খুঁজুন
, ,

লোহাগাড়ায় চিহ্নিত শিবির ক্যাডার, সাজাপ্রাপ্ত আসামি, নৌকা বিরোধী, মোটর মেকানিক, প্রবাসীও এখন স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা!

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 13 February, 2021, 9:28 pm
লোহাগাড়ায় চিহ্নিত শিবির ক্যাডার, সাজাপ্রাপ্ত আসামি, নৌকা বিরোধী, মোটর মেকানিক, প্রবাসীও এখন স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা!

নিজস্ব প্রতিবেদক : দলীয় প্রতীক নৌকার বিরোধিতাকারী এবং নিজের গ্রুপ ভারী করতে বিএনপি- জামায়াত থেকে লোক ভাড়া এনে দলের পদ-পদবীতে স্থান না দিতে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্পষ্ট নির্দেশনাকে অনেকটা চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ।

গত উপজেলা ও ইউপি নির্বাচনে প্রকাশ্যে নৌকার বিরোধিতাকারী, চিহ্নিত ছাত্রশিবির ক্যাডার ও রাজপথে ছাত্রদলের মিছিলে নেতৃত্বদানকারী, নারী নির্যাতন মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামী, মোটরসাইকেল মেকানিক ও দুবাই প্রবাসীসহ বিতর্কিত ব্যাক্তিদের মুল নেতৃত্বে এনে গত ২৬ জানুয়ারী মধ্যরাতে ফেসবুকের মাধ্যমে লোহাগাড়া উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের ১৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা করে নানা বিতর্কের জন্ম দিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ।

অথচ গত ২০২০ সালের ১০ ডিসেম্বর নুরুল কবির সলিলকে আহবায়ক, আবছার উদ্দিন, জামিল উদ্দিন ও মিজানুর রহমান মিজানকে যুগ্ম আহবায়ক করে ৪ সদস্যের একটি আহবায়ক কমিটির অনুমোদন দেয়া হয়। মাত্র ৪৭ দিনের ব্যবধানে এক উপজেলায় দুইটি কমিটিরই অনুমোদন দেন দক্ষিণ জেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মোহাম্মদ জোবায়ের ও সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী মোহাম্মদ গালিব সাদলী।

আর এতে পুরো উপজেলাজুড়ে দলের ত্যাগী ও পরিক্ষিত নেতাকর্মীদের মাঝে চলছে নানা বিতর্ক, চরম ক্ষোভ ও উত্তেজনা। চলছে নানা পাল্টা-পাল্টি কর্মসুচিও। ফলে, দুই কমিটির নেতাকর্মীদের মধ্যে যেকোন মুহুর্তে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষেরও আশংকা করছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয় নেতৃবৃন্দের অভিযোগ, মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে দলের নির্যাতিত, ত্যাগী ও পরীক্ষিত কর্মীদের বাদ দিয়ে বিতর্কিত ব্যাক্তিদের নিয়ে কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।

তাই, কমিটি ঘোষণার পর থেকেই ঘোষিত কমিটির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও এক নাম্বার সহ-সভাপতিসহ বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ব্যাপক লেখালেখি করে সমালোচনার ঝড় তুলেছেন দলের ত্যাগী নেতাকর্মীরা।

