খুঁজুন
সোমবার, ২৫শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সরকার নির্বাচনকে প্রহসনে পরিণত করেছে : মাহাবুবের রহমান শামীম

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২০, ৭:১১ অপরাহ্ণ
সরকার নির্বাচনকে প্রহসনে পরিণত করেছে : মাহাবুবের রহমান শামীম

সরকার নির্বাচনকে প্রহসনে পরিণত করেছে
বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহাবুবের রহমান শামীম বলেন, জনগণের ওপর আস্থা নেই বলে নির্বাচন ব্যবস্থা ধ্বংস করে দিয়ে একদলীয় শাসন কায়েম করেছে সরকার। ৫ জানুয়ারি ও ৩০ ডিসেম্বর ভোটার বিহীন একতরফা কারসাজির নির্বাচন বাংলাদেশের জনগণ ঘৃণাভরে বর্জন করেছেন।

বর্তমান সরকার নির্বাচনকে প্রহশনে পরিণত করেছে। এখন নির্বাচন মানে আতঙ্ক আর বিরোধী মতের উপর মামলা, হামলা, নির্যাতন, দিনের ভোট রাতে ব্যালট বাক্স ভর্তি করা। নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের রায়ের প্রতিফলন ঘটেনা। সরকারের প্রশাসন ও দলীয় সন্ত্রাসের মাধ্যমে কেন্দ্র দখল করে জনগনের ভোটাধিকার হরন করা। এই সরকারের অধীনে নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয়। তাই অবিলম্বে প্রহসনের নির্বাচন বাতিল করে সরকারকে ক্ষমতা থেকে পদত্যাগ করতে হবে। নির্দলীয় সরকারের অধীনে সবার অংশগ্রহণে নিরপেক্ষ নির্বাচন দিতে হবে।

তিনি বুধবার (৩০ ডিসেম্বর) বিকালে দলীয় কার্যালয় নাছিমন ভবন মাঠে গণতন্ত্র হত্যা দিবস উপলক্ষে ভোট ডাকাতির নির্বাচন বাতিল করে নতুন নির্বাচনের দাবিতে কেন্দ্রঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসাবে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।

চট্টগ্রাম মহানগন বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য সচিব আবুল হাশেম বক্কর বলেন, ভোট ডাকাতির নির্বাচনে ক্ষমতায় আসা সরকার এখন নির্বাচনকে হাস্যরসে পরিণত করেছে। ৩০ ডিসেম্বর সারাদেশে আওয়ামী সন্ত্রাসী ও প্রশাসনের নির্মম নির্যাতন, নির্মমতা সারাবিশ্ব উপলব্ধি করেছে। বিএনপির হাজার হাজার নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করে ২৯ তারিখ রাতেই ব্যালট বক্স ভরিয়ে দিয়েছে। স্বাধীন রাষ্ট্রের পরিপন্থী কাজে সরকার সেদিন প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের ব্যবহার করো স্বাধীনতার চেতনাকে ধংস করেছে। এ ফ্যাসিবাদ সরকার জনগনকে ধোকা দিয়ে তিন তিন রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল করে গণতন্ত্রের লেবাসে অগণতান্ত্রিক আচরণ করছে। ভোট ও জনগণের অধিকার রক্ষায় সরকারকে নিয়তান্ত্রিক আন্দোলনের মাধ্যমে ক্ষমতা থেকে পদত্যাগে বাধ্য কারা হবে। তার জন্য জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করে জনবিস্ফোরণ ঘটাতে হবে।

চট্টগ্রাম দক্ষিন জেলা বিএনপির আহবায়ক ও নগর বিএনপির সদস্য আবু সুফিয়ান বলেন, ভোট ডাকাতির সরকার জোর করে ক্ষমতায় আছে। জনগনের কাঁধে বন্দুক রেখে গণতন্ত্র হরণ চলছে। স্বাধীনতার চেতনার কথা বলে স্বাধীনতা হরণ করছে আওয়ামী লীগ। এ নির্বাচন কমিশন আওয়ামী লীগের দলীয় সংগঠন পরিণত হয়েছে।

