খুঁজুন
, ,

গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে যুবদল নেতা কর্মীদের অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে: ডা. শাহাদাত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 21 January, 2021, 8:40 pm
গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে যুবদল নেতা কর্মীদের অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে: ডা. শাহাদাত

চসিক নির্বাচনে বিএনপির মেয়র প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেনের ধানের শীষ প্রতিকের সমর্থনে চট্টগ্রাম মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা যুবদলের যৌথ উদ্যোগে নগরীতে বিশাল গণমিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার (২১ জানুয়ারী) বিকেলে নগরীর জমিয়তুল ফালাহ এলাকা থেকে জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রিয় কমিটির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সহসভাপতি ও চট্টগ্রাম মহানগর যুবদল সভাপতি মোশাররফ হোসেন দিপ্তীর সভাপতিত্বে এবং যুবদল কেন্দ্রিয় কমিটির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সহ সাধারণ সম্পাদক ও নগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ শাহেদের সঞ্চলনায় অনুষ্ঠিত গণমিছিল শেষে নগরীর টাইগারপাস মোড়ে পথসভায় মিলিত হয়।

এসময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেয়র প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, গণতন্ত্র রক্ষায় দেশ ও জাতির স্বার্থে আগামী ২৭ জানুয়ারী অনুষ্ঠিতব্য চসিক নির্বাচনে দল মত নির্বিশেষে চট্টগ্রামের উন্নয়নের স্বার্থে সকলকে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে নির্ভিগ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে নাগরিক অধিকার প্রয়োগ করতে হবে। তিনি উন্নয়নের ও স্বাধীনতার প্রতীক ধানের শীষে ভোট দিয়ে গণতন্ত্র পুণরুদ্ধারে চট্টগ্রামের যুবদল নেতাকর্মীদের অগ্রণী ভূমিকা পালনের জন্য আহবান জানান।

ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, বিএনপি সবসময় গণতন্ত্রে বিশ্বাসী। দেশ ও জাতির এবং গণতন্ত্রের স্বার্থে বিএনপি নির্বাচনে অংশ নিয়েছে এবং শেষ মূহুর্ত পর্যন্ত বিএনপি নির্বাচনী মাঠে থাকার চেষ্টায় থাকবে। কিন্ত আওয়ামী লীগ ধানের শীষের গণজোয়ার এবং নগরবাসীর মনোভাব বুঝতে পেরে নির্বাচনকে বানচাল করার জন্য কুটকৌশল অবলম্বন করে প্রশাসনকে ব্যবহার করে হামলা মামলা ও প্রচার কাজে বাধা সৃষ্টি করছে।

নির্বাচনকে ভন্ডুল করার চেষ্টায় তারা বুধবার রাতে বিনা উস্কানিতে নাসিমন ভবনের বিএনপি দলীয় কার্যালয়ে হামলা চালায় এবং ককটেল বিস্ফোরণ ও গাড়ী ভাঙচুর করে উল্টো বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের নামে মিথ্যা মামলা দিয়েছে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে কেন্দ্রিয় যুবদলের সভাপতি সাইফুল আলম নিরব বলেন, যুব ঐক্য প্রগতির ধারক বাহক জাতিয়তাবাদী যুবদলের জিয়ার সৈনিকদের মাঠে অবস্থান করে আগামী ২৭ জানুয়ারী ধানের শীষের বিজয় ছিনিয়ে আনতে নিরলসভাবে কাজ করতে হবে। হারানো গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে এবং বীর চট্টলার উন্নয়নের স্বার্থে ডা. শাহাদাত হোসেনের মত যোগ্য প্রার্থীকে বিজয় করে আনতে হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে কেন্দ্রিয় যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, দেশের সকল আন্দোলন সংগ্রামে জাতীয়তাবাদী যুবদল রাজপথে থেকে মানুষের মুক্তি এবং গণতন্ত্রের পক্ষে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছে। অতীতের ন্যায় এবারও যুবদলকে মাঠে থেকে সকল ভয়ভীতিকে উপেক্ষা করে ভোট কেন্দ্রে অবস্থান করে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে হবে।

পথসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রিয় যুবদলের সিনিয়র সহসভাপতি মোরতাজুল করিম বাদরু, কেন্দ্রিয় সহসভাপতি ইউসুফ বিন জলিল, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম নয়ন, যুগ্ম সম্পাদক মাহফুজুর রহমান মিনার, কেন্দ্রিয় যুবদলের সহ দপ্তর সম্পাদক এড. আজিজুর রহমান।