লোহাগাড়া উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম আহবায়ক ও দীর্ঘদিন উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহবায়কের দায়িত্ব পালন করা মিজানুর রহমান মিজান জানান, ঘোষিত কমিটির সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবীর ছিলেন ছাত্রশিবিরের সাবেক শীর্ষ ক্যাডার সাতকানিয়ার বহুল আলোচিত আহমদু বাহিনীর অন্যতম প্রধান সহযোগী। সাতকানিয়ায় আহমদুর প্রতিষ্টিত বিতর্কিত ক্যাডার ভিত্তিক সংগঠন ‘টাইগার ক্লাব’র প্রতিষ্টাতা সদস্য সে। পরে শিবিরের শীর্ষ ক্যাডার আহামদু বিএনপিতে যোগ দিলে হুমায়ুনও তার সাথে বিএনপিতে যোগ দেয়। বনে যায় রাতারাতি ছাত্রদলের হর্তাকর্তা। সাতকানিয়া উপজেলা ছাত্রদলের তৎকালীন সভাপতি এহতেশামুল আজিমের সাথে আওয়ামী লীগ সরকার বিরোধী সকল আন্দোলন-সংগ্রামের মিছিলে অগ্রভাগে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছে হুমায়ুন। অলরেডি এসব মিছিলের ছবি ফেসবুকে ইতোমধ্যে ভাইরালও হয়েছে। এছাড়াও তার আদি বাড়ী সাতকানিয়া উপজেলার বারদোনা গ্রামে। বিগত বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময়ে বহু আওয়ামী নেতাকর্মীদের নির্যাতনকারী হিসেবে চিহ্নিত হুমায়ুন নিজ গ্রাম থেকে বিতাড়িত হয়ে লোহাগাড়া উপজেলার দক্ষিণ সুখছড়ি গ্রামে শ্বশুর বাড়িতে ঘর জামাই হিসেবে আশ্রিত হন। পরে ২০১৮ সালের দিকে বর্তমান চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের শিল্প ও বাণিজ্য সম্পাদক আরিফুর রহমানের সাথে সুসম্পর্ক গড়ে তোলেন।

অতপর: মাত্র দুই বছরের ব্যবধানে লোহাগাড়া উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদকের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদ ভাগিয়ে নেন হুমায়ুন। যিনি বহু আওয়ামী নেতাকর্মীকে নির্যাতনের দায়ে ঘৃনিত হয়ে নিজ গ্রাম থেকে বিতাড়িত হওয়ার পর শ্বশুর বাড়িতে আশ্রিত এমন একজন ব্যক্তির নেতৃত্বে আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের মতো গুরুত্বপূর্ণ সংগঠন কতটুকু নিরাপদ? আওয়ামী লীগের সর্বোচ্চ নেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে তার জবাব চাই।

এদিকে, ঘোষিত কমিটির সভাপতি রিদওয়ানুল হক সুজনের বিরুদ্ধেও রয়েছে নানা অভিযোগ। গত উপজেলা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকার প্রার্থীকে পরাজিত করতে আট-ঘাট বেঁধে মাঠে নেমেছিলেন সুজন। এ নির্বাচনে লোহাগাড়া উপজেলা এলডিপির সভাপতি আনারস প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী জিয়াউল হক চৌধুরী বাবুলের অন্যতম নির্বাচনী সমন্বয়কের দায়িত্বও পালন করেন তিনি। নির্বাচনের পরে ২০১৯ সালের ৪ এপ্রিল দলের সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে পাঠানো নৌকার বিরোধীতাকারীর তালিকায় সুজনের নাম রয়েছে ২৮ নাম্বারে। সদ্য সমাপ্ত লোহাগাড়া সদর ইউপি নির্বাচনেও নৌকা প্রতীকের বিরোধিতা করার অভিযোগ রয়েছে সুজনের বিরুদ্ধে। নির্বাচন পরবর্তী গত ২০২০ সালের ৭ নভেম্বর অনুষ্টিত উপজেলা আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভায় দলীয় প্রতীক নৌকা বিরোধী ভূমিকায় রিদওয়ানুল হক সুজনসহ আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে দলের হাজারো নেতাকর্মীর সামনে প্রকাশ্যে ক্ষোভ ঝাড়েন আওয়ামী লীগের স্থানীয় সংসদ সদস্য প্রফেসর ড. আবু রেজা মুহাম্মাদ নেজামুদ্দীন নদভী। লোহাগাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গত উপজেলা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী খোরশেদ আলম চৌধুরী এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও সুজনের বিরুদ্ধে বার আউলিয়া ডিগ্রী কলেজ ছাত্রলীগ নেতা তৌকির হত্যাকান্ডের সাথে সম্পৃক্ততারও অভিযোগ তুলেছেন নিহত তৌকিরের বৃদ্ধ মা আয়েশা বেগম ও বড় ভাই মো: আলমগীর। তাঁরা গত ২০২০ সনের ৭ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে উপস্থিত হয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনে তৌকির হত্যার পর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গ থেকে ভূঁয়া খালাতো ভাই সেজে তৌকিরের লাশ গ্রহণের অভিযোগও আনেন সুজনের বিরুদ্ধে। এসময় সুজনসহ এ হত্যাকান্ডে জড়িত সকলের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করেছিলেন তৌকিরের পরিবার।

৪৭ দিনের মধ্যে দুই কমিটি

ঘোষিত কমিটির এক নাম্বার সহ-সভাপতি আকতার হোসেন ফরিদ ওরফে এলজি ফরিদের বিরুদ্ধেও রয়েছে নারী ও শিশু নির্যাতন মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত হওয়ার অভিযোগ।

গত ২০১৮ সালের ৩ জানুয়ারী আদালত নারী ও শিশু নির্যাতন মামলায় তাকে যাবজ্জীবন সাজা দেন। এছাড়াও অস্ত্র, পুলিশের ওপর হামলা, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অভিযোগে তার বিরুদ্ধে রয়েছে আরও ৪/৫ টি মামলা।

কমিটির তিন নাম্বার সহ-সভাপতি বেলাল উদ্দিন বেলাল কোন সময় আওয়ামী রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন না। পেশায় মোটরসাইকেল মেকানিক। চার নাম্বার সহ-সভাপতি সাইফুল ইসলাম জিয়ার বিরুদ্ধে জামায়াত-শিবিরের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে।
কমিটির দুই নাম্বার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসেন রকি দুবাই প্রবাসী। সে তিন মাস পূর্বে দেশে এসে স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের পদ ভাগিয়ে নিয়ে আবার দুবাই ফিরে যান। কমিটির অন্যান্য সদস্যের বিরুদ্ধেও রয়েছে নানা অভিযোগ ও বিতর্ক। মোটা অংকের আর্থিক লেনদেন এবং আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় এক নেতার সাথে ঘনিষ্টতার কারণে তারা তিনজনই স্বেচ্ছাসেবক লীগের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ সংগঠনের উপজেলা কমিটির সহ-সভাপতি ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে আসীন হয়েছেন- এমন অভিযোগ ৪৭ দিন পূর্বে গত ১০ ডিসেম্বর অনুমোদিত কমিটির আহবায়ক নুরুল কবির সলিল ও যুগ্ম আহবায়ক আবছার উদ্দিনের।

অন্যদিকে, সাতকানিয়া-লোহাগাড়া আসনের স্থানীয় সংসদ সদস্য প্রফেসর ড. আবু রেজা মুহাম্মাদ নেজামুদ্দীন নদভী ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা আমিনুল ইসলাম আমিনকে পাশ কাটিয়ে এ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে বলে অভিযোগ দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের বিরুদ্ধে। তাছাড়া কোন মতামতও নেয়া হয়নি লোহাগাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগ থেকেও। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় এক নেতাকে সন্তুষ্ট করতেই তাঁর অনুসারীদের নিয়ে তড়িঘড়ি করে একতরফাভাবে এ কমিটির অনুমোদন দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মোহাম্মদ জোবায়ের বলেন, সাংগঠনিক কর্মকান্ডকে গতিশীল করতে লোহাগাড়া উপজেলা কমিটি অনুমোদন দেয়া হয়েছে। দুটি কমিটি অনুমোদন করা হয়নি। আমরা অফিসিয়ালি সুজন- হুমায়ুনের নেতৃত্বাধীন কমিটিই পাবলিষ্ট করেছি।

কমিটি অনুমোদনের ক্ষেত্রে দলের স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের মতামত নেয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আসলে এদের কোন মতামত নেয়া হয়নি। দক্ষিণ জেলা কমিটিকে থাকা লোহাগাড়ার নেতাদের সুপারিশে এ কমিটি অনুমোদন দেয়া হয়েছে। ঘোষিত কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুনের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ কয়েকজনের ফেসবুক পোষ্টে দেখেছি ; আবার অনেকেই আমার মেসেঞ্জারেও পাঠিয়েছে।

সভাপতি সুজনের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের ব্যাপারে আমি অবগত নই। তবে, এসব অভিযোগ প্রমাণিত হলে বিষয়টি দেখবো।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক আফজালুর রহমান বাবু মুঠোফোনে বলেন, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ কর্তৃক ৪৭ দিনের মাথায় এক উপজেলায় দুটি কমিটি ঘোষণার বিষয়ে আমি অবগত নই। কমিটিতে নৌকার বিরোধিতাকারী, শিবির ক্যাডার, নারী নির্যাতন মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি স্থান পাওয়ার বিষয়ে আমি খোঁজ নিচ্ছি। এ মুহুর্তে আমি একটি মিটিং এ আছি ভাই জানালেন আফজালুর রহমান বাবু।

