খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

প্রত্যাবাসনে রোহিঙ্গাদের আগ্রহী করতে হবে : এনটিএফ সভায় সিদ্ধান্ত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৬ নভেম্বর, ২০১৯, ৯:০২ অপরাহ্ণ
প্রত্যাবাসনে রোহিঙ্গাদের আগ্রহী করতে হবে : এনটিএফ সভায় সিদ্ধান্ত

রোহিঙ্গা শরনার্থীদের (বলপ্রয়োগে বাস্তচ্যুত মিয়ানমার নাগরিক) মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনে আগ্রহী করে তুলতে হবে। এজন্য ক্যাম্পে আশ্রিত রোহিঙ্গা শরনার্থীদের মাঝে প্রয়োজনীয় মোটিভেশনাল ওয়ার্ক করতে হবে।

পাশাপাশি রোহিঙ্গা শরনার্থীদের দ্রুততম সময়ে মিয়ানমারে ফিরিয়ে নিতে আন্তর্জাতিক মহলের মাধ্যমে মিয়ানমারের উপর চাপ বৃদ্ধি করতে হবে। বাংলাদেশকে এ বিষয়ে বহুমাত্রিক কুটনৈতিক তৎপরতাও আরো বাড়াতে হবে। রোহিঙ্গা শরনার্থীরা মিয়ানমারে ফিরে যেতে যাতে কেউ প্রতিবন্ধকতা ও উস্কানীমূলক কার্যক্রম নাকরে, সেদিকে কঠোর নজরদারি রাখতে হবে।

রোহিঙ্গা শরনার্থীদের জন্য গঠিত National Task Force (NTF) এর ২৮ তম সভায় এবিষয়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং সেগুলো বাস্তবায়নের উপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

কক্সবাজার শহরের কলাতলী সমুদ্র পাড়ের সায়মান বীচ রিসোর্টের সম্মেলন কক্ষে বুধবার (৬ নভেম্বর) সকালে এনটিএফ এর প্রেসিডেন্ট ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মোঃ শহীদুল হকের সভাপতিত্বে রোহিঙ্গা শরনার্থী বিষয়ক নীতিনির্ধারণী জাতীয় কমিটির এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় বলা হয়, ভাসানচর রোহিঙ্গা শরনার্থী স্থানান্তরে সম্পূর্ণ প্রস্তুত। সেখানে লক্ষাধিক রোহিঙ্গা শরনার্থী স্থানান্তরের প্রাথমিক প্রক্রিয়া ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। ক্যাম্প গুলোতে জাতিসংঘের সংস্থা গুলো, আইএনজিও এবং এনজিও সমুহের কার্যক্রম আরো নিবিড়ভাবে তদারকি ও তাদের সার্বিক কর্মকান্ড ব্যাপক নজরদারিতে রাখতে হবে। জয়েন্ট রেসপন্স প্লেন (জেআরসি) তে রোহিঙ্গা শরনার্থীদের জন্য মানবিক সাহায্য বরাদ্দের পাশাপাশি প্রশাসনিক ব্যয়াদি, ক্ষতিগ্রস্ত স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে পূণর্বাসন, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবেশ ও পরিবর্তিত জলবায়ু বিষয়ে পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দের জন্য গুরুত্বারোপ করা হয়। সভায় রোহিঙ্গা শরনার্থী ক্যাম্প গুলোর চারিদিকে আন্তর্জাতিক মানের কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ সহ নিরাপত্তা বৃদ্ধিতে আরো পুলিশ ক্যাম্প স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এনটিএফ এর এসভায় অন্যান্যের মধ্যে দুর্যোগ ও ত্রান বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব শাহ কামাল, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কামরুন নাহার, এনিজিও বিষয়ক ব্যুরোর মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) কে. এম আবদুস সালাম, আরআরআরসি মোঃ মাহবুব আলম তালুকদার, কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মোঃ কামাল হোসেন, কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এ.বি.এম মাসুদ হোসেন বিপিএম, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কর্মকর্তা উপ সচিব গুলশান আরা, কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) মোহাঃ শাজাহান আলি, জাতিসংঘের বাংলাদেশে আবাসিক সমন্বয়কারী মিস. মিয়া সিপ্পো, ইউএনএইচসিআর-এর কান্ট্রি রিপ্রেজেনটেটিভ মি. স্টিভ, আইওএম-এর বাংলাদেশের মিশন প্রধান মি. জিওরজি এবং আইএসসিজি’র প্রধান মিস. নিকোলি, আইএনজিও এবং এনজিও প্রতিনিধি, এনটিএফ এর অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এনটিএফ অন্যান্য বৈঠকের তুলনায় বুধবার কক্সবাজারে অনুষ্ঠিত বৈঠকে রোহিঙ্গা শরনার্থী সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তারা অপেক্ষাকৃত বেশী অংশ নেওয়ায় এ বৈঠকে পর্যাপ্ত সময় নিয়ে প্রত্যেক বিষয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ ও সিদ্ধান্ত হয়।

ফলে এ বৈঠকটি অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয় বলে বৈঠকে অংশ নেয়া একজন উর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন। বৈঠকে এ বিষয়ে সরকারের নেয়া সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়নের জন্য সভায় বিভিন্ন নির্দেশনা প্রদান করা হয়।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…