খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

হালিশহরে ক্যারাভান: করোনার দ্বিতীয় ঢেউ ও ডেঙ্গু মোকাবেলায় সুজনের নাগরিক বার্তা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ১১ নভেম্বর, ২০২০, ৮:৩৭ অপরাহ্ণ
হালিশহরে ক্যারাভান: করোনার দ্বিতীয় ঢেউ ও ডেঙ্গু মোকাবেলায় সুজনের নাগরিক বার্তা

নাগরিক সচেতনতায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজনের আজকের বুধবার (১১ নভেম্বর) ‘নগর সেবায় ক্যারাভান’ কর্মসূচিতে ছিল কোভিড-১৯ এর দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলা ও ডেঙ্গু থেকে বাঁচতে খাল-নালায় যত্রতত্র ময়লা আবর্জনা ফেলা থেকে বিরত থাকার নাগরিক আহ্বান। সল্টগোলা ক্রসিং হয়ে পুরাতন ডাকঘর ২নং সাইট বাকের আলী ফকিরের ও চৌচালা মোড় পর্যন্ত। কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্ন ও প্রকৌশল বিভাগের সমন্বয়ে প্রশাসকের এই কর্মসূচি ধারাবাহিকভাবে চলমান আছে। তাৎক্ষণিক নাগরিক সমস্যা সমাধানের উদ্দেশ্যে প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন এই ক্যারাভান কর্মসূচি গ্রহণ করেন।

এর ফলে নগরবাসী তাদের নাগরিক জীবনের সুবিধা, অসুবিধা, অভাব, অভিযোগ সহজে জনপ্রতিনিধিদের জানাতে পারেন। এতে পারস্পরিক মতামত আদান-প্রদানের মাধ্যমে নাগরিক জীবনের বেশ কিছু সমস্যা স্পটেই সমাধান হয়। কর্পোরেশন প্রশাসকের ওই কর্মসূচি নগরবাসীর মধ্যে বেশ সাড়া ফেলেছে।

আজকের ‘ক্যারাভান’ কর্মসূচিতে যাওয়ার আগে প্রশাসক চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের জলাবদ্ধতা নিরসনে হালিশহর সল্টগোলা ক্রসিং মোড়ে মহেশখালের মুখে রেগুলেটর পয়েন্ট স্থাপনের কাজ পরিদর্শন করেন। এই রেগুলেটর স্থাপনে চউকের ১৫০ কোটি টাকা ব্যয় হবে। এর কাজ সম্পূর্ণ শেষ হলে বৃষ্টি ও জোয়ারের পানি ও জলাবদ্ধতা থেকে দক্ষিণ মধ্যম হালিশহর এলাকায় জনসাধারণ রক্ষা পাবে।

এ কাজ পরিদর্শনকালে চউকের চলমান প্রকল্পের দায়িত্বপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা কর্ণেল আলী উপস্থিত ছিলেন। পরে ক্যারাভান কর্মসূচিতে রাস্তার দু’পাশে দাঁড়িয়ে থাকা নগরবাসীর সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। নালা-খালের পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক আছে কিনা তা প্রত্যক্ষ করেন।

এ সময় নগরবাসীর মাঝে কোভিডের দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলা ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রচারপত্র বিলির পাশাপাশি দক্ষিণ মধ্যম হালিশহর স্কুল ডাকঘরের পাশে খালে ফগার মেশিনের সাহায্যে মশার ওষুধ ছিটান ও অনেককে মাস্ক বিতরণ করেন।

কিছু পথ হেঁটে কিছু পথ স্কুটি চালিয়ে পুরো এলাকার লোহার পুল, নিশ্চিন্তা পাড়া, মিস্ত্রি পুকুর পাড়, মহাজন পাড়া, পুরাতন ২ নম্বর সাইড, সাচী চৌধুরী পাড়া, বরহান পাড়া, আলী মিয়া সরকার বাড়ি এলাকার অধিবাসীদের সাথে কথা বলে তারা কর্পোরেশনের নাগরিকরা ঠিকঠাক ভাবে সেবা পান কিনা তা জানতে চান।