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহবায়ক কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আলহাজ্ব এম এ আজিজ এর সভাপতিত্বে ও যুগ্ম সম্পাদ ইয়াছিন চৌধুরী লিটনের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন যুগ্ম আহবায়ক মোঃ মিয়া ভোলা, এড. আবদুস সাত্তার, এস এম সাইফুল আলম, এস কে খোদা তোতন, নাজিমুর রহমান, শফিকুর রহমান স্বপন, কাজী বেলাল উদ্দিন, আবদুল হালিম শাহ আলম, ইসকান্দর মির্জা, আবদুল মান্নান, সদস্য নিয়াজ মোহাম্মদ খান, এস এম আব্লু ফয়েজ, আবুল হাসেম, মনজুর আলম মনজু, মনজুর আলম চৌধুরী মনজু, কামরুল ইসলাম, এতে আরো উপস্থিত ছিলেন থানা সভাপাত মোঃ সেকান্দর, মোশারফ হোসেন ডেপটি, মামুনুল ইসলাম হুমায়ুন,সালাউদ্দিন, আবদুল্লা আল হারুন, থানা সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব জাকির হোসেন, জসিম উদ্দিন জিয়া, মনির আহমদ চৌধুরী, নূর হোসেন, জাহাঙ্গির আলম, রোকন উদ্দিন মাহামুদ, মাঈন উদ্দিন চৌধুরী মাইনু, আবদুল কাদের জসিম, জেলী চৌধুরী, শেখ নুর উল্লাহ বাহার, ওয়ার্ড সভাপতি আকতার খান, আলী আব্বাস খান, মনজুর আলম মনজু, আশ্রাফ উদ্দিন, মোঃ হরুন, মোশারফ জামান, মোঃ বেলাল, হাজী ইলিয়াছ, খন্দকার নরুল ইসলাম, আলাউদ্দিন আলী নূর, নবাব খান, জমির আহমদ, শরিফুল ইসলাম, ফারুক আহমদ, রফিক চৌধুরী, মোঃ আজম উদ্দিন, মোঃ ইলিয়াছ, মোঃ সাইফুল , এস এম মফিজুর রহমান, খাজা আলাউদ্দিন, ওয়ার্ড সাধারণ সম্পাদক সাদেকুর রহমান রিপন, আবুল কালাম আবু, হাজী এমরান,জসিম মিয়া, মোঃ সফি, মনজু মিয়া, মনজুর কাদের, এ কে আজাদ, আলহাজ্ব আবুল ফয়েজ, আনোয়ার হোসেন আরজু, মামুন আলম, সৈয়দ আবুল বসর, হাসান ওসমান, মোস্তফিজুর রহমান মোস্তাক, ফরিদুল আলম, শফি উল্লাহ, হাজী জাহেদ, মোঃ হাসান, হাবিবুর রহমান চৌধুরী, আশ্রাফ খান, অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ হাজী নুরুল হক, মনিরুজ্জামান টিটু, এস এম রব, সাহাব উদ্দিন, নাছিম চৌধুরী, মোঃ সেলিম, আমান উল্লাহ আমান, জিয়াউর রহমান জিয়া প্রমূখ।

Feb2

ঝিনাইদহে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর উপর ডিম নিক্ষেপ ও হামলা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ৩:৪৯ অপরাহ্ণ
ঝিনাইদহে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর উপর ডিম নিক্ষেপ ও হামলা

ঝিনাইদহে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর ডিম নিক্ষেপ ও অতর্কিত হামলার ঘটনা ঘটেছে। ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ উঠেছে। এসময় ছাত্রদলের হামলায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর সঙ্গে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের তিন নেতা-কর্মী আহত হন।

