খুঁজুন
, ,

দেশের নব্বই ভাগ ভোটার বিএনপির সাথে আছে: ড. আসাদুজ্জামান রিপন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 24 October, 2020, 9:21 pm
দেশের নব্বই ভাগ ভোটার বিএনপির সাথে আছে: ড. আসাদুজ্জামান রিপন

কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও বিএনপির বিশেষ সম্পাদক ড. আসাদুজ্জামান রিপন বলেছেন,আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক ওবায়দুল কাদের নির্বাচনে ভোটার আসার বিষয়ে বিএনপির একটা ভূমিকা আছে বলে মন্তব্য করে স্বীকার করে নিয়েছেন যে, বাংলাদেশের তৃণমূলের সর্বস্তরের জনগন বিএনপির সাথে আছে। বিএনপি দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল। দেশের নব্বই ভাগ ভোটার বিএনপির সাথে আছে।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে এই নব্বই ভাগ মানুষ ভোট দিতে যায় না। বাকী দশ ভাগ আওয়ামীলীগের সন্ত্রাসীদের ব্যাপক তা-ব, ভোট-সন্ত্রাস ও নানা অপকর্মের ভোট। ফলে এটি আরেকবার সুস্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হয়েছে যে, আওয়ামীলীগ জনগনের ভোটের তোয়াক্কা করে না। দেশের জনগণ আওয়ামীলীগের সাথে নেই। এটা দশ ভাগ ভোটারের নির্লজ্জ সরকার। বর্তমানে সংখ্যাগুরুর নয় সংখ্যালগুর সরকার ক্ষমতায় আছে। এখন জনগণকে বেচে নিতে হবে দশ ভাগ ভোটারের দল ক্ষমতায় থাকবে না-কি নব্বই ভাগ ভোটারের দল ক্ষমতায় থাকবে?

তিনি বলেন, নির্বাচনে বিএনপির সমর্থক ও ভোটারদের ওপর হামলা এবং ব্যাপক ভোট জালিয়াতির আশ্রয় নিলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সরকার অনুগত প্রশাসন সেসব দেখেও না দেখার ভান করে। এসব অনিয়ম, ভোট জালিয়াতি ও পেশী শক্তির বিষয়ে অভিযোগ করা হলেও রিটার্নিং কর্মকর্তারা কোনো ব্যবস্থা নেয় না। প্রশাসন, নির্বাচন কমিশনসহ সব কিছু চলছে সরকারের ইশারায়, দেশের গণতন্ত্র ও সুশাসন আজ ভুলণ্ঠিত। এর থেকে আমাদের মুক্তির জন্য সংগ্রাম করতে হবে দেশের নব্বই ভাগ জনগণকে সাথে নিয়ে। তাহলেই জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে।

তিনি শনিবার (২৪ অক্টোবর) বিকাল চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের অডিটোরিয়ামে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা সাবেক ছাত্র ফোরামের উদ্যোগে ছাত্রদলের প্রয়াত নেতাদের স্মরণে আয়োজিত স্বরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় তিনি প্রয়াত ছাত্রদল নেতাদের শ্রদ্ধার সাথে স্বরণ করে তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।

দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও জেলা বিএনপির সাবেক সাধারন সম্পাদক অধ্যাপক শেখ মোহাম্মদ মহিউদ্দীনের সভাপতিত্বে স্বরণ সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, নির্বাচন কমিশন সরকারের ঠুঁটো জগন্নাথে পরিণত হয়েছে। বরাবরের মতোই উপ-নির্বাচন ও স্থানীয় নির্বাচন গুলোতেও সরকার দলীয় প্রার্থীদের বিজয়ী করতে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত নির্লজ্জ। নির্বাচন কমিশন একটি স্বাধীন প্রতিষ্ঠান হলেও নিজেদের স্বাধীন সত্তা বিকিয়ে দিয়ে সরকারের অঙ্গ প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে।

প্রধান বক্তার বক্তব্যে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক আবু সুফিয়ান বলেন, স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে ছাত্রদল নেতারা গুরুতপূর্ন ভুমিকা রেখেছিলেন। বর্তমান অবৈধ সরকারের অন্যায় অত্যাচারের জবাব দিতে সাবেক ছাত্রদল নেতাদের এগিয়ে আসতে হবে। ছাত্রদলই পারবে বর্তমান স্বৈরাচারী সরকারের পতন ঘটাতে। তাই সারাদেশের সাবেক ছাত্রনেতা ও বর্তমান ছাত্রদল নেতাদের সমন্বয়ে আন্দোলন শুরু করার আহবান জানান।

