খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চসিক নির্বাচনে ভোট ডাকাতদের বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ গড়ে তোলে নিজেদের ভোটাধিকার ও গণতন্ত্র রক্ষার শপথ নিতে হবে: ডা.শাহাদাত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০২০, ১১:২৪ অপরাহ্ণ
চসিক নির্বাচনে ভোট ডাকাতদের বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ গড়ে তোলে নিজেদের ভোটাধিকার ও গণতন্ত্র রক্ষার শপথ নিতে হবে: ডা.শাহাদাত

চট্টগ্রাম মহানগর বিএন‌পির আহবায়ক ও চ‌সিক নির্বাচ‌নে বি‌এন‌পির মেয়র প্রার্থী ডা.শাহাদাত হো‌সেন ব‌লে‌ছেন, আগামী ২৭ জানুয়ারি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচন করোনাকালীন সময়ে মানুষ অনেকটা নির্বাচন বিমুখ হয়ে গেছে। কাজেই নির্বাচন কমিশন, সরকার, প্রশাসনকে নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক করার জন্য জোরালো ভূমিকা রাখতে হবে।

২০ লক্ষ ভোটারের মধ্যে ১০ লক্ষ ভোটার মহিলা ও নারী। তাই নারীদের পাশাপাশি নতুন প্রজন্মদের ভোটা সেন্টার মুখী করার জন্য নির্বাচন কমিশন ও সরকারকে উদ্যোগী হতে হবে। জনগণের কাছে নির্বাচনকে হাসি-তামাশা পাত্র করে ক্ষমতার স্বাদ বেশিদিন আর নিতে পারবেন না। জনগণ রাস্তায় নেমে এসেছে। শাসকগোষ্ঠীর চারদিকে দুর্নীতি, সন্ত্রাস আর লুটপাটের মহাউৎসব চলছে তাতে জনগণ অতিষ্ঠ। জনগণকে ক্ষেপাবেন না, জনগনকে ক্ষেপিয়ে জুলুম-নির্যাতন করে কোন স্বৈরশাসক ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারেনি, আপনারাও পারবেন না।

নিজেদের ভোটাধিকার ও গণতন্ত্র রক্ষার শপথ নিতে হবে। আগামী ২৭ জানুয়ারি সিটি নির্বাচনে ভোট ডাকাতদের বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ গড়ে তোলে নিজেদের ভোটাধিকার ও গণতন্ত্র রক্ষার শপথ নিতে হবে।

তি‌নি আজ ২৬ ডি‌সেম্বর (শনিবার) সন্ধ্যায় ৩৭ নং উত্তর মধ্যম হালিশহর মুনির নগর ওয়া‌র্ডে ক‌রোনা সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ ও মত‌বি‌নিময় সভায় প্রধান অ‌তি‌থির বক্ত‌ব্যে এ কথা ব‌লেন।

ডা. শাহাদাত হোসেন আরো বলেন, মানুষের জান-মালের নিরাপত্তা এখন সম্পূর্ণরুপে অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। দেশজুড়েই চলছে আওয়ামী লীগ সরকারের মদদপুষ্ট সন্ত্রাসীদের নারকীয় তাণ্ডব। এদের দ্বারা জনপদের পর জনপদে রক্ত ঝরছে, অত্যাচারিত হচ্ছে বিরোধী পক্ষের মানুষসহ সাধারণ জনগণ। রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে নগ্নভাবে ভোট ডাকাতি করে এরা ক্ষমতায় এসেছে। এরপর থেকে তাদের অত্যাচার আর নির্যাতনের মাত্রা ভয়ঙ্কর রূপ বেড়ে গেছে। এদের প্রতিহত করতে হবে, জনগণকে রাস্তায় নামতে হবে।

