খুঁজুন
, ,

৭ নভেম্বরের উত্তাল দিনগুলির ন্যায় আজও দেশের স্বাধীনতা হুমকীর সম্মুখীন: শামীম

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 7 November, 2020, 6:27 pm
৭ নভেম্বরের উত্তাল দিনগুলির ন্যায় আজও দেশের স্বাধীনতা হুমকীর সম্মুখীন: শামীম

কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম বলেছেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর আধিপত্যবাদী চক্রের ষড়যন্ত্র রুখে দিয়ে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষার দৃঢ় প্রত্যয়ে সিপাহী-জনতা রাজপথে নেমে এসেছিল। ৩ থেকে ৬ নভেম্বর মধ্যরাত পর্যন্ত দেশে এক শ্বাসরুদ্ধকর অনিশ্চিত অবস্থা বিরাজ করছিল। হুমকির সম্মুখীন হয়ে পড়েছিল আমাদের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব। সেদিন সিপাহী জনতার ঐক্যবদ্ধ বিপ্লবের মাধ্যমেই রক্ষা পায় সদ্য অর্জিত বাংলাদেশের স্বাধীনতা। নস্যাৎ হয়ে যায় স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও দেশবিরোধী সকল ষড়যন্ত্র।

তিনি বলেন, ক্যান্টনমেন্টের বন্দিদশা থেকে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীরউত্তমকে মুক্ত করে বিপ্লবী সিপাহীরা। তাদের বিপ্লবের মাধ্যমে আধিপত্যবাদ, একনায়কতন্ত্র ও একদলীয় শাসনের অবসান ঘটেছিল। ৭ নভেম্বরের উত্তাল দিনগুলির ন্যায় আজও দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব হুমকীর সম্মুখীন। এ অবস্থায় দেশপ্রেমিক জনগণকে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের চেতনায় স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধেই মোকাবেলায় তীব্র আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে।

তিনি শনিবার (৭ নভেম্বর) বিকালে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির উদ্যোগে ২ নং গেইটস্থ বিপ্লব উদ্যানে র‌্যালী ও পুষ্পস্তবক অর্পণ পরবর্তী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, আধিপত্যবাদী শক্তির তাবেদার একদলীয় সরকারের দু:শাসনে দেশের মানুষ নির্যাতিত। গণতন্ত্রকে দেয়া হয়েছে নির্বাসনে। মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নেয়া হয়েছে। সরকারি দল ছাড়া অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের কর্মকান্ড এক রকম নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আইন আদালত, গণমাধ্যম সবই সরকারের নিয়ন্ত্রণে। বিচার বিভাগকে নিয়ন্ত্রণে নিতে দেশের প্রধান বিচারপতিকে দেশত্যাগে বাধ্য করা হয়েছে। তাই ৭ নভেম্বরের চেতনায় সকল জাতীয়তাবাদী শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে গণতন্ত্রকে পুনরুজ্জীবিত করে বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করে আনতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, জাতীয় জীবনে ৭ নভেম্বর এক ঐতিহাসিক দিন। ১৯৭৫ সালের এ দিনে জাতীয় স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সৈনিক-জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে রাজপথে নেমে এসেছিলেন সকল ষড়যন্ত্র রুখে দিতে। ৭ নভেম্বরের চেতনা আমাদের জাতীয় জীবনে প্রেরণার উৎস। ষড়যন্ত্রকারীদের চক্রান্তকে রুখে দেয়ার জন্য অকুতোভয় সিপাহী-জনতা এক ইস্পাত কঠিন ঐক্যে শপথবদ্ধ হয়ে ৭ নভেম্বর ঐতিহাসিক বিপ্লব সংগঠিত করেন। এই ৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবসের চেতনাকে ধারণ করে গণজাগরণ সৃষ্টির মাধ্যমে বর্তমানে অগণতান্ত্রিক সরকারের পদত্যাগের দাবিতে রাজপথে নেমে আসতে হবে।

ডা. শাহাদাত বলেন, বর্তমানে আবারো বিদেশি শক্তির ক্রীড়নক সরকার রাষ্ট্রক্ষমতাকে জোর করে আঁকড়ে ধরেছে। সরকারের নতজানু নীতির কারণেই দেশের সার্বভৌমত্ব দিনের পর দিন দুর্বল হয়ে পড়েছে। একতরফা ভোটারবিহীন নির্বাচনে দেশের গণতন্ত্র আজ মৃতপ্রায়।