স্বরণ সভা প্রস্তুতি কমিটির সদস্য সচিব খোরশেদ আলমের পরিচালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আলী আব্বাস, সদস্য সচিব মোস্তাক আহমেদ খান, আহবায়ক কমিটির সদস্য এড. ইফতেখার হোসেন চৌধুরী মহসিন, সাবেক ছাত্রদল নেতা ওয়াহাব কাসেমী, শাখাওয়াত জামাল দুলাল, এস এম সাইফুল আলম, এম মন্জুর উদ্দীন চৌধুরী। স্বাগত বক্তব্য রাখেন স্বরণ সভা প্রস্তুতি কমিটির আহবায়ক কামরুল ইসলাম হোসাইনী। বক্তব্য রাখেন সাবেক ছাত্রদল নেতা মোজাম্মেল হক, লিয়াকত আলী চেয়ারম্যান, নুরুন্নবী চৌধুরী, এস এম মামুন মিয়া, গাজী মোঃ সিরাজ উল্লাহ, সালাউদ্দীন চৌধুরী, জিয়াউদ্দীন চৌধুরী আশফাক, ভিপি মোজাম্মেল হক, হুমায়ুন কবির আনসার, মহসিন চৌধুরী রানা, জসিম উদ্দীন, ইউনুছ মিয়া, নুরুল কবির বাদশা, মাহমুদুর রহমান মান্না, আকতার নবী প্রমূখ।

২৪ ঘণ্টা/রিহাম

Feb2
Feb2

অস্ত্র-গোলাবারুদ উৎপাদন বাড়াতে সেনাবাহিনীর হাতে জলিল টেক্সটাইলের জমি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 27 August, 2026, 11:39 pm
অস্ত্র-গোলাবারুদ উৎপাদন বাড়াতে সেনাবাহিনীর হাতে জলিল টেক্সটাইলের জমি

চট্টগ্রামের ভাটিয়ারিতে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস করপোরেশন (বিটিএমসি) নিয়ন্ত্রিত জলিল টেক্সটাইল মিলস লিমিটেডের ৫৪ দশমিক ৯৯ একর জমি বাংলাদেশ অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরি (বিওএফ) সম্প্রসারণের জন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তরের চুক্তি হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) এ চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়।

চুক্তি অনুযায়ী, বিওএফ সম্প্রসারণের মাধ্যমে দেশে আধুনিক সমরাস্ত্র ও গোলাবারুদের উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি এসব ক্ষেত্রে বৈদেশিক নির্ভরতা কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে দেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা আরও সুসংহত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

চট্টগ্রামের ভাটিয়ারিতে আয়োজিত চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোহাম্মদ শাহীনুল হক।

স্বাগত বক্তব্যের পর আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তি স্বাক্ষর করা হয়। বিটিএমসির পক্ষে প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পক্ষে চট্টগ্রামের ইস্টার্ন সার্কেলের মিলিটারি এস্টেট অফিসার চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

অনুষ্ঠানে বিটিএমসির চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এস এম জাহিদ হাসান, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম এবং বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বক্তব্য দেন।

সেনা প্রধান তার বক্তব্যে সেনাবাহিনীর আধুনিকায়নে সরকারের নেওয়া পদক্ষেপের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান। তিনি আধুনিকায়নের এ ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন। পাশাপাশি অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিদের ধন্যবাদ জানান এবং তাদের সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, বর্তমান সরকার প্রতিরক্ষা সামগ্রীসহ দেশে উৎপাদিত সব ধরনের পণ্যকে বহির্বিশ্বে সমাদৃত করতে চায়। তিনি প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ও সেনাবাহিনী প্রধানের নেতৃত্বে প্রতিরক্ষা শিল্পসহ সশস্ত্র বাহিনী কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জনে সক্ষম হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, রাষ্ট্রের একমাত্র অস্ত্র ও গোলাবারুদ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান বিওএফ সম্প্রসারণের মাধ্যমে আধুনিক সমরাস্ত্র ও গোলাবারুদের দেশীয় উৎপাদন বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে। একই সঙ্গে বৈদেশিক নির্ভরতা কমিয়ে সমরাস্ত্র উৎপাদনে স্বনির্ভরতা অর্জন এবং প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

