খুঁজুন
মঙ্গলবার, ২১শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৮ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ বরাদ্দের বাড়ি কিনতে হলো আ’লীগ কর্মীকে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ৩ নভেম্বর, ২০১৯, ৯:৫৩ পূর্বাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ বরাদ্দের বাড়ি কিনতে হলো আ’লীগ কর্মীকে

প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ বরাদ্দের ত্রাণ ও দূর্যোগ মন্ত্রনালয়ের জায়গা আছে বাড়ি নেই এমন হতদরিদ্রদের জন্য সরকারীভাবে বাড়ি করে দেওয়ার প্রকল্পের অধীনে তৈরী বাড়ি কিনে নিতে হলো এক আওয়ামীলীগ কর্মীকে।

এজন্য ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদকসহ মহিলা মেম্বার ও অন্যান্যদের দিতে হয়েছে ৪৫ হাাজার টাকা।

চরম দরিদ্র ও ভিক্ষা করে খাওয়া ওবায়দুল হক নামের ওই ব্যক্তির কোন রকমে গচ্ছিত টাকা ও এনজিও’র ঋণ নিয়ে পরিশোধ করতে হয়েছে বাড়ির মূল্য বাবদ।

এ ঘটনা ঘটেছে নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলা কাশিরাম বেলপুকুর ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের চওড়া বাজার গুয়াবাড়ি এলাকায়।

সরেজমিনে গেলে হতদরিদ্র ওবায়দুল হক জানায়, আমি আওয়ামীলীগের একজন নিবেদিত প্রান কর্মী। যা ইউনিয়ন থেকে শুরু করে উপজেলা আওয়ামীলীগের সর্বস্তরের নেতৃবৃন্দ জানেন। আমি ভিক্ষা করে কোন রকমে জীবন নির্বাহ করি। অথচ আমার কাছ থেকেই প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া বাড়ি বরাদ্দের জন্য ৪৫ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছে। ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলিফ ওরফে ফকির নিয়েছে ২৫ হাজার আর ১, ২ ও ৩ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা মেম্বার আখতারা বেগম ও তার স্বামী বাচ্চা বাউ এবং সুমন নামের এক আওয়ামীলীগ কর্মী মিলে নিয়েছেন ২০ হাজার টাকা। অনেক কষ্টে ভিক করে সঞ্চয় করা কিছু টাকা আর দুইটি এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে তাদের টাকা দিয়েছি। এখন এনজিও’র ঋণের টাকা কিস্তিতে পরিশোধ করতে হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, উপরোক্ত ব্যক্তিরা উপজেলা চেয়ারম্যান মোখছেদুল মোমিনের কথা বলে এসব টাকা নিয়েছেন। একারণে আমি টাকা দিয়েই বাড়িটি নিতে বাধ্য হয়েছি। তাছাড়া বাড়িটি প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ বরাদ্দ হওয়ায় এখানে উন্নতমানের ইট ও অন্যান্য সামগ্রী ব্যবহার করার কথা থাকলেও ৩ নম্বর গুড়িয়া ইট দিয়ে বানানো হয়েছে। সে সাথে মিস্ত্রির খরচ ও খাওয়া, মালামাল আনার ভ্যান ভাড়াও দিতে হয়েছে। বাড়ির মেঝেতে মাটি ভরাটের জন্য লেবারের মজুরিও দিয়েছি। এগুলো ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের করার কথা থাকলেও তার ছেলে বুলবুল চৌধুরী দায়িত্ব নিয়েও সকল খরচ আমাকেই বহন করতে হয়েছে।

এ ব্যাপারে ২ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলিফ ওরফে ফকিরের সাথে কথা হলে তিনি জানান, বাড়িটি মূলত: সৈয়দপুর উপজেলা চেয়ারম্যান মোখছেদুল মোমিন আওয়ামীলীগের দরিদ্র সদস্যের জন্য বরাদ্দ দিয়েছেন। একারণেই আমি ২৫ হাজার টাকা নিয়েছি। চেয়ারম্যানের সাথে কথা বলেই আপনাকে জানানো হবে।

১, ২ ও ৩ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা মেম্বার আখতারা বেগম ও তার স্বামীর বাচ্চা বাউয়ের বাড়িতে গেলে তাদের পাওয়া যায়নি। এ কারণে মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তারা রিসিভ না করায় তাদের কোন মন্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

ঠিকাদার তথা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এনামুল হক চৌধুরীর ছেলে বুলবুল চৌধুরী জানান, বাড়ির কাজ শেষ। এখন আপনি ২ নম্বর ইট খুজতেছেন? কোথাও কোন ২ নম্বর ইট দিয়ে বাড়ির কাজ করা হয়নি। কাজ করার কথা চেয়ারম্যানের সেখানে আপনি কেন? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমার বাবার পরিবর্তে আমিই কাজটি দেখাশোনা করছি। তাতে সমস্য কী?

