খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভূতের খপ্পরে বলিউড ‘ড্রিমগার্ল’!

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ১:৪২ অপরাহ্ণ
ভূতের খপ্পরে বলিউড ‘ড্রিমগার্ল’!

বলিউডের ‘ড্রিমগার্ল’ হেমা মালিনী। তার সৌন্দর্য্য এবং অভিনয়ের ভক্ত লক্ষ লক্ষ। অভিনয় দক্ষতা থেকেও হেমার নাচ, যা নিয়ে নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না। সবকিছুতেই তিনি জায়গা করে নিয়েছেন দর্শকমনে। সম্প্রতি এক ভূতুড়ে অভিজ্ঞতা নিয়ে মুখ খুললেন বলিউডের এই প্রবীণ গুনী অভিনেত্রী, যা শুনলে গায়ে কাটা দেবে আপনারও।

তিনি জানান, শুরুর দিকে মুম্বাইয়ে স্বপরিবারেই থাকতেন তিনি। সাফল্যের মুখ দেখার পর পরিবারসহ বান্দ্রার একটি বাড়িতে ওঠেন। সেখানেই গায়ে কাঁটা দেয়ার মতো ওই অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয়েছিলেন বলিউডের এই ‘ড্রিমগার্ল’।

২০১৮ সালে ‘রেডিফ’কে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে হেমা জানান, একটা সময় প্রতি রাতে মনে হতো ঘুমের মধ্যে কেউ যেন এসে দুই হাত দিয়ে তাঁর গলা চেপে ধরছে। নিমিষে ঘুম ভেঙে যেত তাঁর। বিছানা ছেড়ে উঠে দাঁড়িয়ে দেখতেন, পাশে তাঁর মা নিশ্চিন্তে ঘুমচ্ছেন। এরপর তাঁর অস্বস্তি আরও বেড়ে যেত।

হেমা বলেন, ‘তখন ‘স্বপ্নোকে সওদাগর’ সিনেমার শুটিং চলছিল। এর মাঝেই সুবোধ মুখোপাধ্যায়ের ছবি অভিনেত্রীতে কাজের সুযোগ পেলাম। এরপরেই বান্দ্রার একটি ছোট ফ্ল্যাটে উঠে এসেছিলাম। মনে আছে, ভানু আথাইয়া ওই দুই কামরার ছোট ফ্ল্যাটে নিজের ডিজাইন করা পোশাকের ট্রায়াল দেওয়াতে আসতেন। সেই ফ্ল্যাটেই উঠেছিলাম। এর কিছু সময় পর জুহুর সেভেন্থ রোডের বাংলোতে সপরিবারে উঠেছিলাম। কয়েকদিন যেতে না যেতেই টের পেয়েছিলাম সেটা পুরোপুরি ‘ভূতুড়ে বাড়ি’। ঠিক সেখানেই এই গায়ে কাঁটা দেয়া অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছিলাম’।

অভিনেত্রী একটু দম নিয়ে আরো বলেন, ‘ওই বাংলোতে প্রতি রাতে ঘুমানোর সময় মনে হতো, কেউ যেন আমার গলা টিপে ধরছে। শ্বাস নিতে অসুবিধে হতো। ছটফট করতে করতে ঘুম ভেঙে যেত আমার। পাশে তখন মা নিশ্চিন্তে ঘুমাচ্ছেন। আর এ ঘটনা প্রতি রাতেই চলত। শেষপর্যন্ত নিজের ফ্ল্যাট কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম’।

এরপর আর দেরি না করে নিজেড় জন্য একটি ফ্ল্যাট কিনেও ফেলেছিলেন হেমা। দ্রুত জিনিসপত্র নিয়ে ছেড়ে দিয়েছিলেন জুহুর সেই ‘ভূতুড়ে বাংলো’।

এন-কে

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…