আজ শুক্রবার (২২ মে) দুপুর ২টার দিকে শহরের পুরাতন কালেক্টরেট মসজিদের সামনে এই ঘটনাটি ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার জুমার নামাজ আদায় শেষে মসজিদ থেকে বের হচ্ছিলেন নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী। এ সময় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদ তাঁর সঙ্গে কথা বলতে এগিয়ে যান।

তাদের মধ্যে কথা বলার এক পর্যায়ে হঠাৎ পেছন থেকে কয়েকজন যুবক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর ডিম নিক্ষেপ করে এবং অতর্কিত হামলা চালায়। এই হামলায় এনসিপির স্থানীয় কয়েকজন যুবক আহত হয়েছেন।

ভুক্তভোগী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডি থেকে এক পোস্টে হামলার বিস্তারিত জানান। তিনি অভিযোগ করেন, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী জুমার নামাজ আদায় করে মসজিদ থেকে বের হওয়ার পরপরই পুলিশের উপস্থিতিতেই ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীরা এই হামলা চালায়।

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী পোস্টে লেখেন, “প্রথমে ডিম, ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করা হয়, এরপর হকিস্টিক দিয়ে অতর্কিতভাবে আঘাত করা হয়। তিনজনের মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয় এবং বেশ কয়েকজন আহত হন। আমাকে লক্ষ্য করেও কিল-ঘুষি মারা হয়।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, হামলাকারীরা এ সময় তাদের মোবাইল ফোন, ক্যামেরা এবং মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেয়। ঘটনার পর তারা থানায় অবস্থান নিয়ে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেও জানান। একই সাথে ছাত্রদল, যুবদল ও বিএনপি থানার সামনে আবারও হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে তিনি ফেসবুক পোস্টে দাবি করেন।

এই ঘটনার পর এনসিপির নেতাকর্মীরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল করেছেন। বিক্ষোভ থেকে তারা স্বরাষ্ট্র ও আইনমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেন এবং হামলায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানান।

 

চট্টগ্রামে তিন বছরের শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ২:৪৮ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামে তিন বছরের শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা

চট্টগ্রামের বাকলিয়ায় তিন বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আজ (শুক্রবার) দুপুরে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন বাকলিয়া থানার এক কর্মকর্তা।

তিনি বলেন, ভুক্তভোগী শিশুর পিতা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় গ্রেপ্তার মনিরকে আসামি করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, বাকলিয়ার চেয়ারম্যানঘাটা এলাকায় তিন বছর বয়সী এক শিশু নিখোঁজ হওয়ার পর বৃহস্পতিবার বিকেলে তাকে উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারের পর শিশুটির শারীরিক অবস্থা দেখে স্বজন ও স্থানীয়দের সন্দেহ হয়, সে যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছে। খবরটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে বিকেলের দিকে রাস্তায় নেমে আসেন স্থানীয়রা।

স্থানীয়দের দাবি, অভিযুক্ত যুবকের নাম মনির। তিনি স্থানীয় একটি ডেকোরেশন দোকানে কাজ করেন। তাদের অভিযোগ, মনির তাদের কাছে নিজের অপরাধ স্বীকারও করেছেন।

অভিযুক্ত মনির নিজের অপরাধ স্বীকার করেছেন বলে একটি তথ্য ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লেও এর সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

গতকাল বিকেল ৪টার দিকে স্থানীয়রা অভিযুক্তের অবস্থান নিশ্চিত করে ‘বিসমিল্লাহ ম্যানশন’ নামের একটি ভবন ঘেরাও করে রাখেন। একপর্যায়ে ভবনটির কলাপসিবল গেট ভেঙে ফেলার চেষ্টাও করা হয়।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠায়। অন্যদিকে অভিযুক্তকে আটক করে নিয়ে যাওয়ার সময় বিক্ষুব্ধ জনতা পথ আটকে দেয় এবং তাকে নিজেদের হাতে তুলে দেওয়ার দাবি জানায়। বিকেল সাড়ে চারটা থেকে পুলিশকে অবরুদ্ধ করে রাখে স্থানীয়রা। এরপর রাত আটটার দিকে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে।