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর বলেন, বর্তমান গণতন্ত্রের লেবাসে দেশে আধিপত্যবাদী শক্তির তাবেদারেরা ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত। সরকার ক্ষমতাকে কুক্ষিগত করতে বিরোধী দলের ওপর চালাচ্ছে দমন নিপীড়ন। লাখ লাখ নেতাকর্মীকে মিথ্যা মামলায় জেলে ঢুকিয়ে সরকার সারাদেশকে কারাগারে পরিণত করেছে। মিডিয়ার ওপরও চলছে দলন-নির্যাতন। দেশের প্রতিটি প্রতিষ্ঠান আজ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। দেশ আজ নানামুখী ষড়যন্ত্র ও চক্রান্তের জালে জড়িয়ে পড়েছে। এ সুযোগে সরকারের মন্ত্রী, উপদেষ্টা, এমপিসহ শীর্ষ কর্মকর্তারা চরম দুর্নীতিতে নিমজ্জিত। দুর্নীতির হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করা হয়েছে। দেশের আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতিসহ এক আতংকগ্রস্ত অবস্থায় দেশের মানুষ এখন মুক্তির জন্য নতুন এক বিপ্লবের প্রহর গুনছে।

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সি: সহসভাপতি আবু সুফিয়ান বলেন, ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের ইতিহাসে এক ঐতিহাসিক দিন। জিয়াউর রহমানকে যখন বন্দি করে দেশকে অস্থিতিশীল করে তুলছে তখনই সেনাবাহিনীর দেশপ্রেমিক সৈনিকরা জিয়াউর রহমানকে মুক্ত করে নাজুক পরিস্থিতিতে দেশের হাল ধরার অনুরোধ করেন। সেদিন জিয়াউর রহমান দেশের হাল না ধরলে দেশের স্বাধীনতা স্বার্ভৌমত্ব হুমকির মুখে পড়তো। দেশে আইনের শাসন, গণতন্ত্র বলে কিছু থাকতো না। জিয়াউর রহমানের বলিষ্ট নেতৃত্বের কারণে আজ দেশ উন্নয়নমুখী রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। তার নেওয়া বহুমুখী পরিকল্পনার অংশ হিসাবে দেশ আজও এগিয়ে যাচ্ছে।

