খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

লোহাগাড়ায় ২১৯ মামলায় এক লাখ ৬৭ হাজার টাকা অর্থদণ্ড

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২ আগস্ট, ২০২১, ১১:৪০ অপরাহ্ণ
লোহাগাড়ায় ২১৯ মামলায় এক লাখ ৬৭ হাজার টাকা অর্থদণ্ড

লোহাগাড়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি : চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় কঠোর লকডাউন বাস্তবায়নে তৎপর রয়েছে উপজেলা প্রশাসন, সেনাবাহিনী ও পুলিশ। প্রতিদিন সকাল থেকে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় যৌথভাবে টহল দিচ্ছেন তাঁরা। এসময় কেউ চলমান কঠোর লকডাউনের নির্দেশনা অমান্য করে দোকান খোলা রাখা, মুখে মাস্ক না পরা এবং অহেতুক ঘোরা-ফেরার কারণে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অর্থদন্ড প্রদান করা হচ্ছে।

এদিকে, কঠোর লকডাউনের প্রথমদিন ২৩ জুলাই থেকে ২ আগষ্ট এগারতম দিন পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় কঠোর লকডাউনের বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে অহেতুক ঘোরাফেরা, মুখে মাস্ক না পরা এবং দোকান খোলা রাখার দায়ে সংক্রমণ আইন ২০১৮ এর ২৪ ধারা অনুসারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করে মোট ২১৯টি মামলায় ১ লাখ ৬৭ হাজার ৪৬০ টাকা অর্থদন্ড প্রদান করা হয়েছে।

লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় ও সহকারী কমিশনার (ভুমি) কার্যালয় সুত্র জানায়, দেশে চলমান কঠোর লকডাউনের ২৩ জুলাই প্রথমদিনের অভিযানে ১৯ মামলায় ১৫ হাজার ৮০০ টাকা, ২৪ জুলাই দ্বিতীয় দিনের অভিযানে ১৬ মামলায় ৫ হাজার ২০০ টাকা, ২৫ জুলাই তৃতীয় দিনের অভিযানে ৭৬ মামলায় ৬৭ হাজার ৬০০ টাকা, ২৬ জুলাই চতুর্থ দিনের অভিযানে ২৮ মামলায় ২৮ হাজার ৩৬০ টাকা এবং ২৭ জুলাই পঞ্চম দিনের অভিযানে ১০ মামলায় ২ হাজার ৮০০ টাকা, ২৮ জুলাই ৬ষ্ট দিনের অভিযানে ১২ মামলায় ৪ হাজার ৪৫০ টাকা, ২৯ জুলাই সপ্তম দিনের অভিযানে ৮ মামলায় ৪ হাজার ৭৫০ টাকা, ৩০ জুলাই অষ্টম দিনের অভিযানে ৭ মামলায় ৫ হাজার ৪০০ টাকা, ৩১ জুলাই নবম দিনের অভিযানে ১৪ মামলায় ৮ হাজার ৪০০ টাকা, ১ আগষ্ট দশম দিনের অভিযানে ১৯ মামলায় ১৮ হাজার ৪০০ টাকা এবং ২ আগষ্ট একাদশ দিনের অভিযানে ১০ মামলায় ৬ হাজার ২০০ টাকা অর্থদন্ড প্রদান করা হয়েছে।

পরিচালিত এসব অভিযানগুলোতে নেতৃত্ব দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আহসান হাবীব জিতু এবং উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি) খোরশেদ আলম চৌধুরী।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…