খুঁজুন
, ,

বন্দর-সিইপিজেড’র কাছে ফের সার্ভিস চার্জ চাইলেন সুজন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 29 December, 2020, 11:33 pm
বন্দর-সিইপিজেড’র কাছে ফের সার্ভিস চার্জ চাইলেন সুজন

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন আবারো চট্টগ্রাম বন্দর ও চট্টগ্রাম এক্সপোর্ট প্রসেসিং জোন (সিইপিজেড) থেকে ১ শতাংশ সার্ভিস চার্জ দাবি করেছেন।

তিনি আজ মঙ্গলবার বিকেলে ৩৯ নং দক্ষিণ হালিশহর ওয়ার্ডের ব্যারিস্টার সুলতান আহমদ চৌধুরী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ সংলগ্ন আব্দুল মাবুদ সড়কে চসিকের সড়ক নির্মাণ ও নালার উন্নয়ন কাজ পরিদর্শনে গিয়ে একথা বলেন।

পরিদর্শনকালে স্থানীয় সমাজ সেবক হারুনুর রশীদ, আবু তাহের, সুলতান নাছির, আকবর হোসেন, কাউন্সিলর প্রার্থী জিয়াউল হক সুমন, চসিকের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আবু সালেহ, নির্বাহী প্রকৌশলী অসিম বড়ুয়া, অতিরিক্ত প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা মোরশেদুল আলম চৌধুরী, পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা প্রণব শর্মাসহ সেলিম আফজাল, নুরুল বশর, মোহাম্মদ লোকমান, জাবের হোসেন, মোহাম্মদ জাবের নাছির উদ্দিন, মো.সুলতান উপস্থিত ছিলেন।

প্রশাসক উন্নয়ন কাজ পরিদর্শনের সময় আব্দুল মাবুদ সওদাগর রোডের পুরো এলাকার অলিগলি হেঁটে ঘুরে দেখেন এবং এলাকার নাগরিক সমস্যা নিয়ে স্থানীয় জনগণের সাথে কথা বলেন। এসময় পুরো এলাকার নালা নর্দমায় মশানিধনে এডাল্টিসাইট ও ফগার মেশিনের সাহায্যে ওষুধ ছিটানো হয়। পাশাপাশি করোনা সচেতনতায় দুঃস্থ গরীব সাধারণ মানুষের মাঝে সাবান ও মাস্ক বিতরণ করেন।

পরিদর্শনকালে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন বলেন, দক্ষিণ হালিশহর ওয়ার্ডের আব্দুল মাবুদ সড়কটি ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা। এই এলাকায় সিইপিজেডে অবস্থিত পোশাক শিল্পসহ বিভিন্ন কল-কারখানার শ্রমিকরা বসবাস করেন। এলাকার ভিতর দিয়ে ৫ নম্বর খালটি প্রবাহিত হয়েছে। সল্টগোলা ক্রসিং মোড় থেকে শুরু হওয়া খালটি বন্দর ও সিইপিজেড’র বর্জ্য ও ময়লা আবর্জনার কারণে অনেকটা ভরাট হয়ে গেছে। যা কর্পোরেশন ধারাবহিকভাবে পরিস্কার করছে। অথচ সিইপিজেড’র শ্রমিকরা কর্মস্থলের যাতায়াতের দূরত্ব কম হওয়ায় আব্দুল মাবুদ সড়ক এলাকার ভাড়া বাসায় বসবাস করেন। এতে একদিকে শ্রমিকদের কর্মঘন্টার যেমন সাশ্রয় হয়, অপরদিকে শ্রমিকদের সময়ানুযায়ী উপস্থিতির কারণে রপ্তানি প্রক্রিয়াজাতকরণ এলাকা সিইপিজেড’র কারখানাগুলোও ঠিক সময়ে পণ্য উৎপাদনের মাধ্যমে রপ্তানি করে লাভবান হচ্ছে। আর এই গুরুত্বপূর্ণ ওয়ার্ডসহ পুরো নগরীর নাগরিক সেবা নির্বিঘ্ন রাখছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন। কিন্তু পৌরকর ও সরকারি থোক বরাদ্দ ছাড়া কর্পোরেশনের অতিরিক্ত কোন আয়ের খাত নেই। অথচ নগরবাসী ছাড়াও বড় মিল কারখানা, বন্দর, কাস্টমস্, রেলওয়ে নগরীর বড় উপকারভোগী।
স্টেকহোল্ডার হিসেবে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এসব প্রতিষ্ঠানের কাছে ১ শতাংশ সার্ভিস চার্জ পাওয়ার অধিকার রাখে। তাদের বড় ট্যাংক-লরি, কাভার্ডভ্যান ও ভারি যানবাহনগুলো নগরীর সড়কগুলো ব্যবহার করছে। যে কারণে নগরীর অনেক গুরুত্বপূর্ণ সড়ক নতুনভাবে নির্মাণের পরও ভেঙ্গে যাচ্ছে। তাই ওজনস্কেল বসানোসহ টেকসই সড়ক নির্মাণে তাদের কাছে কর্পোরেশনের সার্ভিস চার্জ চাওয়া কোনভাবেই অযৌক্তিক নয়।