সে সময় বরহান পাড়া, আলী মিয়া সরকার বাড়ির সড়কটি নীচু হওয়ায় বৃষ্টির মৌসুমে জলামগ্ন থাকে শুনে, এই সড়ক সহসা কর্পোরেশনের উদ্যোগে উঁচু ও পাকা করার ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে ঘোষণা করেন প্রশাসক।

পুরো ক্যারাভান কর্মসূচিতে প্রশাসক হ্যান্ড মাইকে কিছু দূর পর পর নগরবাসীর মাঝে নাগরিক সচেতনতায় তাঁর বার্তা পৌঁছে দেন। প্রশাসক বলেন, আসন্ন শীত মৌসুমে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ হিসেবে সংক্রমন বাড়তে পারে। অপরদিকে শুস্ক মৌসুমে ডেঙ্গুর প্রকোপও বাড়ে। তাই করোনা ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে নগরবাসীকে সচেতন হতে হবে। নিজ বাড়ির আঙ্গিনা, পুকুর, ডোবা আশাপাশের নালা-খাল পরিস্কার রাখতে হবে। যাতে মশার উপদ্রব না বাড়ে। পাশাপাশি করোনা মোকাবেলায় সামাজিক দূরত্ব মেনে বাইরে গেলে মাস্ক পরিধানের পাশাপাশি কিছুক্ষণ অন্তর সাবান পানিতে কমপক্ষে ২০ সেকেন্ড ধরে হাত ধুতে হবে।

তিনি আরো বলেন, এই শহর আমাদের তাই একে নান্দনিক, পরিবেশ বান্ধব করে রাখতে সকলের সম্মিলিত প্রয়াস প্রয়োজন। প্রশাসক করোনার ঠিকা দেশে সহজলভ্য না হওয়ায় পর্যন্ত নগরবাসীকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাচলের আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, সামান্য অবহেলায় নিজের ও জনজীবন হুমকির মুখে পড়তে পারে তাই সাবধানতা অবলম্বনের বিকল্প নাই।

এ সময় সাবেক কাউন্সিলর মোহাম্মদ হোসেন, গোলাম মোহাম্মদ চৌধুরী, সমাজসেবক হাসান মুরাদ, জানে আলম, হাজী মো. সুলতান, এ এ মান্নান, কামরুল হোসেন, হাবিব শরীফ প্রমুখ প্রশাসকের সাথে ক্যারাভান কর্মসূচিতে ছিলেন।
২৪ ঘণ্টা/রিহাম

Feb2

মানবিক ডিসি জাহিদের কাছে সাহায্যপ্রার্থীদের ঢল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০০ অপরাহ্ণ
মানবিক ডিসি জাহিদের কাছে সাহায্যপ্রার্থীদের ঢল

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের গণশুনানিতে ভিড় বাড়ছেই মানবিক সহায়তা প্রত্যাশী মানুষের। অসুস্থতা, দারিদ্র্য, কর্মহীনতা ও চরম আর্থিক সংকটে পড়ে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ ছুটে আসছেন শেষ আশ্রয়ের খোঁজে। এসব আবেদন ঘেঁটে দেখা গেছে—প্রতিটি কাগজের আড়ালে লুকিয়ে আছে বেঁচে থাকার তীব্র আর্তি।

ক্যানসারে আক্রান্ত লাভলী দাস গুপ্তা ভারতের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা চালাতে গিয়ে তার পরিবারের সঞ্চয় শেষ হয়ে গেছে। চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে না পেরে তিনি আজ বুধবার (৮ এপ্রিল) সারা দেশে মানবিক ডিসি হিসেবে পরিচিত চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার কাছে আর্থিক সহায়তা চেয়েছেন। চিকিৎসা বন্ধ হয়ে গেলে জীবন ঝুঁকিতে পড়বে জেনে জেলা প্রশাসক তাকে আর্থিক সহয়তা প্রদান করেন তাৎক্ষণিকভাবে।