অনুষ্ঠানে বিওএফের কমান্ড্যান্ট, আর্টডকের ভারপ্রাপ্ত জিওসি ও বিএমএর কমান্ড্যান্ট, ইবিআরসির কমান্ড্যান্ট, ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি ও চট্টগ্রাম এরিয়ার এরিয়া কমান্ডার, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি, সিডিএ চেয়ারম্যানসহ সামরিক ও বেসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বাসসের নতুন এমডি ও প্রধান সম্পাদক কাদের গনি চৌধুরী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 27 August, 2026, 11:08 pm
বাসসের নতুন এমডি ও প্রধান সম্পাদক কাদের গনি চৌধুরী

বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক পদে নিয়োগ পেয়েছেন সাংবাদিক নেতা মুহাম্মদ কাদের গনি। তাকে এক বছরের জন্য এ পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিয়ে বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

এতে বলা হয়, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা আইন, ২০১৮ এর ধারা ১০(১) অনুযায়ী মুহাম্মদ কাদের গনি চৌধুরীকে অন্য যে কোনো পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা-সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান/সংগঠন-এর সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে যোগদানের তারিখ থেকে এক বছর মেয়াদে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ করা হলো।

এই নিয়োগের অন্যান্য শর্ত চুক্তিপত্র দ্বারা নির্ধারিত হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।

আইন-শৃঙ্খলা ও মাদক নিয়ন্ত্রণে সারাদেশে ৩০ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীকে দায়িত্ব

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 27 August, 2026, 10:59 pm
আইন-শৃঙ্খলা ও মাদক নিয়ন্ত্রণে সারাদেশে ৩০ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীকে দায়িত্ব

দেশের বিভিন্ন জেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, দুর্নীতি ও মাদক নিয়ন্ত্রণ, সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি জনকল্যাণমূলক ও উন্নয়ন কার্যক্রমসহ সার্বিক সরকারি কার্যাবলী তদারকি ও সমন্বয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের হুইপদের।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনোত্তর গঠিত সরকারের মন্ত্রিপরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দেশের ৬৪ জেলার জন্য এ দায়িত্ব বণ্টন করে বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনোত্তর গঠিত সরকারের মন্ত্রিপরিষদ গভীর উদ্বেগের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে লক্ষ্য করছে যে, বিগত ফ্যাসিস্ট আমলে দেশের বিভিন্ন জেলায় উন্নয়নের বরাদ্দ কাগজে-কলমে লেখা থাকলেও ব্যাপক দুর্নীতির মাধ্যমে লুটপাট সংগঠিত হয়েছে এবং এ সব লুটপাটের অর্থের একাংশ বিদেশে পাচার করা হয়েছে, যা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমেও প্রকাশিত হয়েছে। লুটপাটের অর্থের অন্য অংশ দেশের অভ্যন্তরে মাদকসহ সামাজিক অবক্ষয়, জননিরাপত্তা ও রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ কাজে ব্যবহৃত হয়েছে, যা রাষ্ট্রের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।

এতে বলা হয়, সরকার তথা মন্ত্রিপরিষদ দেশে উন্নয়ন, দুর্নীতি দমন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং জাতীয় নিরাপত্তাসহ রাষ্ট্র পরিচালনার সব কার্যাবলির জন্য সমষ্টিগতভাবে জাতীয় সংসদ ও জনগণের নিকট দায়বদ্ধ। টেকসই উন্নয়ন, সুশাসন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও দুর্নীতি নির্মূল নিশ্চিত করা বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকারমূলক জরুরি কর্মসূচি।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সংবিধানের ৫৫ (২) অনুচ্ছেদে সুস্পষ্টভাবে বলা আছে যে, প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক বা তার কর্তৃত্বে এই সংবিধান অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা প্রযুক্ত হবে। রুলস অব বিজনেস অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী প্রয়োজন মনে করলে, যে-কোনো ক্ষেত্রে এই রুলস থেকে বিচ্যুতির অনুমতি দিতে বা তা মঞ্জুর করতে পারেন।