এছাড়াও প্রতিষ্ঠানগুলোকে কর্পোরেশন থেকে পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা ও আলোকায়নের সেবা দিচ্ছে। আশাকরি সব দিক বিবেচনা করে সরকার ন্যায্য সার্ভিসচার্জ পেতে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনকে সহযোগিতা করবে।

Feb2
Feb2

প্রশিক্ষণ বিমান উড্ডয়ন বন্ধ করে স্বতন্ত্র রানওয়ে নির্মাণের চিন্তা নেই

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 2 September, 2026, 6:31 pm
প্রশিক্ষণ বিমান উড্ডয়ন বন্ধ করে স্বতন্ত্র রানওয়ে নির্মাণের চিন্তা নেই

রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন শহরে বিমান বাহিনীর প্রশিক্ষণ বিমান উড্ডয়ন বন্ধ করে স্বতন্ত্র রানওয়ে বা ঘাঁটি নির্মাণের কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একইসঙ্গে দেশের আবহাওয়া পূর্বাভাস ব্যবস্থা আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন করতে আধুনিকায়ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। সাইবার হামলা ও নতুন বহুমাত্রিক হুমকি মোকাবিলায় দেশীয়ভাবে ড্রোন তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও সংসদকে অবহিত করেন সরকারপ্রধান।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাভুক্ত নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে বিভিন্ন সংসদ সদস্যের লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর দায়িত্বে থাকা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব তথ্য জানান।

সংরক্ষিত নারী আসন-৪১ এর সংসদ সদস্য মাহফুজা হান্নানের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ বিমান বাহিনী দেশের সমগ্র আকাশসীমার নিরাপত্তা ও আকাশ প্রতিরক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও অবকাঠামোর নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিমান বাহিনীর দায়িত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফলে ঢাকা ও অন্যান্য শহরের আকাশ প্রতিরক্ষা সক্ষমতা প্রস্তুত রাখা জরুরি। তিনি উল্লেখ করেন, পৃথক বিমানঘাঁটি ও রানওয়ে নির্মাণ অত্যন্ত ব্যয়বহুল ও দীর্ঘমেয়াদি বিষয়। বাংলাদেশের সীমিত ভূমি ও বিদ্যমান অবকাঠামোর সর্বোত্তম ব্যবহারের কথা বিবেচনায় নিয়ে কেবল প্রশিক্ষণের জন্য পৃথক রানওয়ে না বানিয়ে বিদ্যমান সুবিধার যথাযথ ব্যবহারকেই সরকার অধিক বাস্তবসম্মত মনে করছে।

চট্টগ্রাম-১২ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হকের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে দক্ষিণ এশিয়ায় প্রাকৃতিক দুর্যোগ বৃদ্ধির কথা স্বীকার করলেও আবহাওয়া পূর্বাভাসে বাংলাদেশ পিছিয়ে রয়েছে—এমন বক্তব্য সঠিক নয় বলে জানান। তিনি বলেন, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় ৫ থেকে ১০ দিনের আগাম পূর্বাভাসসহ ঘূর্ণিঝড়, ভারী বৃষ্টি, বজ্রপাত ও অন্যান্য দুর্যোগের সতর্কবার্তা দিচ্ছে। পূর্বাভাস সক্ষমতা আরও আধুনিক ও নিখুঁত করতে পর্যবেক্ষণ নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ, উন্নত ডেটা বিশ্লেষণ ও দক্ষ জনবল তৈরির চেষ্টা নিরবচ্ছিন্নভাবে অব্যাহত রয়েছে।

সংরক্ষিত নারী আসন-২ এর সংসদ সদস্য শিরীন সুলতানা এবং সংরক্ষিত নারী আসন-১০ এর সংসদ সদস্য নিলোফার চৌধুরী মনির পৃথক দুই প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী প্রতিরক্ষা আধুনিকায়ন ও বেসামরিক কার্যক্রমে সশস্ত্র বাহিনীর অংশগ্রহণের আইনি ভিত্তি তুলে ধরেন। শিরীন সুলতানের প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, বহুমাত্রিক হুমকি মোকাবিলায় সশস্ত্র বাহিনীর সাইবার নিরাপত্তা নীতিমালা পর্যালোচনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি দেশীয়ভাবে ড্রোন উৎপাদনের সক্ষমতা অর্জনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে এবং সমুদ্রে নজরদারি বাড়ানোর কার্যকর পদক্ষেপ গৃহীত হয়েছে।

