খুঁজুন
শুক্রবার, ১৯শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৫ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভারত-পাকিস্তান পাল্টাপাল্টি গোলাবর্ষণে সেনাসহ নিহত ১৫

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ নভেম্বর, ২০২০, ১২:১০ পূর্বাহ্ণ
ভারত-পাকিস্তান পাল্টাপাল্টি গোলাবর্ষণে সেনাসহ নিহত ১৫

ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের একাধিক সীমান্ত এলাকায় পাকিস্তান ও ভারতীয় সেনাদের পাল্টাপাল্টি গোলাবর্ষণে অন্তত ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহত ভারতীয়দের মধ্যে চারজন সেনা ও তিনজন বেসামরিক ব্যক্তি রয়েছেন। অপরদিকে পাকিস্তানের সাত থেকে আট সেনা মারা গেছে বলে দাবি ভারতের। পাল্টাপাল্টি হামলায় উভয় পক্ষের আরও এক ডজন মানুষ আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে এনডিটিভি।

শুক্রবার (১৩ নভেম্বর) জম্মু-কাশ্মীরের গুরেজ থেকে উরি সেক্টরের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার (এলএসি) একাধিক এলাকায় গোলাবর্ষণে এই হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।

ভারতীয় কর্মকর্তারা বলেছেন, পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর ভারী গোলাবর্ষণে উরির নাম্বালা সেক্টরে ভারতীয় তিন সেনা জওয়ান নিহত হয়েছেন। পাকিস্তানি সৈন্যরা এই এলাকায় মর্টার এবং অন্যান্য অস্ত্র ব্যবহার করেছে। উরির হাজি পীর সেক্টর এলাকায় পাকি গোলায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের একজন সদস্য নিহত ও আরও একজন আহত হয়েছেন।

কর্মকর্তাদের দাবি, জম্মু-কাশ্মীরের বারমুল্লা জেলার উরির কামালকোট সেক্টরে আরও দুই বেসামরিক নিহত হয়েছেন। এছাড়া হাজি পীর এলাকার বালকোটে এক নারী মারা গেছেন। গোলার আঘাতে আহত একজন বেসামরিক নাগরিকের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

ভারতীয় সেনা সূত্রগুলো বলছে, পাকিস্তানের গোলাবর্ষণের কড়া জবাব দিয়েছে ভারতীয় সামরিক বাহিনী। জম্মু-কাশ্মীরের বিভিন্ন এলাকায় প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় (এলওসি) ভারতীয় সামরিক বাহিনীর পাল্টা গোলাবর্ষণে পাকিস্তানি অন্তত ৮ সৈন্য নিহত হয়েছেন।

সূত্র বলছে, নিহতদের মধ্যে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর স্পেশাল সার্ভিস গ্রুপের দুই থেকে তিনজন কমান্ডোও রয়েছেন। ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এক টুইট বার্তায় বলেছেন, ভারতীয় সেনাবাহিনীর পাকিস্তানের গোলাবর্ষণের কড়া জবাব দিয়েছে। ভারতীয় সৈন্যদের গোলায় পাকিস্তানের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

তবে পাকিস্তান বলছে, যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে ভারতীয় সামরিক বাহিনীর ছোড়া গোলায় চারজন বেসামরিক নাগরিক মারা গেছেন। এছাড়া শিশুসহ আহত হয়েছেন আরও ২০ জন।

ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্রের টুইটার অ্যাকাউন্টে হামলা চালিয়ে পাকিস্তানি বাঙ্কার উড়িয়ে দেয়ার একাধিক ভিডিও টুইট করা হয়েছে। এছাড়াও ভারত বলছে, পাকিস্তানের বেশ কয়েকটি অস্ত্রাগার, সন্ত্রাসী আস্তানা গুড়িয়ে দেয়া হয়েছে।

এদিকে, পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর জনসংযোগ দফতর এক টুইট বার্তায় ভারতীয় সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার রাখচিকরি এবং খঞ্জর এলাকার বেসামরিক নাগরিকদের ওপর হামলার অভিযোগ করা হয়।

২৪ ঘণ্টা/রিহাম

Feb2

আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী: দেশজুড়ে পুলিশের সতর্কতা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬, ১২:৫৭ অপরাহ্ণ
আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী: দেশজুড়ে পুলিশের সতর্কতা

কার্যক্রমে নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সারাদেশে পুলিশকে ‘প্রয়োজনীয় সতর্কতার’ পাশাপাশি ‘নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা’ নিতে নির্দেশনা দিয়েছে সদর দপ্তর।