সৈয়দপুর উপজেলা চেয়ারম্যান মোখছেদুল মোমিন বলেন, ওবায়দুল হক আওয়ামীলীগের একজন কট্টর সমর্থক। তার ব্যাপারে আমি জানি। সে খুবই গরীব। সৈয়দপুর উপজেলার জন্য প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ বরাদ্দ দুর্গোয ও ত্রাণ মন্তনালয়ের ৩০টি বাড়ির মধ্যে ৫টি বাড়ি আমি পেয়েছি। তার একটি ওবায়দুলকে দেওয়ার জন্য ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দকে দায়িত্ব দিয়েছিলাম। এক্ষেত্রে কেউ যদি আমার নাম করে বা অন্যকোনভাবে ওই দরিদ্র ওবায়দুলের কাছ থেকে অর্থ নিয়ে থাকে তাহলে তা খুবই দুঃখজনক। বিষয়টি আমি খতিয়ে দেখছি।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আবু হাসনাত সরকারের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি এ ব্যাপারে কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি। তিনি বলেন, আমি আমার চেষ্টা মত কাজ করেছি। মেম্বার চেয়ারম্যানরা অনিয়ম করে থাকলে তার দায়ভার আমরা নিবো না।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস এম গোলাম কিবরিয়া বলেন, টাকা নেওয়ার কোন প্রশ্নই আসেনা। কেউ যদি নিয়ে থাকে তাহলে লিখিত অভিযোগ দিলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আর নিম্নমানের ইট দেওয়া কোনভাবেই সম্ভব নয়। কেননা বাড়ি করার জন্য ইট আমরাই সংগ্রহ করে সরবরাহ করেছি। এখানে দুই নম্বরি করার কোন সুযোগ নেই।

উল্লেখ্য, সৈয়দপুর উপজেলার কাশিরাম বেলপুকুর ইউনিয়নে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ বরাদ্দের ৫টি বাড়ি দেওয়ার নামে প্রকাশ্যে অর্থ আদায়সহ নানা অনিয়ম করার মাধ্যমে হরিলুট করা হয়েছে। বিষয়টি যেন ইউনিয়নের প্রতিটি মানুষের মুখে মুখে।

তাদের বক্তব্য হলো যে বাড়ি প্রধানমন্ত্রী গরীব লোকদের জন্য বিনামূল্যে দিয়েছেন। সেই বাড়ি দেওয়ার নামে আওয়ামীলীগের লোকজনই যদি আওয়ামীলীগের লোকের কাছ থেকে টাকা নিয়ে দেয়। তাহলে সাধারণ মানুষের কী অবস্থা? এতে আওয়ামীলীগসহ সরকারের ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষুন্ন হয়েছে।

Feb2

চসিক নির্বাচনে জামায়াতের মেয়র প্রার্থী শামসুজ্জামান হেলালী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৪২ অপরাহ্ণ
চসিক নির্বাচনে জামায়াতের মেয়র প্রার্থী শামসুজ্জামান হেলালী

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) নির্বাচনে মেয়র পদে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হিসেবে অধ্যক্ষ মুহাম্মদ শামসুজ্জামান হেলালীর নাম চূড়ান্ত হয়েছে।

সোমবার (২০ এপ্রিল) সন্ধ্যায় নগর জামায়াতের শূরা বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে নগর শাখার সদস্যদের মতামত বিবেচনায় এনে তাকে প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া হয়।

নগর আমির নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি অধ্যক্ষ নুরুল আমিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ শাহজাহানসহ দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

নগর জামায়াতের অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি মোহাম্মদ উল্লাহ বলেন, গতকাল নগরের দায়িত্বশীলদের সভা ছিল। সেখানে কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ শাহজাহান চট্টগ্রামের মেয়র প্রার্থী হিসেবে শামসুজ্জামান হেলালীর নাম ঘোষণা করেন। আসন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচনে তিনি দলের পক্ষে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। কাউন্সিলর পদের প্রার্থীর জন্য মহানগর কমিটি কাজ করছে। সেটি পরে ঘোষণা করা হবে।

শামসুজ্জামান হেলালী এর আগে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের শুলকবহর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ছিলেন। তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১০ আসন থেকেও জামায়াতের প্রার্থী হিসেবে অংশ নিয়েছিলেন। ওই আসনে বিএনপির প্রার্থী সাঈদ আল নোমানের কাছে তিনি পরাজিত হন।

