খুঁজুন
, ,

এপেক্স ক্লাব: ফাতেমা পল্লীতে গ্রীন সিটি ও পতেঙ্গার শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 14 November, 2019, 2:37 am
এপেক্স ক্লাব: ফাতেমা পল্লীতে গ্রীন সিটি ও পতেঙ্গার শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ

সেবা, সু-নাগরিকত্ব ও সৌহার্দ্য এ তিনটি লক্ষকে সামনে রেখে কাজ করে যাচ্ছে এপেক্স বাংলাদেশের অন্তর্গত ১৩৬টি ক্লাব।

সেই ধারাবাহিকতায় এপেক্স বাংলাদেশের জেলা-০৩ এর অন্তর্গত দুটি ক্লাব এপেক্স ক্লাব অফ গ্রীন সিটি এবং এপেক্স ক্লাব পতেঙ্গার যৌথ উদ্যোগে মীরসরাইয়ের জোরারগঞ্জ ধানাধীন তেমুহনী মরাদপুর ফাতেমা পল্লী শিক্ষা ও স্বাস্থ্য কেন্দ্রের অধীন ফাতেমা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও ফাতেমা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ করে।

বুধবার (১৩ নভেম্বর) দুপুরে ২৫১ জন শিক্ষার্থীর মাঝে খাতা,কলম,পেন্সিল,রাবার,কাটার ও চকলেট বিতরণ করা হয়।

শিক্ষা সামগ্রী বিতরণকালে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এপেক্স বাংলাদেশের জাতীয় সেবা পরিচালক(এনএসডি) এপেক্সিয়ান হাজী ইলিয়াছ জসিম।

বিশেষ অতিথি ছিলেন এপেক্স বাংলাদেশের অন্তর্গত জেলা-০৩ এর ডিজি এপেক্সিয়ান এ্যাড. এরশাদুর রহমান রিটু।

এ সময় বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি,সদস্যবৃন্দ, শিক্ষক-শিক্ষিকাগণ এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিগণ উপস্থিত ছিলেন।

ইলিয়াছ জসিম বলেন, আজকের শিশুরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। একটি জাতির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হচ্ছে শিশুরা। আজ যারা শিশু তাদেরকে যদি আমরা সযত্নে, সুস্থ-সুন্দর পরিবেশে বিকাশ লাভের সুযোগ করে দিই, তাহলে ভবিষতে তারা হবে এদেশের এক একজন আদর্শ, কর্মক্ষম, সুযোগ্য নাগরিক। এক সময় তারা দেশের প্রতিটি সেক্টর-এ অসাধারণ দক্ষতার পরিচয় দিয়ে এ দেশকে অগ্রগতির দিকে নিয়ে যাবে।

এনএসডি ইলিয়াছ জসিম

জসিম বলেন, শিক্ষার্থীরা একদিন জ্ঞানের আলোয় আলোকিত হয়ে এই অঞ্চলকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যাবে। এবং অন্যান্য এলাকার সাথে তাল মিলিয়ে উন্নয়নের পথের প্রতীক হবে। আমাদের সকলেরই উচিত একে অপরের প্রতি সদয় হওয়া এবং সহযোগিতা করা।

তিনি বিদ্যালয়ের পরিচ্ছন্নতার জন্য প্রধান শিক্ষিকাকে এক হাজার টাকা প্রদান করেন।

এ্যাড. এরশাদুর রহমান বলেন, আজ তোমাদের সবার মাঝে থাকতে পেরে আমি গর্বিত কারণ আমি একজন শিক্ষষকের ছেলে। আমার বাবা তার কর্মজীবন শিক্ষার্থীদের জন্য উৎসর্গ করেছিলেন।

জিজি-০৩ এ্যাড.এরশাদুর রহমান রিটু

রিটু বলেন, নিজেকে দক্ষ ও যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলতে হলে স্বপ্ন দেখতে হবে। সে স্বপ্ন বাস্তবায়নে সততা, নিষ্ঠা এবং পরিশ্রম করতে হবে।

তিনি মীরসরাই অঞ্চলে এপেক্স ক্লাব অফ মীরসরাই নামে একটি ক্লাবের যাত্রা শুরু করতে উপস্থিত ব্যক্তিবর্গের কাছে আহ্বান জানান। কেউ এগিয়ে এলে তিনি সর্বাত্মক সহোযোগীতা করবেন বলে আশ্বাস প্রদান করেন।

এপেক্স ক্লাব অফ গ্রীন সিটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এপেক্সিয়ান হাজী জাকির হোসেন বলেন, শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ করে আমরা তাদের মুখে হাসি ফোটাতে চেয়েছি। তাদের হাসি আমাদের ভালোবাসা, তাহাদের হাসি আমাদের সব।

ডিজি-০৩ পদপ্রার্থী এপেক্সিয়ান হাজী জাকির হোসেন

তিনি আরো বলেন, ভালোবাসার মানুষটিকে ফুল দিয়ে ভালোবাসা প্রমাণ করার চেয়ে অসহায় ও দরিদ্র পরিবারের মেধাবী শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের ভালোবাসা আর হাসি উপভোগ করা অনেক মজার।