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবুল হাশেম বক্কর বলেন, সরকার স্বাধীনতার সমস্ত চেতনাকে ধবংস করে দিয়েছে। তারা বিচার বিভাগের স্বাধীনতাকে দলীয়করণ করে নষ্ট করেছে, অর্থনীতিকে লুটপাটের অর্থনীতিতে পরিণত করেছে। পার্লামেন্টকে পুরোপুরি অকেজো করেছে। নির্বাচন ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণভাবে ভেঙে দিয়েছে। যার ফলোশ্রুতিতে এই নির্বাচন কমিশনের পক্ষে সুষ্ঠু অবাধ নির্বাচন করা সম্ভব হবে না। বিগত নির্বাচন গুলোতে আমরা সেটা উপলব্ধি করেছি। তাই চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। প্রাণের শহর চট্টগ্রামকে ভোট ডাকাতদের উত্তরসূরীর হাতে তুলে দেওয়া যাবে না। ভোট ডাকাতদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলে ডা. শাহাদাতের বিজয় সুনিশ্চিত করার জন্য নেতা্কর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কেন্দ্র পাহারা দেওয়ার নির্দেশনা দেন তিনি।

৩৭ নং উত্তর মধ্যম হালিশহর মুনির নগর ওয়া‌র্ড বিএনপির সভাপতি ফারুক আহমেদের এর সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ হাসান এর সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নগর বি এন পির যুগ্ন আহবায়ক আলহাজ্ব এমএ আজিজ, এসএম সাইফুল আলম, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, সদস্য মঞ্জুরুল আলম চৌধুরী মঞ্জু, কামরুল ইসলাম, বিভাগীয় শ্রমিক দল নেতা শেখ নুরুল্লাহ বাহার, কেন্দ্রীয় শ্রমিক দলের উপদেষ্টা শামসুল আলম, বন্দর থানা বিএনপির সভাপতি হাজী হানিফ সওদাগর, আরো উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপি নেতা এডভোকেট সেলিম উদ্দিন শাহীন, হাসান মুরাদ, কামাল উদ্দিন চৌধুরী,বন্দর থানা বিএনপি নেতা ইসমাইল খান, মোঃ শওকত, কাউন্সিলর প্রার্থী মোহাম্মদ ওসমান গনি, মহিলা কাউন্সিলর প্রার্থী শাহিদা খানম, বিএনপি নেতা জাহাঙ্গীর আলম, হারুনুর রশিদ, শহিদুল আলম, শাহাবুদ্দিন সাবু, মোহাম্মদ সিরাজ, হারুনুর রশিদ শুকুর, কফিল উদ্দিন, বকতিয়ার সালাউদ্দিন মিয়া,আব্দুল হক, শহিদুল আলম
লাবু,মোহাম্মদ তারেক, মোঃ কামরুল, মাসুদ হোসেন সাজু,বশিরুল ইসলাম পলাশ, মিফতাহুল শিকদার টিটু, নাজিম উদ্দিন , আলী আজম , শহিদুর রহমান , মোরশেদ আলম , দিদারুল আলম, সাজ্জাদ হোসেন, মোহাম্মদ সিরাজ, মোহাম্মদ সোহেল, মোহাম্মদ রাব্বি হেলাল তালুকদার, রাসেল মির্জা, গোলাম নবী প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

Feb2

মানবিক ডিসি জাহিদের কাছে সাহায্যপ্রার্থীদের ঢল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০০ অপরাহ্ণ
মানবিক ডিসি জাহিদের কাছে সাহায্যপ্রার্থীদের ঢল

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের গণশুনানিতে ভিড় বাড়ছেই মানবিক সহায়তা প্রত্যাশী মানুষের। অসুস্থতা, দারিদ্র্য, কর্মহীনতা ও চরম আর্থিক সংকটে পড়ে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ ছুটে আসছেন শেষ আশ্রয়ের খোঁজে। এসব আবেদন ঘেঁটে দেখা গেছে—প্রতিটি কাগজের আড়ালে লুকিয়ে আছে বেঁচে থাকার তীব্র আর্তি।

ক্যানসারে আক্রান্ত লাভলী দাস গুপ্তা ভারতের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা চালাতে গিয়ে তার পরিবারের সঞ্চয় শেষ হয়ে গেছে। চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে না পেরে তিনি আজ বুধবার (৮ এপ্রিল) সারা দেশে মানবিক ডিসি হিসেবে পরিচিত চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার কাছে আর্থিক সহায়তা চেয়েছেন। চিকিৎসা বন্ধ হয়ে গেলে জীবন ঝুঁকিতে পড়বে জেনে জেলা প্রশাসক তাকে আর্থিক সহয়তা প্রদান করেন তাৎক্ষণিকভাবে।

