খুঁজুন
শনিবার, ১১ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৮শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গৃহকর্মী ডালিয়ার শরীরে খুন্তির ছ্যাঁকায় কালো দাগ পড়ে গেছে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৬ নভেম্বর, ২০১৯, ১০:০৩ অপরাহ্ণ
গৃহকর্মী ডালিয়ার শরীরে খুন্তির ছ্যাঁকায় কালো দাগ পড়ে গেছে

গৃহকর্মী ডালিয়ার শরীরের এমন কোনো স্থান নেই যেখানে খুন্তির ছ্যাঁকার জখম নেই। অনেক দিন পূূূূূূর্বের জখমের স্থানগুলোতে পচন ধরে গেছে। আবার কোনো কোনো স্থান ফুলে কালো হয়ে টিউমারের মতো হয়ে আছে।

এ ছাড়া হাত-পা, বুক ও পিঠে খুন্তির ছ্যাঁকায় বসন্ত রোগের মতো কালো দাগ পড়ে গেছে। কারণে-অকারণে গৃহপরিচারিকা ডালিয়াকে প্রায় ১৫ মাস সর্বাঙ্গে নির্যাতন করা হয়।

এ সব অভিযোগের ভিত্তিতে বুধবার দুপুরে ফতুল্লার দেলপাড়া পেয়ারাবাগান এলাকার একটি ৫তলা বাড়ির দ্বিতীয় তলা থেকে ডালিয়াকে উদ্ধার করে হাসপাতালে প্রেরণ করে পুলিশ।

এ সময় ওই বাড়ির গৃহকর্ত্রী সেলিনা বেগমকে (৩৫) গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত সেলিনা বেগম পেয়ারাবাগান এলাকার সৌদি আরব প্রবাসী মো. বাবু মিয়ার স্ত্রী।

অপরদিকে নির্যাতনের শিকার গৃহকর্মী ডালিয়া চাঁদপুরের ছেঙ্গারচর কলাকান্দা ইউনিয়নের শানিরপাড় গ্রামের বাসিন্দা জামাল উদ্দিনের মেয়ে।

এলাকাবাসী জানান, পেয়ারাবাগান এলাকায় সৌদি প্রবাসী বাবু মিয়ার নিজস্ব ৫তলা বাড়ি। এ বাড়িতে বাবুর স্ত্রী সেলিনা দুই মেয়ে ও এক ছেলে সন্তান নিয়ে দ্বিতীয় তলায় একটি ফ্ল্যাটে বসবাস করেন। প্রায় দুই বছর আগে গৃহপরিচারিকা ডালিয়াকে তার গ্রামের বাড়ি থেকে নানা প্রলোভন দেখিয়ে সেলিনা তাদের বাসায় নিয়ে আসেন।

এরপর কারণে-অকারণে গরম খুন্তি দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছ্যাঁকা দিয়ে নির্যাতন করে। ওই সময় চিৎকার শুনে এলাকাবাসী এগিয়ে এসে সেলিনার ফ্ল্যাট থেকে ডালিয়াকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। এরপর স্থানীয়ভাবে আপোষ মীমাংসা করে ডালিয়াকে তার বাবার হাতে তুলে দেয়।

পরে ৬ মাস না যেতেই সেলিনা আবারও চাঁদপুর গিয়ে ৪ হাজার টাকা বেতন, ভালো খাবার দেয়াসহ নানা প্রলোভন দেখিয়ে ডালিয়াকে নিয়ে আসে তাদের বাসায়। এরপর আবারও পূর্বের মতোই গরম খুন্তি দিয়ে ডালিয়ার শরীরে ছ্যাঁকা দেয়া শুরু করে সেলিনা।

ফ্ল্যাটের দরজা জানালা বন্ধ করে প্রায় ১৫ মাস এভাবে ডালিয়াকে নির্যাতন করে সেলিনা। এলাকাবাসী প্রায় সময় ডালিয়ার চিৎকার শুনলেও উশৃঙ্খল সেলিনার ভয়ে কেউ প্রতিবাদ করতে পারেনি। অবশেষে এলাকাবাসী থানায় ফোন করে পুলিশকে জানান।

ডালিয়ার বাবা জামাল উদ্দিন জানান, তার তিন মেয়ে এক ছেলের মধ্যে ডালিয়া তৃতীয়। দুই মেয়ে বিয়ে দিয়েছেন। ডালিয়া আর ছোট এক ছেলে রয়েছে। তার স্ত্রী লাইলি বেগম মানসিক রোগী। সে নিজেও দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ হয়ে ঘরেই বসে থাকেন। ভিজিডি কার্ডের চাল দিয়ে কোনোমতে সংসার চালান।

নির্যাতনের ভুল শিকার করে মাফ চেয়ে ৪ হাজার টাকা বেতন ভালো খাবার ও পোশাক দেয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে ডালিয়াকে নিয়ে আসে সেলিনা। প্রায় ১৫ মাস আগে ডালিয়াকে নিয়ে এসে এভাবে নির্যাতন করলেও এ পর্যন্ত এক টাকাও বেতন দেয়নি। বেতন চাইলেই সেলিনা গালাগাল করত।

পুলিশের কাছ থেকে সংবাদ পেয়ে থানায় এসে দেখি ডালিয়ার শরীরের কোনো স্থান নেই যেখানে খুন্তির ছ্যাঁকা না দেয়া হয়েছে। আমি এ নির্যাতনের বিচার চাই।

ডালিয়া জানান, একটি কাজের হুকুম দিয়ে মুহুর্তে আরেকটি কাজের হুকুম দিতেন সেলিনা। তা দ্রুত না করতে পারলেই চুলোয় খুন্তি গরম দিয়ে আমাকে কাছে ডেকে নিয়ে শরীরে চাপ দিয়ে ধরে রাখতেন। দেহ থেকে আত্মাটা বের হয়ে যেতে চাইলেও সেলিনা আমাকে চিৎকার করতে দিত না। সারাটা রাত জ্বরে চিৎকার করলেও একটু ওষুধ এনে দিত না। উল্টো সকালে ঘুম থেকে কানে ধরে টেনে উঠাত থাল-ভাসন ধুতে।

ফতুল্লা মডেল থানার এসআই ফজলুল হক জানান, এলাকাবাসীর দেয়া সংবাদে ডালিয়াকে উদ্ধার করা হয়েছে এবং বাড়ির গৃহকর্ত্রী সেলিনাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

ফতুল্লা মডেল থানার ওসি আসলাম হোসেন জানান, এ ঘটনায় ডালিয়ার বাবা জামাল উদ্দিন বাদী হয়ে মামলা করেছেন।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…