খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৪ঠা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খালের মুখে বন্দর কর্তৃপক্ষের দেয়াল, উদ্বিগ্ন হালিশহরবাসী: নাগরিক উদ্যোগ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ মার্চ, ২০২১, ৫:৫২ অপরাহ্ণ
খালের মুখে বন্দর কর্তৃপক্ষের দেয়াল, উদ্বিগ্ন হালিশহরবাসী: নাগরিক উদ্যোগ

খালের মুখে বন্দর কর্তৃপক্ষের দেয়াল, উদ্বিগ্ন হালিশহরবাসী: নাগরিক উদ্যোগ

চট্টগ্রাম আউটার রিং রোডের উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় পানি প্রবাহের বিভিন্ন খালের মুখে অপরিকল্পিতভাবে দেয়াল নির্মাণ করছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ, এতে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে বৃহত্তর হালিশহরবাসী। আজ শনিবার (১৩ মার্চ) গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ উদ্বেগ প্রকাশ করেন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

নেতৃবৃন্দ বলেন চট্টগ্রাম শহরকে একুশ শতকের উপযোগী করে গড়ে তুলে পৃথিবীর বিভিন্ন উন্নত শহরের পর্যায়ে রূপান্তরিত করতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একের পর এক বৃহৎ বৃহৎ উন্নয়ন প্রকল্পের অনুমোদন এবং প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় অর্থও বরাদ্ধ প্রদান করছে। ঠিক তেমনি একটি প্রকল্প হচ্ছে চট্টগ্রাম সিটি আউটার রিং রোড সড়ক যার নির্মাণ কাজ প্রায় সমাপ্তের পথে। এর পাশাপশি বঙ্গবন্ধু টানেল প্রকল্প এবং বে টার্মিনাল প্রকল্পের কাজও চলমান। এ দুটি বৃহৎ প্রকল্পের কাজ পুরোপুরি সমাপ্ত হলে চট্টগ্রামের অর্থনৈতিক গুরুত্ব পৃথিবীর অন্যান্য আধুনিক শহরকেও ছাড়িয়ে যাবে। একদিকে টানেল, অন্যদিকে বে টার্মিনাল, অপরদিকে আউটার রিং রোডসহ নয়নাভিরাম বিনোদন কেন্দ্রে চট্টগ্রামবাসী যেন সিঙ্গাপুরের ছোঁয়া পাবে। সরকারের এতগুলো উন্নয়ন প্রকল্প যখন চলমান ঠিক সেই সময়ে আউটার রিং রোডের পূর্বপাশে অবস্থিত পতেঙ্গা, হালিশহর টু কাট্টলীবাসীর বিশাল জনগোষ্ঠীর স্বাভাবিক পানি চলাচলের পথ রুদ্ধ করছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। আউটার রিং রোডের উন্নয়ন প্রকল্পের আওতাধীন অন্ততঃ পাঁচটি খালের স্লুইসগেটের পানি নিষ্কাশনের প্রবেশ মুখে বে টার্মিনালের সীমান দেয়াল নির্মাণ করছে সংস্থাটি। এর ফলে নগরীর বিশাল এলাকাজুড়ে সৃষ্টি হতে পারে ভয়াবহ জলাবদ্ধতা। আর এতে করেই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে ঐ এলাকায় বসবাসরত লাখো লাখো অধিবাসী। ইতিমধ্যে স্লুইসগেটের মুখ বন্ধ করে বে টার্মিনালের সীমানা দেয়াল নির্মাণে আপত্তি জানিয়ে বন্দর কর্তৃপক্ষকে অপরিকল্পিত এ নির্মাণ কাজ বন্ধ করার অনুরোধ জানিয়েছেন চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)। এর পাশাপশি বিভিন্ন সংবাদপত্রও আসন্ন বর্ষা মৌসুমে ভয়াবহ জলাবদ্ধতার আশংকা করে গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ পরিবেশন করেছে।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সদ্য বিদায়ী প্রশাসক ও নাগরিক উদ্যোগের প্রধান উপদেষ্টা মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন ওমরাহ পালনের জন্য বর্তমানে মদিনা শরীফ অবস্থানকালীন সময়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার অবস্থান তুলে ধরেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তিনি উল্লেখ করেন ‘‘লালদিয়ার চরের পর পতেঙ্গা থেকে হালিশহর টু কাট্টলীবাসীদের জলে ডুবিয়ে রেখে উৎখাতের চেষ্টা চট্টগ্রাম বন্দরের। এলাকাবাসী সোচ্চার হউন, সচেতন হউন”। আমরা এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে সুস্পষ্টভাবে জানাতে চাই অত্র বিশাল হালিশহরবাসীর জায়গা জমি বিভিন্ন সময় সরকারের বিভিন্ন সংস্থা উন্নয়ন প্রকল্পের নামে বারে বারে অধিগ্রহণ করেছে। এমনকি প্রকল্প বাস্তবায়ন হওয়ার পরও বিভিন্ন প্রকল্পের ক্ষতিপূরণ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাবাসী। বছরের নানা সময়ে অধিগ্রহণের খড়গ ঝুলতে থাকে ঐ এলাকার অধিবাসীদের ঘাড়ে। তারপরও বঞ্চিত এলাকাবাসীর মনে অতটুকু স্বস্তি যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু হঠাৎ করে কেনইবা বন্দর কর্তৃপক্ষ কোন প্রকার সমীক্ষা ছাড়াই অপরিকল্পিতভাবে দেয়াল নির্মাণ করে বিশাল এলাকাবাসীকে পানিতে নিমজ্জিত করতে চায় তা আমাদের বোধগম্য নয়। এ যেন সর্ষের মধ্যেই ভূত? তাহলে কি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সদ্য বিদায়ী প্রশাসকের আশংকাই সত্যি ‘‘লালদিয়ার চরের পর পতেঙ্গা থেকে হালিশহর টু কাট্টলীবাসীদের জলে ডুবিয়ে রেখে উৎখাতের চেষ্টা চট্টগ্রাম বন্দরের”। আমরা অতিসত্বর বন্দর কর্তৃপক্ষের এহেন পরিকল্পনাহীন প্রকল্প বন্ধ করে সিডিএ সহ নগর পরিকল্পনাবিদদের সমন্বয়ে একটি শক্তিশালী কমিটি গঠন করে যাচাই বাছাইয়ের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের নিকট সবিনয় আবেদন জানাই। নচেৎ যে কোন প্রকার উদ্ভুত পরিস্থিতির জন্য বন্দর কর্তৃপক্ষই দায়ী থাকবেন।

বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন বিশিষ্ট কলামিস্ট প্রফেসর ফজলুল হক, রাজনীতিবিদ ইন্দু নন্দন দত্ত, সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হাজী মো. ইলিয়াছ, সদস্য সচিব হাজী মো. হোসেন, সাইদুর রহমান চৌধুরী, নিজাম উদ্দিন, নুরুল কবির, মোরশেদ আলম, ডা. অঞ্জন কুমার দাশ, অনির্বাণ দাশ বাবু, সমীর মহাজন লিটন, সাইফুল্লাহ আনছারী প্রমূখ।

Feb2

বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ প্রত্যাহার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৭:৪৮ অপরাহ্ণ
বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ প্রত্যাহার

বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের অতিরিক্ত মাসিক চার্জ প্রত্যাহার করেছে সরকার।

বুধবার (৩ জুন) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মিডিয়া সেল তাদের ফেসবুক পেজে এ তথ্য জানিয়েছে।

পোস্টে বলা হয়েছে, বিএনপি সরকারের ১০০ দিন-জনদুর্ভোগ লাঘবে প্রিপেইড বিদ্যুৎ মিটারের অতিরিক্ত মাসিক চার্জ প্রত্যাহার করে সাধারণ মানুষের আর্থিক স্বস্তি নিশ্চিত করা হয়েছে।

এর আগে গত ২৯ মার্চ বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছিলেন, বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারে মাসিক ভাড়া বা মিটার চার্জ প্রত্যাহার করা হবে।

বর্তমানে প্রিপেইড মিটারে প্রতি কিলোওয়াটে মাসিক ডিমান্ড চার্জ ৪২ টাকা এবং সিঙ্গেল ফেজে মিটার ভাড়া ৪০ টাকা। এ চার্জের সঙ্গে অতিরিক্ত ৫ শতাংশ ভ্যাট যুক্ত হয়। এই অতিরিক্ত চার্জ নিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ ছিল।

নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার ফাইনালে বাংলাদেশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৭:২৩ অপরাহ্ণ
নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার ফাইনালে বাংলাদেশ

সুপার সাব মোসাম্মাৎ সাগরিকার গোলে নেপালকে হারিয়ে সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ। বুধবার ভারতের গোয়ায় অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টের প্রথম সেমিফাইনালে বাংলাদেশ ২-১ গোলে হারিয়েছে নেপালকে।

নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু হওয়ার পর টানা তৃতীয়বার ফাইনালে খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আগের দু’বার এই নেপালকে হারিয়েই হয়েছিল চ্যাম্পিয়ন। এবার চ্যাম্পিয়নশিপের হ্যাটট্রিক করার মিশন বাংলাদেশের সামনে।

দ্বিতীয়ার্ধের ইনজুরি সময়ের তৃতীয় মিনিটে দুই বদলি খেলোয়াড় শামসুন্নাহার জুনিয়র ও সাগরিকার চমৎকার বোঝাপড়ায় লিড নেয় বাংলাদেশ। ডান দিক দিয়ে ঢুকে শামসুন্নাহার বল ফেলেন গোলমুখে। কোনো ভুল করেননি সাগরিকা। নেপালের এক ডিফেন্ডার তাকে আটকানোর চেষ্টা করেও পারেনি। বল ঠেলে দেন জালে। বাংলাদেশ এগিয়ে যায় ২-১ ব্যবধানে। বাকি কয়েক মিনিট ওই লিড ধরে রেখে লাল-সবুজ জার্সিধারী মেয়েরা উঠে যায় ফাইনালে। এই নিয়ে বাংলাদেশ টানা তিনবার উঠলো সাফের ফাইনালে।

২৩ মিনিটে গোল খেয়ে পিছিয়ে পড়েছিল বাংলাদেশ। তারপর সমতায় ফেরে ইনজুরি সময়ে প্রথম মিনিটে। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় তারকা ঋতুপর্ণার কর্নার থেকে করা গোলে স্বস্তি ফিরেছে লাল-সবুজ জার্সিধারী মেয়েদের ডাগআউটে। ডানপ্রান্ত থেকে ঋতুপর্ণার নেওয়া অসাধারণ কর্নার কিকটি হাতে লাগিয়েছিলেন নেপালের গোলরক্ষক। তবে থামাতে পারেননি। গোলরক্ষকের হাত হয়ে বল চলে যায় জালে।

দিপা শাহীর কর্নার হাতে লাগিয়েও ঠিকঠাক ক্লিয়ার করতে পারেননি মিলি আক্তার। বল চয়ে যায় একটু ফাঁকায় দাড়ানো গিতা রানার কাছে। তিনি সুযোগ বুঝে বলটি পাঠিয়ে দেন জালে। ম্যাচের প্রথম লিড নিয়েছিল নেপাল।

৩৬ মিনিটে বক্সের মাথা থেকে প্রীতি রানীর নেওয়া শট গোলরক্ষক মিলি আক্তারের হাতে লেগে ক্রসবার হয়ে ফিরে আসলে বাংলাদেশ বেঁচে যায়। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের গোলে ১-১ সমতায় শেষ হয়েছে প্রথম সেমিফাইনালের প্রথম অর্ধ।

কোচ পিটার বাটলার ৪০ মিনিটে দুটি পরিবর্তন করেন। সুরভী আকন্দ প্রীতির জায়গায় শামসুন্নাহার জুনিয়র ও উমেহলা মারমার জায়গায় তহুরা খাতুনকে নামিয়ে আক্রমণের ধার বাড়িয়েছিলেন বাংলাদেশ কোচ। শেষ দিকে আনিকাকে উঠিয়ে কোচ মাঠে নামান সাগরিকা। সেই সাগরিকাই বাংলাদেশকে ভাসান ফাইনালে ওঠার আনন্দে।

