ঘুরে দাঁড়িয়েছে পুঁজিবাজার
সাত কার্যদিবনে ধারাবাহিক পতনের পর পুঁজিবাজার ঘুরে দাঁড়িয়েছে। বৃহস্পতিবার (২১ অক্টোবর) শেষ ঘণ্টায় ঊর্ধ্বগতির প্রবণতা দেখা দিয়েছে।
চলতি সপ্তাহের প্রথম তিন কার্যদিবসসহ ধারাবাহিকভাবে সাত কার্যদিবসে দরপতন হয়েছে পুঁজিবাজারে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান মূল্যসূচক ৩৪৭ পয়েন্ট পড়ে যায়। চলতি সপ্তাহের প্রথম তিন কার্যদিবসেই পড়েছে ২২৩ পয়েন্ট।
পুঁজিবাজারের এমন ধারাবাহিক দরপতন বিনিয়োগকারীদের আতঙ্কের কারণ হয়ে দাড়িয়েছিল। কিন্তু সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস সূচকের বড় উত্থানের ফলে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে কিছুটা হলেও স্বস্তি ফিরেছে।
সাত কার্যদিবসে ধারাবাহিক পতনের পর বৃহস্পতিবার (২১ অক্টোবর) পুঁজিবাজারে লেনদেন শুরু থেকেই দাম বৃদ্ধি পেয়েছে প্রায় সবকটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের।
সূচক ঘুরতে থাকে দুপুর দেড়টার পর। শেষ আধঘণ্টা সূচকের ঊর্ধ্বগতির ধারা অব্যাহত থাকে।
লেনদেন শেষে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসই-এক্স পূর্বের দিনের তুলনায় ৫৫ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়ে এখন ৭ হাজার ৭৬ পয়েন্টে। ডিএসই শরিয়াহ্ ১৩ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়ে এখন ১ হাজার ৫১৮ পয়েন্টে। এবং ভালো কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক ৪৩ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়ে ২ হাজার ৬৯৯ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
ডিএসইতে লেনদেনে অংশ নেওয়া ১৫৩টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে।অপরদিকে দাম কমেছে ১৭৯টির। আর ৪২টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
তবে সূচক ঘুরে দাঁড়ালেও লেনদেনের গতি কমেছে। ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ৩১০ কোটি ৯৭ লাখ টাকা। আগের দিন লেনদেন হয় ১ হাজার ৬৮২ কোটি ৮৫ লাখ টাকা। সে ক্ষেত্রে লেনদেন কমেছে ৩৭১ কোটি ৮৮ লাখ টাকা।
সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে বেক্সিমকোর শেয়ার। কোম্পানিটির ২৮৫ কোটি ৫৬ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে আইএফআইসি ব্যাংক। তাদের ৬৪ কোটি ৫২ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে। ৫৯ কোটি ৩২ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনের হওয়া এনআরবিসি ব্যাংক তৃতীয় স্থানে রয়েছে।
অপরদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই বৃদ্ধি পেয়েছে ১৭২ পয়েন্ট। লেনদেন হয়েছে ৪১ কোটি ৮১ লাখ টাকা। লেনদেনে অংশ নেওয়া ২৭৩টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১১৪টির দাম বেড়েছে। দাম কমেছে ১৩২টির এবং ২৭টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
এন-কে


আপনার মতামত লিখুন