বক্তব্য রাখেন, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা যুবদলের সভাপতি মো. হাসান জসিম, দক্ষিণ জেলা যুবদলের সভপতি মো. শাহজাহান, সাধারণ সম্পাদত মো. আজগর, উত্তর জেলা সাধারণ সম্পাদক এসএ মুরাদ চৌধুরী, মহানগর যুবদলের সিনিয়র সহসভাপতি ইকবাল হোসেন, সহসভাপতি আজমল হুদা রিংকু, নুর আহমদ গুড্ডু, এস এম শাহ আলম রব, এম এ রাজ্জাক, ফজলুল হক সুমন, জাহাঙ্গীর আলম, আব্দুল করিম, আব্দুল গফুর বাবুল, সাহাবুদ্দিন হাসান বাবু, ম হামিদ, মো. মুসা, মিয়া মো. হারুন, মনিরুল হাসান সিদ্দিকী, নাছির উদ্দিন চৌধুরী নাছিম, হাসান মুরাদ, আবু সুফিয়ান, জাহেদুল হাসান বাবু, অরুপ বড়ুয়া, মো. আলী সাকি, মো. মনিরুজ্জামান মনির, সি. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হোসাইন, মোজাম্মেল হক. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান মাসুম, সৈয়দ মঞ্জুর হোসেন, আমান উল্লাহ আমান, হুমায়ুন কবির, ইকবাল পারভেজ, রাশেদুল হাসান লেবু, আব্দুল্লাহ আল টিটু, এরশাদ হোসেন, তাজুল ইসলাম তাজু, দীপঙ্কর ভট্টাচার্য, সেলিম উদ্দিন রাসেল, তৌহিদুল ইসলাম রাসেল, নগর যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক এমদাদুল হক বাদশা, রাজন খান, ওমর ফারুক, হেলাল হোসেন, গুলজার হোসেন, সহ সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌস আলম, আসাদুর রহমান টিপু, জাহাঙ্গীর আলম বাচা, ওসমান গণি, শাহজালাল পলাশ, সাইফুদ্দিন মো. মারুফ, আহাদ আলী সায়েম, জমির উদ্দিন আহমেদ মানিক, জাফর আহমেদ খোকন, মো. ইয়াছিনসহ নগর উত্তর ও দক্ষিণ জেলা যুবদলের সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য/সহ সম্পাদক/ সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Feb2
Feb2

চট্টগ্রামে ডিবি অফিসের সামনেই ইয়াবার হাট, হাটের রাজা ইয়াবা সম্রাট জয়, জড়িত গোয়েন্দা পুলিশের কিছু অসাধু সদস্য

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 23 August, 2026, 9:56 pm
চট্টগ্রামে ডিবি অফিসের সামনেই ইয়াবার হাট, হাটের রাজা ইয়াবা সম্রাট জয়, জড়িত গোয়েন্দা পুলিশের কিছু অসাধু সদস্য

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি::চট্টগ্রামের মুনছুরাবাদে ডিবি (গোয়েন্দা) পুলিশের কার্যালয়ের সামনে কর্ণফুলী ক্লাবের মাঠে প্রকাশ্যে মাদক বেচাকেনার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

জানাগেছে, চট্টগ্রামের ইয়াবা সম্রাট নামে খ্যাত জয় প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬ টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত কর্ণফুলী ক্লাবের মাঠে প্রকাশ্যে ইয়াবাসহ নানা নেশাজাত দ্রব্য বিক্রি করে । প্রতিদিন কোটি কোটি টাকার মাদক জাত দ্রব্য বিক্রি হয় কর্ণফুলী ক্লাবের মাঠে। এ ছাড়া পার্শ্ববর্তী রেশন স্টোর ও পুলিশের ব্র্যাক থেকেও ইয়াবা সাপ্লাই করে জয়।

অনুসন্ধানে জানা যায়, জয় এর এই অবৈধ মাদক ব্যবসার সাথে কিছু অসাধু গোয়েন্দা পুলিশের সদস্য জড়িত । ফলে নির্বিঘ্নে ও নিরাপদে মাদকের ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে জয়।

‎অনুসন্ধানে জানাযায়, গনি আহামদের ছেলে জাবেদ ওরফে জয়, কাজীর দেউড়ি ২ নং গলির বাসিন্দা হলেও বর্তমানে বাকলিয়া থানার বলির হাট এলাকায় বসবাস করে।

সুত্র জানায়, ডিবি পুলিশের কনেস্টেবল আজাদ, রবিউল,  হানিফ, সঞ্জয়, আব্দুর রহিম, ইয়াবা সম্রাট জাবেদ ওরফে জয় এর সহযোগী বলে জানা গেছে।