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ইয়াসিন চৌধুরী লিটন’র পরিচালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সহ সভাপতি মোঃ মিয়া ভোলা, সামশুল আলম, এস কে খোদা তোতন, নাজিমুর রহমান, হারুন জামান, মাহবুবুল আলম, শফিকুর রহমান স্বপন, ইকবাল চৌধুরী, এস এম আবুল ফয়েজ, জাহিদুল করিম কচি, সি: যুগ্ম সম্পাদক এস এম সাইফুল আলম, যুগ্ম সম্পাদক শাহ আলম, আবদুল মান্নান, জাহাঙ্গীর আলম দুলাল, আবুল হাসেম, আনোয়ার হোসেন লিপু, গাজী মোঃ সিরাজ উল্লাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক মনজুর আলম চৌধুরী মনজু, মোঃ কামরুল ইসলাম, সহসাধারণ সম্পাদক খোরশেদ আলম, মো: সালাউদ্দিন, মাহাবুবুল হক, প্রচার সম্পাদক শিহাব উদ্দিন মুবিন, সম্পাদকবৃন্দ হামিদ হোসেন, ইব্রাহীম বাচ্চু, ফাতেমা বাদশা, মনোয়ারা বেগম মনি, এইচ এম রাশেদ খান, ইয়াকুব চৌধুরী, আবদুল বাতেন, থানা বিএনপির সভাপতি মনজুর রহমান চৌধুরী, মামুনুল ইসলাম হুমায়ুন, মো: সেকান্দর, ডা. নুরুল আবচার, আবদুল্লাহ আল হারুন নগর বিএনপির সহসম্পাদকবৃন্দ এ কে এম পেয়ারু, সালউদ্দিন কায়সার লাবু, মো: ইকবাল হোসেন, রফিকুল ইসলাম, মো. ইদ্রিস আলী, শাহজাহান, খোরশেদ আলম কুতুবী, জেলী চৌধুরী, বেলায়েত হোসেন বুলু, আবু মুসা, শফিক আহমদ, আবদুল মতিন, আবুল খায়ের মেম্বার, মোস্তাফিজুর রহমান বুলু, আবদুল হাই, আলী আজম, থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ¦ জাকির হোসেন, মনির আহমদ চৌধুরী, জসিম উদ্দিন জিয়া, হাজী বাদশা মিয়া, মাঈন উদ্দিন চৌধুরী মাঈনু, নুর হোসেন, আবদুল কাদের জসিম, জাহাঙ্গির আলম, হাজী নুরুল হক, মনিরুজ্জামান টিটু, এড. আবদুল আজিজ, মনিরুজ্জামান মুরাদ, নগর সদস্য ইউসুফ সিকদার, জাকির হোসেন, মো. ইলিয়াস, তসলিম হোসেন, বুলবুল আহমদ, জেসমিনা খানম, আইয়ুব খান, আতিকুর রহমান, সকিনা বেগম, আখি সুলতানা, রেজিয়া বেগম মুন্নি,ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি, আকতার খান, এস এম মফিজ উল্লাহ,আবদুল্লাহ আল সগির, কাজী শামছুল আলম, মো: আসলাম, আবদুজ জাহের,খন্দকার নুরুল ইসলাম, শরীফুল ইসলাম, ফারুক আহমেদ, হাজী মো. মহসিন, আলাউদ্দিন আলী নূর, মো. রফিক চৌধুরী, মো: বেলাল, মোশারফ জামান, শায়েস্তা উল্লাহ, মো: সেকান্দর, মো: আজম, মো: সাইফুল আলম, এড. এফ এ সেলিম, ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম এ হালিম বাবলু, হাবিবুর রহমান চৌধুরী, সাদেকুর রহমান রিপন, হাজী মো. এমরান, হাজী আবু ফয়েজ, সিরাজুল আলম মুনসি, মো. হাসান, কামরুল ইসলাম, মো. হাসান, মনজুর কাদের, ফরিদুল আলম, মনজুর মিয়া, নূর হোসেন নুরু, মামুন আলম, জসিম মিয়া, জিয়াউর রহমান জিয়া, আবুল কালাম আবু, সাব্বির আহমদ, মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক, এম এ হলিম বাবলু, নাসিম আহমেদ চৌধুরী, হাজী জাহেদ, হাসান ওসমান, এস এম আজাদ প্রমুখ।

২৪ ঘণ্টা/রিহাম

Feb2
Feb2

ইতালিতে হামলার শিকার অভিনেত্রী বাঁধন, লাইভে যা বললেন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 8 September, 2026, 8:34 am
ইতালিতে হামলার শিকার অভিনেত্রী বাঁধন, লাইভে যা বললেন

ইতালিতে বাংলাদেশের অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও মানসিক হেনস্তা করার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। বাংলাদেশ সময় সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক ভিডিওবার্তায় বাঁধন নিজেই এই ঘটনার বিবরণ দেন।

অভিনেত্রী জানান, ইতালির একটি স্থানীয় পার্কে তিনি তার ভাইয়ের পরিবারের সঙ্গে ঘুরতে গিয়েছিলেন। সেখানে একদল ব্যক্তি হুট করে তার ওপর হামলা চালায়। এ সময় হামলাকারীরা তাকে লক্ষ্য করে কোল্ড ড্রিংকস (কোক) ও ডিম ছুড়ে মারে এবং শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে। তা ছাড়া তার হাত থেকে মোবাইল ফোনও কেড়ে নিয়ে ছুড়ে ফেলে দেয়া হয়।

বাঁধনের অভিযোগ, হামলাকারীরা তাকে ‘জুলাইযোদ্ধা’ আখ্যা দিয়ে তাদের উদ্দেশ্য হাসিল করার চেষ্টা করে। বাঁধন দাবি করেন, আক্রমণকারীরা তাকে জোরপূর্বক ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দিতে বাধ্য করে এবং পুরো ঘটনাটির ভিডিও ধারণ করে। পুরো সময় জুড়ে তার সঙ্গে অত্যন্ত গালমন্দ ও অসংগত আচরণ করা হয়।

ভিডিওবার্তায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বাঁধন বলেন, ‘‘আমার গায়ে হাত তোলা হয়েছে এবং আমার ভাইয়ের স্ত্রীকেও ধাক্কা দেয়া হয়েছে। আপনাদের এ ধরনের অসংলগ্ন ও সহিংস আচরণ থেকে বের হয়ে আসা উচিত। এভাবে উদ্দেশ্য হাসিল বা নিজেদের অবস্থান ফেরানো সম্ভব নয়।’’

