবং বহুপাক্ষিক সংস্থাগুলোতে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

সিংগাপুরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী দেশটির অর্থনৈতিক উন্নয়নে বাংলাদেশি প্রবাসীদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে তিনি সিংগাপুরে বাংলাদেশ থেকে আরো দক্ষ জনশক্তি নিয়োগের বিষয়টিকে স্বাগত জানান। বৈঠকে খলিলুর রহমান আসিয়ানের সেক্টরাল ডায়ালগ পার্টনার হওয়ার বাংলাদেশের আগ্রহে সিংগাপুরের সহযোগিতা কামনা করেন। পাশাপাশি তিন রিজিওনাল কমপ্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপ (আরসিইপি)-এ বাংলাদেশের সম্পৃক্ততার বিষয়েও দেশটির সমর্থন প্রত্যাশা করেন। এছাড়া, রোহিঙ্গাসংকটের একটি টেকসই সমাধান খুঁজে বের করতে সিংগাপুরের সহযোগিতা চান খলিলুর রহমান। বৈঠকে বাংলাদেশ ও সিংগাপুরের মধ্যে প্রস্তাবিত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) সম্পন্ন করার চলমান প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার বিষয়ে উভয় পক্ষ সম্মত হয়। দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রী পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিষয়ে সহযোগিতা বাড়াতে প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

এদিকে এআরএফের সাইডলাইে পররাষ্ট্রমন্ত্রী শ্রীলঙ্কা ও অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রন্ত্রী এবং ইউরোপীয় কমিশনের ভাইস প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেছেন। এসব বৈঠকে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, পর্যটন, মানবিক সহায়তা এবং বহুপাক্ষিক ফোরামে পারস্পরিক সহযোগিতাসহ দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক নানা বিষয়ে আলোচনা হয়। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে নির্বাচিত সভাপতি হিসেবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানকে তার দায়িত্ব পালনকালে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেন। প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এসব বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

মাঠ প্রশাসনে নারী নেতৃত্বে মাইলফলক: ২০ ডিসি, ১৯১ ইউএনও নারী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 23 July, 2026, 10:44 pm
মাঠ প্রশাসনে নারী নেতৃত্বে মাইলফলক: ২০ ডিসি, ১৯১ ইউএনও নারী

দেশের মাঠ প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে নারীদের অংশগ্রহণ এখন সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। বর্তমানে ৬৪ জেলার মধ্যে ২১ জেলায় নারী জেলা প্রশাসক (ডিসি) এবং ৪৯৯ উপজেলার ১৯১টিতে নারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দায়িত্ব পালন করছেন।

সংশ্লিষ্টদের মতে, প্রশাসনে নারীর নেতৃত্ব ও সক্ষমতার বিকাশে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি।

এর আগে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে সর্বোচ্চ ১৮ জন নারী ডিসি দায়িত্বে ছিলেন। বর্তমানে সেই রেকর্ড ভেঙে ২০ জন নারী ডিসি দায়িত্ব পালন করছেন। তবে দেশের নয়টি বিভাগীয় কমিশনারের কোনো পদেই বর্তমানে নারী কর্মকর্তা নেই।

বর্তমানে দায়িত্বে থাকা নারী জেলা প্রশাসকদের মধ্যে রয়েছেন— ঢাকার ফরিদা খানম, মুন্সীগঞ্জের সৈয়দা নূরমহল আশরাফী, নরসিংদীর ইসরাত জাহান কেয়া, মানিকগঞ্জের নাজমুন আরা সুলতানা, কিশোরগঞ্জের সোহানা নাসরিন, টাঙ্গাইলের শরিফা হক, রাজবাড়ীর আফরোজা পারভীন, শরীয়তপুরের তাহসিনা বেগম, মাদারীপুরের মর্জিনা আক্তার, কুমিল্লার রোজী আক্তার, রাঙ্গামাটির নাজমা আশরাফী, ফেনীর মনিরা হক, নাটোরের আসমা শাহীন, খুলনার হুরে জান্নাত, সাতক্ষীরার কাউসার আজিজ, চুয়াডাঙ্গার লুৎফুন নাহার, মেহেরপুরের শিল্পী রানী রায়, বরগুনার তাছলিমা আক্তার, কুড়িগ্রামের অন্নপূর্ণা দেবনাথ, পঞ্চগড়ের শুকরিয়া পারভীন এবং শেরপুরের ফরিদা ইয়াসমিন।

বিভাগভিত্তিক পরিসংখ্যানে ঢাকা বিভাগে নারী ডিসির সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। বিভাগের ১৩ জেলার মধ্যে ৯ জেলায় নারী ডিসি দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া খুলনা বিভাগে চারজন, চট্টগ্রাম বিভাগে তিনজন, রংপুর বিভাগে দুজন এবং রাজশাহী ও বরিশাল বিভাগে একজন করে নারী ডিসি রয়েছেন।

জেলা প্রশাসনের পাশাপাশি উপজেলা প্রশাসনেও বেড়েছে নারীদের অংশগ্রহণ। বর্তমানে দেশের ৪৯৯ উপজেলার মধ্যে ১৯১টিতে নারী ইউএনও দায়িত্ব পালন করছেন, যা মোট উপজেলার প্রায় ৩৯ শতাংশ।

ভূমি প্রশাসনেও নারীদের উপস্থিতি উল্লেখযোগ্য। বর্তমানে ৪৭৮ জন সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর মধ্যে ১১৬ জন নারী কর্মকর্তা রয়েছেন, যা মোট পদের ২৪ শতাংশেরও বেশি।

সব মিলিয়ে মাঠ প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ ১ হাজার ৮৫টি পদের মধ্যে ৩৩২টিতে নারী কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করছেন। অর্থাৎ প্রায় ৩০ দশমিক ৬ শতাংশ গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক পদে এখন নারীরা নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

কেন্দ্রীয় প্রশাসনেও নারীদের অংশগ্রহণ ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। বর্তমানে ৮১টি সচিব ও সচিব-সমমর্যাদার পদের মধ্যে ১৪টিতে নারী কর্মকর্তা রয়েছেন। এছাড়া ৩৬১ জন অতিরিক্ত সচিবের মধ্যে ৭৩ জন, ১ হাজার ৫১ জন যুগ্ম সচিবের মধ্যে ২৪৯ জন, ১ হাজার ৬৪৩ জন উপসচিবের মধ্যে ৪০৪ জন এবং ৩ হাজার ৩৫০ জন সহকারী ও সিনিয়র সহকারী সচিবের মধ্যে ৯৮৬ জন নারী কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করছেন।

সব মিলিয়ে সহকারী সচিব থেকে সচিব পর্যন্ত ৬ হাজার ৩৩০টি পদের মধ্যে ১ হাজার ৬৮৬ জন নারী কর্মকর্তা রয়েছেন। এ স্তরে নারীর প্রতিনিধিত্বের হার দাঁড়িয়েছে ২৬ দশমিক ৬৪ শতাংশ।