জাকির বলেন, মানব সভ্যতার ভবিষ্যৎ এখন নির্ভর করছে বিশ্বের সকল প্রান্তের মানুষের এক হয়ে কাজ করার মাঝে। আমরাই সেই প্রজন্ম হতে পারি যারা দরিদ্রতা ও রোগব্যাধি দূর করবে। এবং আমরা সেই সুযোগ তখনই পাবো যখন আমরা সকলে একত্রিত হয়ে কাজ করতে পারব।

উপস্থিত শিক্ষার্থীদের একাংশ

বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি,সদস্য এবং প্রধান শিক্ষিকা অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদান করেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন, পতেঙ্গা ক্লাবের অতীত সভাপতি জিল্লুল করিম।

স্কুলের ধর্মীয় শিক্ষক পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন। শিক্ষার্থীরা এপেক্সিয়ানদের স্বাগত জানিয়ে দুটি গান পরিবেশন করেন।

বাড়তি শিক্ষা সামগ্রী প্রধান শিক্ষিকাকে হস্তান্তর

অনুষ্ঠানে এপেক্সিয়ানদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন,এপেক্স ক্লাব অফ চিটাগাং মেট্রোপলিটন এর অতীত এপেক্সিয়ান রাশেদ ইবনে ফরিদ চৌধুরী, পতেঙ্গার সভাপতি মনোয়ারুল ইসলাম, সিনিয়র সহ-সভাপতি মীর হোসেন এবং মিজানুর রহমান টিপু।

এপেক্স ক্লাব গ্রীন সিটির এপেক্সিয়ানগণের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা এবং চাটার্ড সভাপতি হাজী গোলাম কবির, হাজী জাকির হোসেন, এসআইএম নাসিম,বাবুল রঞ্জন সাহা,সাইফুল ইসলাম মামুন,মঞ্জুর মোরশেদ রনী,দিলুরা আক্তার,সোহেল প্রমুখ।

একজন শিক্ষার্থী শিক্ষা সামগ্রী গ্রহণ করছেন

অনুষ্ঠানে এপেক্স বাংলাদেশের ২০২০ বর্ষের এনভিপি পদপ্রার্থী ইলিয়াছ জসিম এবং জেলা-০৩ এর ২০২০ বর্ষের ডিজি পদপ্রার্থী জাকির হোসেনের জন্য সবাই দোয়া করেন।

উল্লেখ্য,১৯৩১ খৃষ্টাব্দে অস্ট্রেলিয়ায় এয়েন লেইর্ড,ল্যাংহাম প্রাউড এবং স্যার জন বুকান কেটির হাত ধরে যাত্রা শুরু করে এপেক্স। সুলেমান খানের মাধ্যমে করাচি হয়ে ঢাকায় এপেক্সের সূচনা হয় ১৯৬১ খৃষ্টাব্দে।

Feb2
Feb2

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) আজ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 26 August, 2026, 10:15 am
পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) আজ

আজ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী। মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) এর জন্ম ও মৃত্যুর পুণ্যময় দিন। ৫৭০ খ্রিস্টাব্দের ১২ রবিউল আউয়াল অর্থাৎ আজকের এই দিনে তিনি আরবের মক্কা নগরীতে জন্মগ্রহণ করেন। ৬৩ বছর বয়সে একইদিনে তিনি ইন্তেকাল করেন।

দিনটি মুসলিম উম্মাহর কাছে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) নামে পরিচিত। ৫৭০ সালের এই দিনে (১২ রবিউল আউয়াল) আরবের মক্কা নগরীর সভ্রান্ত কুরাইশ বংশে মা আমিনার কোল আলো করে জন্ম নিয়েছিলেন বিশ্বনবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)।

মহানবী হজরত মুহম্মদ (সা.) এর জন্মের আগে গোটা আরব অন্ধকারে নিমজ্জিত ছিল। ওই সময় আরবের মানুষ মহান আল্লাহকে ভুলে গিয়ে নানা অপকর্মে লিপ্ত ছিল। আরবের সর্বত্র দেখা দিয়েছিল অরাজকতা ও বিশৃঙ্খলা। এ যুগকে বলা হতো ‘আইয়ামে জাহেলিয়াত’র যুগ।

তখন মানুষ হানাহানি ও কাটাকাটিতে লিপ্ত ছিল এবং মূর্তিপূজা করত। এই অন্ধকার যুগ থেকে মানবকুলের মুক্তিসহ তাদের আলোর পথ দেখাতে মহান আল্লাহ তাআলা রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে দুনিয়ায় প্রেরণ করেন।

মহানবী (সা.) অতি অল্প বয়সেই আল্লাহর প্রেমে অনুরক্ত হয়ে পড়েন এবং প্রায়ই তিনি হেরা পর্বতের গুহায় ধ্যানমগ্ন থাকতেন। ২৫ বছর বয়সে মহানবী বিবি খাদিজার সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। মাত্র ৪০ বছর বয়সে তিনি নবুয়ত লাভ বা মহান রাব্বুর আলামিনের নৈকট্য লাভ করেন।