নিলোফার চৌধুরী মনির প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী নিশ্চিত করেন, অসামরিক কার্যক্রমে সশস্ত্র বাহিনীর অংশগ্রহণের স্পষ্ট নীতিমালা রয়েছে। তিনি জানান, সংবিধানের ১২৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নির্বাচনকালীন দেশের সার্বিক নিরাপত্তায় এবং ‘In Aid to the Civil Power’ নির্দেশিকা অনুযায়ী দুর্যোগ ও ক্রান্তিকালে অসামরিক প্রশাসনকে সশস্ত্র বাহিনী সরাসরি সহায়তা করে থাকে। এছাড়া ফৌজদারি কার্যবিধির (সিআরপিসি) ১২৯ ধারা অনুযায়ী অসামরিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সশস্ত্র বাহিনীকে প্রয়োজনীয় আইনি ক্ষমতা দেওয়া হয়।

১২ কেজি এলপিজির দাম কমলো ১৩ টাকা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 2 September, 2026, 6:16 pm
১২ কেজি এলপিজির দাম কমলো ১৩ টাকা

সেপ্টেম্বর মাসের জন্য তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের খুচরা মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫৮৫ টাকা। গত মাসে যা ছিল ১৫৯৮ টাকা।

আজ বুধবার নতুন দাম ঘোষণা করা হয়। আজ সন্ধ্যা থেকেই যা কার্যকর হবে।

এর আগে, জুলাই মাসে একই সিলিন্ডারের দাম ছিল ১ হাজার ৫২৮ টাকা। আগস্ট মাসে দাম বাড়ানো হয়েছিল ৭০ টাকা। যদিও জুলাইয়ে তার আগের মাস জুনের ১ হাজার ৮৮৫ টাকা থেকে ৩৫৭ টাকা কমানো হয়েছিল।

বিইআরসি জানায়, বেসরকারি এলপিজির ভোক্তাপর্যায়ে দাম প্রতিকেজি ১৩২ টাকা ১২ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। আজ সন্ধ্যা থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে।

একইসঙ্গে যানবাহনে ব্যবহৃত অটোগ্যাসের দামও কমানো হয়েছে। প্রতি লিটার ৭৩ টাকা ৬৭ পয়সা থেকে কমিয়ে ৭৩ টাকা ৯ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। জুলাই মাসে এর দাম ছিল ৭০ টাকা ৪০ পয়সা।

এ ছাড়া, বাসাবাড়িতে কেন্দ্রীয়ভাবে ব্যবহৃত রেটিকুলেটেড পদ্ধতিতে তরল অবস্থায় সরবরাহ করা এলপিজির দাম প্রতি ঘনমিটার ২৮৫ টাকা ৩০ পয়সা নির্ধারণ করেছে কমিশন।

বোতলজাত সয়াবিনের দাম লিটারে ৫ টাকা বাড়ল, নতুন দাম ২০৪ টাকা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 2 September, 2026, 6:04 pm
বোতলজাত সয়াবিনের দাম লিটারে ৫ টাকা বাড়ল, নতুন দাম ২০৪ টাকা

বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম প্রতি লিটারে ৫ টাকা বাড়াতে ব্যবসায়ীদের প্রস্তাব অনুমোদন করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এত দিন বোতলজাত প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের দাম ছিল ১৯৯ টাকা। এখন নতুন দাম হয়েছে ২০৪ টাকা।

আজ বুধবার বিকেলে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে বাণিজ্যসচিব মো. আতাউর রহমান খান এ তথ্য জানান।

এর আগে সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদিরের সঙ্গে ভোজ্যতেল পরিশোধন কারখানার মালিকেরা বৈঠক করেন।

বাণিজ্যসচিব আতাউর রহমান খান বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে ভোজ্যতেলের দাম বেড়েছে, পাশাপাশি বেড়েছে পরিবহন ব্যয়। এসব কারণ দেখিয়ে ব্যবসায়ীরা দাম বাড়ানোর দাবি জানিয়ে আসছিলেন। ব্যবসায়ীদের দাবি ছিল আরও বেশি (লিটারে ১০ টাকা) দাম বাড়ানোর। তিনি বলেন, বাজারে বর্তমানে ভোজ্যতেলের কোনো সংকট নেই। পরিস্থিতি বিবেচনা করে সরকার দাম সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন বেতনকাঠামো মন্ত্রিসভা অনুমোদন করেছে। সম্প্রতি বেড়েছে চিনির দাম। নতুন করে ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোয় মূল্যস্ফীতিতে এর প্রভাব পড়বে কি না—এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাণিজ্যসচিব বলেন, ‘কিছুটা প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। তবে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সরকার নানামুখী উদ্যোগ নিচ্ছে।’