‎এছাড়া কর্ণফুলী ক্লাব থেকে রূপসা বেকারী পর্যন্ত ব্যবসায়ী ও সাধারণ জনগণ জয়কে ডিবি অফিসার হিসাবে চিনে ও জানে, অনেকেই আবার জয়কে জয় স্যার বলে সম্বোধন করে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ডিবি পুলিশের কয়েকজন সদস্য বলেন, আইনের লোকেরা যখন বেআইনি কাজে জড়িয়ে পড়ে তখন কিছুই বলার থাকে না। পুলিশের ব্র্যাকে মাদক দ্রব্য রেখে গোয়েন্দা পুলিশের অফিসের সামনে কর্ণফুলী ক্লাবের মাঠে চট্টগ্রামের চিহ্নিত ইয়াবা ব্যবসায়ী মিস্ত্রী পাড়ার বিপ্লব ও বউ বাজারে ডাইল নুরুকে নিয়ে জয় যে মাদকের হাট বসায় তা মেনে নেওয়ার নয়। গোয়েন্দা পুলিশের যে সদস্যরা জয়ের সাথে জড়িত তারা সবাই কোটি কোটি টাকার মালিক তাদের টাকার দাপটে আমরা অসহায়। খোদ উর্ধ্বতনরাও টাকার কাছে জিম্মি বলে মনে হয়।

‎নেশাগ্রস্থ অবস্থায় জয় যখন পুলিশ ব্র্যাকে শুয়ে থাকে তখনও কিছুই বলার থাকেনা। সন্ধ্যা হলে নগরীর চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীরা আসে কর্ণফুলী ক্লাবের মাঠে ।

‎সিএমপিতে দীর্ঘ দিন ধরে চট্টগ্রামের বাকলিয়ার মাদক সম্ম্রাট ইছহাক, সোবহান, ও পাহারতলীর মাদক সম্ম্রাট টেক্সি জসিম আলমগীর ও কদম তলীর শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ি আলো সহ আরো অসংখ্য মাদক ব্যবসায়ীর নিকট মাদক ও ইয়াবা ট্যাবলেট বিক্রয় করে আসছে।

ক্লাবের ভিতরে মাঠে চেয়ার নিয়ে বসে থাকে, জয় , ডাইল নুরু ও ইয়াবা সম্রাট বিপ্লব। পার্টি আসলে ব্র্যাক থেকে মাদক দ্রব্য নিয়ে আসে অসাধু পুলিশ সদস্যরা।

‎এই বিষয়ে জয়ের কাছে জানতে চাইলে তিনি অসংলগ্ন কথাবার্তা বলেন। একবার বলেন আমি ফার্নিচার ব্যবসায়ী, আবার বলেন আমি এইসব ছেড়ে দিয়েছি। আবার অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে বলেন, আমি জানি কে এইসব আমার ব্যাপারে বলেছে। আপনার খবর নিয়ে দেখবো আপনি কে ?

‎মাদকের ব্যাপারে সারাদেশের প্রসাশন জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষনা করলেও সিএমপি গোয়েন্দা কার্যালয়ের সামনে এমন কান্ডকে ভাবিয়ে তোলে সচেতন মহলকে।

‎এই বিষয়ে ডিসি (ডিবি উত্তর) এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সিএমপিতে একসঙ্গে ৫ থানার ওসি রদবদল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 23 August, 2026, 9:29 pm
সিএমপিতে একসঙ্গে ৫ থানার ওসি রদবদল

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) পাঁচ থানায় অফিসার ইনচার্জ (ওসি) পদে বড় ধরনের রদবদল করা হয়েছে। একই আদেশে কয়েকজন ওসিকে বদলি এবং বিভিন্ন ইউনিট থেকে নতুন কর্মকর্তাদের থানায় পদায়ন করা হয়েছে।

শনিবার (২৩ আগস্ট) সন্ধ্যায় সিএমপি কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ রদবদলের তথ্য জানানো হয়।

আদেশ অনুযায়ী, কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের পুলিশ পরিদর্শক নুর আহমদকে কর্ণফুলী থানার ওসি, সিটিএসবির মোহাম্মদ আবদুর রহিমকে খুলশী থানার ওসি এবং কর্ণফুলী থানার বর্তমান ওসি মো. ইখতিয়ারউদ্দিনকে বায়েজিদ বোস্তামি থানার ওসি হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