পবিত্র কোরআন শরীফে বর্ণিত আছে, ‘মহানবীকে সৃষ্টি না করলে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন পৃথিবীই সৃষ্টি করতেন না’। এসব কারণে এবং তৎকালীন আরব জাহানের বাস্তবতায় এ দিনের (পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবীর) গুরুত্ব ও তাৎপর্য অনেক বেশি। বাংলাদেশসহ বিশ্ব মুসলিম সম্প্রদায় এ দিনটি ঈদে মিলাদুন্নবী হিসেবে পালন করে থাকে।

ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পৃথক বাণী দিয়েছেন। তারা মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর শান্তি, ন্যায়, সহনশীলতা, ভালোবাসা ও মানবিকতার আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে হিংসা-বিদ্বেষ, বিভেদ ও অন্যায় পরিহার করে শান্তি, সম্প্রীতি, সাম্য ও মানবিকতার ভিত্তিতে ন্যায়ভিত্তিক সমাজ ও রাষ্ট্র গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন।

ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষ্যে বুধবার সরকারি ছুটি। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক ও ধর্মীয় সংগঠন আলোচনা সভা, মিলাদ, দোয়া মাহফিলসহ বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের আয়োজনে মঙ্গলবার বাদ মাগরিব থেকে শুরু হয়েছে পক্ষকালব্যাপী আয়োজন। বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছে বিএনপি। সিরাতুন্নবী (সা.) নামে জামায়াত এবং দলটির বিভিন্ন সংগঠন মাসব্যাপী কর্মসূচি পালন করছে। আজ বাদ আসর বাংলামোটরে দলীয় কার্যালয়ে মেহফিলে ইশক রাসুল (সা.) এবং নাত-সন্ধ্যার আয়োজন করেছে এনসিপি।

ঢাকায় ভুটানের রাজার যাত্রাবিরতি, সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন রাষ্ট্রপতি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 26 August, 2026, 10:09 am
ঢাকায় ভুটানের রাজার যাত্রাবিরতি, সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন রাষ্ট্রপতি

ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগে ওয়াংচুক-কে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে স্বাগত জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

ভুটানের রাজাকে বহনকারী একটি বিশেষ বিমান সিঙ্গাপুর থেকে ভুটান যাওয়ার পথে বুধবার (২৬ আগস্ট) ভোরে ঢাকায় যাত্রাবিরতি করে। বিমানবন্দরে প্রায় এক ঘণ্টার অবস্থানকালে ভিভিআইপি লাউঞ্জে রাষ্ট্রপতি ভুটানের রাজার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। তারা পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে সৌহার্দ্যপূর্ণ আলোচনা করেন।

এসময় রাষ্ট্রপতি ভুটানের রাজা ও রাজপরিবারের সদস্যদের সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় সফরের জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। জবাবে ভুটানের রাজা বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীকে তাদের সুবিধাজনক সময়ে ভুটান সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।

ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগে ওয়াংচুক রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভ কামনা জানিয়েছেন। রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের জনগণ ও সরকারের পক্ষ থেকে ভুটানের রাজা ও রাজপরিবারের সদস্যদের প্রতি উষ্ণ শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। জবাবে ভুটানের রাজাও বাংলাদেশের জনগণ ও সরকারের প্রতি শুভকামনা জ্ঞাপন করেন।

আলাপকালে রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশ ও ভুটানের মধ্যে গভীর ও ঐতিহাসিক সম্পর্ক বিদ্যমান। তিনি বলেন, ভুটান সবসময় আমাদের হৃদয়ে বিশেষ স্থান করে আছে। কারণ, ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেওয়া বিশ্বের প্রথম দেশ ভুটান।

বাংলাদেশের প্রতি ভুটানের বর্তমান রাজার পিতা, রাজা জিগমে সিংগে ওয়াংচুকের বিশেষ মমত্ববোধ ও শুভ কামনাও রাষ্ট্রপতি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।

দুই দেশের অভিন্ন উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির আকাঙ্ক্ষার কথা তুলে ধরে ভুটানের রাজা শিক্ষা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন।

ভুটানের রাজা তার দূরদর্শী ‘গেলেফু মাইন্ডফুলনেস সিটি’ প্রকল্প সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন এবং এ উদ্যোগে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ ও সহযোগিতা কামনা করেন। রাষ্ট্রপতি প্রকল্পটির প্রতি গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং এর প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, পারস্পরিক কল্যাণ, সমৃদ্ধি ও টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে এ অঞ্চলের রূপান্তরমূলক উদ্যোগগুলো এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ভুটানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে প্রস্তুত।

সৌজন্য সাক্ষাতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, বাংলাদেশে নিযুক্ত ভুটানের রাষ্ট্রদূত এবং বাংলাদেশ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ভুটানের রাজাকে বহনকারী বিশেষ বিমানটি সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ভুটানের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করে।

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।