খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বেলুন বিক্রি করে সাতসদস্যের সংসার চলে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ১৩ জানুয়ারি, ২০২১, ৫:২৭ অপরাহ্ণ
বেলুন বিক্রি করে সাতসদস্যের সংসার চলে

অ আ আবীর আকাশ, লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি : বেল্লাল হোসেন ছয় বছর ধরে বেলুন বিক্রি করে। পাঁচ ভাইবোনের মধ্যে তৃতীয় সে। বাবা আজগর হোসেন কৃষিকাজ করেন, মা গৃহিনী। স্কুল বন্ধ থাকায় ছোট আরো দুই ভাই তার সাথে বেলুন বিক্রি করে। প্রতিটি বেলুন ৫০ টাকা করে বিক্রি হয়।

জনবহুল স্থানে ঘুরে ফিরে বেলুন বিক্রি করে বেল্লাল। তবে বিভিন্ন অনুষ্ঠান হলে একটু ভালো বিক্রি হয়। ছোট ছোট বাচ্চা ছেলেমেয়েদের টার্গেট করে সে স্থানে ঘুরঘুর করে মনোহারী বেলুন নিয়ে। কোন অনুষ্ঠান বা সভা-সেমিনার না থাকলে হাসপাতাল এলাকায় বেলুন নিয়ে যায়। সেখানে রোগী ও দর্শনার্থীদের সাথে ছোট ছোট বাচ্চাছেলেমেয়েরা আকৃষ্ট হয় নানা রঙের, নানা ডিজাইনের বেলুন দেখে। হাতি, ঘোড়া, মাছ, বিমান, পাখি ও কুকুরসহ নানা বন্য পশু পাখির অবয়বে তৈরি হয় বেলুন। হাওয়া ও গ্যাস দুই ধরনের বেলুন হয়, তবে গ্যাসভর্তি উড়ন্ত বেলুনের চাহিদা ভালো। প্রতিদিন তিন ভাই মিলে প্রায় আড়াই হাজার থেকে তিন হাজার টাকার বেলুন বিক্রি করে।

প্যাকেট বা কার্টুন হিসেবে হাওয়া বা গ্যাসহীন খালি বেলুন কিনে বেল্লাল বাড়িতে বা সুবিধামতো স্থানে বসে গ্যাস ভর্তি করে তারপর বিভিন্ন স্থানে ফেরি করে বিক্রি করে।

হাসপাতাল ছাড়াও দক্ষিণ ও উত্তর তেমুহনী, কোর্ট এলাকা, বিজয় চত্তর, বাজারের কসমেটিক ও শাড়ি পট্টি, স্কুলের গেটে দাঁড়িয়ে বা হেঁটে হেঁটে বেলুন বিক্রি করা হয়। অভিভাবকদের অনিচ্ছাসত্ত্বেও বাচ্চাদের কান্নাকাটিতে ৫০ টাকা দিয়ে বেলুন কিনতে বাধ্য হয়। দেখা গেছে বেলুন কিনে একটু সামনে যেতেই পলিথিন আবৃত বেলুন লিকেজ হয়ে গ্যাস উদাও। স্বল্প সময়ের জন্য মনোহর বেলুন বিক্রি করে সাত সদস্যের পরিবার বেশ ভালোই চলছে।

বেলালের বাড়ি লক্ষ্মীপুর সদরের জকসিন বাজার এলাকায়।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…