খুঁজুন
, ,

চট্টলবীর মহিউদ্দিন চৌধুরী গণমানুষের নেতা ছিলেন: রেজাউল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 20 December, 2020, 8:39 pm
চট্টলবীর মহিউদ্দিন চৌধুরী গণমানুষের নেতা ছিলেন: রেজাউল

নগরীর মোমিন রোডস্থ প্রিয়া কমিউনিটি সেন্টারে সম্মিলিত বৌদ্ধ নাগরিক পরিষদের উদ্যোগে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনে ৩ বারের সাবেক সফল মেয়র মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি চট্টলবীর এ.বি.এম মহিউদ্দিন চৌধুরীর ৩য় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণ সভা টিংকু বড়ুয়ার সভাপতিত্বে সনত কুমার বড়ুয়ার পরিচালনায় অনুষ্ঠিত হয়।

সভার শুরুতে চট্টলবীরের প্রতি দাঁড়িয়ে ১ মিনিট নিরবতা পালনের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

স্মরণ সভায় প্রধান অতিথি আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র পদপ্রার্থী মো. রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন-চিরজাগ্রত, মৃতুঞ্জয়ী মহিউদ্দিন চৌধুরী মানবসেবক ছিলেন বলেই সকল ধর্ম ও সম্প্রদায়ের কাছে চট্টগ্রাম তথা সারা বাংলাদেশের কাছে চির স্মরণীয় হয়ে আছেন। বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের চট্টগ্রাম শহরে কোন সার্বজনীন শ্মশান ছিল না। আপনাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে বৌদ্ধ ধর্মালম্বীদের শবদাহ করার জন্য চান্দগাঁওয়ে সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে শ্মাশান নির্মাণ করেছিলেন। সিটি কর্পোরেশনের আওতাভুক্ত নাগরিকদের সুখশান্তির কথা চিন্তা করে হোল্ডিং টেক্স বাড়ায়নি। আমিও আপনাদের ভোটে নির্বাচিত হলে মহিউদ্দিন চৌধুরীর প্রদাঙ্ক অনুসরণ করব। যুব সমাজকে সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত রাখতে নিজের জীবন বাজি রেখে হলেও প্রতিরোধ গড়ে তোলার চেষ্টা চালিয়ে যাব।

স্মরণ সভায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ বৌদ্ধ সমিতির চেয়ারম্যান অজিত রঞ্জন বড়ুয়া, একুশে পদকপ্রাপ্ত বাংলাদেশ বৌদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘের সহ-সভাপতি ড. বিকিরণ প্রসাদ বড়ুয়া, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক উপকমিটির সদস্য ডা. বিদুৎ বড়ুয়া, এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন পুত্র মো. বোরহান উদ্দিন সালেহীন, জামাল খান ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মিথুন বড়ুয়া, বৌদ্ধ সমিতি যুব’র সাধারণ সম্পাদক স্বপন কুমার বড়ুয়া, বৌদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘ যুব’র সাধারণ সম্পাদক ড. সুব্রত বরণ বড়ুয়া, সাবেক ছাত্রনেতা ভিপি উত্তম কুমার বড়ুয়া, যুবলীগ নেতা ও চট্টগ্রাম মেডিকেল বোর্ড পরিচালনা পর্ষদের সদস্য স্বরূপ বিকাশ বড়ুয়া বিতান, প্রণব রাজ বড়ুয়া, নগর যুবলীগ নেতা কাজল প্রিয় বড়ুয়া, বাংলাদেশ বৌদ্ধ যুব পরিষদের সাধারণ সম্পাদক প্রকৌ: সীমান্ত বড়ুয়া, প্রকৌ: পলাশ বড়ুয়া, সীবলী সংসদ সভাপতি বিকাশ বড়ুয়া, নারী নেত্রী রেবা বড়ুয়া, ছাত্রলীগ নেতা ছোটন বড়ুয়া রুহিত, সম্যক শুভ বড়ুয়া প্রমুখ।

স্মরণ সভায় বৌদ্ধ সংগঠন সমূহের নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বৌদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘ চট্টগ্রাম অঞ্চলের সভাপতি প্রকৌ: পরিতোষ কুমার বড়ুয়া, স্বদেশ কুসুম চৌধুরী, বিনয় ভুষণ বড়ুয়া, প্রাক্তন অধ্যক্ষ দীপক বড়ুয়া, সংগঠক প্রীতিশ রঞ্জন বড়ুয়া, চট্টগ্রাম বৌদ্ধ বিহার পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক শচী ভূষণ বড়ুয়া, কাতালগঞ্জ নবপণ্ডিত বৌদ্ধ বিহার পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক কমলেন্দু বিকাশ বড়ুয়া, মোমিন রোড সার্বজনীন বৌদ্ধ বিহার পরিচালনা কমিটির সভাপতি অলক বড়ুয়া বিটু, প্রকৌ: বিধান চন্দ্র বড়ুয়া, বৌদ্ধ নেতা লোকপ্রিয় বড়ুয়া, রঞ্জন রশ্মী বড়ুয়া, অতীশ দীপঙ্কর সভাপতি সনত বড়ুয়া, সংগঠক সূর্যসেন বড়ুয়া শঙ্কু, তাপস কুমার বড়ুয়া, বিধান বড়ুয়া, চন্দন বড়ুয়া, বৌদ্ধ নারী নেত্রী রেখা বড়ুয়া, পূর্ণিমা বড়ুয়া, দোলা চৌধুরী, শুভ্রমনিয়াম বড়ুয়া, ত্রিরত্ন সাধারণ সম্পাদক কমল বড়ুয়া, দোলন বড়ুয়া প্রমুখ।

সভায় আলোচনায় অংশগ্রহণকারী বৌদ্ধ নেতৃবৃন্দ বলেন সর্বজনের সেবক মানবতাবাদী বলেই চট্টলবীর মহিউদ্দিন চৌধুরী সকল সম্প্রদায়ের কাছে চিরস্মরণীয় মৃত্যুঞ্জয়ী একটি নাম।

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।