এ প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপ- প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুল ইসলাম বলেন, সাতকানিয়া-লোহাগাড়ার সন্তান হিসেবে লোহাগাড়া উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের কমিটি ঘোষণার বিষয়ে আমার কোন মতামত চাওয়া হয়নি এবং এ বিষয়ে আমি কিছুই জানি না।

আওয়ামী লীগের দলীয় স্থানীয় সংসদ সদস্য প্রফেসর আবু রেজা মুহাম্মাদ নেজামুদ্দীন নদভী বলেন, দলের স্থানীয় সংসদ সদস্য হিসেবে লোহাগাড়া উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে আমার মতামত নেওয়া উচিত ছিল জেলা কমিটির। কিন্তু আমার কোন মতামত নেয়া হয়নি। এ বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। ফেসবুকে কমিটি দেখেছি মাত্র। বিপ্লব বড়ুয়াকে সন্তুষ্ট করতেই মধ্যরাতে ফেসবুকে এ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। জানতে পারলাম নৌকার বিরোধিতাকারী, ছাত্রলীগ নেতা হত্যার সাথে জড়িত, সাতকানিয়ার চিহ্নিত শিবির ক্যাডার, নারী নির্যাতন মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি ও মোটরসাইকেল মেকানিকসহ বিতর্কিত ব্যক্তিদের নিয়ে এ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এ কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে মোটা অংকের লেনদেনও হয়েছে বলে আমি শুনেছি।

লোহাগাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খোরশেদ আলম চৌধুরী বলেন, লোহাগাড়া উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে আমাদের কাছ থেকে কোন মতামত নেয়া তো দুরের কথা জানিও না কমিটি দেয়া হচ্ছে। সাতকানিয়া থেকে শিবির ক্যাডারকে ভাড়া করে এনে লোহাগাড়ায় নেতা বানানো হচ্ছে বিষয়টি বুঝলাম না। আর উপজেলা ও ইউপি নির্বাচনে প্রকাশ্যে নৌকার বিরোধিতা করা ও এলডিপির সভাপতির পক্ষে ভুমিকা পালনকারী ব্যক্তিকে স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি করা কর্ণেল অলির এজেন্ডা বাস্তবায়ন নয় কি? জেলা ও কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের কাছে প্রশ্ন রাখেন লোহাগাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও গত উপজেলা নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী খোরশেদ আলম চৌধুরী।

২৪ ঘণ্টা/আজাদ

Feb2
Feb2

৭ বছরে কাপ্তাই সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদন ৬ কোটি ৩৭ লাখ ইউনিট

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 4 September, 2026, 10:26 am
৭ বছরে কাপ্তাই সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদন ৬ কোটি ৩৭ লাখ ইউনিট

‎‎রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে দেশের প্রথম অন-গ্রিড সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে গত সাত বছরে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়েছে প্রায় ৬ কোটি ৩৭ লাখ ইউনিট বিদ্যুৎ। ৭ দশমিক ৪ মেগাওয়াট ক্ষমতার এ কেন্দ্রটি পরিত্যক্ত জমিতে নির্মাণের পর থেকে নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। উৎপাদিত বিদ্যুতের আনুমানিক বাণিজ্যিক মূল্য প্রায় ৭৪ কোটি টাকা।

জ্বালানি আমদানির ওপর নির্ভরতা কমানো, উৎপাদন ব্যয় নিয়ন্ত্রণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে বাংলাদেশ। এরই অংশ হিসেবে কাপ্তাইয়ের এ সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রকে দেশের সৌরবিদ্যুৎ খাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

‎১৯৬২ সালে কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের পর কাপ্তাই বাঁধের পাশে প্রায় ২২ একর জমি দীর্ঘদিন পরিত্যক্ত ছিল। প্রায় পাঁচ দশক পর ওই জমির ১৯ একর এলাকায় প্রায় ১১১ কোটি টাকা ব্যয়ে ৭ দশমিক ৪ মেগাওয়াট ক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করা হয়। ২০১৯ সালে কেন্দ্রটির উৎপাদন কার্যক্রম শুরু হয়।