আগামী ২৩ জুন দলটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে সামনে রেখে বৃহস্পতিবার পুলিশ সদর দপ্তর থেকে এ বিষয়ে একটি ‘জরুরি বার্তা’ পাঠানো হয়েছে।

দেশের সব মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার ও রেঞ্জ ডিআইজি বরাবর পাঠানো ওই বার্তায় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে দলটির ‘সম্ভাব্য কর্মকাণ্ড মূল্যায়ন’ করার কথা বলা হয়েছে।

সেখানে বলা হয়, সেদিন দলটির তরফে দেশের বিভিন্ন জেলায় দলীয় কার্যালয়ে পতাকা উত্তোলন এবং প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর ব্যানার নিয়ে প্রকাশ্যে মিছিল করতে পারে।

এর ফলে দেশের অন্যান্য রাজনৈতিক দল, বিশেষ করে এনসিপির নেতাকর্মী ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্রদের সাথে ‘সংঘর্ষ তৈরির আশঙ্কা রয়েছে’।

পাশাপাশি তাদের কর্মকাণ্ডে বাধা দিলে আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর উপর ‘ক্ষুব্ধ হতে পারে’ বলেও আশঙ্কা করা হয়েছে।

এ অবস্থায় এসব বিষয় গুরুত্বে নিয়ে ‘প্রয়োজনীয় সতর্কতা ও নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ’ করতে নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হয়েছে ওই বার্তায়।

এ বিষয়ে পুলিশ কর্মকর্তাদের ভাষ্য, একাধিক গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদন থেকে আগাম সতর্কতার অংশ হিসেবে সারা দেশে ওই বার্তা দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে শুক্রবার ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম এন্ড অপারেশনস্) এস এন মো. নজরুল ইসলাম বলেছেন, তারা এ সংক্রান্ত চিঠি পেয়েছেন।

তবে তার ভাষ্য, “স্পেসিফিক কোন থ্রেট, আশঙ্কা কোনো কিছু নাই। আমরা সতর্ক আছি।”

তিনি বলেন, “সারা বছরে বিভিন্ন প্রোগ্রাম লেগেই থাকে। আমাদের সামনে বড় প্রোগ্রাম যেটা ১০ মহররম আশুরার প্রোগ্রাম। সাথে ২৩ জুন একটা দলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী। তো আমরা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় আছি।”

নগরবাসীকে নিরাপত্তা দিতে ‘বিগত দিনের মতই’ পুলিশের নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা বহাল থাকার কথা বলেন তিনি।

পুলিশের এই কর্মকর্তা আরো বলেন, “আমরা নতুন করে পরিকল্পনা… নতুন করে নিরাপত্তা চেকপোস্ট এবং অপারেশন, এটা আমাদের অব্যাহত আছে এবং থাকবে।”

আন্দোলনের মুখে চব্বিশের ৫ অগাস্ট দেশে ছেড়ে ভারতে চলে যান আওয়ামী লীগ সভাপতি ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনা।

এর তিন দিন বাদে অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর থেকে একে একে গ্রেপ্তার হতে থাকেন আওয়ামী লীগের মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীসহ শীর্ষ পর্যায়ের নেতা ও প্রভাবশালী সংসদ সদস্যরা। আওয়ামী লীগের সঙ্গে জোটে থাকা অন্যদলগুলোর কয়েকজন নেতাকেও গ্রেপ্তার করা হয়।

আওয়ামী লীগের বাকি জ্যেষ্ঠ নেতাদের অধিকাংশই রয়েছেন আত্মগোপনে। ফলে নিয়মিত রাজনৈতিক কর্মসূচিতেও তারা নেই।

আন্দোলন দমাতে শত শত মানুষকে হত্যার মত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে শেখ হাসিনাসহ আওয়াম লীগ নেতাদের বিচার চলছে, আর সেই বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত দলটির সব ধরনের কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

তবে মাঝেমধ্যে ঢাকাসহ সারা দেশের বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী লীগ কর্মীদের ঝটিকা মিছিলের খবর আসে। এসব মিছিল থেকে কখনো ধরপাকড়ও করার কথা জানিয়েছে পুলিশ।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো পদক্ষেপের আহ্বান বাংলাদেশের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬, ১২:২৮ অপরাহ্ণ
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো পদক্ষেপের আহ্বান বাংলাদেশের