ভিডিওটিতে তিনি সজীব ওয়াজেদ জয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, ‘‘সজীব ওয়াজেদ জয় নিজেও বর্তমানে ভেনিসে অবস্থান করছেন। আশা করি আপনারা বিষয়টি তার কাছে পৌঁছে দেবেন।’’

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একদল লোক নিজেদের ছাত্রলীগ কর্মী বলে দাবি করে বাঁধনকে ‘জুলাই জঙ্গি’ বলে গালিগালাজ করছে এবং বারবার তার ওপর চড়াও হওয়ার চেষ্টা করছে।

উল্লেখ্য, ‘রেহানা মরিয়ম নূর’ চলচ্চিত্রে অনবদ্য অভিনয়ের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক খ্যাতি অর্জন করা আজমেরী হক বাঁধন বর্তমানে ঐতিহ্যবাহী ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন।

চট্টগ্রামে পাহাড় কাটার অভিযোগে রাতব্যাপী অভিযান, সরেজমিনে পরিদর্শন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 7 September, 2026, 9:10 pm
চট্টগ্রামে পাহাড় কাটার অভিযোগে রাতব্যাপী অভিযান, সরেজমিনে পরিদর্শন

চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন এলাকায় পাহাড় কাটার অভিযোগ ও পাহাড়ের ঢালে নির্মাণকাজের বিষয়ে সরেজমিনে পরিদর্শন করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। গতকাল ৬ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ১০টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত পরিবেশ অধিদপ্তরের প্রতিনিধি, পরিবেশকর্মী শফিক আহমেদ এবং পুলিশ ফোর্সের সমন্বয়ে এ পরিদর্শন পরিচালনা করা হয়।

পরিদর্শনকালে বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন ‘রুপসী’ নামক পাহাড়, আকবর শাহ থানাধীন উত্তর পাহাড়তলী মৌজার দাগ নং ১৭৭, ১৭৮, ১৮৯ ও ১৮০-এ বিদ্যমান পাহাড় এবং উত্তর পাহাড়তলী মৌজার হারবাতলী মা আমেনা মসজিদ সংলগ্ন পাহাড় সরেজমিনে পরিদর্শন করা হয়।

পরিদর্শনকালে উত্তর পাহাড়তলী মৌজার দাগ নং ১৭৭, ১৭৮, ১৮৯ ও ১৮০-এ বিদ্যমান পাহাড়ের ঢালে কিছু দেওয়াল সদ্য নির্মিত অবস্থায় পাওয়া যায়। পাহাড়ের ঢালে এ ধরনের দেওয়াল নির্মাণের বিষয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট ভূমি মালিককে ৭ সেপ্টেম্বর সকালে নোটিশ প্রদান করা হয়েছে। তবে রাতের সরেজমিন পরিদর্শনকালে সেখানে কোনো ব্যক্তিকে পাহাড় কাটার কাজে নিয়োজিত অবস্থায় পাওয়া যায়নি।

এছাড়া আকবর শাহ থানাধীন উত্তর পাহাড়তলী মৌজার হারবাতলী মা আমেনা মসজিদ সংলগ্ন পাহাড় পরিদর্শনকালে পাহাড় কাটার কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। পরিদর্শনকালে সেখানে কোনো ব্যক্তিকেও পাহাড় কাটার কাজে নিয়োজিত অবস্থায় পাওয়া যায়নি।

অন্যদিকে, বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন ‘রুপসী’ নামক পাহাড় পরিদর্শনকালে কোনো ব্যক্তিকে পাহাড় কাটতে দেখা যায়নি। তবে নির্মাণস্থলের ভূমির শ্রেণি ‘ছনখোলা’ বা ‘নাল’ নাকি পাহাড়—তা যাচাই করে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চট্টগ্রাম নগরীর পাহাড় ও পরিবেশ সুরক্ষায় নিয়মিতভাবে এ ধরনের সরেজমিন পরিদর্শন ও নজরদারি অব্যাহত থাকবে। পাহাড় কাটার অভিযোগ বা পরিবেশবিধি লঙ্ঘনের তথ্য পাওয়া গেলে তা যাচাই করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

​কারাতের আসল শিক্ষা ভালো মানুষ হওয়া: মুহাম্মদ শাহেদ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 7 September, 2026, 8:36 pm
​কারাতের আসল শিক্ষা ভালো মানুষ হওয়া: মুহাম্মদ শাহেদ

চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ শাহেদ বলেন, জাপান কারাতে শুধু একটি মার্শাল আর্ট নয়; এটি শৃঙ্খলা, আত্মনিয়ন্ত্রণ, অধ্যবসায়, সৌজন্য ও আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলার একটি অনুশীলন। জাপানি কারাতে ঐতিহ্যে ‘সম্মান’ ও ‘শিষ্টাচার’-এর বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। কারাতে আমাদের শেখায়—শুধু শারীরিকভাবে শক্তিশালী হওয়াই যথেষ্ট নয়, একজন ভালো মানুষ হিসেবে নিজেকে গড়ে তোলাও জরুরি। নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে মনোযোগ, ধৈর্য, আত্মনিয়ন্ত্রণ এবং দায়িত্ববোধ তৈরি হয়। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে শৃঙ্খলাবদ্ধ ও আত্মবিশ্বাসী করে তুলতে কারাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

তিনি আজ ৭ সেপ্টেম্বর JKA WF Bangladesh Annual Karate Camp 2026 আয়োজনে চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থা জিমনেশিয়াম হলে বিকাল ৫ ঘটিকায় জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন (JKA) JKA World Federation Bangladesh-এর আয়োজনে ৫ থেকে ৭ সেপ্টেম্বর তিন দিনব্যাপী ক্যাম্পের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, জাপানের ঐতিহ্যবাহী কারাতে সংস্কৃতি বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে এবং বিভিন্ন দেশের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সম্মান ও সাংস্কৃতিক交流 বাড়াতে ভূমিকা রাখছে। আমি বিশ্বাস করি, আমাদের তরুণরা যদি পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা ও কারাতের মতো শৃঙ্খলাপূর্ণ অনুশীলনের সঙ্গে যুক্ত হয়, তাহলে তারা আরও আত্মবিশ্বাসী, দায়িত্বশীল ও মানবিক নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠবে। পরিশেষে, কারাতে শিক্ষার্থীদের বলব—জয়-পরাজয়ের চেয়ে বড় হলো নিয়মিত অনুশীলন, শৃঙ্খলা, প্রতিপক্ষের প্রতি সম্মান এবং নিজের চরিত্রকে উন্নত করা। জাপান কারাতের এই সুন্দর ঐতিহ্য আরও বিস্তৃত হোক, আমাদের তরুণ সমাজ সুস্থ, সুন্দর ও শৃঙ্খলাবদ্ধভাবে গড়ে উঠুক—এই প্রত্যাশা করছি।

ক্যাম্পের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হিসেবে JKA Headquarters-Gi Technical Director ও ৮ম ডানধারী শিহান কাতসুতোশি শিনা বিশেষ কারাতে সেমিনার পরিচালনা করছেন। তাঁর সরাসরি নির্দেশনায় অংশগ্রহণকারী কারাতেকা ও প্রশিক্ষকরা জাপানিজ শটোকান কারাতের বিভিন্ন উন্নত কৌশল, কাতা, কুমিতে ও কারাতে টেকনিক সম্পর্কে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করছেন।

ক্রীড়া সংগঠক তানভির মল্লিকের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন JKA WF Bangladesh’ এর কান্ট্রি হেড ও বাংলাদেশ কারাতে ফেডারেশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক টুলু উস শামস্। অনুষ্ঠান শেষে প্রধান মুহাম্মদ শাহেদকে ক্রেস্ট দিয়ে সম্মাননা জানানো জানান (JKA) I JKA World Federation Bangladesh.

সমাপনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রতন তালুকদার ও মারিয়া চক্রবর্তী, অরূপ বড়ুয়া, জাফর আহমদ খোকন, জিল্লুর রহমান জুয়েল, মহিউদ্দিন মুকুল, জহিরুল ইসলাম, মেজবাহ উদ্দিন মিন্টু, নজরুল ইসলাম, মোঃ নওশাদ, মঞ্জুর আলম, হাবিব উল্লাহ খান রাজু, মোর্শেদ কামাল, একরাম ছিদ্দিকী, মঈন উদ্দীন খান রাজিব, শফিউল বাশার সামু, আবু কাউসার, ফারুক খান, মাহবুব আলম, ফারুক ও প্রশিক্ষাণার্থীদের অভিভাবকবৃন্দ।