নেপালকে ফাইনালে হারিয়ে গত দুটি সাফের শিরোপা জিতেছিল বাংলাদেশ। এবার সেই নেপালের বিপক্ষে বাংলাদেশের সেমিফাইনালের লড়াইও জিতলো বাংলাদেশের মেয়েরা। বাংলাদেশের হ্যাটট্রিক শিরোপা জয়ের স্বপ্নও টিকে থাকলো।

৪৭ মিনিটে বাংলাদেশ গোলরক্ষক ও ডিফেন্ডারদের ভুলে শট নিয়েছিলেন রেখা পাউদেল। তবে তার শট পোস্টে লেগে ফিরলে আবার বেঁচে যায় বাংলাদেশ। ৭৮ মিনিটে বদলি সাগরিকার শট অবিশ্বাস্যভাবে রুখে দেন নেপালের গোলরক্ষক আনজিলা।

এ নিয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবলে বাংলাদেশের কাছে টানা তিন ম্যাচ হারলো নেপাল। তবে ভুটানের রেফারি ৬ মিনিটের ইনজুরি সময়ের খেলা চালিয়েছেন ১৩ মিনিটের মতো।

বাংলাদেশ একাদশ

মিলি আক্তার, আফঈদা খন্দকার, শামসুন্নাহার, কোহাতি কিসকু, মমিতা খাতুন (মনিকা চাকমা, ৪৬ মিনিট), মারিয়া মান্দা (অধিনায়ক), আনিকা রানিয়া সিদ্দিকী (সাগরিকা), উমেহলা মারমা (তহুরা খাতুন, ৪০ মিনিট), সুরভী আকন্দ প্রীতি (শামসুন্নাহার জুনিয়র, ৪০ মিনিট), সুরভী আক্তার আরফিন ও ঋতুপর্ণা চাকমা।

পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বাড়ল বিদ্যুতের দাম

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৩:৪৭ অপরাহ্ণ
পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বাড়ল বিদ্যুতের দাম

পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। ঘোষণা অনুযায়ী, পাইকারি পর্যায়ে ১৯.৮৫ শতাংশ এবং গ্রাহক পর্যায়ে গড়ে ১৬.৬৮ শতাংশ মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে। পাইকারি বিদ্যুতের দাম ৭ টাকা থেকে ১ টাকা ৩৯ পয়সা বৃদ্ধি করে ৮ টাকা ৩৯ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। খুচরা পর্যায়ে ৯ টাকা ১১ পয়সা থেকে ১ টাকা ৫২ পয়সা বাড়িয়ে ১০ টাকা ৬৩ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বুধবার (৩ জুন) রাজধানীর রমনায় ইন্সটিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইইবি) ভবনের ষষ্ঠ তলায় কমিশন কার্যালয়ের শুনানি কক্ষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে নতুন এ মূল্য ঘোষণা করে বিইআরসি।

নতুন মূল্য গত ১ জুন থেকে কার্যকর হবে বলে জানানো হয়।

এর আগে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব নিয়ে গত ২০ ও ২১ মে দুই দিনব্যাপী গণশুনানি আয়োজন করে বিইআরসি। সেখানে দেশের ছয়টি বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানি প্রতি ইউনিট ৮৫ পয়সা থেকে ২ টাকা ৫ পয়সা পর্যন্ত দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়।

প্রস্তাব অনুযায়ী, পিডিবি প্রতি ইউনিট ৮৫ পয়সা, আরইবি ১ টাকা ৭৭ পয়সা, ডিপিডিসি ১ টাকা ৫৪ পয়সা, ডেসকো ১ টাকা ৯৮ পয়সা, ওজোপাডিকো ১ টাকা ৩৯ পয়সা এবং নেসকো ২ টাকা ৫ পয়সা পর্যন্ত মূল্য বৃদ্ধির আবেদন করেছে।

তবে বিইআরসির কারিগরি কমিটি সুপারিশ করেছে, বিতরণ কোম্পানিগুলোর বিদ্যুতের দাম গড়ে প্রতি ইউনিট ১ টাকা ২৫ পয়সা বাড়ানো যেতে পারে।

সবশেষ ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে নির্বাহী আদেশে পাইকারি বিদ্যুতের গড় দাম ইউনিটপ্রতি ৬ টাকা ৭০ থেকে বাড়িয়ে ৭ টাকা ৪ পয়সা করা হয়েছিল।