জাতিসংঘে বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা এবং রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে দ্রুত প্রত্যাবাসনের লক্ষ্যে আরও কার্যকর বৈশ্বিক পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদরদপ্তরে অনুষ্ঠিত ইকোসক হিউম্যানিটারিয়ান অ্যাফেয়ার্স সেগমেন্টের উচ্চপর্যায়ের প্যানেল আলোচনায় বক্তব্য দিতে গিয়ে এ আহ্বান জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।

একই সঙ্গে তিনি রোহিঙ্গা নারী ও কিশোরীদের ওপর অর্থায়ন সংকটের নেতিবাচক প্রভাব নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আন্তর্জাতিক মানবিক আইন লঙ্ঘনের জন্য জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা, সংঘাত প্রতিরোধে অধিক বিনিয়োগ এবং মানবিক, শান্তি ও উন্নয়ন কার্যক্রমের মধ্যে সমন্বয় জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি নারী ও কিশোরীদের বিরুদ্ধে ক্রমবর্ধমান প্রযুক্তিনির্ভর হয়রানি ও অপব্যবহারের বিষয়টি তুলে ধরে এ ধরনের হুমকি মোকাবিলায় একটি বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্ম প্রতিষ্ঠার আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেন।

প্রতিমন্ত্রী রোহিঙ্গা নারী ও কিশোরীদের ওপর চলমান অর্থায়ন সংকটের নেতিবাচক প্রভাব নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করে তাদের নিজ দেশ মিয়ানমারে দ্রুত প্রত্যাবর্তনের আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানের ফাঁকে প্রতিমন্ত্রী ভিয়েতনামের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. নগুয়েন মিন ভুর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। বৈঠকে উভয় পক্ষ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়, দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা এবং বহুপাক্ষিক অঙ্গনে সহযোগিতা জোরদারের বিভিন্ন দিক নিয়ে মতবিনিময় করেন।

দক্ষিণ কোরিয়াকে হারিয়ে সবার আগে দ্বিতীয় রাউন্ডে মেক্সিকো

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬, ১০:০৮ পূর্বাহ্ণ
দক্ষিণ কোরিয়াকে হারিয়ে সবার আগে দ্বিতীয় রাউন্ডে মেক্সিকো

বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে জয় তুলে নিয়েছিল মেক্সিকো। আর দ্বিতীয় ম্যাচেও জয়ের ধারা রইল অব্যাহত। সং হিউয়েন মিনের দক্ষিণ কোরিয়াকে ১-০ গোল ব্যবধানে হারিয়ে প্রথম দল হিসেবে নক আউট পর্বে জায়গা করে নিল বিশ্বকাপের সহ-আয়োজকরা।

জাপোপানে অনুষ্ঠিত ম্যাচের শুরুতে মেক্সিকোর খেলাতে ছিল না তেমন গতি। অন্যদিকে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকেন সং হিউয়েন মিনরা। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে খেলা গতি বাড়িয়ে দেয় স্বাগতিকরা। কিন্তু প্রথমার্ধের ৪৫ মিনিট পর্যন্ত সুবিধা করতে পারেনি কোনো দল। গোল শূন্য ব্যবধানেই বিরতিতে যায় দুদল।

বিরতি থেকে ফিরে গোল আদায় করে নিতে বেশিক্ষণ সময় নেয়নি মেক্সিকো। যদিও গোলটা এসেছে দক্ষিণ কোরিয়ার গোলরক্ষক কিম সুং গিউয়ের ভুলে।

একটি ক্রস থেকে আসা বল ধরতে গিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে আসেন কিম। কিন্তু নিজ দলের খেলোয়াড়ের সঙ্গে ধাক্কা লাগার কারণে বলটি আয়ত্ব করতে পারেননি তিনি। আর সেই সুযোগটাই কাজে লাগান লুইস রিমো। আলতো করে টোকা দিয়ে বল পাঠান জালে। তাতেই ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় মেক্সিকো।

এরপর ম্যাচে আর কোনো গোল হয়নি। ফলে লিড ধরে রেখে ১-০ ব্যবধানেই জয় তুলে নেয় স্বাগতিক মেক্সিকো।

এ জয়ের মাধ্যমে দুই ম্যাচে দুই জয় নিয়ে সর্বোচ্চ পয়েন্ট সংগ্রহ করেছে মেক্সিকো। তাতেই গ্রুপে তাদের অবস্থান সবার ওপরে। এদিকে সমান ম্যাচে ৩ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দুই নম্বরে অবস্থান দক্ষিণ কোরিয়ার। এছাড়া একটি করে পয়েন্ট সংগ্রহ করে যথাক্রমে তিন ও চার নম্বরে অবস্থান করছে চেচিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকা।