খুঁজুন
, ,

নৌকা বিরোধী দলীয় নেতা-কর্মীদেরও কোন ছাড় নেই : লোহাগাড়ায় ড. নদভী এমপি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 8 November, 2020, 8:14 pm
নৌকা বিরোধী দলীয় নেতা-কর্মীদেরও কোন ছাড় নেই : লোহাগাড়ায় ড. নদভী এমপি

লোহাগাড়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি : চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসনের সংসদ সদস্য শিক্ষাবিদ প্রফেসর ড. আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদ্দীন নদভী বলেছেন, গত ২০ অক্টোবর অনুষ্ঠিত লোহাগাড়ার তিন ইউপি নির্বাচনে যারা দলের পদ-পদবীতে থেকেও আওয়ামী লীগ তথা শেখ হাসিনার মনোনীত নৌকা প্রতিকের প্রার্থীদের বিরোধীতা করেছে তাদের কোন প্রকারের ছাড় নেই। তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক এবং প্রশাসনিকভাবে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।
নৌকা প্রতিকের বিরোধিতাকারীদের চিহ্নিত করে তালিকা তৈরী করারও পরামর্শ দেন উপজেলা আওয়ামী লীগের দুই শীর্ষ নেতাকে।

এছাড়াও খোরশেদ-হিরু’র নেতৃত্বে লোহাগাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাথে আমার যে বন্ধন সৃষ্টি হয়েছে তা চিরদিন অটুট থাকবে বলেও জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভূঁয়শী প্রশংসা করে ড. নদভী এমপি বলেন, করোনার কারনে পুরো বিশ্বের অধিকাংশ দেশ যেখানে নিস্তব্ধ ও স্থবির, সেখানে প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার দক্ষ নেতৃত্বে করোনা মহামারিতেও বাংলাদেশের মেগা প্রকল্পগুলোর উন্নয়ন কাজ চলমান রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সুদক্ষ ও গতিশীল নেতৃত্বে বাংলাদেশ এখন বিশ্বের দরবারে রোল মডেল । সাতকানিয়া-লোহাগাড়াতেও ব্যাপক উন্নয়ন করা হয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকার মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন ও এলাকার উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে।

৭ নভেম্বর (শনিবার) রাত ৮ টায় স্থানীয় মডার্ণ কমিউনিটি সেন্টারে লোহাগাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

লোহাগাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খোরশেদ আলম চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক সালাহ উদ্দিন হিরু’র সঞ্চালনায় বর্ধিত সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা মো. ইদ্রিছ ও চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক গোলাম ফারুক ডলার।

সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন লোহাগাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও সদর ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব নুরুচ্ছাফা চৌধুরী, চুনতি ইউপি চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন জনু, আমিরাবাদ ইউপি চেয়ারম্যান এসএম ইউনুচ, লোহাগাড়া প্রেসক্লাব সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মো. ফরিদ আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল হাসান মিন্টু, চুনতি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শাহ আলম পল্টু, কলাউজান ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি গাজী ইছহাক মিয়া, বড়হাতিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সাজেদুর রহমান চৌধুরী দুলাল, আধুনগর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি নুরুল কবির, লোহাগাড়া সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি জসিম উদ্দিন, পদুয়া ইউনিয়ন সাধারণ সম্পাদক আবচার আহমদ, চরম্বা ইউনিয়ন সাধারণ সম্পাদক আসহাব উদ্দিন, উপজেলা যুবলীগের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ফজলে এলাহী আরজু, শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক নুরুল হক নুনু, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আবছার উদ্দিন, বঙ্গবন্ধু স্মৃতি পরিষদের সভাপতি মিজানুর রহমান মিজান, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক এ কে এম পারভেজ ও ছাত্রলীগ নেতা হামিম হোসেন রবিন প্রমুখ।

বর্ধিত সভায় উপস্থিত ছিলেন সাতকানিয়া সদর ইউপি চেয়ারম্যান নাজিম উদ্দিন, মাদার্শা ইউপি চেয়ারম্যান আ.ন.ম সেলিম চৌধুরী, আমিলাইষ ইউপি চেয়ারম্যান সারওয়ার উদ্দিন চৌধুরী, চরম্বা ইউপি চেয়ারম্যান মাষ্টার শফিকুর রহমান, পদুয়া ইউপি চেয়ারম্যান জহির উদ্দিন, কলাউজান ইউপি চেয়ারম্যান এম. ওয়াহেদ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি নিবাস দাশ সাগর, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাশেম মিয়া, দপ্তর সম্পাদক শাহজাদা তৈয়বুল হক বেদার, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক মোজাহিদ বিন কাইছার, কোষাধ্যক্ষ মুক্তিযোদ্ধা হাজ্বী মাহমুদুল হক, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল হামিদ বেঙ্গল, সাংস্কৃতিক সম্পাদক সুভাষ নাথ, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক সাইফুল আলম, বন ও পরিবেশ সম্পাদক মঞ্জুরুল আলম, কার্যনির্বাহী সদস্য আবু তালেব, এস.এম আব্দুল জব্বার, মামুন-উর রশিদ চৌধুরী, নুরুল আবছার, রফিকুল ইসলাম, নুরুল হক, সলিল কান্তি বড়ুয়া, অনিল সরকার, দিদারুল আলম বাবুল, ডা : এমরান, কামরুল হুদা, হেফাজত উল্লাহ, আলী আহমদ, এইচ.এম গণি সম্রাট, যুবলীগের আহবায়ক জহির উদ্দিন, দক্ষিণ জেলা যুবলীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক মিয়া মো : শাহজাহান, দক্ষিণ জেলা যুবলীগের সদস্য নুরুল আলম জিকু, কলাউজান ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শামসুল আলম, আমিরবাদ ইউনিয়নের যুগ্ম আহবায়ক কামাল উদ্দিন, জামাল উদ্দিন ও আওয়ামী লীগ নেতা রশিদ আহমদ প্রমুখ।

২৪ ঘণ্টা/রিহাম/আজাদ

Feb2
Feb2

হাঁটুপানিতে নেমে ত্রাণ বিতরণ করলেন জামায়াত আমির

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 10 July, 2026, 12:09 pm
হাঁটুপানিতে নেমে ত্রাণ বিতরণ করলেন জামায়াত আমির

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন ডা. শফিকুর রহমান। সকালে বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শনের সময় তিনি হাঁটু থেকে কোমরসমান পানিতে নেমে দুর্গত পরিবারের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তাদের খোঁজখবর নেন, দুর্ভোগের কথা শোনেন এবং ত্রাণসামগ্রী ও নগদ আর্থিক সহায়তা বিতরণ করেন।

শুক্রবার (১০ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে চট্টগ্রাম সফরের অংশ হিসেবে তিনি বাঁশখালীর গুনাগরী ইউনিয়নের বিভিন্ন বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি পানিবন্দি মানুষের সঙ্গে কথা বলে তাদের সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন এবং ক্ষয়ক্ষতির চিত্র সরেজমিন দেখেন।

দুর্গত মানুষের দুর্ভোগ প্রত্যক্ষ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দুর্যোগে মানুষের পাশে দাঁড়ানো মানবিক দায়িত্ব। বিপদে-আপদে অসহায় মানুষের পাশে থাকা সবার কর্তব্য। সামর্থ্য অনুযায়ী জামায়াতে ইসলামী বন্যাকবলিত মানুষের পাশে থাকবে এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সহযোগিতায় কাজ অব্যাহত রাখবে।

তিনি আরও বলেন, সাম্প্রতিক বন্যায় অনেক মানুষ ঘরবাড়ি, ফসল ও জীবিকার প্রধান অবলম্বন হারিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। ক্ষতিগ্রস্তদের দ্রুত পুনর্বাসন এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতি কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

পরিদর্শনকালে তিনি হাঁটু থেকে কোমরসমান পানিতে নেমে একাধিক ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের বাড়িতে যান, তাদের প্রয়োজনের কথা শোনেন এবং প্রত্যেক পরিবারের হাতে ত্রাণসামগ্রী ও নগদ আর্থিক সহায়তা তুলে দেন। এ সময় তিনি দুর্গত মানুষের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।

ত্রাণ বিতরণ ও এলাকা পরিদর্শনে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন। পরিদর্শন শেষে তিনি সাতকানিয়ার উদ্দেশে রওনা হন।

চট্টগ্রামে সাড়ে ৪ লাখ মানুষ পানিবন্দি ও খাদ্য সংকটে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 10 July, 2026, 10:25 am
চট্টগ্রামে সাড়ে ৪ লাখ মানুষ পানিবন্দি ও খাদ্য সংকটে

টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রাম জেলার অন্তত সাড়ে চার লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সাতকানিয়া উপজেলা। সেখানে প্রায় ৮০ শতাংশ এলাকা প্লাবিত হয়ে সাড়ে তিন লাখের বেশি মানুষ দুর্ভোগে পড়েছেন। চন্দনাইশ, লোহাগাড়া, বাঁশখালী ও বোয়ালখালীর বিস্তীর্ণ এলাকাও পানিতে তলিয়ে গেছে। এসব এলাকায় বিশুদ্ধ পানি, খাবার সংকট দেখা দিয়েছে।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলা প্রশাসনের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর সাপ্তাহিক ছুটিসহ সব ধরনের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। একই সঙ্গে জেলার প্রতিটি উপজেলায় ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ২৪ ঘণ্টার নিয়ন্ত্রণকক্ষ চালু রাখা হয়েছে।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, উদ্ধার, ত্রাণ বিতরণ এবং সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে সব উপজেলা প্রশাসনকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে। বন্যাকবলিত এলাকায় প্রয়োজনীয় সহায়তা পৌঁছে দিতে কাজ চলছে।

এদিকে সাতকানিয়ায় মাত্র তিন বছরের ব্যবধানে আবারও ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে। উপজেলার প্রায় ৮০ শতাংশ এলাকা প্লাবিত হয়ে সাড়ে তিন লাখের বেশি মানুষ পানিবন্দি হয়েছেন। অসংখ্য বসতঘরে পানি ঢুকে পড়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, সাতকানিয়া আদালত, অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের কার্যালয়, পৌরসভা কার্যালয় ও থানায়ও বন্যার পানি প্রবেশ করেছে।

বাঁশখালীতেও ভয়াবহ পরিস্থিতি বিরাজ করছে৷ বন্যার পানিতে পাঁচ শতাধিক মাটির ঘর ভেঙে গেছে। বুধবার (৮ জুলাই) রাত ১১টার দিকে বৈলছড়ি এলাকায় চট্টগ্রাম-বাঁশখালী প্রধান সড়ক পানিতে তলিয়ে গেলে চট্টগ্রাম শহরের সঙ্গে বাঁশখালীর সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। এতে দুর্ভোগে পড়েন হাজারো মানুষ। দুর্গত এলাকাগুলোতে খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছে।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কয়েক দিনের টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। প্রতিদিনই নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। ইতোমধ্যে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে পাঁচ শতাধিক মাটির বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেক পরিবার নিরাপদ আশ্রয়ে সরে গেলেও অনেকে এখনো পানিবন্দি অবস্থায় মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

পুইছড়ি ইউনিয়নের বাসিন্দা পারভেজ মোশারফ বলেন, কয়েক দিনের ভারী বর্ষণ ও সমুদ্রের জোয়ারের ফলে পুইছড়ি ইউনিয়নের অধিকাংশ এলাকা পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এসব এলাকার মানুষ মানবেতর জীবনযাপন করছেন। অধিকাংশ মাটির ঘরও ভেঙে পড়েছে। বসতঘর পানিতে ডুবে যাওয়া রান্নাবান্না হচ্ছে না। তাই খাবারের জন্য কষ্ট পাচ্ছে মানুষ।

এদিকে সাঙ্গু ও ডলু নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। কেরানীহাট-বান্দরবান সড়কের বুড়ির দোকান এলাকা, বাজালিয়া অলি আহমেদ বীর বিক্রম কলেজের সামনে এবং দস্তিদারহাটের পূর্ব পাশে সড়কের ওপর দিয়ে কয়েক ফুট উঁচু হয়ে বন্যার পানি প্রবাহিত হচ্ছে। এতে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। বন্যার কারণে উপজেলার সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে।

ডলু নদী দিয়ে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের তোড়ে পৌরসভার রামপুর এলাকায় কয়েকশ ফুট বেড়িবাঁধ ভেঙে গেছে। উপজেলার অধিকাংশ সড়ক পানির নিচে তলিয়ে রয়েছে। অনেক এলাকায় এখনো পানি বাড়ছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

চন্দনাইশেও ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলার দুটি পৌরসভা ও আটটি ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে অন্তত ২০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়েছেন। পাহাড়ি ঢলে শঙ্খ নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করে লোকালয়ে প্রবেশ করেছে।