ভূমি ব্যবস্থাপনায় সংশ্লিষ্টদের সেবকের ভূমিকা পালন করতে হবে : ভূমি প্রতিমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৩১ অপরাহ্ণ
ভূমি ব্যবস্থাপনায় সংশ্লিষ্টদের সেবকের ভূমিকা পালন করতে হবে : ভূমি প্রতিমন্ত্রী

ভূমি ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সেবকের মানসিকতা নিয়ে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি। তিনি বলেন, ভূমির প্রকৃত মালিক সাধারণ মানুষের সহযোগিতায় আপনাদের সর্বদা নিবেদিত থাকতে হবে।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকালে ঢাকার সাতরাস্তায় অবস্থিত ভূমি ভবন পরিদর্শনে গিয়ে উপস্থিত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের উদ্দেশে তিনি এসব কথা বলেন।

পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী ভূমি ভবনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অংশ ঘুরে দেখেন, যার মধ্যে রয়েছে ভূমি জাদুঘর, শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম মনিটরিং সেল, ভূমি সেবা কেন্দ্র এবং ভূমি সেবা কল সেন্টার। এ সময় তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মীদের সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং তাদের দৈনন্দিন কাজের খোঁজখবর নেন।

ব্যারিস্টার মীর হেলাল উদ্দীন দক্ষ, স্বচ্ছ এবং জনবান্ধব ভূমি সেবা নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। তিনি মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের আরও তৎপর হওয়ার নির্দেশ দিয়ে বলেন, কাজের গতিশীলতা বজায় রাখতে হবে এবং সব ধরনের আবেদন বা কাজ দ্রুত নিষ্পত্তি করতে হবে। জনসেবার ক্ষেত্রে কোনোভাবেই দীর্ঘসূত্রতা কাম্য নয়।

শৃঙ্খলা ও দাপ্তরিক পরিবেশ রক্ষায় প্রতিমন্ত্রী কঠোর নির্দেশনা দিয়ে বলেন, প্রতিটি কর্মকর্তা-কর্মচারীকে নিয়মিত ও যথাসময়ে অফিসে উপস্থিত থাকতে হবে। এ ছাড়া অফিসের অভ্যন্তরীণ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার প্রতিও সকলকে সজাগ থাকার আহ্বান জানান তিনি।

পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রীর সাথে উপস্থিত ছিলেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এ এস এম সালেহ আহমেদ, ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (গ্রেড-১) ড. মো. মাহমুদ হাসান, ভূমি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন অনুবিভাগ) মো. এমদাদুল হক চৌধুরী এবং প্রতিমন্ত্রীর একান্ত সচিব (উপসচিব) মো. আশ্রাফুল ইসলাম।

এফএসআরইউ বন্ধ, গ্যাস সরবরাহে বড় ধাক্কা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:০৮ অপরাহ্ণ
এফএসআরইউ বন্ধ, গ্যাস সরবরাহে বড় ধাক্কা

কারিগরি ত্রুটির কারণে এলএনজি সরবরাহকারী একটি ভাসমান টার্মিনাল (এফএসআরইউ) বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দেশে গ্যাস সরবরাহে বড় ধরনের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। এতে প্রতিদিন প্রায় ৪০০ মিলিয়ন ঘনফুট (এমএমসিএফডি) গ্যাস কম সরবরাহ হচ্ছে বলে জানিয়েছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ।

মঙ্গলবার এক জরুরি নোটিশে সংস্থাটি জানায়, এই ঘাটতির প্রভাব পড়েছে গজারিয়া, মেঘনা ঘাট, সোনারগাঁ, নারায়ণগঞ্জসহ ঢাকার দক্ষিণাঞ্চলে। এসব এলাকায় গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ায় আবাসিক ও শিল্প গ্রাহকদের ভোগান্তি বাড়তে পারে।

তিতাস গ্যাসের ব্যবস্থাপক (মিডিয়া ও জনসংযোগ) মো. আল আমিন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আরএলএনজি সরবরাহের একটি এফএসআরইউ কারিগরি ত্রুটির কারণে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় গ্যাস সরবরাহে ঘাটতি তৈরি হয়েছে। এর ফলে তিতাস গ্যাসের আওতাধীন বিভিন্ন এলাকায় স্বল্পচাপ বিরাজ করছে।

সংস্থাটি জানিয়েছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কাজ করছে। তবে সমস্যা পুরোপুরি সমাধান না হওয়া পর্যন্ত গ্যাসের চাপ স্বাভাবিক নাও থাকতে পারে।

এ অবস্থায় গ্রাহকদের সাময়িক অসুবিধার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ। বিশেষ করে শিল্পাঞ্চলগুলোতে উৎপাদনে প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা, আর আবাসিক গ্রাহকরাও রান্নার কাজে বিঘ্নের শঙ্কা প্রকাশ করেছেন।