৫৫ বছর বয়সী মোহাম্মদ সুমন গুরুতর অসুস্থতায় ভুগছেন। রোগ নির্ণয়ের জন্য তাকে একাধিক পরীক্ষা করাতে হয়েছে একটি বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে। এসব পরীক্ষার খরচ বহন করতে গিয়ে তিনি এখন আর্থিকভাবে বিপর্যস্ত। জেলার অভিভাবককে তিনি জানান, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার মতো সামর্থ্য তার আর নেই। তাকেও নিরাশ করলেন না মানবিক ডিসি।

একইভাবে ৬৫ বছর বয়সী হাছিনা বেগমও চিকিৎসা ব্যয়ের ভারে ন্যুব্জ। বয়সজনিত অসুস্থতায় ভুগলেও অর্থাভাবে নিয়মিত চিকিৎসা নিতে পারছেন না। জীবনের এই শেষ সময়ে চিকিৎসা সহায়তা না পেলে পরিস্থিতি আরও অবনতি হওয়ার আশঙ্কার কথা জানান জেলার শীর্ষ কর্মকর্তাকে।

জামিলা বেগম নামের এক নারী জেলা প্রশাসকের সাপ্তাহিক গণশুনানিতে হাজির হয়ে ডিসি জাহিদুল ইসলামকে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ থাকায় চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া তার পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়েছে। পরিবারের আয়ের কোনো নির্ভরযোগ্য উৎস না থাকায় তিনি এখন সম্পূর্ণ অসহায় অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন। জেলা প্রশাসকের আর্থিক সহয়তা পেয়ে উচ্ছ্বসিত জামিলা।

অসুস্থতার কারণে কর্মক্ষমতা হারানোর কথা জানিয়েছেন মো. মনজুর আলম আরেক নাগরিক। আগে উপার্জন করে পরিবার চালালেও বর্তমানে কাজ করতে না পারায় সংসার চালানোই কঠিন হয়ে পড়েছে। চিকিৎসা ব্যয় বহনের পাশাপাশি পরিবারের নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচ জোগানোও এখন অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে জানানো হয় জেলা প্রশাসককে। তার পাশেও দাড়ালেন মানবিক ডিসি।

মো. নুরুল ইসলাম আরেক অসহায় নাগরিক দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা নিতে গিয়ে তিনি নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। ধার-দেনা করে চিকিৎসা চালালেও এখন আর কোনো উপায় নেই। চিকিৎসা বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকির কথা উল্লেখ করে তিনি জেলা প্রশাসকের জরুরি সহায়তা কামনা করেছিলেন। তাকেও ফিরিয়ে দেননি ডিসি জাহিদুল ইসলাম।

একই নামে আরেক প্রবীণ নাগরিক নিজেকে বয়সের ভারে ন্যুব্জ ও অসহায় উল্লেখ করে চিকিৎসা সহায়তা চেয়েছেন। তিনি জানান, শারীরিক দুর্বলতা ও অসুস্থতার কারণে তিনি সম্পূর্ণ অন্যের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছেন। তাকেও নিরাশ করেন নাই ডিসি।

রাঙামাটি জেলার লংগদু উপজেলার বাসিন্দা, বর্তমানে চট্টগ্রামে বসবাসরত মো. সামাদ আলী জেলা প্রশাসককে বলেন, দারিদ্র্য ও অসুস্থতার কারণে চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া তার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। তিনি নিজেকে সম্পূর্ণ অসহায় উল্লেখ করে ডিসির সহযোগিতা কামনা করেছিলেন। তাকেও নগদ অর্থ সাহায্য করলেন জেলা প্রশাসক।

গণশুনানিতে জমা পড়া আবেদনগুলোর সার্বিক চিত্রে দেখা যায়, অধিকাংশ আবেদনকারী দীর্ঘমেয়াদি বা জটিল রোগে আক্রান্ত। চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে গিয়ে অনেকে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। আবার অনেকে অসুস্থতার কারণে কর্মক্ষমতা হারিয়ে পরিবার নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