কাপ্তাই সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের সহকারী প্রকৌশলী মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে তেল, গ্যাস বা কয়লার প্রয়োজন হয় না। ফলে জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমানোর পাশাপাশি কার্বন নিঃসরণ কমাতেও সৌরবিদ্যুৎ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। গত সাত বছরে ৭ দশমিক ৪ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন এই সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে প্রায় ৬ কোটি ৩৭ লাখ ইউনিট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে দিতে সক্ষম হয়েছি, যার বাণিজ্যিক মূল্য প্রায় ৭৪ কোটি টাকা।

তিনি বলেন, দেশে বিদ্যুতের চাহিদা বাড়ার সঙ্গে জ্বালানি আমদানির ব্যয়ও বাড়ছে। এ অবস্থায় সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানো গেলে জ্বালানি আমদানির ওপর চাপ কমানো সম্ভব। একই সঙ্গে সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র পরিচালনায় তুলনামূলকভাবে কম জনবল প্রয়োজন হয়।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে গ্রামীণ পর্যায়ে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ, কৃষিভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ এবং বড় আকারের সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপনে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। এতে বিদ্যুতের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার ও আমদানি নির্ভরতা কমানো সম্ভব হবে।

‎এদিকে কাপ্তাই সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রের সক্ষমতা আরও বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক মাহমুদ হাসান জানান, বর্তমান সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রের সঙ্গে আরও ১ মেগাওয়াট সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি ৭ দশমিক ৬ মেগাওয়াটের নতুন একটি প্রকল্পের কাজ চলছে।

‎তিনি বলেন, সৌরবিদ্যুতের উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানো গেলে নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে আরও বেশি বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করা সম্ভব হবে।‎

কাপ্তাই সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রের সাত বছরের উৎপাদন ও সাফল্য দেশের নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে নতুন সম্ভাবনার পথ দেখাচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, সৌরবিদ্যুতের বিস্তার ঘটাতে সরকারি সহায়তা, প্রয়োজনীয় নীতিগত সুবিধা ও বিনিয়োগ বাড়ানো গেলে জীবাশ্ম জ্বালানির আমদানি কমানোর পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় ও দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করা সম্ভব।

রাউজানে যুবককে গুলি করে হত্যা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 4 September, 2026, 10:12 am
রাউজানে যুবককে গুলি করে হত্যা

চট্টগ্রামের রাউজানে আবারও গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে করিম নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টার দিকে উপজেলার উরকিরচর ইউনিয়নের কেরাণীহাট বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, নিহত করিম বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তবে দলের কোনো পদে ছিলেন কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

বিষয়টি নিশ্চিত করে রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, গুলিতে এক যুবক নিহত হয়েছেন। কে বা কারা তাকে হত্যা করেছে, তা এখনো জানা যায়নি। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছে এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর থেকে রাউজান উপজেলায় অন্তত ২১ জন হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। তাদের বেশির ভাগই প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। সর্বশেষ করিমের হত্যাকাণ্ডের পর এ সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ২২ জনে।

সাংগঠনিক প্রয়োজনে বিলুপ্ত চট্টগ্রাম মহানগর যুবদল কমিটি পুনর্বহাল করা হয়: মোনায়েম মুন্না

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 3 September, 2026, 8:12 pm
সাংগঠনিক প্রয়োজনে বিলুপ্ত চট্টগ্রাম মহানগর যুবদল কমিটি পুনর্বহাল করা হয়: মোনায়েম মুন্না

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না বলেন, সারা বাংলাদেশসহ ও দেশের বাইরে বিভিন্ন ইউনিট কমিটি মিলিয়ে সর্বমোট যুবদলের ৮২টি ইউনিট কমিটি বিদ্যামান। ঢাকার পরে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইউনিট হলো চট্টগ্রাম মহানগর যুবদল। ফ্যাসিষ্ট হাসিনা ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পর অন্তর্বর্তী সরকারের সময় একটি বিশেষ ঘটনাকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদল কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছিল। বিলুপ্ত হওয়ার পরও সভাপতি দিপ্তী সাধারণ সম্পাদক শাহেদ এর নেতৃত্বে কেন্দ্র ঘোষিত সকল কর্মসূচী খুব সুন্দর সুচারুরূপে পালন করে আসছে। সাংগঠনিক প্রয়োজনে বিলুপ্ত চট্টগ্রাম মহানগর যুবদল কমিটি গত ২৫ আগষ্ট পুনর্বহাল করা হয়।

