খুঁজুন
, ,

রোনালদোকে ছাড়িয়ে সেরা মেসি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 14 September, 2021, 12:59 pm
রোনালদোকে ছাড়িয়ে সেরা মেসি

চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে ছাড়িয়ে সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা লিওনেল মেসি। পেছনে ফেলেছেন নেইমার ও এমবাপ্পেসহ অন্যদেরও।

বিশ্বজুড়ে ফুটবলভক্তদের কাছে জনপ্রিয় ‘ফিফা ভিডিও’ গেম। এমনকি ফুটবলাররাও অবসর সময়ে এই গেম খেলে সময় কাটান। বছরজুড়ে গেমটির নতুন এডিশন বা সংস্করণের জন্য অপেক্ষায় থাকেন সবাই।

এদিকে, নতুন সিজন শুরুর আগে গেমটিতে সর্বোচ্চ রেটিংধারী খেলোয়াড়ের তালিকা প্রকাশ করা হয়ে থাকে। যথারীতি এ বছরও ফিফার ভিডিও গেমে সর্বোচ্চ রেটিং নিয়ে শীর্ষে আছেন পিএসজির তারকা লিওনেল মেসি।

চলতি বছরে ফুটবলের এই মহাবিস্ময়ের রেটিং ৯৩। এছাড়া দ্বিতীয় অবস্থানে আছেন বায়ার্ন মিউনিখের পোলিশ তারকা রবার্ট লিওনডস্কি। যার রেটিং ৯২।

অন্যদিকে, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের পর্তুগিজ তারকা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ৯১ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে আছেন। তালিকায়, ম্যানচেস্টার সিটির মিডফিল্ডার কেভিন ডি ব্রুইন চতুর্থ এবং পিএসজিতে মেসির সতীর্থ কিলিয়ান এমবাপ্পে পঞ্চম এবং নেইমার ষষ্ঠ অবস্থানে রয়েছেন।

এদিকে, এ বছরের চলতি সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত বিশ্ব ফুটবলে সেরা পাঁচ গোলমেশিন মেসি, রোনালদো, লিওনডস্কি, হালান্ড, এমবাপ্পে অসংখ্য স্মরণীয় মুহূর্ত উপহার দিয়েছেন ক্লাব ও জাতীয় দলের হয়ে। যারা বছরের সর্বোচ্চ গোলদাতার দৌড়েও ভালোমতোই টক্কর দিচ্ছেন একে অপরকে।

যদিও এবারের মৌসুমে মেসি-রোনালদোকে ছাপিয়ে গোলের দৌড়ে এখন পর্যন্ত শীর্ষে আছেন বায়ার্ন মিউনিখের পোলিশ তারকা ফুটবলার রবার্ট লিওনডস্কি। চলতি বছরে সর্বোচ্চ ৪৫ বার প্রতিপক্ষের জালে বল পাঠিয়েছেন তিনি।

বুন্দেসলিগার নতুন মৌসুমেও গোলচাকা অব্যাহত আছে পোলিশ এই তারকার, প্রথম চার ম্যাচে এখন পর্যন্ত করেছেন ছয়টি গোল। এছাড়া পোল্যান্ডের হয়ে বিশ্বকাপ বাছাইয়েও একাধিক গোলের দেখা পেয়েছেন। পরের নামটি বুন্দেসলিগারই আরেক ক্লাব বরুশিয়া ডর্টমুন্ডের নরওয়েজিয়ান সেনসেশন আর্লিও হালান্ডের। নরওয়ে ও বরুশিয়ার হয়ে ৩৮ গোল করে তালিকায় দুইয়ে আছেন তিনি। ২১ বছর বয়সী এই তারকা লিগের নতুন মৌসুমের সবশেষ চার ম্যাচেও পাঁচ গোল করেছেন।

তালিকার তিনে অবস্থান লিওনেল মেসির। বার্সেলোনায় সোনালি সময় পার করে পিএসজিতে গেছেন ক’দিন আগেই। বার্সায় থাকতে গোলবন্যায় ভাসালেও নতুন ক্লাবের হয়ে এ পর্যন্ত এক ম্যাচে মাঠে নামলেও খেলেছেন অর্ধেক সময়েরও কম। আর তাই গোলেরও দেখা পাননি। তবে লাতিন আমেরিকা অঞ্চলের বিশ্বকাপ বাছাইয়ে বলিভিয়ার বিপক্ষে আর্জেন্টিনার হয়ে শেষ ম্যাচে করেছেন হ্যাটট্রিক। এছাড়া এখন পর্যন্ত ক্লাব ও আলবিসেলেস্তেদের জার্সিতে ৩৬ গোল করেছেন।

মেসির পরেই অবস্থান পিএসজি সতীর্থ ও ফরাসি ফরোয়ার্ড কিলিয়ান এমবাপ্পের। ক্লাব ও জাতীয় দলের হয়ে ৩৩ গোল করে নিজেকে ছাড়িয়ে যাচ্ছেন ফরাসিদের বিশ্বকাপজয়ী এই সেনসেশন।

সবশেষ অর্থাৎ পাঁচে অবস্থান পর্তুগিজ তারকা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর। য়্যুভেন্তাস থেকে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে ফিরে দ্বিতীয় অভিষেকে জোড়া গোল করে রাজকীয় প্রত্যাবর্তন হয়েছে। এছাড়া পর্তুগালের বিশ্বকাপ বাছাইয়েও প্রতিম্যাচেই গোলের দেখা পাচ্ছেন । সবমিলিয়ে এ বছর ক্লাব ও জাতীয় দল জার্সিতে সিআর সেভেনের পাশে জমা হয়েছে ৩১ গোল।

এন-েকে

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।