জেলা প্রশাসকের সাপ্তাহিক গণশুনানিতে এ ধরনের আবেদন সরাসরি শোনা হচ্ছে এবং তাৎক্ষণিক সহায়তা ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই প্রক্রিয়া প্রশাসনকে মানুষের আরও কাছাকাছি নিয়ে এসেছে এবং জরুরি সহায়তা প্রদানে কার্যকর ভূমিকা রাখছে।

দিল্লিতে ভারত-বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:১২ অপরাহ্ণ
দিল্লিতে ভারত-বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক

দিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে দিল্লির হায়দ্রাবাদ হাউসে আনুষ্ঠানিক বৈঠকের পর তারা একান্তে আলোচনা করেন।

কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকে দুই দেশের আঞ্চলিক ও দ্বীপক্ষীয় সম্পর্কের বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরও উপস্থিত ছিলেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে করা এক পোস্টে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্কর বলেন, ‘বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ও তার প্রতিনিধিদলকে আজ বিকেলে আতিথেয়তা দিতে পেরে আনন্দিত।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন দিক আরও জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা করেছি। পাশাপাশি আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পরিস্থিতি নিয়েও মতবিনিময় হয়েছে। আমরা ভবিষ্যতেও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখতে সম্মত।’

গত ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সরকার গঠন করে বিএনপি। নতুন সরকারের আমলে এটিই বাংলাদেশের কোনো মন্ত্রীর প্রথম ভারত সফর।

এ শুভেচ্ছা সফরে গতকাল দিল্লিতে পৌঁছান খলিলুর রহমান। ভারতে পৌঁছানোর প্রথম দিনেই দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।

এরপর আজ সকালে ভারতের কয়েকজন সম্পাদক ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকের সঙ্গে প্রাতঃরাশ সভায় যোগদান করেন। বিকেলে ভারতের পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাসবিষয়ক মন্ত্রী হারদীপ সিং পুরির সঙ্গে তার বৈঠকের কথা রয়েছে।

২০২৪-এর জুলাই আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে ভাটা পড়ে। তবে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর সে সম্পর্ক পুনরুজ্জীবিত হচ্ছে বলে মনে করছেন অনেকে।

আগামী ১১ ও ১২ তারিখ মরিশাসের পোর্ট লুইসে অনুষ্ঠিতব্য ভারত মহাসাগরীয় সম্মেলনে যোগ দেবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। এর আগে পারস্পরিক মর্যাদা ও আস্থার ভিত্তিতে দীর্ঘ মেয়াদে সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার বার্তা নিয়ে ভারত সফরে যান তিনি।

বিসিবিতে বাপের দোয়া, মায়ের দোয়া কমিটি করিনি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:১৯ অপরাহ্ণ
বিসিবিতে বাপের দোয়া, মায়ের দোয়া কমিটি করিনি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আমিনুল ইসলাম বুলবুলের কমিটি ভেঙে মঙ্গলবার তামিম ইকবালের নেতৃত্বে গঠিত হয়েছে ১১ সদস্যের অ্যাডহক কমিটি। এই কমিটি এখন গোটা বাংলাদেশের ভক্ত-সমর্থকদের আলোচনার বিষয়। এই আলোচনা আজ জায়গা করে নিয়েছে জাতীয় সংসদের অধিবেশনেও।

সেখানেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে (বিসিবি) তামিম ইকবালের নেতৃত্বে আহ্বায়ক কমিটি করা হয়েছে। তিনি একজন খেলোয়াড়। এখানে বাপের দোয়া মায়ের দোয়া কমিটি করিনি।’

মূলত, আজ বুধবার (৮ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহর এক প্রশ্নের জবাবেই এসব কথা বলেন তিনি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, ‘ক্রিকেট বোর্ডসহ সারাদেশের ক্লাবগুলোতে প্রভাব বিস্তার করে অন্তর্বর্তী সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা। বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার ইনকোয়ারি করেছে, তদন্তের পর বোর্ড ভেঙে দেয়া হয়েছে। পরে তামিম ইকবালের নেতৃত্বে বিসিবির আহ্বায়ক কমিটি করা হয়েছে। এখানে বাপের দোয়া মায়ের দোয়া কমিটি করিনি।’

এর আগে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘বিসিবি এখন আর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড নাই, এটা এখন বাপের দোয়া ক্রিকেট বোর্ডে পরিণত হয়ে গেছে।’