তিনি আজ বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৩টায় কাজীর দেউড়ি নাসিমন ভবনস্থ চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে সম্মুখ মাঠে “সমসাময়িক বিষয়াবলী ও সাংগঠনিক স্বাভাবিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে” চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত কর্মীসভায় প্রধান অতিথি বক্তব্য তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের আওতাধীন ১৫টি থানা ও ৪৩টি সাংগঠনিক ওয়ার্ড যুবদলের কমিটি দেওয়া হবে। বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বে সবার আগে বাংলাদেশ হৃদয়ে ধারণ করে জাতীয়তাবাদী যুবদলের নেতাকর্মীরা সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড জনগণের মাঝে তুলে ধরবেন। যুবদল সবচেয়ে সুশৃঙ্খল একটি সংগঠন। যুবদলের নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ থেকে দেশবিরোধী যেকোন ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করতে অতীতের ন্যায় প্রস্তুত। তিনি এ সময় চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের কমিটি পুনর্গঠনের ঘোষণা দেন।

চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সভাপতি মোশাররফ হোসেন দীপ্তি’র সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ শাহেদের সঞ্চালনায় এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন যুবদলের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি জিয়াউর রহমান জিয়া, মাহফুজুর রহমান মাহফুজ ও ফেরদৌস আহমেদ মুন্না, রাজশাহী মহানগর যুবদলের আহবায়ক শরিফুল ইসলাম জনি।