৫৫ বছর বয়সী মোহাম্মদ সুমন গুরুতর অসুস্থতায় ভুগছেন। রোগ নির্ণয়ের জন্য তাকে একাধিক পরীক্ষা করাতে হয়েছে একটি বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে। এসব পরীক্ষার খরচ বহন করতে গিয়ে তিনি এখন আর্থিকভাবে বিপর্যস্ত। জেলার অভিভাবককে তিনি জানান, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার মতো সামর্থ্য তার আর নেই। তাকেও নিরাশ করলেন না মানবিক ডিসি।

একইভাবে ৬৫ বছর বয়সী হাছিনা বেগমও চিকিৎসা ব্যয়ের ভারে ন্যুব্জ। বয়সজনিত অসুস্থতায় ভুগলেও অর্থাভাবে নিয়মিত চিকিৎসা নিতে পারছেন না। জীবনের এই শেষ সময়ে চিকিৎসা সহায়তা না পেলে পরিস্থিতি আরও অবনতি হওয়ার আশঙ্কার কথা জানান জেলার শীর্ষ কর্মকর্তাকে।

জামিলা বেগম নামের এক নারী জেলা প্রশাসকের সাপ্তাহিক গণশুনানিতে হাজির হয়ে ডিসি জাহিদুল ইসলামকে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ থাকায় চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া তার পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়েছে। পরিবারের আয়ের কোনো নির্ভরযোগ্য উৎস না থাকায় তিনি এখন সম্পূর্ণ অসহায় অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন। জেলা প্রশাসকের আর্থিক সহয়তা পেয়ে উচ্ছ্বসিত জামিলা।

অসুস্থতার কারণে কর্মক্ষমতা হারানোর কথা জানিয়েছেন মো. মনজুর আলম আরেক নাগরিক। আগে উপার্জন করে পরিবার চালালেও বর্তমানে কাজ করতে না পারায় সংসার চালানোই কঠিন হয়ে পড়েছে। চিকিৎসা ব্যয় বহনের পাশাপাশি পরিবারের নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচ জোগানোও এখন অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে জানানো হয় জেলা প্রশাসককে। তার পাশেও দাড়ালেন মানবিক ডিসি।

মো. নুরুল ইসলাম আরেক অসহায় নাগরিক দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা নিতে গিয়ে তিনি নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। ধার-দেনা করে চিকিৎসা চালালেও এখন আর কোনো উপায় নেই। চিকিৎসা বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকির কথা উল্লেখ করে তিনি জেলা প্রশাসকের জরুরি সহায়তা কামনা করেছিলেন। তাকেও ফিরিয়ে দেননি ডিসি জাহিদুল ইসলাম।

একই নামে আরেক প্রবীণ নাগরিক নিজেকে বয়সের ভারে ন্যুব্জ ও অসহায় উল্লেখ করে চিকিৎসা সহায়তা চেয়েছেন। তিনি জানান, শারীরিক দুর্বলতা ও অসুস্থতার কারণে তিনি সম্পূর্ণ অন্যের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছেন। তাকেও নিরাশ করেন নাই ডিসি।

রাঙামাটি জেলার লংগদু উপজেলার বাসিন্দা, বর্তমানে চট্টগ্রামে বসবাসরত মো. সামাদ আলী জেলা প্রশাসককে বলেন, দারিদ্র্য ও অসুস্থতার কারণে চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া তার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। তিনি নিজেকে সম্পূর্ণ অসহায় উল্লেখ করে ডিসির সহযোগিতা কামনা করেছিলেন। তাকেও নগদ অর্থ সাহায্য করলেন জেলা প্রশাসক।

গণশুনানিতে জমা পড়া আবেদনগুলোর সার্বিক চিত্রে দেখা যায়, অধিকাংশ আবেদনকারী দীর্ঘমেয়াদি বা জটিল রোগে আক্রান্ত। চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে গিয়ে অনেকে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। আবার অনেকে অসুস্থতার কারণে কর্মক্ষমতা হারিয়ে পরিবার নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

জেলা প্রশাসকের সাপ্তাহিক গণশুনানিতে এ ধরনের আবেদন সরাসরি শোনা হচ্ছে এবং তাৎক্ষণিক সহায়তা ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই প্রক্রিয়া প্রশাসনকে মানুষের আরও কাছাকাছি নিয়ে এসেছে এবং জরুরি সহায়তা প্রদানে কার্যকর ভূমিকা রাখছে।