গত বুধবার সন্ধ্যা থেকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চন্দনাইশের হাশিমপুর এলাকায় প্রায় দেড় ফুট উচ্চতায় পানি প্রবাহিত হচ্ছে। এতে দূরপাল্লার বাস, পণ্যবাহী যান ও ছোট যানবাহনের চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। ধীরগতিতে যান চলাচলের কারণে মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়েছে। এতে যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

চন্দনাইশের বাসায় আবু নাসের আলিফ বলেন, ‘দিনেদিনে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে। অনেক মানুষ না খেয়ে আছে।’

মরক্কোকে বিদায় করে সবার আগে সেমিফাইনালে ফ্রান্স

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 10 July, 2026, 9:28 am
মরক্কোকে বিদায় করে সবার আগে সেমিফাইনালে ফ্রান্স

ফুটবল বিশ্বকাপের প্রথম কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচটি হলো অনেকটা একপেশে। ফরাসিদের দাপুটে ফুটবলের কাছে অসহায় লেগেছে আশরাফ হাকিমিদের। একক আধিপত্য বিস্তার করা ফ্রান্স আফ্রিকান পরাশক্তি মরক্কোকে হারিয়েছে ২-০ গোল ব্যবধানে। তাতেই প্রথম দল হিসেবে সেমিফাইনালে জায়গা করে নিলেন দিদিয়ের দেশামের শিষ্যরা।

শুরু থেকেই একের পর এক আক্রমণ করলেও গোল পাচ্ছিল না ফ্রান্স। ম্যাচের ২৫তম মিনিটে মরক্কোর ডি-বক্সে ফাউল করে বসেন নুসাইর মাজরাউয়ি। লাইন্সম্যানের সঙ্গে দ্রুত কথা বলে রেফারি ফাকুন্দো তেল্লো ফ্রান্সের অনুকূলে পেনাল্টির বাঁশি বাজান। ভিএআরে শরণাপন্ন হলেও সিদ্ধান্ত বদলাননি রেফারি।

স্পট কিক থেকে গোল করার এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব নিজ কাঁধে তুলে নেন ফরাসি তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পে। বল জালে জড়ানোর জন্য এমবাপ্পে পেনাল্টি কিকটি ডান দিকের নিচের কোণা (বরাবর নিয়েছিলেন। কিন্তু মরক্কোর গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনু যেন আগে থেকেই এমবাপ্পের শটের দিক নিখুঁতভাবে অনুমান করতে পেরেছিলেন। সঠিক সময়ে দুর্দান্ত এক ডাইভ দিয়ে এমবাপ্পের সেই শট রুখে দেন বুনু।

৩২তম মিনিটে ফ্রান্সের তরুণ ফরোয়ার্ড দেজিরে দুয়ে এক অনবদ্য একক দৌড়ে মরক্কোর ডি-বক্সে বল নিয়ে ঢুকে পড়েন। গোল করার সুবর্ণ সুযোগ দেখে পোস্টের বাম দিকে লক্ষ্য করে এক শট নেন। কিন্তু তার সেই নিশ্চিত গোলের মুহূর্তটিকে ম্লান করে দেন মরক্কোর প্রাচীর হয়ে দাঁড়ানো গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনু। প্রথমার্ধ শেষ হয় গোলশূন্য ব্যবধানেই।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই গোলের নেশায় বুঁদ হয়ে উঠে ফ্রান্স। সেই সুবাদে ম্যাচের ৬০তম মিনিটে আসে সেই কাঙ্ক্ষিত মাহেদ্রক্ষণ। ডি-বক্সের বাইরে থেকে এক বিদ্যুৎগতির শট নেন ফরাসি অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে। তার সেই নিখুঁত ও জোরালো শটটি মরক্কোর রক্ষণভাগকে ফাঁকি দিয়ে ডান দিকের পোস্ট ঘেঁষে জালের ভেতরে আশ্রয় নেয়। তাতেই গোল উদযাপনে মেতে ওঠে ফরাসি শিবির।

এদিকে ৭১তম মিনিটে কিলিয়ান এমবাপ্পের চমৎকার এক পাস থেকে ডি-বক্সের ঠিক বাইরে বল পান উসমান দেম্বেলে। শটটি খুব একটা জোরালো না হলেও মরক্কোর ডিফেন্ডার ও গোলরক্ষককে ফাঁকি দিয়ে বলটি কোনোমতে ডান দিকের নিচের কোণা দিয়ে জালে জড়ায়। তাতেই ব্যবধান দ্বিগুণ হয়।