উক্ত কর্মীসভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি ইকবাল হোসেন, সহ-সভাপতি নুর আহমেদ গুড্ডু, এস এম শাহ আলম রব, শাহেদ আকবর, এম এ রাজ্জাক, ফজলুল হক সুমন, মোহাম্মদ ইলিয়াস, জাহাঙ্গীর আলম, আবদুল গফুর বাবুল, দিদারুল ফেরদৌস, মোহাম্মদ মুছা, মিয়া মো. হারুন, হায়দার আলী চৌধুরী, নাসির উদ্দিন চৌধুরী নাসিম, জসিমুল ইসলাম কিশোর, এডভোকেট ফিরোজ, মজিবুর রহমান, আবু সুফিয়ান, বায়েজিদ বোস্তামি থানা যুবদলের আহবায়ক অরূপ বড়ুয়া, পাঁচলাইশ থানা যুবদলের আহবায়ক মোহাম্মদ আলী সাকি, মহানগর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক মোশাররফ হোসাইন, যুগ্ম সম্পাদক হাবিবুর রহমান মাসুম, মো. হুমায়ূন কবির, মোহাম্মদ সেলিম খাঁন, ইকবাল পারভেজ, রাশেদুল হাসান লেবু, আবদুল্লাহ আল টিটু, মো. এরশাদ উল্লাহ, মো. এরশাদ হোসেন, তাজুল ইসলাম তাজু, আবদুল হামিদ পিন্টু, সেলিম উদ্দিন রাসেল, তৌহিদুল ইসলাম রাসেল, জিয়াউল হুদা জিয়া, শাহিন পাটোয়ারী, ইকরামুল হক ছুট্টু, সাংগঠনিক সম্পাদক এমদাদুল হক বাদশা, খুলশী থানা যুবদলের আহবায়ক হেলাল হোসেন হেলাল, চান্দগাঁও থানা যুবদলের আহবায়ক গুলজার হোসেন, মহানগর যুবদলের সহ সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌস আলম, আসাদুর রহমান টিপু, সাজ্জাদ হোসেন সাজু, শাহজালাল পলাশ, মজিবুর রহমান রাসেল, সাইফুদ্দিন মো. মারুফ, আহাদ আলী সায়েম, তানভীর মল্লিক, রাজন খান, এস এম ফারুক, সম্পাদক মন্ডলী’র সদস্য নুর হোসেন উজ্জ্বল, জিল্লুর রহমান জুয়েল, মোহাম্মদ সাগির, জসিম উদ্দিন সাগর, মোহাম্মদ আলাউদ্দিন, মোহাম্মদ আলী, মহিউদ্দিন মুকুল, এস এম বখতেয়ার উদ্দিন, ইফতেখার শাহরিয়ার আজম, মোহাম্মদ নুরুল আমিন, মোহাম্মদ ইকবাল, মোহাম্মদ নওশাদ, সহ সম্পাদক আতিকুর রহমান আতিক, কামাল উদ্দিন, মনোয়ার হোসেন মানিক, শাহেদুল ইসলাম শাহেদ, জহিরুল ইসলাম জহির, কমল জ্যৌতি বড়ুয়া, কামরুল ইসলাম, জিয়াউল হুদা মিন্টু, মোহাম্মদ মঞ্জুরুল আলম মঞ্জু, মাহবুবুর রহমান, কোরবান আলী, মেজবাহ উদ্দিন মিন্টু, হাফেজ মুহাম্মদ কামাল উদ্দিন, আনোয়ার হোসেন আনু, মোহাম্মদ ইদ্রিস, সালাহউদ্দিন, আরিফ হোসেন, ইয়াছিন আজাদ, আবুল কালাম, মো. জসিম উদ্দিন, নুরুল ইসলাম আজাদ, সিরাজুল ইসলাম শিকদার, দেলোয়ার হোসেন, ফারুক হোসেন স্বপন, ইদ্রিস আলম, গুলজার হোসেন মিন্টু, আবদুল্লাহ আল মামুন জিতু, মোহাম্মদ খোরশেদ, জাহাঙ্গীর আলম বাবু, হোসেন উজ জামান, নুর জাহেদ বাবলু, জাহাঙ্গীর আলম মানিক, এ কে আজাদ, মো. সাইদুল ইসলাম, মিজানুর রহমান দুলাল, মিফতাহ উদ্দীন শিকদার টিটু, মোহাম্মদ ইউসুফ, জাহাঙ্গীর আলম মানিক, বেলাল উদ্দিন, মহানগর সদস্য হাবিবুল্লাাহ খান, শাবাব ইয়াজদানী, মাহমুদ খান জনি, মোহাম্মদ কলিম উল্লাহ, সোহাগ খান, প্রফেসর মোহাম্মদ সাইদুল হক শিকদার, আবদুল্লাহ আল মামুন, সাব্বির ইসলাম ফারুক, আবদুস সাত্তার, আইয়ুব আলী, জাহেরু মাসুদ, আজিজ চৌধুরী, আবদুল করিম, শাখাওয়াত কবির সুমন, থানা যুবদলের আহবায়ক নুর হোসেন নুরু, শফিউল আজম, বজল আহমেদ, গিয়াস উদ্দিন টুনু, কুতুব উদ্দিন, ইসমাইল হোসেন লেদু, মোশাররফ আমিন সোহেল, খোরশেদ আলম, হোসনে মোবারক রিয়াদ, মোহাম্মদ ইসমাইল, থানা যুবদলের সদস্য সচিব মোহাম্মদ হাসান, মঞ্জুরুল আলম মঞ্জু, শওকত খান রাজু, মো: মুসা, মুসফিকুর রহমান নয়ন, ইলিয়াস খান, তাজ উদ্দিন তাজু, মোহাম্মদ রাশেদ, থানা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মোর্শেদ কামাল, নুর খান, মুস্তাকিম মাহমুদ, আশিক মল্লিক, সাইফুল আলম রুবেল, মো: ইয়াছিন, খালেদ সাইফুল্লাহ, সাজ্জাদ আহমেদ সাদ্দাম, মো. সোহেল, ওয়ার্ড যুবদলের আহবায়ক আবু বকর বাবু, এস এম আলী, আক্তার হোসেন, সাইফুল আলম, সাদেক আহমেদ, মোহাম্মদ ইউনুছ, বাদশা আলমগীর, মোহাম্মদ হাসান, জহিরুল ইসলাম জহির, মোহাম্মদ মুজাহিদ, মোহাম্মদ এস্কান্দার, সাইফুল ইসলাম, মোহাম্মদ মাসুদ, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মেহেদী হাসান রানা, রাসেল খান, সদস্য সচিব আবু তৌহিদ, সোলেয়মান হোসেন মনা প্রমুখ।