আরও বলা হয়, এ বিষয়গুলো পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে মন্ত্রিসভায় আলোচিত হয়েছে এবং সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। হাইকোর্ট বিভাগ থেকে দেওয়া রিট পিটিশন মামলার (নং ৩৫১২/২০০৩) রায়ের মর্মমতে এ ধরনের দায়িত্ব বণ্টন সরকারের এখতিয়ারের মধ্যেই পড়ে। সেজন্য স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলো এবং অন্যান্য সাংবিধানিক ও সংবিধিবদ্ধ সংস্থার আইনগত ক্ষমতা খর্ব না করে সংবিধান প্রদত্ত প্রধানমন্ত্রীর উল্লিখিত ক্ষমতা এবং রুলস অব বিজনেসের বিধান অনুসরণ করে মন্ত্রিসভার এ সিদ্ধান্তের আলোকে, সরকার এসব মন্ত্রী/প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের হুইপকে নিচের জেলার আইন-শৃঙ্খলা, দুর্নীতি ও মাদক নিয়ন্ত্রণ, সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এবং জনকল্যাণমূলক ও উন্নয়ন কার্যক্রমসহ সার্বিক সরকারি কার্যাবলী তদারকি ও সমন্বয়ের দায়িত্ব প্রদান করল।

দায়িত্ব বণ্টনের তালিকা অনুযায়ী, ইকবাল হাসান মাহমুদকে রাজশাহী ও নাটোর; আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেনকে লালমনিরহাট, নীলফামারী ও পঞ্চগড়; আবদুল আউয়াল মিন্টুকে লক্ষ্মীপুর; নিতাই রায় চৌধুরীকে চুয়াডাঙ্গা এবং খন্দকার আবদুল মুক্তাদিরকে হবিগঞ্জের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

আরিফুল হক চৌধুরী পেয়েছেন মৌলভীবাজারের দায়িত্ব। মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানিকে চট্টগ্রাম; এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতকে শেরপুর, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা; আসাদুল হাবিব দুলুকে ঠাকুরগাঁও ও দিনাজপুর এবং মো. আসাদুজ্জামানকে খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাটের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

জাকারিয়া তাহেরকে ফেনী ও নোয়াখালী; সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুলকে মানিকগঞ্জ ও মুন্সিগঞ্জ; সাচিং প্রুকে কক্সবাজার এবং মো. শরীফুল আলমকে টাঙ্গাইল ও নরসিংদীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

শামা ওবায়েদ ইসলাম মাদারীপুর ও শরীয়তপুর; অনিন্দ্য ইসলাম অমিত মেহেরপুর, কুষ্টিয়া ও ঝিনাইদহ; আব্দুল বারী বগুড়া ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ এবং সুলতান সালাউদ্দিন ঢাকা জেলার দায়িত্ব পেয়েছেন।

পার্বত্য তিন জেলা খাগড়াছড়ি, বান্দরবান ও রাঙামাটির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনকে। হাবিবুর রশিদকে গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ; মো. রাজীব আহসানকে বরগুনা, পটুয়াখালী ও পিরোজপুর এবং মীর শাহে আলমকে রংপুর, গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রামের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

ফারজানা শারমিন সিরাজগঞ্জ ও পাবনা; শেখ ফরিদুল ইসলাম যশোর, মাগুরা ও নড়াইল; ইমরান খান চৌধুরী জামালপুর ও কিশোরগঞ্জ এবং আহমেদ সোহেল মঞ্জুর বরিশাল, ভোলা ও ঝালকাঠির দায়িত্ব পেয়েছেন। মোহাম্মদ শামীম কায়সারকে জয়পুরহাট ও নওগাঁ; মো. জি কে গউছকে সিলেট ও সুনামগঞ্জ; মিয়া নূরুদ্দিন আহমেদকে রাজবাড়ী, ফরিদপুর ও গোপালগঞ্জ এবং এ বি এম আশরাফ উদ্দিনকে (নিজান) ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা ও চাঁদপুরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের হুইপদের কার্যপরিধিতে বলা হয়, মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচার নিয়ন্ত্রণ, চোরাচালান প্রতিরোধ, গুরুতর অপরাধ দমনসহ জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরগুলোকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া; সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়ন, দারিদ্র্য বিমোচন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিসহ সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমের তদারকি ও পরামর্শ দেওয়া; তারা প্রয়োজনবোধে সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা পর্যায়ে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন সভায় অংশগ্রহণ এবং পরামর্শ দিতে পারবেন।