দিল্লিতে ভারত-বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:১২ অপরাহ্ণ
দিল্লিতে ভারত-বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক

দিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে দিল্লির হায়দ্রাবাদ হাউসে আনুষ্ঠানিক বৈঠকের পর তারা একান্তে আলোচনা করেন।

কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকে দুই দেশের আঞ্চলিক ও দ্বীপক্ষীয় সম্পর্কের বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরও উপস্থিত ছিলেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে করা এক পোস্টে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্কর বলেন, ‘বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ও তার প্রতিনিধিদলকে আজ বিকেলে আতিথেয়তা দিতে পেরে আনন্দিত।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন দিক আরও জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা করেছি। পাশাপাশি আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পরিস্থিতি নিয়েও মতবিনিময় হয়েছে। আমরা ভবিষ্যতেও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখতে সম্মত।’

গত ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সরকার গঠন করে বিএনপি। নতুন সরকারের আমলে এটিই বাংলাদেশের কোনো মন্ত্রীর প্রথম ভারত সফর।

এ শুভেচ্ছা সফরে গতকাল দিল্লিতে পৌঁছান খলিলুর রহমান। ভারতে পৌঁছানোর প্রথম দিনেই দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।

এরপর আজ সকালে ভারতের কয়েকজন সম্পাদক ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকের সঙ্গে প্রাতঃরাশ সভায় যোগদান করেন। বিকেলে ভারতের পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাসবিষয়ক মন্ত্রী হারদীপ সিং পুরির সঙ্গে তার বৈঠকের কথা রয়েছে।

২০২৪-এর জুলাই আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে ভাটা পড়ে। তবে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর সে সম্পর্ক পুনরুজ্জীবিত হচ্ছে বলে মনে করছেন অনেকে।

আগামী ১১ ও ১২ তারিখ মরিশাসের পোর্ট লুইসে অনুষ্ঠিতব্য ভারত মহাসাগরীয় সম্মেলনে যোগ দেবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। এর আগে পারস্পরিক মর্যাদা ও আস্থার ভিত্তিতে দীর্ঘ মেয়াদে সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার বার্তা নিয়ে ভারত সফরে যান তিনি।

বিসিবিতে বাপের দোয়া, মায়ের দোয়া কমিটি করিনি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:১৯ অপরাহ্ণ
বিসিবিতে বাপের দোয়া, মায়ের দোয়া কমিটি করিনি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আমিনুল ইসলাম বুলবুলের কমিটি ভেঙে মঙ্গলবার তামিম ইকবালের নেতৃত্বে গঠিত হয়েছে ১১ সদস্যের অ্যাডহক কমিটি। এই কমিটি এখন গোটা বাংলাদেশের ভক্ত-সমর্থকদের আলোচনার বিষয়। এই আলোচনা আজ জায়গা করে নিয়েছে জাতীয় সংসদের অধিবেশনেও।

সেখানেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে (বিসিবি) তামিম ইকবালের নেতৃত্বে আহ্বায়ক কমিটি করা হয়েছে। তিনি একজন খেলোয়াড়। এখানে বাপের দোয়া মায়ের দোয়া কমিটি করিনি।’

মূলত, আজ বুধবার (৮ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহর এক প্রশ্নের জবাবেই এসব কথা বলেন তিনি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, ‘ক্রিকেট বোর্ডসহ সারাদেশের ক্লাবগুলোতে প্রভাব বিস্তার করে অন্তর্বর্তী সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা। বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার ইনকোয়ারি করেছে, তদন্তের পর বোর্ড ভেঙে দেয়া হয়েছে। পরে তামিম ইকবালের নেতৃত্বে বিসিবির আহ্বায়ক কমিটি করা হয়েছে। এখানে বাপের দোয়া মায়ের দোয়া কমিটি করিনি।’

এর আগে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘বিসিবি এখন আর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড নাই, এটা এখন বাপের দোয়া ক্রিকেট বোর্ডে পরিণত হয়ে গেছে।’