এ ছাড়া ডিবি বন্দর জোনের পুলিশ পরিদর্শক মো. জয়নাল আবেদীন মন্ডলকে হালিশহর থানার ওসি এবং খুলশী থানার বর্তমান ওসি মোজাম্মেল হককে পাঁচলাইশ মডেল থানার ওসি করা হয়েছে।

অন্যদিকে, পাঁচলাইশ মডেল থানার বর্তমান ওসি মো. জাহেদুল ইসলামকে বদলি করে সিটিএসবিতে পদায়ন করা হয়েছে। পাশাপাশি সিটিএসবির মোহাম্মদ একরাম উল্লাহকে সদরঘাট থানার ওসি হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

সিএমপির জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।

পাহাড়ে ‘রেইনবো নেশন’ বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান ভূমি ও পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 23 August, 2026, 8:20 pm
পাহাড়ে ‘রেইনবো নেশন’ বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান ভূমি ও পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীর

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও ভূমি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি বলেছেন, পার্বত্য অঞ্চলের তিন জেলায় বসবাসরত পাহাড়ি-বাঙালি সব সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে সম্প্রীতি সুদৃঢ় করে সরকার ঘোষিত ‘রেইনবো নেশন’ বাস্তবায়নে সবাইকে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে।

তিনি উল্লেখ করেন, শুধু অবকাঠামোগত উন্নয়নই যথেষ্ট নয়; দুর্গম ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর সামাজিক ও অর্থনৈতিক পরিবর্তনের লক্ষ্যে শিক্ষা, আধুনিক প্রযুক্তি এবং দক্ষতার বিকাশ ঘটিয়ে তাদের সুনাগরিক ও মানবসম্পদে পরিণত করতে হবে।

আজ রোববার রাঙ্গামাটিতে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক আয়োজিত তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক প্রশিক্ষণ সনদ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাল্টিমিডিয়া সামগ্রী ও নারীদের আত্মকর্মসংস্থানের লক্ষ্যে সেলাই মেশিন বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে প্রতিমন্ত্রী উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা- কর্মচারীদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।

প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের জনগণের জীবনমান উন্নয়ন ও অধিকার নিশ্চিত করার বৃহৎ দর্শন নিয়ে ১৯৭৬ সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। সেই স্বপ্ন ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে ধর্ম, বর্ণ বা গোত্র নির্বিশেষে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কাছে উন্নয়নের সুফল পৌঁছে দিতে হবে।

তরুণদের উদ্দেশ্যে ব্যারিস্টার মীর হেলাল বলেন, ফ্রিল্যান্সিংসহ আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর প্রশিক্ষণের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে যেন তারা ঘরে বসেই উপার্জন করতে পারেন এবং এই আয়কে সরকার করমুক্ত ঘোষণা করেছে। একইসঙ্গে ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মের সুযোগ কাজে লাগানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি যুবকদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে উন্নয়ন বোর্ডকে নতুন নতুন স্কিম গ্রহণের নির্দেশনা দেন।

কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, সরকার জনগণের সেবক। সেবার মানসিকতা নিয়ে সর্বোচ্চ নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করতে হবে যেন জনগণকে সেবার জন্য বারবার অফিসে আসতে না হয়, বরং সেবা পৌঁছে যায় মানুষের দোরগোড়ায়। এসডিজি অর্জনে মন্ত্রণালয় ও উন্নয়ন বোর্ডকে সমন্বিত পরিবারের মতো কাজ করতে হবে। এ সময় তিনি বোর্ডের শূন্য পদগুলো দ্রুত পূরণ করা, পেনশন সুবিধার বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ এবং পাড়া কেন্দ্রের কর্মীদের বেতন ও সুযোগ-সুবিধা যৌক্তিক পর্যায়ে উন্নীত করতে ডিপিপি (DPP) সংশোধনের আশ্বাস দেন।

দিনব্যাপী সফরকালে প্রতিমন্ত্রী ৫০ জন নারীকে সেলাই মেশিন ও ২৫০টি স্কুলে মাল্টিমিডিয়া সামগ্রী বিতরণ করেন। এছাড়া তিনি রাঙ্গামাটি শিশু পার্কের ওয়াচ টাওয়ার, জেলা পরিষদের ই-লার্নিং সেন্টার এবং খাগড়াছড়ি-রাঙ্গামাটি সড়কে মহাপুরম খালের ওপর ব্রিজের উদ্বোধন করেন।

পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) অনুপ কুমার চাকমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান শেখ ছালেহ্ আহাম্মদ, জেলা পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব, সদস্য (অর্থ) সুমন বড়ুয়া, সদস্য (পরিকল্পনা) জাহিদ ইকবালসহ সামরিক-বেসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।