এসময় পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়েন স্থানীয়রা। এতে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। স্থানীয়দের বাধার মুখে তখন পুলিশ অভিযুক্ত নিয়ে যেতে পারেনি।

পরে রাত ১১টা সময় দিকে জনবল বাড়ায় পুলিশ। পরে বিদ্যুৎ বন্ধ করে অভিযুক্তকে পুলিশের পোশাক পরিয়ে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় ফাঁকা গুলি, টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে পুলিশ। এসময় স্থানীয়রা পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন দেয়। এতে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

রামিসার বাসার সামনে বিক্ষোভ, কুলখানির জন্য ঢাকা ছাড়লেন বাবা-মা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
রামিসার বাসার সামনে বিক্ষোভ, কুলখানির জন্য ঢাকা ছাড়লেন বাবা-মা

রাজধানীর পল্লবীতে ধর্ষণের পর নৃশংস হত্যার শিকার আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারের মৃত্যুর ঘটনায় এখনও থামেনি মানুষের ক্ষোভ আর কান্না।

শুক্রবার (২২ মে) সকাল থেকেই পল্লবীর সেকশন-১১ এলাকায় রামিসাদের বাসার সামনে জড়ো হতে থাকেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। ছোট-ছোট সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের ব্যানারে মানববন্ধন, বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করতে দেখা যায় স্থানীয়দের।

সেখানে গিয়ে দেখা যায়, বেলা ১১টার পর থেকে রামিসাদের বাসার সামনের গলিতে একে একে জড়ো হন নারী-পুরুষসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষ। অনেকের হাতে ছিল ‘রামিসার হত্যাকারীর ফাঁসি চাই’, ‘শিশু ধর্ষণ ও হত্যার বিচার চাই’ লেখা প্ল্যাকার্ড।

এসময় এলাকাজুড়ে ছিল থমথমে পরিবেশ। স্থানীয়দের অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এমন নির্মম হত্যাকাণ্ডের দৃষ্টান্তমূলক বিচার না হলে সমাজে শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে না।

একটি মানববন্ধনে অংশ নেওয়া লামিয়া খানম নামে এক নারী বলেন, আমরা নিজের সন্তানদের নিয়েই এখন আতঙ্কে আছি। একটা শিশুকে এত নির্মমভাবে হত্যা কোনো মানুষ করতে পারে না।

এদিকে সন্তান হারানোর শোকে এখনও প্রায় নির্বাক রামিসার মা-বাবা। শুক্রবার (আজ) দুপুর ১২টার দিকে মেয়ের কুলখানি ও মিলাদে অংশ নিতে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়েন তারা। যাওয়ার আগে বাসার সামনে জড়ো হওয়া মানুষদের কান্না আর সান্ত্বনার শব্দে ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ।

পরিবারের স্বজনরা জানান, বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাতে সিরাজদিখানে পারিবারিক কবরস্থানে দাফনের সময় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। রামিসার মা এখনও মেয়ের জামাকাপড় ও ব্যবহৃত জিনিসপত্র বুকে জড়িয়ে কাঁদছেন। আর বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বারবার মেয়ের শেষ আবদারের কথা মনে করে ভেঙে পড়ছেন। দুই দিন আগে মেয়ের জন্য একটি বোরকা কিনে এনেছিলেন তিনি। কিন্তু সেই বোরকা আর পরা হয়নি রামিসার।

গত মঙ্গলবার সকালে পল্লবীর সেকশন-১১ এলাকায় নিজ বাসার পাশ থেকে নিখোঁজ হয় দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা। পরে প্রতিবেশী সোহেল রানার ফ্ল্যাট থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা পল্লবী থানায় মামলা করেন।

পুলিশ জানায়, প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করে মরদেহ গোপনের চেষ্টা করেন। ঘটনার পর নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আদালতে তিনি হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দিও দিয়েছেন। এ ঘটনায় সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকেও গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।